ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শেরপুরের প্রবাসী মো. সাইফুল ইসলাম নিহত


মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শেরপুরের প্রবাসী মো. সাইফুল ইসলাম নিহত

শেরপুরের এক প্রবাসী মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন। নিহত মো. সাইফুল ইসলাম শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের ফটিয়ামারী পুরাতনপাড়া (পাগলবাড়ি) এলাকার বাসিন্দা এবং ওই এলাকার আব্দুর রহিমের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সকালে সাইফুল ইসলাম মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি একটি সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় মোটরসাইকেলে থাকা ফল কাটার ধারালো সরঞ্জামের আঘাতে তার গলায় গুরুতর জখম হয়। ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সাইফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে তার স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের পরিবার দ্রুত তার লাশ দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য ২০০ ট্রলি প্রদান

রৌহা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, "বিষয়টি আমি জেনেছি। তাদের বাড়িতে যাবো এবং খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় করণীয় যা যা করার আমি করে দেবো।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাপি মোজা পরে মাঠে নামলেন ফোরল্যানের শিষ্যরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


গোলাপি মোজা পরে মাঠে নামলেন ফোরল্যানের শিষ্যরা

ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দু’বারের ফিফা বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে। এই ম্যাচে একটি বিশেষ বিষয় ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

মাঠে নেমে উরুগুয়ের ফুটবলাররা গোলাপি মোজা পরিধান করেছে। এটি জাতীয় দলের জার্সির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এই রঙের মোজা ব্যবহারের ঘটনা।

নিউজ আঠেরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোলাপি মোজা ম্যাচের ফলাফল বা ফুটবলের সঙ্গে কোনো সম্পর্কিত নয়। স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারের অংশ হিসেবে উরুগুয়ে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতার সঙ্গে গোলাপি রঙটি বিশেষভাবে সম্পর্কিত। এই ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বোমারু বিমানগুলো বিশ্বের কোথায় কোথায় রয়েছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


মার্কিন বোমারু বিমানগুলো বিশ্বের কোথায় কোথায় রয়েছে?

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স বা আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে ১২টি বি-১বি বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে গত রবিবার বিমানগুলো পশ্চিম ইংল্যান্ডের ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। এর ফলে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে মার্কিন হামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহৃত ঘাঁটিটির ভূমিকা আপাতত শেষ হলো।

ফেয়ারফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ইউরোপে ভারী বোমারু বিমানের একমাত্র ঘাঁটি, যা মোতায়েন করা বোমারু বিমানগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড অপারেটিং লোকেশন। লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই ঘাঁটিকে ঘিরে গত দুই সপ্তাহে কথিত সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে পরে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ, যিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, ‘কিছু হুমকি’ থাকায় বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, এসব হুমকির সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র রয়েছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই ঘটনার সঙ্গে কথিত ষড়যন্ত্রের সরাসরি যোগসূত্রের বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে বলেন, ঘাঁটিতে নিয়মিত বিমান বদল বা মোতায়েন পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ফেয়ারফোর্ডের কাছে বিস্ফোরক রাখার পরিকল্পনার অভিযোগে ব্রিটিশ পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের গাড়িতে পেট্রোল পাওয়া গেলেও কোনো বিস্ফোরক উদ্ধার হয়নি। পরে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে লন্ডন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা ঘটনাটি তদন্ত করছেন। ইরান অভিযোগ অস্বীকার করে লন্ডনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তেহরানে তলব করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর কাছে তিন ধরনের বোমারু বিমান রয়েছে, যা হলো বি-৫২, বি-১বি ও বি-২। এর মধ্যে বি-১বি সবচেয়ে দ্রুতগতির এবং প্রায় ৩৪ টন প্রচলিত অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান পারমাণবিক ও প্রচলিত—দুই ধরনের অস্ত্রই বহনে সক্ষম। নতুন বি-২১ রেইডার বর্তমানে পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে রয়েছে এবং ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বোমারু বিমানগুলো কোথা থেকে উড়ে?

যুক্তরাষ্ট্রের সব বোমারু বিমান মূলত দেশটির পাঁচটি প্রধান ঘাঁটিতে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে।

১. Minot Air Force Base (মিনোট বিমানঘাঁটি)

২. Ellsworth Air Force Base (এলসওয়ার্থ বিমানঘাঁটি)

৩. Whiteman Air Force Base (হোয়াইটম্যান বিমানঘাঁটি)

৪. Dyess Air Force Base (ডাইস বিমানঘাঁটি)

৫. Barksdale Air Force Base (বার্কসডেল বিমানঘাঁটি)

এসব ঘাঁটিতে দীর্ঘ ও প্রশস্ত রানওয়ে রয়েছে, সাধারণত এসব রানওয়ের দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ফুটের (৩ হাজার ৪৮ মিটার) বেশি। ফলে, বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ের মতোই দীর্ঘ এসব সামরিক ঘাঁটির রানওয়ে।

তবে বোমারু বিমান কোথায় পরিচালনা করা যাবে, তা মূলত রানওয়ের দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে না। বরং নিরাপত্তাব্যবস্থা, অস্ত্র সংরক্ষণের সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিদেশে অভিযান পরিচালনার সময় এগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গুয়ামের অ্যান্ডারসেন বিমানঘাঁটি, ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়াসহ মিত্রদেশগুলোর বিভিন্ন ঘাঁটিতে অস্থায়ীভাবে মোতায়েন করা হয়। প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকেও আকাশে জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যমে বোমারু বিমান হামলা চালাতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে আগের মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় এমন কিছু বোমারু বিমান মিশন ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় স্থায়ী হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কোনো ইউনিট বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির প্রথম ও তৃতীয় ইউনিট দুই দিনের ব্যবধানে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোরে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটে এবং মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর পর ইউনিট দুটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামতের কাজ শুরু করেছেন চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনালের প্রকৌশলীরা। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও জানাতে পারেনি, মেরামত শেষে ইউনিট দুটি কবে নাগাদ উৎপাদনে ফিরবে।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৬০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট এবং প্রথম ইউনিট থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। ফলে, ইউনিট দুটি বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২১০ থেকে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে।

এ পরিস্থিতিতে পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও লো-ভোল্টেজের সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এদিকে, কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিটটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ইউনিটটির ওভারহোলিং চলছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, চলতি অক্টোবরের মধ্যেই ইউনিটটি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের এয়ারস্পেস অ্যালার্ট: আরব সাগরে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


পাকিস্তানের এয়ারস্পেস অ্যালার্ট: আরব সাগরে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সম্ভাবনা

চলতি বছরের ৬ ও ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের ১৭,০০০ ফুটের নিচের একাধিক বিমান পথ (এয়ার রুট) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার খবরের ফলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, দেশটি নতুন কোনো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা করছে। স্থলভাগ থেকে সমুদ্র অভিমুখে এই ধরনের বিশেষ আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ সার্বিক অপারেশনের একটি বড় ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হলেও, সরকারিভাবে এ বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের প্রধান প্রশ্ন হলো—এই নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমা দিয়ে ভূ-পৃষ্ঠ ঘেঁষে উড্ডয়নক্ষম কোনো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আরব সাগরের দিকে পরীক্ষা করা হচ্ছে কি না। কারণ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় নিচু দিয়ে উড্ডয়ন কৌশলটি মূলত ক্ষেপণাস্ত্রের নেভিগেশন, পাল্লার সমন্বয় এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

‘এ০৫৬৪/২৬’ বিজ্ঞপ্তির আওতায় ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫,২০০ মিটার (১৭,০০০ ফুট) উচ্চতা পর্যন্ত কিছু নির্দিষ্ট রুট বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে মূল অ্যাভিয়েশন টেক্সট এবং সুনির্দিষ্ট স্থানাঙ্ক প্রকাশ না করায় এর ভৌগোলিক সীমানা ও প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

মানচিত্রে দেখা যায়, এই কড়াকড়ি পাকিস্তানের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলীয় মূলতান, রহিম ইয়ার খান, সুক্কুর ও লারকানা হয়ে করাচি উপকূলের ওরমারা এবং গওয়াদারের দিকে বিস্তৃত হয়েছে। পাশাপাশি আরব সাগরের একটি ছোট অংশেও এয়ারস্পেস বন্ধ রাখা হয়েছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার রেঞ্জ-সেফটি ব্যবস্থার দিকে নির্দেশ করে।

প্রতিদিন গ্রিনিচ মান সময় ০৪:৪৫ থেকে ০৮:১৫ পর্যন্ত (পাকিস্তান সময় সকাল ৯:৪৫ থেকে দুপুর ১:১৫) এই সীমাবদ্ধতা কার্যকর থাকবে। এই নির্দিষ্ট সময়ে অসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি সামুদ্রিক ও আকাশসীমায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

১৭,০০০ ফুট উচ্চতার এই সীমা মূলত সম্ভাব্য বিপজ্জনক এলাকার সর্বোচ্চ উচ্চতা নির্দেশ করে, যা ক্ষেপণাস্ত্রের চূড়ান্ত উড্ডয়ন উচ্চতা নয়। তাই এটি নিচু দিয়ে যাওয়ার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সাথে মানানসই হলেও, এখান থেকে নির্দিষ্ট কোনো ক্ষেপণাস্ত্র, লাঞ্চার বা সামরিক প্ল্যাটফর্মকে সরাসরি শনাক্ত করা যায় না।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়টি এখনো বিশ্লেষকীয় অনুমানের পর্যায়ে রয়েছে।

ফাতাহ-৪, বাবুর সিরিজ, রা'আদ এবং তাইমুর ক্ষেপণাস্ত্রের কথা এখানে জোর আলোচনায় আসছে, কারণ এদের নিচু দিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা এই এয়ারস্পেসের বিজ্ঞপ্তির সাথে মিলে যায়। তবে কোনটি ব্যবহৃত হচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকারীদের কাছে ভূ-পৃষ্ঠ ঘেঁষে আসা এই আঘাত হানার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য সতর্ক হওয়ার সময় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

তবে এমন এয়ারস্পেস অ্যালার্ট কোনো সামরিক যুদ্ধের বার্তা দেয় না। তাই যতক্ষণ না ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, ফ্লাইট ডেটা বা অফিসিয়াল বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এটিকে কেবল একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%