রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
মাত্র ১৫ দিনের জন্য জাপানে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। কিন্তু সেই ১৫ দিনের ভ্রমণে গিয়ে আর নিজ দেশে ফেরেননি তিনি। জাপানেই কাটিয়েছেন পুরো ২৬ বছর। এত বছর অবৈধভাবে জাপানে কাটানোর পর অবশেষে ৭২ বছর বয়সে গ্রেফতার হয়েছেন ওই দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক।
জাপানের শিজুওকা প্রিফেকচারাল পুলিশের বরাত দিয়ে জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে পাওয়া একটি তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বুধবার ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ বলছে, ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ভাইয়ের পাসপোর্ট ব্যবহার করে জাপানে প্রবেশ করেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার ওই ব্যক্তি। মাত্র ১৫ দিনের পর্যটন ভিসাতে জাপান গিয়েছিলেন তিনি। জাপানে তুলনামূলক বেশি বেতনের কাজ পাওয়ার আশায় তিনি দেশটিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এরপর আর জাপান ছাড়েননি তিনি। বর্তমানে শিজুওকা প্রিফেকচারের ইয়াইযু শহরে থাকেন ওই ব্যক্তি। পুলিশের ধারণা, ১৯৯৩ সাল থেকেই তিনি জাপানে অবস্থান করছেন। তদন্তকারীদের তিনি জানান, এত বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা চালিয়েছেন।
মজার বিষয় হলো, ১৯৯৩ সালে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জাপানে অবস্থান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ ছিল না। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংশোধিত অভিবাসন আইন কার্যকর হওয়ার পর এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই তার বিরুদ্ধে ২০০০ সাল থেকে অবৈধভাবে জাপানে অবস্থানের অভিযোগ এনেছে পুলিশ।
আর পুলিশের কাছে অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওই ব্যক্তি।
জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান করা মানুষের সংখ্যা ছিল ৬৮ হাজার ৪৮৮। তবে এই সংখ্যা ১৯৯৩ সালের তুলনায় অনেক কম। সে বছর জাপানে এমন মানুষের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৪৬। এটিই ছিল সর্বোচ্চ।
তথ্যসূত্র : জাপান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতলব দক্ষিণে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়
সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে খেলাধুলা অপরিসীম
..... ইউএনও কেএম ইশমাম
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ( অঃদাঃ) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং প্রাইম মিনিস্টার জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদযাপন কমিটির মতলব দক্ষিণ উপজেলা শাখার সদস্য মোজাাহিদুল ইসলাম কিরণের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবন থেকে বের করে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের বিকল্প নেই। খেলাধুলা শুধু শরীরকে সুস্থ রাখে না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহমর্মিতা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমারটা দক্ষিণ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এরকমিটির সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন খান, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাই চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সাগর,উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও নওগাঁও
উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিব্বির আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মুমতাহিনা পৃথুলা।এসময় উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাহের হোসেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সুপার এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। । একই অনুষ্ঠানে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে উপজেলার ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জোরা ফুটবল খেলার বুট বিতরণ করা হয় ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাদের সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রবিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ক দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদবিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালককে (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-৩) তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আজিজ আহমেদ (স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা: হাউজ নম্বর-১৩২০, রোড নম্বর-১৯, এমিলিয়া-২, মিরপুর ডিওএইচএস, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬) কমিশন কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত হয়ে পূর্বে যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সরেজমিনে যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্যই এই কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সম্পদ বিবরণীর পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারীরিক ভাবে অসুস্থ কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজপথের পরীক্ষিত নেতা কাজী শরিফুল ইসলামের শর্য্যাপাশে উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দূর্সময়ের সাবেক সদস্য সচিব ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, এসময়ে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন, উপজেলা জাসাস এর আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ সুমন হোসেন, কুশুলিয়া ইউনিয়ন জাসাস এর আহ্বায়ক আব্দুল গফুর, কুশুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান, সদস্য নুর আলম ও শাহ আলম প্রমুখ। রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেতৃবৃন্দ অসুস্থ কাজী শরিফুল ইসলামের শারিরীক খোঁজ খবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল আলী চিপাই বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ঘটে যাওয়া একটি নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে প্রতিপক্ষকে এসিড নিক্ষেপের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য একটি সাজানো নাটক তৈরি করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শাহাবুদ্দিন চিপাই এর স্ত্রী সালেকা বেগম অভিযোগ করে বলেন,আমার মেয়ে খাদিজার সাথে পার্শ্ববর্তী মৃত শাহাজান মাষ্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর আমার মেয়ে খাদিজা কে বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে,এতে এক পর্যায়ে আমার মেয়ে গর্ভেপাত হয়ে যায়। গর্ভপাত হওয়ার ৪/৫ মাস পরে জাহাঙ্গীর কৌশলে তার ভাবি মারজান কে দিয়ে রাতে আমার মেয়েকে বাচ্চা সুস্থ থাকার নাম বলে ঔষধ খাওয়ান,এতে ঔষধ খাওয়ানোর পরেই আমার মেয়ের গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট হয়ে পরে যায় এবং আমার মেয়ে খাদিজা অনেক অসুস্থ হয়ে পরলে আমরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।পরে ঘটনা জানাজানি হলে দুই পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে ৮ লক্ষ টাকা কাবিনে জাহাঙ্গীরের সাথে আমার মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। কিছুদিন পরে জাহাঙ্গীর আমার মেয়েকে নিয়ে চট্টগ্রাম চলে যায়।সেখানে আমার মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে এবং জাহাঙ্গীর রাজমিস্ত্রী কাজ করে সংসার শুরু করেন। সেখানে কিছুদিন থাকার পরে আমার মেয়েকে চট্টগ্রাম রেখে জাহাঙ্গীর কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা নিরুপায় হয়ে গত ৪ মার্চ ২০২৫ সালে আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও হত্যা মামলা দায়ের করি।এরই মধ্যে জাহাঙ্গীর বিদেশে চলে যায়,সেই মামলার চার আসামির মধ্যে সায়েদ ও মারজান নামের দুই আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেন।পরবর্তী মারজানের জামিন হলেও সায়েদ এখনো জেল হাজতে রেয়েছে।সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতেই সায়েদের স্ত্রী গত ২৫ আগষ্ট ২০২৬ রাত ১০ টার সময় হঠাৎ আমার ঘরের পাশে পানির কলের গোড়ায় ডাক চিৎকার করে উঠে,তার আওয়াজ শুনে বাড়ির সবাই ঘুম থেকে উঠে তার কাছে আসলে সে জানায় তাকে আমার পুত্রবধু ও মেয়ে নাকি এসিড নিক্ষেপ করেছে,অথচ তখন আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম।
মূলত তারা গুরুতর অপরাধ থেকে নিজেদের বাঁচাতে এবং আমাদেরকে আইনিভাবে ঘায়েল করতেই এই এসিড সন্ত্রাসের গল্প ফাঁদা হয়েছে।অভিযুক্তরা নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে এবং আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। মূল অপরাধীরা চরম চালবাজির আশ্রয় নিয়ে নিজেরা একটি স্বল্পমাত্রার বা সাজানো ক্ষতের সৃষ্টি করে আমাদের উপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে এলাকায় প্রচার চালায়।পরবর্তীতে এই সাজানো ঘটনাকে পুঁজি করে আমাদের মত নিরপরাধ প্রতিপক্ষকে আসামি করে শশীভূষণ থানায় একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করার জোর প্রস্তুতি বা প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
চিপাই বাড়ির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, নারী ও শিশু হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিচার যেন না হয়, সেজন্যই এই এসিড নিক্ষেপের নাটক সাজানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে কথিত এসিড আক্রান্ত ব্যক্তির আচরণ এবং পারিপার্শ্বিক আলামত স্থানীয়দের মনে তীব্র সন্দেহের উদ্রেক করেছে। তাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং প্রতিপক্ষকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার একটি নোংরা আইনি ফাঁদ।
এই ঘটনার পর থেকে এলকার সাধারণ মানুষের মনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে শশীভূষণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আহমেদ বলেন।এই ঘটনায় খাদিজা বেগম নামের এক নারী থানায় অভিযোগ করেছে, ডাক্তারের রিপোর্ট পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ