ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রোনালদো দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলেন, জানালেন সাবেক শেফ


রোনালদো দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলেন, জানালেন সাবেক শেফ

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৪১ বছর বয়সেও ফুটবল মাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্স বজায় রেখেছেন। পর্তুগিজ এই মহাতারকা পেশাদার ফুটবলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক হাজার গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার ফিটনেস এবং ধারাবাহিকতার অন্যতম কারণ হলো কঠোর জীবনযাপন এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস। তবে রোনালদোর খাদ্য তালিকায় এমন একটি উপাদান নেই, যা সাধারণত খেলোয়াড়দের জন্য প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

রোনালদোর সাবেক ব্যক্তিগত শেফ জর্জিও ব্যারোন জানিয়েছেন, এই তারকা ফুটবলার দুধ কিংবা কোনো ধরনের দুগ্ধজাত খাবার খান না। মানুষের অন্য প্রাণীর দুধ পান করার বিষয়টি নিয়ে তার ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এই কারণে রোনালদোর খাদ্যতালিকা থেকে দুধ ও দুধ দিয়ে তৈরি সব খাবার বাদ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দাদার স্মরণে র‍্যাচেল অ্যাপার মৃত্যু

কভার্সডটকমকে ব্যারোন বলেন, ‘রোনালদোর খাবারের তালিকায় দুধ একেবারেই থাকে না। মানুষই একমাত্র প্রাণী, যারা অন্য প্রাণীর দুধ পান করে। অন্য কোনো প্রাণী নির্দিষ্ট বয়সের পর আর দুধ পান করে না। প্রকৃতিতে এক প্রাণীর অন্য প্রাণীর দুধ পান করার বিষয়টি দেখা যায় না। অথচ মানুষ ৩০, ৪০, ৫০ কিংবা ৬০ বছর বয়সেও দুধ পান করে। দীর্ঘ সময় ধরে অন্য প্রাণীর দুধ পান করাকে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের সঙ্গে যায় না বলে মনে করেন তিনি। এ কারণেই রোনালদো দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলেন।’

যদিও খাবারের ক্ষেত্রে রোনালদোর কঠোর শৃঙ্খলা রয়েছে, তবে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার সাবেক শেফ। তার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর এবং প্রাকৃতিক খাবার অন্তর্ভুক্ত থাকে।

ব্যারোন জানান, সকালের নাশতায় রোনালদো সাধারণত অ্যাভোকাডো, ডিম এবং চিনি ছাড়া কফি পান করেন। তার খাবারে কোনো ধরনের মিষ্টি রাখা হয় না।

দুপুরের খাবারেও থাকে সহজ এবং পুষ্টিকর উপাদান। মুরগির মাংস কিংবা মাছের মতো চর্বিহীন প্রোটিনের সঙ্গে প্রচুর শাকসবজি খান তিনি। চাল বা গমজাতীয় খাবার সাধারণত এড়িয়ে চলেন। প্রয়োজনীয় শর্করার বড় অংশ আসে শাকসবজি থেকে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক

রাতের খাবারেও একই ধরনের খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করেন রোনালদো। মুরগির মাংস বা মাছের সঙ্গে থাকে বিভিন্ন ধরনের সবজি। প্রতিটি খাবার এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়, যাতে পুষ্টিগুণ যথাসম্ভব অক্ষুণ্ন থাকে।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের পাশাপাশি মিষ্টি, রুটি, পাস্তা এবং প্রক্রিয়াজাত শর্করাজাতীয় খাবারও এড়িয়ে চলেন রোনালদো। অন্যদিকে তার খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং উন্নতমানের প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার গুরুত্ব পায়।

রোনালদোর সাবেক শেফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কঠোর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি খাবারের পুষ্টিমান এবং ভারসাম্যের দিকেও বিশেষ নজর রাখেন এই ফুটবল তারকা। দীর্ঘদিনের ফিটনেস ধরে রাখার ক্ষেত্রে এটিও তার জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন: মেসি ছাড়া ২১ বছর পর আর্জেন্টিনার নতুন দল ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী প্রতিবাদ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


নারায়ণগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী প্রতিবাদ মিছিল

৩ নভেম্বর ২০২৬ রোজ মঙ্গলবার, বিকাল তিন সাড়ে তিনটায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল, থানা স্বেচ্ছাসেবক ও ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিক বেতনের দাবিতে, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের দোশরের সহযোগিতায়, সন্ত্রাস কার্যকলাপের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ মিশন পাড়া সভা ও মিছিলের অনুষ্ঠিত হয়, স্বেচ্ছাসেবক মহানগরের পক্ষ থেকে, উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জুলহাস মিয়াজী, মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, সহ নারায়ণগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, মিশন পড়া হয়ে মেট্রো হল দিয়ে চাষাড়া জিয়া হলে এক বক্তব্যের মাধ্যম দিয়ে মিছিলটির সমস্ত ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরায়ু ক্যান্সারসহ ৩ রোগে আক্রান্ত সাজেদা বাঁচতে সহযোগিতা চান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


জরায়ু ক্যান্সারসহ ৩ রোগে আক্রান্ত সাজেদা বাঁচতে সহযোগিতা চান

শরীরে তিনটি জটিল রোগ একসঙ্গে বাসা বেঁধেছে। জন্মগত হৃদযন্ত্রের ত্রুটি, পিত্তথলিতে পাথর এবং জরায়ুতে ক্যান্সার। অথচ ৪০ বছর বয়সী সাজেদা বেগমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সামর্থ্য নেই। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তার উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

সাজেদা বেগম দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভার রুস্তম নগর মহল্লার বাসিন্দা। মাত্র দেড় শতক জমির ওপর একটি জীর্ণ ঘরে তাদের বসবাস। এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সাজেদা। গৃহকর্মীর কাজ করে তিনি স্বামী ও দুই সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন। সেই সামান্য আয়েই সংসার চলত এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচও জোগাতেন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তার উপার্জনের সামর্থ্য হারিয়ে গেছে।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জন্ম থেকেই সাজেদা হৃদযন্ত্রের ত্রুটি নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। তবে তিন-চার মাস আগে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর তার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পরীক্ষায় পিত্তথলিতে পাথর এবং জরায়ুতে ক্যান্সার ধরা পড়ে।

একসঙ্গে তিনটি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন তিনি। স্বাভাবিক চলাফেরা ও পরিশ্রম করতেও কষ্ট হচ্ছে। ফলে গৃহকর্মীর কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। আয়-রোজগার না থাকায় এখন দুই বেলা খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের পড়াশোনার ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

নিজের চিকিৎসার চিন্তা এবং মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী ও দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা, সব মিলিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন সাজেদা। আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা না হলে তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাজেদা বেগমের চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন তার স্বজনরা। সবার সহযোগিতা পেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিবারের জীবনযাপনে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

সাজেদা বেগমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার তথ্য:

ফোন নম্বর: ০১৩০২১৪২৪৩৩

ব্যাংক হিসাব: সোনালী ব্যাংক

হিসাব নম্বর: ০১৮২২৬০১০১৫২০৪

শাখা: হুগলীপাড়া শাখা, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

রাউটিং নম্বর: ২০০২২৮০৯৭০।।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমনওয়েলথ পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেননি একজনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


কমনওয়েলথ পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেননি একজনও

২০১৬ সালে কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সওগাত নাজবিন খান। বিশ্বের ৫৩ দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে মাত্র চারজন এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন, তাদের মধ্যে নাজবিনও ছিলেন।

নাজবিনের পুরস্কার প্রাপ্তির পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তিনি তারাকান্দার প্রত্যন্ত এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এইচ এ (হার্ভার্ড এক্সেস) ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামক প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি হতদরিদ্র শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

সওগাত নাজবিনের বাড়ি তারাকান্দা উপজেলার গোয়ালকান্দি গ্রামে অবস্থিত। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব মোখলেছুর রহমান খানের কন্যা।

সোমবার সরেজমিনে গোয়ালকান্দি গ্রামে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নাজবিন ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতেন। ফলে ওই এলাকার মানুষ তাকে কখনো দেখেনি এবং তার নামও কখনো শোনেনি।

এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, সবাই জানতেন যে মোখলেছুর রহমান খান নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের বেতন তখনকার সময় তারাকান্দা উপজেলার সাধারণ প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অন্তত ১০ গুণ বেশি ছিল। সাধারণত তারাকান্দা ও আশপাশের বিত্তবান পরিবারের সন্তানরা স্কুলটিতে পড়াশোনা করত।

নাজবিন কমনওয়েলথ যুব পুরস্কার পাওয়ার পর অভিযোগ ওঠে যে, তিনি বাবার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের প্রতিষ্ঠা হিসেবে দেখিয়ে পুরস্কার লাভ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বাবার প্রতিষ্ঠানের মানবসেবার উদ্দেশ্যে নাম ও প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করেছেন।

এদিকে, ১০ বছর পর প্রতিষ্ঠানটি আবারো আলোচনায় এসেছে। কারণ, তারাকান্দার এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৬ জন শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, কিন্তু একজনও পাস করতে পারেনি। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গোয়ালকান্দি গ্রামের অনেকের অভিযোগ, মোখলেছুর রহমান ও তার চাচাতো ভাই খায়রুজ্জামান যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন, কিন্তু কিছুদিন পর তাদের মধ্যে মালিকানা ও সুনাম নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন সাবেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি মূলত শিক্ষাসেবার বিনিময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছিল। বিনামূল্যে একজন শিক্ষার্থীকে কখনো পড়ানো হয়নি।

সাবেক ওই শিক্ষক আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ছিল দুই হাজার ৫০০ টাকা, যা ওই সময় ময়মনসিংহ জেলা শহরেও ছিল না। অথচ সেখানে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে হতদরিদ্র শিশুদের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক পাঠদান করার কথা বলা হয়, যার ফলে মোখলেছুর রহমানের মেয়ে কমনওয়েলথ পুরস্কার লাভ করেন।

এ পুরস্কারের অর্থমূল্য বাংলাদেশি টাকায় অন্তত সাড়ে সাত লাখ। পুরস্কার পাওয়ার পর সওগাতকে বিশ্বের ৫০টি দেশে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ করে কমনওয়েলথ, যা তার জন্য আর্থিকভাবে লাভজনক হয়। ওই টাকার ভাগ না পাওয়ায় খায়রুজ্জামান ক্ষিপ্ত হন এবং এ নিয়ে বিরোধ শুরু হয়।

একপর্যায়ে খায়রুজ্জামান প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পান এবং সভাপতি ও পরিচালক নিযুক্ত হন। পরে তিনি মোখলেছুর রহমানের কাছে পাঁচ কোটি টাকা পাওনার মামলা করেন। এই দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরোধের কারণে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থা খারাপ হতে থাকে।

বর্তমানে এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো ক্যাম্পাস নেই। একেক সময় একেক প্রতিষ্ঠানের অংশ ধার হিসেবে নিয়ে সেখানে পাঠদান করা হয়।

২০২০ সালের ২০ জুন তারাকান্দায় এক সংবাদ সম্মেলনে খায়রুজ্জামান অভিযোগ করেন, স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় সওগাত দেশের বাইরে পড়াশোনা করছিলেন। কিন্তু কমনওয়েলথ পুরস্কারের জন্য তাকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দেখানো হয়, যা ভুয়া।

জানা গেছে, এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তারাকান্দা উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার খান কমপ্লেক্স নামের বহুতল ভবনের নিচতলায়। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে সেখানে গিয়ে ভবনটির নিচতলায় তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। পরে জানা যায়, তারাকান্দা উপজেলা সদরের কলেজ রোডে বেসরকারি প্রগ্রেসিভ মডেল স্কুলের ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠানটি চলে গেছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়নি।

প্রগ্রেসিভ মডেল স্কুলের প্রধান পরিচালক সোহান জানান, ‘অনেক আগে আমাদের ক্যাম্পাসে তারা (এইচ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকরা) পাঠদান করতেন। তবে মাত্র ১৫ দিন পর থেকে তারা আর আমাদের ক্যাম্পাসে আসেননি।’

অনেক অনুসন্ধান করেও এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কার্যক্রম বর্তমানে কোথায় চলছে, তা জানা যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সভাপতি খায়রুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

তারাকান্দা উপজেলা সদরের কয়েকজন বাসিন্দা ও এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাধিক শিক্ষক জানান, খায়রুজ্জামান বর্তমানে ঋণগ্রস্ত। এ কারণে তিনি কারোর ফোন ধরেন না এবং অনেকটা আত্মগোপনে রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মোখলেছুর রহমান খান বলেন, খায়রুজ্জামান প্রতারণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার কাছ থেকে নিজের নামে করে নিয়েছেন। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের তখনকার কর্মকর্তারা তার এ প্রতারণার সহযোগী ছিলেন। মেয়ের কমনওয়েলথ পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়া বচ্চন অমিতাভকে ডাকতেন ‘লম্বুজি’, জানালেন বিগ বি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


জয়া বচ্চন অমিতাভকে ডাকতেন ‘লম্বুজি’, জানালেন বিগ বি

বিয়ের পর দীর্ঘ সময় ধরে স্ত্রী জয়া বচ্চন অমিতাভ বচ্চনকে ‘লম্বুজি’ বলে ডাকতেন। তবে এক সময় সেই ডাক পরিবর্তিত হয়। সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানে রণবীর কাপুরের সঙ্গে কথোপকথনে অমিতাভ দাম্পত্য জীবনের শুরুর সময়ের এই মজার ঘটনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অমিতাভ জানান, জয়া বহু বছর ধরে তাকে ‘লম্বুজি’ বলে সম্বোধন করতেন। পরে, প্রয়াত কবি হরিবংশ রাই বচ্চন, যিনি অমিতাভের বাবা, জয়ার এই ডাক নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি জয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, স্বামীর নাম ধরে ডাকতে হবে অথবা অন্য কোনো নামে সম্বোধন করতে হবে। এরপর থেকেই জয়া তাকে নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন।

অনুষ্ঠানের আলাপচারিতায় দুই পরিবারের সদস্যদের উচ্চতার বিষয়টিও উঠে আসে। রণবীর জানান, তিনি প্রায়ই কল্পনা করেন, অমিতাভ, জয়া, আলিয়া এবং তিনি একসঙ্গে ছবি তুললে কেমন হবে। তার কল্পনায় অমিতাভের মতো তিনি কিছুটা লম্বা এবং জয়ার মতো আলিয়া কিছুটা খাটো—ছবিতে উচ্চতার এই পার্থক্য সুন্দর দেখাবে বলেও তিনি ভাবতেন।

রণবীরের কথায় সাড়া দিয়ে অমিতাভ জানান, তার এবং জয়ার উচ্চতার পার্থক্য বেশ স্পষ্ট। অমিতাভের উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ২ ইঞ্চি, আর জয়ার উচ্চতা ৫ ফুট ৩ বা ৪ ইঞ্চি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%