বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১২ পি.এম
বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছকে ফের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত করার তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন অনুসারী ও সহযোগীর বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা এসব ব্যক্তি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সক্রিয় হয়ে হারিছুর রহমানের পক্ষে বিভিন্ন পোস্ট ও প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি।
এদিকে প্রবাসী আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দেশে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম ওরফে আকন আজাদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন হারিছুর রহমান। ওই সময় তার বিরুদ্ধে দখলবাজি, চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার, হামলা-মামলা এবং সরকারি কাজের অর্থের অংশ নেওয়াসহ নানা অভিযোগ ওঠে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হারিছুর রহমানসহ তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন অনুসারী আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এরই মধ্যে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকার রামপুরা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে হারিছুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হামলা-মারামারি এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তারের পর তিনি দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। চলতি বছরের ৮ জুলাই আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু ইউসুফের বক্তব্য অনুযায়ী, হারিছুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা ১০টি মামলার মধ্যে আটটিতে তিনি স্থানীয় আদালত থেকে জামিন পান। পরে বাকি দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার আদেশ কারাগারে পৌঁছালে নিয়ম অনুযায়ী তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কারামুক্তির পর হারিছুর রহমানের অনুসারীরা আবারও স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট, প্রচারণা ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে তাকে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থানে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, হারিছুর রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কিছু তরুণ ও সাবেক দলীয় কর্মীকে ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর পেছনে দেশ-বিদেশ থেকে অর্থের জোগান দেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে হারিছুর রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীর দাবি, তার প্রভাবের কারণে অতীতে অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করার সাহস পাননি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রবীণ নেতাদের ভাষ্য, গৌরনদীতে একসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সহাবস্থানের পরিবেশ ছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী বিভিন্ন গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের ফলে সেই পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের অভিযোগ, হারিছুর রহমানের নেতৃত্বাধীন একটি প্রভাবশালী গ্রুপের কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরোধ ও উত্তেজনা বেড়েছিল।
এদিকে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ চিকিৎসার জন্য ভারতে যান এবং পরবর্তীতে দেশে ফেরেননি বলে স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। হারিছুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে আসার পর তার সঙ্গে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়ে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বক্তব্য জানা যায়নি।
দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠনের তৎপরতা চলছে। সেই প্রক্রিয়ায় বরিশালেও বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও বৈঠকের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে হারিছুর রহমান নিজেকে পুনরায় রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন—এমন অভিযোগও উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রচারণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করছে কি না এবং অর্থের মাধ্যমে কোনো ধরনের সাংগঠনিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে কি না, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রচারের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীর কাটাখালী থানাধীন পূর্ব বাতান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে বিজিবি। তবে, বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ সময় ৫০০ পিস ভারতীয় টেপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
বুধবার দুপুরে ১ বিজিবি, সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি সদস্যরা লক্ষ্য করেন, এক ব্যক্তি মাথায় বস্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করার জন্য ধাওয়া দিলে ওই ব্যক্তি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে বস্তার ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ৫০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কাটাখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদক কারবারীকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- নবীজি (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, দয়া, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা বর্তমান সমাজে ব্যাপকভাবে চর্চা করা প্রয়োজন। নৈতিক অবক্ষয়, হিংসা ও বিভেদ দূর করতে নবীজির (সা.) সীরাত ও সুন্নাহর শিক্ষা জীবনে ধারণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নবীপ্রেমের প্রকৃত প্রকাশ শুধু আলোচনা বা আনুষ্ঠানিকতায় নয়; বরং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ এবং আদর্শকে কর্ম ও চরিত্রে প্রতিফলিত করার মধ্যেই এর সার্থকতা। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে নবীজির (সা.) শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়াও তিনি মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাওরান বাজার হযরত আম্বর শাহ্ জামে মসজিদে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে আয়েজিত ইছালে ছাওয়াব ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মধুবাগের ছোট্ট একটি খুপরি ঘরে পরিবারের সঙ্গে বসবাস উম্মে সালমার। তার বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করেন এবং মা নাজমা বেগম মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন।
অর্থের অভাব থাকা সত্ত্বেও সালমার পড়াশোনা থেমে থাকেনি। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি এ প্লাস পেয়ে সফল হয়েছেন। তার স্বপ্ন হলো চিকিৎসক হওয়া। তবে কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ নিয়ে তিনি অনিশ্চয়তায় ছিলেন
সালমার এই অবস্থার কথা জানার পর ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সালমার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি উম্মে সালমার ভালো ফলাফল এবং আর্থিক সংকটের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসএসসিতে এ প্লাস পেলেও অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে সালমা অনিশ্চয়তায় ছিলেন। জেলা প্রশাসকের নজরে বিষয়টি আসার পর তিনি সহযোগিতার উদ্যোগ নেন।
উম্মে সালমার বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করে সংসার চালান। তার স্ত্রী নাজমা বেগম মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন। তাদের সামান্য আয় দিয়ে সংসারের খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে এর মধ্যেই তারা মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে আসছিলেন। মিরাজ আলী বলেন, "চা বিক্রি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন। মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। মেয়ের এসএসসিতে এ প্লাস পাওয়ায় আমি খুব খুশি। তবে কলেজে ভর্তি ও পরবর্তী পড়াশোনার খরচ কিভাবে চালাবো, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। জেলা প্রশাসক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।"
নাজমা বেগম বলেন, "আমার মেয়ে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী। সালমার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়া। আমরা চাই, কোনোভাবেই যেন মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ না হয়। জেলা প্রশাসক পাশে দাঁড়ানোর কারণে আমরা এখন অনেকটা আশ্বস্ত।"
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "অদম্য মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর্থিক সংকট কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হতে পারে না। উম্মে সালমা প্রতিকূলতার মধ্যেও এসএসসিতে এ প্লাস পেয়েছেন, যা তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ। তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের কথা জেনে জেলা প্রশাসন পাশে দাঁড়িয়েছে।"
ফরিদা খানম আরো বলেন, "কলেজে ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "উম্মে সালমার মতো শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। আমি আশা করি, সালমা একদিন তার স্বপ্ন পূরণ করে একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ