বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার কারণে সরকার তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের ওএসডি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এই কর্মকর্তাগণ ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া, এবং তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার সময় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। দুদকের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়, যার ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মামলা করা হয়।
ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন— জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার সময় অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। তবে সরকারি নথিতে তাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও জালিয়াতির তথ্য উঠে এসেছে।
দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, নথিপত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ছয় প্রার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এই তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন উপসচিব পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলার ধারাবাহিকতায় এবার ওএসডি করার সিদ্ধান্ত নেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
অন্য তিন কর্মকর্তা এখনো অন্য ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুদকের মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের ফলে সরকারি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়টি আবারো সামনে এসেছে।
আওয়ামী আমলে বিসিএসে নজিরবিহীন জালিয়াতি নিয়ে ‘আমার দেশ’ সংবাদ প্রকাশ করে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল। সব ধরনের নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অকৃতকার্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)।
২৯, ৩০ ও ৩১তম বিসিএসে সরাসরি ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয় অন্তত ৬২ জনকে। সিভিল সার্ভিসের ইতিহাসে এমন জালিয়াতি আগে কখনো দেখা যায়নি বলে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা করার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া, এই মামলার অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।
সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামির স্থাবর সম্পত্তির অর্ধাংশ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং এই বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে।
প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫, ১৭ ও ৩০ জুলাই আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে উপস্থিত থেকে কাদেরের উসকানিমূলক বক্তব্যকে সমর্থন করেন মাহবুব উল আলম হানিফ। এছাড়া, ২৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আন্দোলনকারীদের হত্যা ও নির্যাতনের নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা দেন মাহবুব উল আলম হানিফ।
দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাহবুব উল আলম হানিফের নির্দেশে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) কার্যালয়ে সদর উদ্দিন খান, আসগর আলী, আতাউর রহমানসহ অন্যান্য আওয়ামী লীগের নেতারা সভা করেন। সভায় নিরীহ নিরস্ত্র ছাত্র–জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং কুষ্টিয়া শহরে আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের জন্য আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা এই মামলার চার আসামির নির্দেশে ছাত্র জনতার ওপর গুলি চালায় এবং তাদের গুলিতে আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবুল ফরাজী ও ইউসুফ শেখ মারা যান।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে জমা দেয় প্রসিকিউশন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে গত বছরের ২ নভেম্বর এই মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয় এবং ৮ ডিসেম্বর সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। গত ২৩ এপ্রিল এই মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার অপেক্ষায় রাখার পর আজ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আজকের রায়ে দণ্ডিত মাহবুব উল আলম হানিফসহ এই মামলার চার আসামি পলাতক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গুজরাটে গরু জবাই এবং মাংস বিক্রির চেষ্টা সংক্রান্ত মামলায় তিন মুসলিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় বিচারক হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ ও মনুস্মৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে গরুর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে জরিমানার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
গুজরাটের গান্ধীনগর জেলার কালোলের একটি দায়রা আদালত গত ২৬ অক্টোবর এ রায় ঘোষণা করে। দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন ওয়াসিম কুরেশি, মহম্মদ রফিক কুরেশি ও আসফাক বেহলিম। তাদের প্রত্যেককে কঠোর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জরিমানার পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে প্রত্যেককে ৩ লাখ রুপি জরিমানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিছু প্রতিবেদনে ২ লাখ রুপি জরিমানা উল্লেখ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত দায়রা বিচারক বি আর রাজপুত গুজরাটের প্রাণী সংরক্ষণ (সংশোধনী) আইন এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইনের আওতায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন।
২৭৭ কেজি মাংস উদ্ধারের ঘটনা
মামলাটি ২০২৪ সালের ২২ আগস্টের। ওই দিন গান্ধীনগর জেলার জামলা গ্রামের লালাভাই সেনমার বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। সেখানে ওয়াসিম, মহম্মদ রফিক ও আসফাকের কাছ থেকে ২৭৭ কেজি গরুর মাংস উদ্ধার করা হয় বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মাংসের আনুমানিক মূল্য ছিল ৫৫ হাজার রুপি।
পুলিশ ওই অভিযানে গরু জবাইয়ের জন্য ব্যবহৃত অস্ত্র এবং মাংস পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত একটি যানবাহনও জব্দ করে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের পরিকল্পনা ছিল গুলাম মইন কুরেশির কাছে মাংস বিক্রি করা।
এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিচার শেষে তাদের মধ্যে তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।
রায়ে বেদ ও মনুস্মৃতির উদ্ধৃতি
রায় ঘোষণার সময় বিচারক প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থ ও হিন্দুধর্মীয় ঐতিহ্যের উল্লেখ করে গরু রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বেদ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি গরুকে ‘বিশ্বের মাতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং মানবজীবন ও সমাজে গরুর উপযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।
রায়ে বলা হয়, গরু রক্ষা ধর্ম ও করুণার সঙ্গে সম্পর্কিত। গরু জবাইয়ের ঘটনা ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
বিচারক আরো মন্তব্য করেন, গরুর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা করেছেন। তাদের নির্ধারিত শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে গরুর অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়।
রায়ে মনুস্মৃতিরও উল্লেখ রয়েছে। হিন্দু ঐতিহ্যে গরুর পবিত্র অবস্থান এবং গরু রক্ষার দায়িত্ব বোঝাতে প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়েছে।
গুজরাটে গরু জবাইয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে। রাজ্যটিতে ২০১৭ সালে গরু সংরক্ষণ আইন সংশোধন করে এ-সংক্রান্ত অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়।
সূত্র: মাকতুব মিডিয়া, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য অবজার্ভার পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়া বৃহস্পতিবার পূর্ব উপকূলের দিকে প্রায় ১০টি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এ তথ্য জানায় দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এক বিবৃতিতে উল্লেখ করে, স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওনসান এলাকার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে এবং নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে তথ্য আদান-প্রদান করছে।
জাপানের সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপের খবর অনুযায়ী, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, উত্তর কোরিয়া সম্ভবত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এটি জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) বাইরে গিয়ে পড়েছে।
এর আগে জাপানের কোস্ট গার্ডও জানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়া থেকে নিক্ষেপ করা বস্তুটি সম্ভবত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ইতিমধ্যে সমুদ্রে পড়েছে।
উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ ১২ অক্টোবর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। গত মাসে দুই কোরিয়ার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকজন সেনা আহত হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বছর পিয়ংইয়ং ১০ বারের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ে বন্যহাতির আক্রমণে ৫৫ বছর বয়সী কৃষক আব্দু রশিদ প্রকাশ খুইল্যা মিয়া মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঈদগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মইত্যাতলি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের শ্যালক জানান, তারা প্রতিদিনের মতো কৃষিকাজ করতে জমিতে গিয়েছিলেন। এই সময় বন থেকে একটি দল বন্যহাতি ধানখেতে প্রবেশ করে। হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আব্দু রশিদ হাতির আক্রমণের শিকার হন। যদিও তিনি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন, কিন্তু তার ভগ্নিপতি আব্দু রশিদ পালাতে পারেননি। পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সিকদার জানান, ফসলি জমির ধান রক্ষা করতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আব্দু রশিদের।
নিহতের মরদেহ তার বাড়িতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঈদগড় রেঞ্জের বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিহত আব্দু রশিদ চার ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ