রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫২ পি.এম
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একটি হাসপাতালে হামলা চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য হলো, হাসপাতালটি আর চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল না; সেখানে হিজবুল্লাহর একটি কমান্ড সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল।সংবাদ মাধ্যম
রবিবার এই তথ্য জানায়। এর আগে, লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নাবাতিহ আল-ফাওকার গান্দুর হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলার ফলে ভবনটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হাসপাতালটিকে ‘সম্পূর্ণ বেসামরিক’ স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহর সদস্যদের ওই কমান্ড সেন্টার থেকে গোলাবর্ষণ ও পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গিয়েছিল।
হাসপাতালটিকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, সেখানে হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম চলছিল বলেই ওই স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল পরিচালনা ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক এ কে এম সাইদুজ্জামান এবং জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
এ সময় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির আওতায় গঠিত এই বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বাজারজাতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে সহজ শর্তে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগ নেতার গাড়ি ব্যবহার করে লং মার্চে অংশগ্রহণ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জামায়াত ইসলামের নেতৃত্বাধীন ১১ দলের লং মার্চে আওয়ামী লীগ নেতার প্যারাডো গাড়ি ব্যবহার করে অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই দাবি করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, মন্ত্রীপাড়ায় নাহিদ ইসলামের বাড়িতে আলোচনার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সবসময় বলতেন আওয়ামী লীগের বাড়িঘর এবং ধনসম্পদ দখল করতে হবে। আজকের ঘটনায় তার কিছুটা নমুনা পাওয়া গেলো! গতকাল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আওয়ামী লীগ নেতার প্যারাডো গাড়ি ব্যবহার করে লংড্রাইভ করেছেন। গাড়িটি আওয়ামী লীগ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য উপহার দেওয়া হয়েছিল, নাকি আওয়ামী লীগের সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে গাড়িটি দখল করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তিনি আরও লিখেছেন, গতকালের লং মার্চের পিকনিক থেকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে কেন কোনো বক্তব্য ছিল না, তা বোঝার চেষ্টা করুন।
কারণ, এই লং মার্চের উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে ফিরিয়ে আনার প্রেক্ষাপট তৈরি করা। এবং সেই লক্ষ্যে উসকানিমূলক স্লোগান ও লাঠিসোঁটা নিয়ে গিয়েছে। তবে বিএনপি বা অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জামায়াতের পাতানো ফাঁদে পা দেয়নি। দেখা যাক, এ বিষয়ে এনসিপি দলীয় কোনো ব্যবস্থা নেয় কিনা!জামায়াতের আমিরকে নিয়ে ছাত্রদলের স্লোগানে উত্তাল নেটদুনিয়া।প্রকাশ: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১০ | আপডেট: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান জামায়াতের লং মার্চ এবং দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন। পরবর্তীতে সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।রাজধানীর একটি মেট্রো স্টেশনের সামনে আয়োজিত ওই সমাবেশে ছাত্রদল নেতা আমান উল্লাহ আমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের ‘রফিক কাকু জানেন নাকি, গালিবাজদের নায়ক আপনি’; ‘লং মার্চ না লং ড্রাইভ, লং ড্রাইভ লং ড্রাইভ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।
ফেসবুক, ইউটিউবসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।বিরোধী দলের লং মার্চে ভাসানীর হাঁটার কষ্টও নেই: আনিস আলমগীর।প্রকাশ: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৫৫ | আপডেট: রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৪জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরোধী দলের এই লং মার্চে মওলানা ভাসানীর সেই হাঁটার কষ্টটুকুও নেই বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
তিনি লিখেছেন, “বিরোধী দলের লং মার্চে মওলানা ভাসানীর সেই হাঁটার কষ্টটুকুও নেই। নেতাকর্মীরা প্রাডোসহ নানা গাড়িতে চড়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন। সময় বদলেছে, লং মার্চও আপগ্রেড হয়ে ‘ফোর-হুইল ড্রাইভ’ হয়েছে! এই ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম পিকনিক’-এর সমাপ্তি কিভাবে হয়, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।”তিনি আরো লিখেছেন, “চীনের ঐতিহাসিক ‘লং মার্চ’কে বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় করেছিলেন মওলানা ভাসানী। ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধের প্রতিবাদে তিনি রাজশাহী থেকে কানসাট পর্যন্ত হেঁটে যে লং মার্চ করেছিলেন, সেটি ছিল সত্যিকারের গণপদযাত্রা।”
তিনি জানান, এটাকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়ে একটা রাজনৈতিক পিকনিক বলেই মনে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য পিকনিকের ফলাফল কী হয়, সেটাই দেখার বিষয়।জামায়াতের কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ফেরার চেষ্টা করছে।প্রকাশ: শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৪ আপডেট: শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ফিরে আসার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ জামায়াতের সব দাবির প্রতি সংহতি জানাচ্ছে।’আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।৬ দফা দাবিতে লং মার্চ করছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। লং মার্চে দেওয়া এক বক্তব্যে দাবি না মানলে ডিসেম্বরে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, ‘আজ জামায়াতের আমির বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের আন্দোলনে নামবেন। আর শেখ হাসিনা বলে রেখেছে, ডিসেম্বরে দেশে ফিরবে। গতকাল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন পোস্ট করেছে- NO GAS, NO BILL, NO Service, NO TAX এবং স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা হুবহু একই পোস্ট করেছে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ জামায়াতের সব দাবির প্রতি সংহতি জানাচ্ছে। আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও সুশীলরাও জামায়াতের দাবিকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। যেহেতু আওয়ামী লীগ এই মুহূর্তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে কোনো আন্দোলন সফল করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে জামায়াতের কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ফিরে আসতে চেষ্টা করছে।’আজ জামায়াতের আমিরের বক্তব্যে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হলো বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে ক্ষমতা সবচেয়ে বড় শত্রু। আর সেই সূত্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মিত্রে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ জানে জামায়াত কখনো ক্ষমতায় বসতে পারবে না। কিন্তু তাদের দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে। আর সেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নিমিত্তেই জামায়াতের এই লং মার্চ।’
লং মার্চের দাবিতে গণহত্যার বিচার থাকলেও, বক্তব্যে জামায়াত নেতারা বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘তারা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিচার চায়নি....। ৭১-এর গণশত্রু আর ২৪ এর গণশত্রু আজকে ক্ষমতার স্বার্থে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে: ঢাবি শিক্ষক মোনামী।প্রকাশ: শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৬ | আপডেট: শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:১৭বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ‘হয়রানির’ অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী। তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনবরত তাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ তোলেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী।ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামীর অভিযোগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে একজন শিবির সমর্থক বা শিবিরের সঙ্গে যুক্ত, ক্লাসের মেয়েদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। সেই হয়রানির তালিকায় তাকেও রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে অবগত হওয়ার পর তিনি জড়িতদের খোঁজখবর নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সিদ্ধান্ত নেন। এর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান এই শিক্ষিকা।
তিনি বলেন, ‘অনবরত আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে। টিপ্পনী কেটে, কথা শোনানো হচ্ছে। তা-ও আবার ঢাবির ছেলেরাই। পলিটিক্যাল রাইভেল যেহেতু, তার ওপর আমি যেহেতু আগে শিবিরকে ভালো বলেছি। তাই আমাকে এখন আবার নতুন করে নাজেহাল না করলে কি রাত কাটবে?’
মোনামী বলেন, ‘এরা হয় ডাইরেক্ট হ্যারাস করবে, নয়তো ইন্ডাইরেক্টলি। কিন্তু তাদের যা দরকার তা হলো একজন নারীকে হয়রানি করা, সে যে-ই হোক না কেন।বিয়ের অনুষ্ঠানে পুড়ে মরা গেলেন ২২ অতিথিরোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাপানের সহায়তা চাইলেন হুমায়ুন কবিরকিশোরগঞ্জে আ. লীগের ২৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তারআহত পেঙ্গুইনের সুস্থতায় এবার তামা-দস্তার বিশেষ পোশাকবাবার মারধরে আহত শিশু সাবিহা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর অভিযোগ মায়েরআ. লীগ নেতার গাড়ি করে লং মার্চে অংশ নিয়েছে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীলেবাননে হাসপাতালে হামলার দায় স্বীকার করল ইসরায়েলরংপুরে ৪ খুনের রহস্যে নতুন মোড়, আদালতে সাক্ষী শান্তের জবানবন্দি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন একটি সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। রাশিয়ার দ্রুতগতির ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে তাদের আধুনিক অস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ১৯৭০-এর দশকের পুরোনো অস্ত্রের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হচ্ছে।
যুদ্ধের শুরুতে ২০২২ সালে ‘আর-৬০’ নামের ক্ষেপণাস্ত্রটি পুরোনো হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে ইউরো মাইদান প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক অস্ত্রের অভাবে এখন ইউক্রেনের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানগুলো বাধ্য হয়ে এই অস্ত্রটি ব্যবহার করছে।
রাশিয়া সম্প্রতি অনেক দ্রুতগতির ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। গেরান-৩ এবং গেরান-৫ নামের এই ড্রোনগুলো ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। ফলে মাটি থেকে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এগুলো ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
আকাশপথে এই ড্রোনগুলো আটকাতে ইউক্রেন পশ্চিমা এফ-১৬ এবং পুরোনো মিগ-২৯ বিমান ব্যবহার করছে। পূর্বে মিগ-২৯ বিমানে ‘আর-৭৩’ নামের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হতো। কিন্তু অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় পুরোনো ‘আর-৬০’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মিগ-২৯ থেকে এই পুরোনো অস্ত্র ছুড়ে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে।
অত্যাধুনিক এফ-১৬ বিমানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অভাবে অনেক পাইলট কেবল বিমানের নিজস্ব বন্দুক নিয়ে আকাশে উড়াল দিচ্ছেন।
এদিকে রাশিয়ার ড্রোন হামলার পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। আগস্ট মাসে ইউক্রেনে প্রায় আড়াই হাজার দ্রুতগতির ড্রোন পাঠিয়েছে মস্কো। উন্নত অস্ত্রের অভাবে ইউক্রেন এসব ড্রোন আগের মতো ধ্বংস করতে পারছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দারুসসালাম থানা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে বাবার মারধরে আহত দুই মাস বয়সী শিশু সাবিহা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।ঘটনার পর থেকে শিশুটির বাবা হৃদয় খান পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বহেরাতলা গ্রামে অবস্থিত। মিরপুরের মাজার রোড এলাকার গৈদ্দারটেকের একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করতেন।হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে হৃদয় খানের সঙ্গে প্রেমঘটিত সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয় লাবণী আক্তার জান্নাতীর। হৃদয় একটি বিরিয়ানির দোকানে কাজ করতেন। তাদের দাম্পত্য জীবনের একমাত্র সন্তান ছিল সাবিহা।
শিশুটির মা লাবণী আক্তার জানান, পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে ঘটনার দিন সকাল ৭টার দিকে হৃদয় তার দুই মাসের শিশুসন্তানকে মারধর ও গলা টিপে আহত করেন।
এরপর ঘরে থাকা পাঁচ শ টাকা নিয়ে তিনি পালিয়ে যান। শিশুটির গলা ও গালে আঘাতের চিহ্ন ছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসার পর আজ দুপুরে শিশুটির মৃত্যু ঘটে।লাবণী আক্তার আরো বলেন, হৃদয় মাঝে মাঝে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন এবং হঠাৎ করেই অনেক কিছু ভুলে যেতেন।ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ