ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফটিকছড়িতে হরিণ শিকারিদের ‘মিস ফায়ারে’ যুবক নিহত


ফটিকছড়িতে হরিণ শিকারিদের ‘মিস ফায়ারে’ যুবক নিহত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির খিরাম ইউনিয়নের পাহাড়ে হরিণ শিকার করার সময় জমিল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি শিকারিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে শনিবার (৬ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে।

নিহত জমিল উদ্দিন (৫০) খিরাম ৮নং ওয়ার্ডের বালি বাপের বাড়ীর মৃত তোফায়েল আহমেদের পুত্র ছিলেন। তিনি পরিবারে স্ত্রী, এক ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন সৌরভ বলেন, “শিকারিদের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা গেছেন।”

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে বালু উত্তোলনে বিলীনের পথে আকিলপুর সৈকত, মানববন্ধনে রক্ষার দাবি

সর্তা বন বিট কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, সর্তা বিটের কিছু জায়গায় হরিণের বিচরণ রয়েছে। বিশেষ করে সেখানে গোপনে শিকারিরা মাঝে মাঝে হরিণ শিকার করে। আজ (শনিবার) হরিণ শিকার করতে গিয়ে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি।

ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আলম খাঁন জানান, “আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসের চালকসহ গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসের চালকসহ গ্রেপ্তার ৩

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসটির চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারের বিরুদ্ধে নৌপুলিশের মামলা হওয়ার পর শনিবার (৬ জুন) তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হয়েছি যারা, তারা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর এলাকার বাসচালক মো. ঝন্টু আলী (৪৮), কুষ্টিয়ার সুগ্রীবপুর এলাকার সুপারভাইজার মো. আজমল হোসেন (৩৮) এবং আলামপুর এলাকার হেলপার শাকিব হোসেন (২২)।

বিষয়টি জানালেন গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে বাসডু‌বির ঘটনাটি ঘটে। ওই রাতেই দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা করেন।

ওসি সফিকুল জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছায়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য চালককে নির্দেশ দেন নৌপুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্দেশনা মেনে যাত্রীরা বাস থেকে নামেন এবং পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যেতে থাকেন। এরপর কিছুক্ষণ পর চালক ঝন্টু আলী বাসটি স্টার্ট করে বেপরোয়া ও অবহেলামূলকভাবে চালাতে শুরু করেন। নির্ধারিত ফেরি 'বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর'-এ না তুলে বাসটি দ্রুতগতিতে পন্টুন অতিক্রম করে সেখানে অবস্থানরত 'করবী অক্সফ্যাম' ফেরিতে উঠে যায়। এরপর ফেরিটির শেষ প্রান্তের র‌্যাম্পে সজোরে ধাক্কা দিলে র‌্যাম্পের শিকল ও ছিটকিনি ছিঁড়ে গিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

ওসি সফিকুল আরো জানান, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার কিছু আগে সুপারভাইজার ও হেলপার লাফ দিয়ে ফেরিতে নেমে যান। অন্যদিকে চালক সাঁতরে পন্টুনের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে নৌপুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হানিট্র্যাপের ফাঁদে পড়ে খুন হলেন উবার চালক, মূলহোতা চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


হানিট্র্যাপের ফাঁদে পড়ে খুন হলেন উবার চালক, মূলহোতা চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য

রাজধানীর দক্ষিণখানের তুরাগ নদীতে মো. লোকমান সরদার (৩৮) নামের একজন উবার চালকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনার রহস্যটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উদঘাটন করেছে।

মূলত, প্রাইভেট কার ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলে ওই চালককে ডেকে আনা হয় একটি অপরাধী চক্রের মাধ্যমে, যার নেতৃত্বে ছিলেন একজন চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য।

এই ঘটনায় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর মূল আসামি সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নাম হলো—চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য মো. এস এম সালমান (২৯), মো. আদিব ইসলাম (১৯), জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ওরফে আর্নবা মীম (২১) এবং মো. সবুজ মিয়া (৩৫)। তাদের মধ্যে সালমান ও আদিবকে কক্সবাজার সদর থেকে, মীমকে ঢাকা খিলক্ষেত থেকে এবং সবুজ মিয়াকে গাজীপুরের টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই ঘটনায় ছিনতাই হওয়া প্রাইভেট কারটি গাজীপুরের গাছা এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মূল পরিকল্পনাকারী সালমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন সংস্থাটির অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।

তিনি জানান, গত ১ জুন উত্তরার দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে জানা যায় তার নাম লোকমান সরদার, যিনি পেশায় উবার চালক। তাকে টঙ্গীর পাখির বাজার এলাকায় হত্যা করার পর লাশটি তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একটি হানিট্র্যাপ চক্র জড়িত রয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, গত ২৬ মে রাতে এই চক্রটি পাখির বাজার বস্তি এলাকায় মাদকসেবন করে। ভোরে তারা একটি উবার ডাকে এবং সালমান ও মীমসহ তিনজন লেকসিটির কনকর্ড টাওয়ার এলাকায় চলে যান। সেখান থেকে মীম গাড়িটি ২ হাজার ৫০০ টাকায় ভাড়া নিয়ে সাভারের উদ্দেশ্যে যান। ফিরে আসার পর তারা সেই গাড়িটি ছিনতাই করার পরিকল্পনা করে।

তিনি আরও জানান, চক্রটি ৩০ মে মধ্যরাতে মীমকে দিয়ে লোকমানকে ফোন করায় এবং হানিট্র্যাপে ফেলে টঙ্গীর পাখির বাজার এলাকায় ডেকে আনে। লোকমান সেখানে আসার সঙ্গে সঙ্গে চক্রের সদস্যরা তাকে ধরে মারধর শুরু করে। তারা মিথ্যা অভিযোগ তোলে যে—সাভার যাওয়ার দিন মীম এর কাছ থেকে লোকমান ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং দুই ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছে। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে লোকমান বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে ১০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেন। তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকাও চক্রটি নিয়ে নেয়। এরপরও মারধরের ঘটনায় লোকমান মারা যান এবং পরে মরদেহটি বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

চক্রের হোতা সালমান সম্পর্কে পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তারকৃত এস এম সালমান একসময় সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপরই সে অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে। মীম ও সালমান নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিতেন, যদিও বাস্তবে তারা স্বামী-স্ত্রী নন।

অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, সালমানের নেতৃত্বে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মামলাও হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যার কারণে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উন্নীত হচ্ছে ১০১ শয্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


যার কারণে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উন্নীত হচ্ছে ১০১ শয্যায়

দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালীকরণে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার উদ্দেশ্য জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়া।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি, ৩ জুন, স্বাস্থ্য অধিদফতর দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং পরিদর্শন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। অধিদফতরের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী আদেশে সই করেছেন।

এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদফতরাধীন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

অবকাঠামোগত সক্ষমতা, বিদ্যমান ভবন, সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং অতিরিক্ত শয্যা স্থাপনের উপযোগিতা যাচাইর লক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো পরিদর্শন করবে একটি পরিদর্শন দল।

নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) পরিদর্শন দলের সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়েছে। একইসঙ্গে পরিদর্শন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, নথিপত্র এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হলে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়বে। এতে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, জরুরি চিকিৎসা, মেডিসিন, সার্জারি ও অন্যান্য বিশেষায়িত সেবার ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। রোগীদের দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজনও কমে আসবে।

অফিস আদেশটির অনুলিপি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর ও সংস্থায় প্রেরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইমেইলের মাধ্যমেও নির্দেশনাটি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী সাফ: ফাইনালে ভারতের কাছে বড় পরাজয় বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


নারী সাফ: ফাইনালে ভারতের কাছে বড় পরাজয় বাংলাদেশের

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা হ্যাটট্রিক মিশন পূর্ণ করতে ব্যর্থ হলো। টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের এবারের আসরে রানার আপ হয়ে থামতে হলো। ফাইনাল ম্যাচে ভারতীয় দল মারিয়া মান্ডার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ফাইনালের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ৩-১ ব্যবধানে ভারতকে হারিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াইতে এটি ভারতীয় নারীদের ষষ্ঠবার শিরোপা জয়।

ম্যাচের শুরুতে, প্রথম পাঁচ মিনিটের জন্য বাংলাদেশ খানিকটা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। এরপর বাংলাদেশ দলের লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা খোলোস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ১২ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশ দুটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি।

১৬ মিনিটে গোলের আরেকটি সুযোগ ভারতেরও ছিল। নির্মলা দেবীর একটি শট বাংলাদেশী গোলকিপার মিলি আক্তার ধরতে চাইলেও সফল হননি। বলটি গোলপোস্টের বাইরে চলে যাওয়ার আগে, আস্তাম ওরাওনের সামনে ভালো সুযোগ ছিল। কিন্তু শটটি সঠিকভাবে নিতে না পারায় গোলমুখে চলে যায়।

প্রথম ৪০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর, পরের পাঁচ মিনিটে দুই গোল দেখা যায়। ৪২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ভারতের খেলোয়াড় পেয়ারি জাজা। এই গোলটি করতে গিয়ে গোলরক্ষক মিলির কিছুটা ভুল ছিল। জাজার শটটি বাংলাদেশের সুরভীর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে। গোলকিপার মিলি সামনে এগিয়ে থাকায় বল ধরার কোনও সুযোগ পাননি।

গোল পাওয়ার পর ভারত কয়েক মুহূর্তের জন্য স্বস্তিতে ছিল। তবে প্রথমার্ধের শেষের একটু আগে সমতা ফেরান বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা। আনিকার কাছ থেকে পাওয়া বলটি দারুণভাবে তহুরা বাড়িয়েছিলেন। বাঁ প্রান্ত থেকে বক্সে ঢুকে এসে কোনাকুনি শটে ঋতু গোল করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভারত আবার লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়। ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে লাফিয়ে হেড করেন ভারতের সানফিদা। বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা তাকে বাধা দিতে ব্যর্থ হলে গোলরক্ষক মিলি আক্তার ঝাপিয়ে পড়েও গোল রক্ষা করতে পারেননি। বল সাইড পোস্টে লেগে জালে ঢুকে যায়।

দ্বিতীয় দফার মধ্যে পিছিয়ে পড়ে সমতা আনার চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণার উপর নির্ভরশীল হলেও, তিনি এই অর্ধে সেভাবে আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেননি। বরং ৮২ মিনিটে ডিফেন্ডার আফিদা খন্দকার বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে আরেকটি গোল হজম করে বাংলাদেশ। এই গোলে বাংলাদেশের হারের পরিস্থিতি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। ম্যাচের বাকির অংশে বাংলাদেশের লাল-সবুজের দল আর কোনো গোলের দেখা পায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%