সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৭ পি.এম
সিলেট, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ
রোববার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর রিকাবীবাজার পয়েন্ট থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চার সক্রিয় কর্মীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এইচ উবায়েদ প্রকাশ সুফিয়ান হোসেন (২৭), এহসান হোসেন (২৫), আব্দুল্লাহ আল রাহি (২৫) এবং শাহ তাহমিদ আহমদ (৩৩)।
গ্রেফতারকৃত চারজনই সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বাসিন্দা।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এডিসি (মিডিয়া) জানান, গ্রেফতারকৃতরা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সেবার তথ্য, সার্ভিস ডেলিভারি ম্যাট্রিক্স, পলিসি ব্রিফ ও ট্র্যাকার যদি একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা যায়, তাহলে সরকারের পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন, নাগরিক সেবা পরিবীক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ হবে।
তিনি সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির সম্মেলন কক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইন্টার-মিনিস্টেরিয়াল ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি পলিসি ব্রিফস অ্যান্ড ম্যাট্রিক্স’ শীর্ষক কর্মশালায় এ কথা বলেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, নাগরিকদের দেওয়া সেবাগুলো চিহ্নিত করতে হবে, যেমন: কারা সেবার উপকারভোগী, কোন প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করছে, এতে কত ব্যয় হচ্ছে এবং প্রত্যাশিত ফলাফল কী। একইসঙ্গে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায় রয়েছে এবং তা সমাধানের উপায় কী, সেটিও নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সেবাগুলোকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে যুক্ত করে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর প্রতিটি সেবার উপকারভোগী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তর, প্রয়োজনীয় বাজেট এবং সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাকে একটি সার্ভিস ডেলিভারি ম্যাট্রিক্সের আওতায় আনতে হবে।
ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি সেবাকে শুধুমাত্র একটি মন্ত্রণালয়ের বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। নীতি, উপকারভোগী, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, বাজেট, প্রত্যাশিত ফলাফল এবং নাগরিকের মতামত—এসব বিষয়কে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
এভাবে জাতীয় পর্যায়ে সরকারি সেবার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই ধরনের সেবার পুনরাবৃত্তি কমানো এবং আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার করা যাবে। সেবা ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের সঙ্গে বাজেট বরাদ্দের যোগসূত্রও তৈরি হবে।
এতে কর্মকর্তারা তাদের কাজের সঙ্গে পরিমাপযোগ্য ফলাফলের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হবেন।
সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করার ওপরও গুরুত্ব দেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে একটি ট্র্যাকার রাখতে হবে। সেখানে সমস্যা, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, করণীয়, সময়সীমা ও অগ্রগতির তথ্য থাকবে।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, নীতিকে সেবার সঙ্গে, সেবাকে উপকারভোগীর সঙ্গে, উপকারভোগীকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এবং প্রতিষ্ঠানকে বাজেটের সঙ্গে যুক্ত করা।
এছাড়া কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতাকে পরিমাপযোগ্য ফলাফলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে সিভিল সার্ভিসের মেধা ও সক্ষমতাকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবার মান উন্নত করা সম্ভব হবে।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সরকারের বিভিন্ন সেবা দেখাশোনার দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে ম্যাট্রিক্স তৈরি করা হলে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার সেবা একসঙ্গে মনিটরিং করা সম্ভব হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম বলেন, সরকারের বিভিন্ন সেবা—যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সেবাকর্মীদের মাসিক সম্মানি ভাতা—একই ম্যাট্রিক্সের আওতায় এনে সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ট্র্যাকার চালু করা হবে।
কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সরকারের বিভিন্ন সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের জনগণের সেবায় আরো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দেন।
কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির ফ্যাকাল্টি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার মিলানের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচের আগে একটি শব্দবোমা ফাটিয়েছেন। তিনি নিজেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবি করেছেন এবং বলেছেন, "তবে সবারই নিজস্ব মতামত রয়েছে।"
এছাড়া, ব্যক্তিগত মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, "হয়তো মানুষ ভিন্নভাবে চিন্তা করে। তবে আমার মনে হয় না, এটি এমন কোনো বিষয় যা নিয়ে আমাদের বিতর্ক করা প্রয়োজন আছে।"
২০২৬ বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফর্ম করে এমবাপ্পে ১০টি গোল নিজের ঝুলিতে পোরেন।
এটি তাকে গোল্ডেন বুট জেতার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (২২ গোল) হওয়ার অনন্য রেকর্ড গড়তে সাহায্য করে।
ব্যালন ডি’অর র্যাংকিংয়ে এমবাপ্পের সর্বোচ্চ অর্জন ২০২৩ সালে তৃতীয় স্থান, যখন তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) খেলোয়াড় ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সফররত জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই স্যাসাকাওয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি, চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে বৈদেশিক মানবিক সহায়তা ও অর্থায়ন কমে যাওয়ায় রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশন, সুরক্ষা, আশ্রয় এবং অন্যান্য জরুরি মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের মৌলিক মানবিক প্রয়োজন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অব্যাহত, পর্যাপ্ত ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষভাবে কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং অর্থায়ন সংকট মোকাবিলায় দুই ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
এছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন।
প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গাদের জন্য চলমান কার্যক্রমে সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বিত ও কার্যকর অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রযোজ্য। এই সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকরা সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে নির্ধারিত ফি দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য পরিশোধ করতে সক্ষম হবেন।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সার্কুলারের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’-এর আওতায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধের জন্য ঋণ প্রদান করা হবে। এতে ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ফি, টোল ও টিকিটের খরচ, করসহ বিভিন্ন সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত কাঠামোর ভিত্তিতে ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করেছে।
ঋণের পরিমাণ ৫০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে হলে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঋণের মূল অর্থ ও প্রযোজ্য ফি যথাক্রমে অষ্টম, ১৬তম অথবা ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে। ঋণের অর্থ নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীর অনুকূলে অনুমোদিত ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি পরিশোধ করতে হবে।
এই অর্থ নগদে রূপান্তর করা যাবে না এবং গ্রাহকের ওয়ালেটে যোগ বা অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না। গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের আগে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি, সুদ, প্রি-পেমেন্ট, আর্লি সেটেলমেন্ট বা ফোরক্লোজার চার্জ আরোপ করা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য দৈনিক ভিত্তিতে জরিমানা বা ফি নেওয়া যেতে পারে, যা নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
ঋণ অনুমোদনের পূর্বে গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, ফি, মেয়াদ ও পরিশোধ পদ্ধতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব শর্ত জানাতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকের আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং মডেল ব্যবহার করতে হবে এবং ঝুঁকিভিত্তিক ঋণসীমা নির্ধারণ করতে হবে। গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ডিজিটাল অনবোর্ডিং সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে ওটিপি, দুই স্তরের যাচাইকরণ (টুএফএ), মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) অথবা অন্য কোনো নিরাপদ পদ্ধতিতে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
এ সুবিধা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং অন্যান্য ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সেবা চ্যানেল ব্যবহার করতে পারবে।
গ্রাহক ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে অবস্থিত ডেটা ওয়্যারহাউসে সংরক্ষণ করতে হবে। এই তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।
তবে বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে ন্যূনতম ছয় মাস পাইলট ভিত্তিতে ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাইলট কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন করে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এ সুবিধা চালু করা যাবে।
বাণিজ্যিকভাবে চালুর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-কে পাইলট কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং অনুমোদিত প্রোডাক্ট প্রোগ্রাম গাইডলাইন (পিপিজি) সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ