মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ পি.এম
ইস্তাম্বুল, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য যাত্রা করার পথে ইস্তাম্বুল গ্র্যান্ড এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিমানবন্দরটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলাহাত্তিন বিলগেন।
সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর আধুনিকায়ন এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
নিউইয়র্কে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে কয়েক ঘণ্টা যাত্রাবিরতি করেন। পরে তিনি তুরস্কের স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১০ মিনিটে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরো জোরদার ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্র’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘চীনের জাতীয় দিবস’ উদযাপন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, "চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।" তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইয়াও ওয়েনের বিদায়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "গত প্রায় চার বছর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করেছেন।" তার অবদান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, "বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সামনে আরও এগিয়ে নিতে আমরা আগ্রহী।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে অগ্রসর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে। মঙ্গলবার ভিয়েতনাম সরকার এক বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তো লাম এই মন্তব্য করেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। বৈঠকে তো লাম দুই দেশের মধ্যে যেসব বাণিজ্য বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে, সেগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এসব বিষয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০১ ধারার তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভিয়েতনাম সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি বাণিজ্যচুক্তি হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্কের জন্য একটি স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গড়ে উঠবে। এতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরো সুসংগঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আরো পড়ুন
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ভিয়েতনাম একটি রপ্তানিনির্ভর দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটির সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হলো যুক্তরাষ্ট্র। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ভিয়েতনামের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে তো লাম জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিয়েতনামের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমানোর জন্য তার দেশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশটি থেকে আরও বেশি পণ্য ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। বৈঠকের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের বক্তব্যও ভিয়েতনাম সরকার তুলে ধরেছে। গ্রিয়ারের মতে, দুই দেশের আলোচনাকারীরা চুক্তি নিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করেছেন। আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং এখন তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ফিলিপাইনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে একটি সম্মতি অর্জিত হয়েছে। মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লায়েন এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় উভয় পক্ষ একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মতি প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইইউ এবং ফিলিপাইনের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা বেশ কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মে মাসে ষষ্ঠ দফার আলোচনা সম্পন্ন হয়। ওই দফায় পণ্যবাজারে প্রবেশের সুযোগ, সরকারি ক্রয় এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ইইউ এবং ফিলিপিন্সের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালে উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউরো। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতে উভয় পক্ষ একটি বিস্তৃত ও ভারসাম্যপূর্ণ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জন্য আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিয়েতনামের বাণিজ্য আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি : তো লাম
নতুন চুক্তির ফলে ফিলিপাইনের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সহজতর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বর্তমানে ফিলিপাইন ইইউর দেওয়া বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা উপভোগ করছে। নতুন চুক্তির মাধ্যমে দেশটি সেই সুবিধার পরিবর্তে আরও বিস্তৃত মুক্ত বাণিজ্য কাঠামোর আওতায় আসবে। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় পক্ষের সরবরাহব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় এবং ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীদের একে অপরের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা থাকবে। এছাড়া পণ্য ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার সুযোগও সৃষ্টি হবে। এর ফলে উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি কার্যকর হলে পণ্য ও সেবার বাণিজ্যে বিভিন্ন বাধা কমানোর পাশাপাশি ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি করার পথ তৈরি হবে। তবে চুক্তিটি কার্যকর করতে পরবর্তী ধাপে এর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, সরকার তিনটি দাবি মেনে নিলে ঢাকা শহরে আর কোনো ককটেল ফুটবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আওয়ামী লীগকে (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার… আমরা তো এই তিনটা দাবিতে রাজপথে আছি। সরকার তো এই দাবিগুলো মানছে না। দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।’
গতকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে এনসিপির প্রতিবাদ মিছিল শেষে তিনি এই বক্তব্য দেন। নেভি গলিতে দাঁড়িয়ে দেওয়া বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মূলত বোঝাতে চেয়েছেন যে, তাদের দাবি মানলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে এবং দলটি নিষিদ্ধ হলে তাদের কর্মীদের (আওয়ামী লীগের) ককটেল মারার সুযোগও থাকবে না।
আরো পড়ুন
স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন, ‘গতকালও দুটি মিছিল হয়েছে। আওয়ামী লীগকে (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বাংলাদেশে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার। ১১ দলীয় জোট এটাই তো বলে আসছে।’
১১ দলীয় জোট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো মিছিল না করার অভিযোগের বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘এটা সত্য নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ