সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ পি.এম
জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ইতালিতে হামলার শিকার হন। তিনি দাবি করেন, রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে গিয়ে মেস্ত্রে শহরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে সহকর্মীদের নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন বাঁধন। হামলার কারণে সেখানে থাকা তার সিনেমার টিম তথা দলের সদস্যরা নাকি তাকে একরকম বর্জন করেছে।
ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে সহকর্মীদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ার কথা জানিয়ে বাঁধন বলেন, “কিন্তু আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন (disown) করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সঙ্গে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি পরবর্তীতে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে আমার কো-অ্যাক্টরদের মধ্যে সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা আমাকে খুবই সাহায্য করেছেন।”
হামলার পর ভেনিসে সহায়তার কথা জানিয়ে বাঁধন বলেন, “ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের ডিরেক্টর, ইতালি সরকার, আমাদের দেশের সরকার এবং ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস আমাকে সাপোর্ট করেছে, সাহায্য করেছে।”
হামলার পর রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে পাওয়া নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, “আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে। ঘটনার দিন রাতেই সরকারি দপ্তর থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডর ভাইয়া প্রচণ্ড সাপোর্টিভ ছিলেন। ইতালি সরকার, ওখানকার কালচারাল মিনিস্টার, আন্ডার সেক্রেটারি এবং পুলিশ ডিপার্টমেন্ট প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা প্রোটেকশন দিয়েছে। এ ছাড়া নিরাপত্তার কারণে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের ডিরেক্টর লিডোতেই আমার থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।”
দেশবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের সমর্থনের কথা স্মরণ করে বাঁধন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। দেশের মানুষ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে বিরোধী ও সরকারি দলের নেতাকর্মী এবং প্রবাসী বাঙালিরা যে সাপোর্ট দিয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলতে পারব না। এত কষ্ট করে এই গরমে যারা আমার জন্য অপেক্ষা করেছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মেস্ত্রে শহরে তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বাঁধনকে, যার ভিডিও পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে মামলা দায়ের করেন অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে, যেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ হামলাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মানিক সরদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নের ছোট চর কয়ারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কালকিনি থানার এসআই (নিঃ) দেবব্রত চিন্তাপাত্রের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ছোট চর কয়ারিয়া এলাকায় মানিক সরদারের বসতবাড়ির উঠানে অভিযান চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মানিক সরদার ছোট চর কয়ারিয়া গ্রামের মৃত মোতালেব সরদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কালকিনি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার মানিক সরদারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পের ঝুঁকির তথ্য বিকৃত করার অভিযোগের কারণে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন জাপানের ‘চুবু ইলেকট্রিক পাওয়ার’ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা। দেশটির সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামাওকা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান কিঙ্গো হায়াশি এবং চেয়ারম্যান সাতোরু কাৎসুনো পদত্যাগ করবেন। একইসাথে, কেন্দ্রটির দুটি রিয়্যাক্টর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি স্বাধীন প্যানেলের ২৫০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, স্থগিত থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রটি দ্রুত চালু করার জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ কর্মীদের ওপর অন্যায্য চাপ সৃষ্টি করেছিল। এই চাপের প্রভাবে কর্মচারীরা ভূমিকম্পের ডাটা জালিয়াতি করতে বাধ্য হন। ২০২৪ সালের শুরুতে কেন্দ্রটির পরিচালনাকারী সংস্থা নিয়ন্ত্রকদের কাছে ভুয়া তথ্য জমা দেয়, যেখানে সম্ভাব্য ভূমিকম্পের ঝুঁকিকে অনেকটাই কমিয়ে দেখানো হয়েছিল। পরে একজন তথ্য প্রকাশকারীর (হোইসলব্লোয়ার) মাধ্যমে এই জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসলে পারমাণবিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ এনআরএ কেন্দ্রটির সব ধরনের নিরাপত্তা পর্যালোচনা স্থগিত করে।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির পর ফুকুশিমা বিপর্যয়ের কারণে জাপান তাদের পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশটি পুনরায় পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে মনোযোগ দিচ্ছিল। হামাওকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি রিয়্যাক্টর চালুর আবেদন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ফলে জাপানের পারমাণবিক শক্তি পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা বড় ধাক্কা খেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করা হবে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, নাছিম, আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর)। এর আগে ১৭ আগস্ট সোমবার মামলাটির শুনানি শেষে রায় প্রদানের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে মামলায় উপস্থিত ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইসরাত জাহান। প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।
প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশনারও আবেদন করেছে।
মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, ‘ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’
তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় এ কথা বলেন।
স্পিকার আরও জানান, ‘বাংলাদেশ এখনো ব্রিকসের সদস্য নয়। অংশীদার হওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নীতি এখনো স্পষ্ট নয়।’
মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রিজারভেশন তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। এ সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।’
স্পিকার বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। সরকার ও বিরোধী দল সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ