ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের


১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রযোজ্য। এই সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহকরা সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে নির্ধারিত ফি দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য পরিশোধ করতে সক্ষম হবেন।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সার্কুলারের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’-এর আওতায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধের জন্য ঋণ প্রদান করা হবে। এতে ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ফি, টোল ও টিকিটের খরচ, করসহ বিভিন্ন সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত কাঠামোর ভিত্তিতে ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করেছে।

 

ঋণের পরিমাণ ৫০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে হলে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঋণের মূল অর্থ ও প্রযোজ্য ফি যথাক্রমে অষ্টম, ১৬তম অথবা ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে। ঋণের অর্থ নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীর অনুকূলে অনুমোদিত ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি পরিশোধ করতে হবে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

এই অর্থ নগদে রূপান্তর করা যাবে না এবং গ্রাহকের ওয়ালেটে যোগ বা অন্য কোনো হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না। গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের আগে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি, সুদ, প্রি-পেমেন্ট, আর্লি সেটেলমেন্ট বা ফোরক্লোজার চার্জ আরোপ করা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য দৈনিক ভিত্তিতে জরিমানা বা ফি নেওয়া যেতে পারে, যা নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

ঋণ অনুমোদনের পূর্বে গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, ফি, মেয়াদ ও পরিশোধ পদ্ধতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব শর্ত জানাতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকের আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং মডেল ব্যবহার করতে হবে এবং ঝুঁকিভিত্তিক ঋণসীমা নির্ধারণ করতে হবে। গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ডিজিটাল অনবোর্ডিং সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে ওটিপি, দুই স্তরের যাচাইকরণ (টুএফএ), মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) অথবা অন্য কোনো নিরাপদ পদ্ধতিতে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

এ সুবিধা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং অন্যান্য ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সেবা চ্যানেল ব্যবহার করতে পারবে।

গ্রাহক ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে অবস্থিত ডেটা ওয়্যারহাউসে সংরক্ষণ করতে হবে। এই তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।

তবে বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে ন্যূনতম ছয় মাস পাইলট ভিত্তিতে ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাইলট কার্যক্রমের ফলাফল মূল্যায়ন করে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এ সুবিধা চালু করা যাবে।

বাণিজ্যিকভাবে চালুর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-কে পাইলট কার্যক্রমের মূল্যায়ন এবং অনুমোদিত প্রোডাক্ট প্রোগ্রাম গাইডলাইন (পিপিজি) সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। 

আরও পড়ুন: আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন করেছে সায়েল মিয়া

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গে ফের উপনির্বাচনের দামামা, ভোট ৬ অক্টোবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গে ফের উপনির্বাচনের দামামা, ভোট ৬ অক্টোবর

পশ্চিমবঙ্গে ফের উপনির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। ভারতের একাধিক রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা আসনেও উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

সোমবার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর তামিলনাড়ুর দুটি আসন—মাদুরান্তাকম ও ধারাপুরম, পুডুচেরির একটি আসন—থাট্টানচাভাদি এবং পশ্চিমবঙ্গের দুটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। একই দিনে আসামের নগাঁও লোকসভা আসনেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর।

পশ্চিমবঙ্গের যে দুটি আসনে উপনির্বাচন হবে, সেগুলো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর।

২০২৬ সালের এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে জয় পেয়েছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র করকে পরাজিত করেন। একই নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনেও জয় পান শুভেন্দু।

অন্যদিকে রেজিনগর আসনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেউপি)-র চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি বিজেপির প্রার্থী বাপন ঘোষকে পরাজিত করেন। নওদা আসনেও জয় পেয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর।

পরে ভবানীপুর আসন নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রাম আসন থেকে পদত্যাগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে নওদা আসন নিজের কাছে রেখে রেজিনগর আসন ছেড়ে দেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিধানসভা আসন শূন্য হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে সেখানে উপনির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

পূজার আগেই তাই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ওই দুই আসনে নির্বাচনী আচরণবিধিও কার্যকর হয়েছে।

তবে এবারের উপনির্বাচনে বিশেষ নজর থাকবে রেজিনগর আসনের দিকে। সেখানে তৃণমূল নেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রার্থী হন কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা গেছে, মমতা ব্যানার্জি চাইলে তিনি রেজিনগর আসনটি তাঁর জন্য ছেড়ে দিতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে ডুবে মামি-ভাগ্নির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে ডুবে মামি-ভাগ্নির মৃত্যু

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের পূর্বদি এলাকায় নির্মীয়মাণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মামি ও ভাগ্নির মৃত্যু ঘটেছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জুলিয়া (২২) এবং ১৬ বছর বয়সী রাবেয়া।

দুজনের বাসস্থান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের আলুকান্দা এলাকায়। জুলিয়ার স্বামী শফিকুল ইসলাম বর্তমানে কুয়েতে কর্মরত আছেন। জুলিয়ার ১৬ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রাবেয়া স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এলাকার স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জুলিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার স্বামী শফিকুল ইসলাম দেশে ফিরতে রওনা দিয়েছেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে পরিবারের ছয় সদস্য নির্মাণাধীন ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে যান। সাঁতার না জানার কারণে অসাবধানতাবশত জুলিয়া ও রাবেয়া পানিতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টা পরে তাদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

 

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রথমে স্থানীয়রা পানিতে ডুবে যাওয়া দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

জাবিতে বাস আটকে ৩৫ হাজার টাকা আদায় ঘিরে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


জাবিতে বাস আটকে ৩৫ হাজার টাকা আদায় ঘিরে বিতর্ক

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ১৪ নম্বরে ইতিহাস পরিবহনের এক বাসচালক কর্তৃক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে পরিবহনটির পাঁচটি বাস চার দিন ধরে ক্যাম্পাসে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ৩৫ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহেদী হাসান। তিনি জাবির অর্থনীতি বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে আমি ক্যাম্পাস থেকে বাসায় যাচ্ছিলাম। সে সময় শুরুতে গাবতলীতে আমার সঙ্গে ওই বাসচালক খারাপ আচরণ করে এবং টেনেহিঁচড়ে বাসের ডিপোর পেছনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে মিরপুর ১৪-তে এসেও সে আমাকে মারধর করে, হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। বিষয়টি আমি আমার বিভাগের বন্ধুদের জানালে তারাসহ ওই বাসচালকের শাস্তির দাবিতে ক্যাম্পাসের গেটে বাসগুলো আটক করি। আমার প্রধান দাবি ছিল, ওই বাসচালককে আমাদের সামনে হাজির করা এবং শাস্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু চার দিন হয়ে গেলেও তারা সেটা পারেনি। এখন বাসের মালিকপক্ষ আমার ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং আমার চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে। তাই বাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ সময় কত টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং জোরপূর্বক টাকা নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বাকি কথা পরে বলবেন বলে জানিয়েছেন।

তবে ইতিহাস পরিবহনের মিরপুর সড়কের ম্যানেজার মো. জুয়েল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং তাকে মারা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তিনি যদি টাকা নিয়ে বাস ছেড়ে দেবেন তাহলে সেটা আমাদের প্রথমেই জানিয়ে দিতেন। চার দিন ক্যাম্পাসে পাঁচটি বাস কেন আটকে রাখা হলো? এটা তো আমাদেরকে হয়রানি ও জোরপূর্বক চাঁদাবাজির মতো হলো। আমাদের টাকাও গেল, লোকসানও হলো। সব অন্যায় আমাদের ওপরই হয়।

কত টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছাড়া হয়েছে, জানতে চাইলে মো জুয়েল বলেন, ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দিয়েছে। তারা আরও বেশি টাকা চেয়েছিল।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা শিক্ষার্থী ও বাসের মালিকপক্ষকে নিয়ে বিকেলে আলোচনায় বসি। ভুক্তভোগী তাকে মারধরের পরীক্ষা করানো এবং তার ল্যাপটপ, মোবাইলের ক্ষতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। পরে মালিকপক্ষ তাকে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে। এর ভিত্তিতে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাসের মালিকপক্ষ অভিযুক্তকে পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করবে বলে জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

ধ্বংসস্তূপ সরানোর আড়ালে ইসরায়েলের অপরাধ মোছার শঙ্কা গাজায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ পি.এম


ধ্বংসস্তূপ সরানোর আড়ালে ইসরায়েলের অপরাধ মোছার শঙ্কা গাজায়

দখলদার ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন ফিলিস্তিনের গাজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ অপসারণের প্রক্রিয়ার আড়ালে সংঘটিত ‘নৃশংস অপরাধের’ প্রমাণ মুছে ফেলার সম্ভাবনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের একজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ। একই সঙ্গে, এই কার্যক্রমের ফলে ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়া বহু ফিলিস্তিনির মানব দেহাবশেষ উদ্ধার ও শনাক্তকরণের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফ্রান্সেসকা আলবানিজ গাজা উপত্যকায় চলমান ‘ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং স্থানান্তরের’ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজার এই বিশাল ধ্বংসস্তূপের নিচে কেবল ইট-পাথর নয়, বরং গণহত্যাসহ অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভৌত আলামত ও মানব দেহাবশেষ চাপা পড়েছে।’

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে জানান, গাজাজুড়ে আনুমানিক ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ ও চাপা পড়ে রয়েছে। তাদের উদ্ধার না করে দ্রুত ধ্বংসস্তূপ অপসারণ মানবিক ও আইনি উভয় দিক থেকেই একটি গুরুতর অপরাধের সৃষ্টি করছে।

আলবানিজ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘গাজার প্রতিটি ধ্বংসস্তূপ একটি অপরাধস্থল (ক্রাইম সিন), একটি গণকবর এবং দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এক নির্মম ও নিরর্থক বোমাবর্ষণের ঘটনার বস্তুগত দলিল।’

তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তকারীদের উপস্থিতিতে প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান, যাতে আলামত নষ্ট হওয়া রোধ করা যায় এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%