বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪০ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, পূজামণ্ডপ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের জন্য এক কোটি টাকা অনুদান চেক বিতরণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদ থেকে পাওয়া এ অনুদানের চেক বুধবার দুপুরে গোলাকান্দাইল এলাকার নিজ বাসভবনে তারাবো পৌরবাসীর মাঝে বিতরণ করেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপনসহ আরও অনেকে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, রূপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করতেই আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর নানা অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা এবং রূপগঞ্জকে একটি স্বপ্নের, উন্নত রূপগঞ্জ হিসেবে গড়ে তোলা। তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আর আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। তার দিক-নির্দেশনায় রূপগঞ্জকে দেশের অন্যতম উন্নত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাব।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদের তত্ত্বাবধানে জেলা পরিষদ থেকে তারাবো পৌরবাসীর জন্য এক কোটি টাকা অনুদান আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা দিবস। এ উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। সভা থেকে পাকুয়াখালীর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার রাঙামাটিতে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমাসহ সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পিসিএনপির রাঙামাটি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু বকরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ ইব্রাহিম, পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাবিব আজম, জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর, পিসিএনপি নেতা লোকমান হোসেনসহ অন্যরা।
সভায় বক্তারা বলেন, পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সোলায়মান অভিযোগ করেন, বিদেশি ইন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রামে একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, পাহাড়ে একাধিক সশস্ত্র সংগঠন থাকলেও তাদের লক্ষ্য অভিন্ন। অধিকার আদায়ের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা দিবস উপলক্ষে লংগদু উপজেলায় নিহতদের কবর জিয়ারত ও শোক র্যালি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ। পরে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:** সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে বরিশালের কাউনিয়া থানার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর অপরাধ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ-জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব আনিসুর রহমান।
সভায় এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে মাদক, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর অপরাধ ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের ক্ষতিকর দিক এবং এসব অপরাধ প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা। অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া জোন) জনাব পবিত্র কুমার হালদার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
সভায় স্থানীয় সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের মতামত শোনা হয় এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীতে পানি সরবরাহ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী, পানি সংকটাপন্ন এলাকা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য এটিএম বুথ স্থাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটার এইড বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বুধবার চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। চুক্তিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন। প্রাথমিকভাবে পাইলট হিসেবে ১০০টি পানির এটিএম বুথ স্থাপন করা হবে।
চুক্তির আওতায় মহানগরীর যেসব এলাকায় পানির সংকট রয়েছে এবং যেখানে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী খাবার পানির প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে পানির এটিএম বুথ স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ পানি আরও সহজলভ্য করাই হলো এই চুক্তির মুল উদ্দেশ্যে।
অনুষ্ঠানে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশ শুধু একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছে না, বরং চট্টগ্রাম নগরীর পানি সেবাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে আগামী তিন বছরের একটি যৌথ পথচলার সূচনা করছে। নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী, পানি সংকটাপন্ন এলাকা এবং নিরাপদ খাবার পানির সীমিত সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর এই অংশীদারিত্ব চুক্তি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমি মনে করি, পানির এটিএম বুথ শুধু পানি সরবরাহের একটি ব্যবস্থা নয়। এটি মানুষের প্রয়োজনের জায়গায় নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর উদ্যোগ। বিশেষ করে যেসব মানুষ প্রতিদিন পানির জন্য অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করেন, তাদের জন্য এই উদ্যোগ বাস্তব উপকার বয়ে আনবে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরবর্তীতে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন এবং যেসব এলাকায় লবণাক্ততার কারণে নিরাপদ খাবার পানির সংকট রয়েছে, সেখানে রিভার্স অসমোসিস (আরও) প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমকে উন্নত ও গতিশীল করতে বিলিং অ্যাপস তৈরি, ওয়াসার পানির লাইন সম্প্রসারণ সহ আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী বলেন, আজকের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসা ও ওয়াটার এইড বাংলাদেশের এর মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং এর সুফল সরাসরি চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।
ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) শারমিন আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) বিষ্ণু কুমার সরকার, সচিব শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সাজিয়া পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, প্রধান রজাস্ব কর্মকর্তা রুমন দে প্রমুখ। ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ সেখ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর মোঃ তাহমিদুল ইসলাম, জোনাল লিড বাবুল বালা প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইতালির ভেনিসে বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’ বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
একই সঙ্গে তিনি মব করে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘ইতালির ভেনিসে যা ঘটেছে, তা সত্যিই একটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা।’
শামা ওবায়েদ জানান, ঘটনার পর মিলানে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা বাঁধনের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই ঘটনায় শুরু হওয়া আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রদূতসহ ইতালিতে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের কনস্যুলেট সেখানে শুরু হওয়া আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছে। রাষ্ট্রদূতসহ ইতালিতে আমাদের দূতাবাসও পূর্ণ সহায়তা করেছে।’
তিনি আরও জানান, বাঁধন যতদিন ইতালিতে থাকবেন, ততদিন বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন তাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।’
শামা ওবায়েদ ইসলাম সতর্ক করে বলেন, বিদেশে বাংলাদেশিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিদেশে বসবাসকারী বা ভ্রমণরত বাংলাদেশিদের ওই দেশের আইন মেনে চলার দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশিরা যখন বিদেশে বসবাস করেন, তখন তারা যে দেশে অবস্থান করছেন সেখানকার আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলবেন- এটাই স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত।’
বাংলাদেশিরা শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী কিংবা পেশাজীবী যে হিসেবেই বিদেশে যান না কেন, তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকে শ্রদ্ধা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা যেখানেই ঘটুক না কেন, সরকার মব করে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো, যেকোনো ধরনের মব বা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই অবস্থান শুধু ভেনিসের জন্যই নয়, বিশ্বের যেকোনো স্থানে, এমনকি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণপিটুনি ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
মানবাধিকার ও পর্যবেক্ষণের বিষয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন সুপারিশ নিয়ে পৃথক এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
গত ১৭ বছরের সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে চায়, যাতে ভবিষ্যতে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের সুপারিশ সরকার গ্রহণ করা হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এসব প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে দেখবে।
তিনি বলেন, ‘যদি এটি বিবেচনা করার মতো উপযুক্ত মনে হয়, তবে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও আইনের শাসন রক্ষাকারী যেকোনো পদক্ষেপ বা আইন সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ