রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাদের সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রবিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ক দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালককে (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-৩) তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আজিজ আহমেদ (স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা: হাউজ নম্বর-১৩২০, রোড নম্বর-১৯, এমিলিয়া-২, মিরপুর ডিওএইচএস, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬) কমিশন কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত হয়ে পূর্বে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সরেজমিনে যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্যই এই কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সম্পদ বিবরণীর পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারীরিক ভাবে অসুস্থ কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজপথের পরীক্ষিত নেতা কাজী শরিফুল ইসলামের শর্য্যাপাশে উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দূর্সময়ের সাবেক সদস্য সচিব ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, এসময়ে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন, উপজেলা জাসাস এর আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ সুমন হোসেন, কুশুলিয়া ইউনিয়ন জাসাস এর আহ্বায়ক আব্দুল গফুর, কুশুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান, সদস্য নুর আলম ও শাহ আলম প্রমুখ। রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেতৃবৃন্দ অসুস্থ কাজী শরিফুল ইসলামের শারিরীক খোঁজ খবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল আলী চিপাই বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ঘটে যাওয়া একটি নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে প্রতিপক্ষকে এসিড নিক্ষেপের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য একটি সাজানো নাটক তৈরি করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শাহাবুদ্দিন চিপাই এর স্ত্রী সালেকা বেগম অভিযোগ করে বলেন,আমার মেয়ে খাদিজার সাথে পার্শ্ববর্তী মৃত শাহাজান মাষ্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর আমার মেয়ে খাদিজা কে বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে,এতে এক পর্যায়ে আমার মেয়ে গর্ভেপাত হয়ে যায়। গর্ভপাত হওয়ার ৪/৫ মাস পরে জাহাঙ্গীর কৌশলে তার ভাবি মারজান কে দিয়ে রাতে আমার মেয়েকে বাচ্চা সুস্থ থাকার নাম বলে ঔষধ খাওয়ান,এতে ঔষধ খাওয়ানোর পরেই আমার মেয়ের গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট হয়ে পরে যায় এবং আমার মেয়ে খাদিজা অনেক অসুস্থ হয়ে পরলে আমরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।পরে ঘটনা জানাজানি হলে দুই পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে ৮ লক্ষ টাকা কাবিনে জাহাঙ্গীরের সাথে আমার মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। কিছুদিন পরে জাহাঙ্গীর আমার মেয়েকে নিয়ে চট্টগ্রাম চলে যায়।সেখানে আমার মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে এবং জাহাঙ্গীর রাজমিস্ত্রী কাজ করে সংসার শুরু করেন। সেখানে কিছুদিন থাকার পরে আমার মেয়েকে চট্টগ্রাম রেখে জাহাঙ্গীর কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা নিরুপায় হয়ে গত ৪ মার্চ ২০২৫ সালে আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও হত্যা মামলা দায়ের করি।এরই মধ্যে জাহাঙ্গীর বিদেশে চলে যায়,সেই মামলার চার আসামির মধ্যে সায়েদ ও মারজান নামের দুই আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেন।পরবর্তী মারজানের জামিন হলেও সায়েদ এখনো জেল হাজতে রেয়েছে।সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতেই সায়েদের স্ত্রী গত ২৫ আগষ্ট ২০২৬ রাত ১০ টার সময় হঠাৎ আমার ঘরের পাশে পানির কলের গোড়ায় ডাক চিৎকার করে উঠে,তার আওয়াজ শুনে বাড়ির সবাই ঘুম থেকে উঠে তার কাছে আসলে সে জানায় তাকে আমার পুত্রবধু ও মেয়ে নাকি এসিড নিক্ষেপ করেছে,অথচ তখন আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম।
মূলত তারা গুরুতর অপরাধ থেকে নিজেদের বাঁচাতে এবং আমাদেরকে আইনিভাবে ঘায়েল করতেই এই এসিড সন্ত্রাসের গল্প ফাঁদা হয়েছে।অভিযুক্তরা নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে এবং আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। মূল অপরাধীরা চরম চালবাজির আশ্রয় নিয়ে নিজেরা একটি স্বল্পমাত্রার বা সাজানো ক্ষতের সৃষ্টি করে আমাদের উপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে এলাকায় প্রচার চালায়।পরবর্তীতে এই সাজানো ঘটনাকে পুঁজি করে আমাদের মত নিরপরাধ প্রতিপক্ষকে আসামি করে শশীভূষণ থানায় একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করার জোর প্রস্তুতি বা প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
চিপাই বাড়ির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, নারী ও শিশু হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার যেন না হয়, সেজন্যই এই এসিড নিক্ষেপের নাটক সাজানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে কথিত এসিড আক্রান্ত ব্যক্তির আচরণ এবং পারিপার্শ্বিক আলামত স্থানীয়দের মনে তীব্র সন্দেহের উদ্রেক করেছে। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং প্রতিপক্ষকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার একটি নোংরা আইনি ফাঁদ।
এই ঘটনার পর থেকে এলকার সাধারণ মানুষের মনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আহমেদ বলেন।এই ঘটনায় খাদিজা বেগম নামের এক নারী থানায় অভিযোগ করেছে, ডাক্তারের রিপোর্ট পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কান্তজিউর নৌবহরে দুর্ঘটনায় নিহত স্বাক্ষর কুন্ডু টয়ের শোকাহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও রাজদেবোত্তর স্টেটের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম।
রবিবার দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে টয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি তাদের সান্ত্বনা দেন এবং পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, টয়ের স্ত্রীর জন্য উপযুক্ত একটি চাকরির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারটিকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর নৌবহরে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে স্বাক্ষর কুন্ডু টয় মারা যান। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে ১২ দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে টয়ের কন্যার ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও জীবনযাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা, তার স্ত্রীর স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং নৌবহর পরিচালনাকারী কমিটির অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত।
দাবিতে দায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, কমিটির আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতে নৌবহর আয়োজনে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি ও তদারকির কথাও বলা হয়েছে।
এ ছাড়া ফিটনেসবিহীন ও অনিরাপদ নৌযান ব্যবহার বন্ধ এবং পর্যাপ্ত মানসম্মত লাইফ জ্যাকেট ও উদ্ধারসামগ্রী নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন টয়ের স্বজনরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা দেশের মানুষের কষ্টার্জিত টাকা পাচার করে বিদেশে এসি রুমে বসে কর্মীদের উস্কানি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।
আজ রোববার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাজারের পৌর মার্কেটে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দলটির নেতারা দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। সাহস ও রাজনৈতিক শক্তি থাকলে মাঠে আসুন, আমরা আপনাদের রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো, অন্য কোনো পন্থায় নয়।
দেশ-বিদেশ থেকে সামাজিক মাধ্যমে হুঙ্কারকারিদের উদ্দেশে জিলানী বলেন, জাতীয়তাবাদী দল প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে আমাদের ওপর কোনো উস্কানি বা অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হলে টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।
নিজের জন্মভূমির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, টুঙ্গিপাড়া আমার এবং এখানকার বিএনপির প্রতিটি কর্মীর জন্মস্থান। কথা ও রাজনীতি শালীনতার সাথেই করতে হবে। গত ১৭ বছর পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে এসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, তাই আমাদের মধুমতি নদীর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। র্যালিটি গওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী ও পাটগাতী বাজার প্রদক্ষিণ করে পৌর মার্কেটে গিয়ে শেষ হয়। দুপুরে সেখানে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সভাপতি জিল্লাল শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার, যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আকবর হোসেন, বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর কবির, কুশলী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি কদর শেখসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ