রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ পি.এম
মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন মামলায় পরোয়ানা ও সাজা মূলে আরও ৩ জনসহ মোট ৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মতলব দক্ষিণ থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মতলব দক্ষিণ থানাধীন মোবারকদী এলাকার জনৈক জলিল মোল্লার বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর থেকে মোঃ হাসেম সওদাগর (৩৩), পিতা—নুর ইসলাম, মাতা—শাহানারা বেগম, সাং—মোবারকদী, ওয়ার্ড নং-০৮, মতলব পৌরসভা, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুরকে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মতলব দক্ষিণ থানার মামলা নং-০৮, তারিখ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগেও গ্রেফতারকৃত মোঃ হাসেম সওদাগরের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ও মতলব উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে মোঃ কাউছার (২৩), পিতা—মোঃ দুলাল গাজী, সাং—মোবারকদী, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর এবং রবিন আকন্দ (১৮), পিতা—হান্নান আকন্দ, সাং—ধনপর্দ্দী, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আটক করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেককে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অপরদিকে, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে এসআই (নিরস্ত্র) দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ পৈলপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জিআর ১০৩/২০ (সাজা) মামলায় ৬ মাসের সাজা এবং ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোঃ জাহিদ, পিতা—আলমগীর হোসেন, সাং—পৈলপাড়া গ্রেফতার করেন।
একই দিনে এসআই (নিরস্ত্র) ইমতিয়াজ কবীর সঙ্গীয় ফোর্সসহ খর্গপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পারিবারিক মামলা নং-৪২৪/২০২৫-এর আসামি মোঃ কাউছার (৩৯), পিতা—আবুল কাশেম, সাং—খর্গপুর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুরকে গ্রেফতার করেন।
এছাড়া এএসআই (নিরস্ত্র) শিমুল চন্দ্র নাথ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে নাঃশিঃ নং-৩১১/২১ মামলার আসামি মোঃ বোরহান, পিতা—আইয়ুব আলী, সাং—পাঁচদোনা (নায়েরগাঁও) গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন আমাদের অভিযানে ৬ জন আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । আমাদের অভিযান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাত্র ১৫ দিনের জন্য জাপানে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। কিন্তু সেই ১৫ দিনের ভ্রমণে গিয়ে আর নিজ দেশে ফেরেননি তিনি। জাপানেই কাটিয়েছেন পুরো ২৬ বছর। এত বছর অবৈধভাবে জাপানে কাটানোর পর অবশেষে ৭২ বছর বয়সে গ্রেফতার হয়েছেন ওই দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক।
জাপানের শিজুওকা প্রিফেকচারাল পুলিশের বরাত দিয়ে জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে পাওয়া একটি তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বুধবার ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ বলছে, ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ভাইয়ের পাসপোর্ট ব্যবহার করে জাপানে প্রবেশ করেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার ওই ব্যক্তি। মাত্র ১৫ দিনের পর্যটন ভিসাতে জাপান গিয়েছিলেন তিনি। জাপানে তুলনামূলক বেশি বেতনের কাজ পাওয়ার আশায় তিনি দেশটিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এরপর আর জাপান ছাড়েননি তিনি। বর্তমানে শিজুওকা প্রিফেকচারের ইয়াইযু শহরে থাকেন ওই ব্যক্তি। পুলিশের ধারণা, ১৯৯৩ সাল থেকেই তিনি জাপানে অবস্থান করছেন। তদন্তকারীদের তিনি জানান, এত বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা চালিয়েছেন।
মজার বিষয় হলো, ১৯৯৩ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জাপানে অবস্থান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ ছিল না। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংশোধিত অভিবাসন আইন কার্যকর হওয়ার পর এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই তার বিরুদ্ধে ২০০০ সাল থেকে অবৈধভাবে জাপানে অবস্থানের অভিযোগ এনেছে পুলিশ।
আর পুলিশের কাছে অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওই ব্যক্তি।
জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান করা মানুষের সংখ্যা ছিল ৬৮ হাজার ৪৮৮। তবে এই সংখ্যা ১৯৯৩ সালের তুলনায় অনেক কম। সে বছর জাপানে এমন মানুষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৪৬। এটিই ছিল সর্বোচ্চ।
তথ্যসূত্র : জাপান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতলব দক্ষিণে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়
সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে খেলাধুলা অপরিসীম
..... ইউএনও কেএম ইশমাম
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ( অঃদাঃ) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং প্রাইম মিনিস্টার জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদযাপন কমিটির মতলব দক্ষিণ উপজেলা শাখার সদস্য মোজাাহিদুল ইসলাম কিরণের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবন থেকে বের করে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের বিকল্প নেই। খেলাধুলা শুধু শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহমর্মিতা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমারটা দক্ষিণ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এরকমিটির সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন খান, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাই চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সাগর,উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও নওগাঁও
উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিব্বির আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মুমতাহিনা পৃথুলা।এসময় উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাহের হোসেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সুপার এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। । একই অনুষ্ঠানে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে উপজেলার ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জোরা ফুটবল খেলার বুট বিতরণ করা হয় ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাদের সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রবিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ক দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালককে (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-৩) তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আজিজ আহমেদ (স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা: হাউজ নম্বর-১৩২০, রোড নম্বর-১৯, এমিলিয়া-২, মিরপুর ডিওএইচএস, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬) কমিশন কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত হয়ে পূর্বে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সরেজমিনে যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্যই এই কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সম্পদ বিবরণীর পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ