ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী এখনও নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন: আতিকুর রহমান রুমন


প্রধানমন্ত্রী এখনও নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন: আতিকুর রহমান রুমন

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অমানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের সময়।

এমনটি জানিয়েছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী এখনও সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বহন করছেন।

আরও পড়ুন: বোদায় দেড় লাখ টাকাসহ এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আটক, পরে মুক্তি

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল ছাত্রফোরাম কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯ তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, "৩ সেপ্টেম্বর আমাদের প্রিয় নেতা আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস। আমাদের প্রিয় নেতাকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাঁকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সেই নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন এখনও তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন।"

তিনি আরও বলেন, "কিন্তু আমাদের প্রিয় নেতা নিজেই বলেছেন তিনি সেই দিনগুলো মনে রাখতে চান না। আমরা যদি সেই দিনগুলোর কথা মনে রাখি, প্রতিশোধ নিতে যাই তাহলে পাঁচ বছরেও শেষ হবে না।"

আতিকুর রহমান রুমন উল্লেখ করেন, "পাঁচ বছরে যদি আমরা সেই প্রতিশোধগুলোই নিতে যাই তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আমাদের প্রিয় নেতাকে ভোটের মাধ্যমে তাদের যে আকাক্সক্ষা পূরণে প্রধানমন্ত্রী করেছেন সেই কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য সফল হবে না।"

আরও পড়ুন: পানিসম্পদমন্ত্রী: প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গড়ে উঠবে আধুনিক স্বনির্ভর বাংলাদেশ

তিনি যোগ করেন, "তাই আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান চান দুঃসহ স্মৃতিগুলো পেছনে ঠেলে দেশের উন্নয়ন করে সামনে এগিয়ে যেতে।"

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, "বিগত সময় বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে ঠিক ওই সময় আমাদের প্রিয় নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে যেন আমাদের প্রিয় নেতার ভালো কাজগুলো ভুলন্ঠিত না হয়।"

তিনি বলেন, "আমরা যেন সকলেই বিশেষ করে ছাত্রদল, যুবদলসহ বিএনপি নেতাদের আমি বলব, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ভালো কাজগুলো যেন আমরা হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সফল করতে পারি।"

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, "বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন এদেশের জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এদেশের জনগণ সেই প্রমাণ রেখেছে একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। স্বৈরাচার এরশাদ ও ওয়ান ইলেভেন সরকারকে হটিয়েছেন তারা। সর্বশেষ ছাত্র-জনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জুলাইয়ে যুদ্ধ করে শেখ হাসিনার মত দানব স্বৈরাচারকে হটিয়েছেন।"

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ৩ যাত্রী প্রাণ হারালেন

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, "আজ আমাদের প্রিয় নেতার ১৯তম কারামুক্তি দিবসে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে দুঃসময়ের করুণকথাগুলো। বিগত ১৯ বছরে এই দিবসটি যথাসময়ে আমরা পালন করেছি। আজও পালন করছি। কিন্তু আজকের চিত্র আর ওই দুঃসময়ের চিত্র এক ছিল না।"

তিনি বলেন, "আমরা কিভাবে সে সময়ে অনুষ্ঠান সফল করেছিলাম আপনারা তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। সে সময় এই দিবস পালন করতে গিয়ে স্বৈরাচারের চোখ রাঙানি, কারাবরণসহ বিভিন্নভাবে আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন। তবুও চুপ থাকেননি। আজকের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল দিবসটি পালনে যথাযথ সহায়তা করেছেন।"

তিনি বলেন, "আমাদের অনুষ্ঠান হবে, আমরা সাংবাদিকদের জানিয়েছি আর জানিয়েছি বিশ্বস্ত নেতাদের। আমরা অনেকটা গোপনে ডেকেছি, প্রশাসনকে জানতে দেইনি কোথায়, কখন অনুষ্ঠান হবে।"

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, "সাংবাদিকদের জানিয়েছি দুই থেকে তিন ঘন্টা আগে। ওই সময় অনেক সাংবাদিকের কথা মনে পড়ে যারা আমাদের ভীষণভাবে সহযোগিতা করেছেন, যা অতুলনীয়। যাদের সহযোগিতায় আমরা প্রচার পেয়েছি, আমরা উদ্দীপনা পেয়েছি এবং আমরা অনুষ্ঠানগুলো সফল করতে পেরেছি।"

আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে আবাসিক হোটেল থেকে স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার, ম্যানেজার গ্রেপ্তার

সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও উত্তরাঞ্চল ছাত্রফোরামের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনসহ উত্তরাঞ্চলের ছাত্রনেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


এআইয়ের অপব্যবহার যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) যাতে অপব্যবহার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আজ রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গোটা বিশ্ব এআই যুগে প্রবেশ করেছে এবং বাংলাদেশও এ যুগে প্রবেশ করেছে। তবে, এআই যুগে প্রবেশ করার পরও এর রিস্ক ফ্যাক্টর এবং রেগুলেটরি স্কিম এখনো সামনে আনা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, "আমরা মনে করছি আগামী দিনে এআই যেভাবে আমাদেরকে গাইড করবে, যেভাবে আমাদের ইনফ্লুয়েন্স করবে, যেভাবে সঠিক পথ ও বিভ্রান্তিকর পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপারেট হবে সেটা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়।"

তিনি আরও বলেন, "এআই দিয়ে আপনি যে কারো কন্ঠ নকল করতে পারছেন। এআই দিয়ে কারোর ছবি আপনি সুপার ইম্পোজ করতে পারছেন। এগুলোকে মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতায় নিয়ে আসতে পারছেন। আপনার ব্রেন পর্যন্ত এআই ঢুকে যাচ্ছে।"

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কোর্টকে সবচেয়ে কঠিন সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে যাওয়ার পথ অনেকটা কঠিন। তারপর যদি এআই ব্যবহার করে কেউ মিসলিড করতে চায়, তাহলে গরীব-মধ্যবিত্ত মানুষ আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। আরেকটা শ্রেণী ঝুঁকিতে পড়বে, যারা ক্ষমতাধর বা যারা ক্ষমতার কাছাকাছি আছে কিংবা যারা প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন।"

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "একজন বিচারকও এআই দ্বারা মেলাইন হতে পারেন। কারো পক্ষে রায় না দিলে তাকে মেলাইন করার জন্য যা যা করণীয় সেটা হয়তো করতে পারে। এই জায়গাটায় বিচারকদের এআই কিভাবে গ্রহণ করতে হবে, সে বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিচারকদের সবার আগে সচেতন হওয়া দরকার।"

তিনি বলেন, "আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করব। আমরা এআই নিষিদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু এআইয়ের যাতে অপব্যবহার না হয়, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।"

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সরকার জনগণের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না। তিনি বলেন, "বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও বিতর্কের মধ্য দিয়ে যে সিদ্ধান্তকে অধিকতর যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য মনে হবে, সরকার সে পথেই এগিয়ে যেতে চায়।"

আজকের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ একরামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাসনুভা শেলী।

সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই), লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বাংলাদেশ এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল-২০২৬ অনুষ্ঠানে দেশের বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে এআই গভর্নেন্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বুধবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এ সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদ ভবনের ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে দীনেশ ত্রিবেদী লুই আই কানের চমৎকার স্থাপত্যশৈলী জাতীয় সংসদ ভবনের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, "দুই দেশ অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ।" বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে সংসদীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত মতবিনিময় ও দুই দেশের পার্লামেন্টের পারস্পরিক সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"

ভারতের পার্লামেন্টকে একটি আধুনিক পার্লামেন্ট আখ্যায়িত করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এর সফল বাস্তবায়নে তিনি ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

তিনি দীনেশ ত্রিবেদীর মতো একজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়াকে এক্ষেত্রে এক দারুণ সুযোগ বলে উল্লেখ করেন। ডেপুটি স্পিকার আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার সংসদীয় যোগাযোগে এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে তিনি সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, "বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হলে তা দুই দেশের জন্য চমৎকার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্লাটফর্ম হতে পারে।"

উভয়পক্ষ জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার, পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক আস্থা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসের জায়গাকে আরো সুদৃঢ় করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেছেন যে, পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরের জন্য ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।

‘পরিবর্তনশীল জ্বালানি প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতে কার্বনমুক্তকরণের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এই আলোচনা আয়োজন করেছে এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাস এবং অ্যাপারেল ইমপ্যাক্ট ইনস্টিটিউট (এআইআই)।

এইচএসবিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

আলোচনায় সরকারি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা, বৈশ্বিক পোশাক ব্র্যান্ড, তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইং প্রধান এ কে এম সোহেল, সুইডিশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওলে লুনদিন, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সারওয়ার হোসেইন, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি বিদ্যা খান, এআইআই-এর ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপের কিম হেলস্ট্রম এবং এটিটিআই-এর অলিভিয়া উইন্ডহাম স্টুয়ার্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

ক্রিস্টিনা এলিন্ডার লিল্হাস তার মূল বক্তব্যে আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করে বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক খাতে ৫০ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।

এইচএসবিসি হোল্ডিংস পিএলসির গ্লোবাল হেড অব ক্লিন পাওয়ার সিস্টেমস র‌্যান্ডলফ ব্রেজার এবং এইচএসবিসির এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধান জাস্টিন উ অনলাইনে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সম্ভাবনা নিয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার মন্তব্য করেন, ইউরোপীয় বাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা যখন সীমিত কার্বন ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ার সমন্বয় ঘটিয়ে টেকসই সোর্সিংয়ের শীর্ষস্থান অর্জনের সুযোগ বাংলাদেশকে কাজে লাগাতে হবে।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে জ্বালানি রূপান্তরের বাণিজ্যিকায়ন এখন সময়ের দাবি।

তিনি উল্লেখ করেন, সহায়ক নীতি, উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক-বাল্যবিয়ে-গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


মাদক-বাল্যবিয়ে-গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি উঠান বৈঠক, যেখানে মাদক, বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, গুজব ও নাশকতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়।

আজ বুধবার, সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে নাঙ্গলকোট উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবিলা এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রম ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনগণের করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নূরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন জেলা লিগ্যাল অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) নুসরাত জাহান জিনিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান এবং উপজেলা মডেল মসজিদের ফিল্ড অফিসার ওবায়দুল হক তারেক।

বক্তারা উল্লেখ করেন, "মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি ব্যক্তি ও পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সমাজের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।" এসব সমস্যা প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তারা আরও বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।" একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের বিষয়ে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও জনগণের সচেতনতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত বিভিন্ন লক্ষ্য ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%