ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পকেটে ১০ হাজার টাকা নিয়ে বিয়ে, আয়ুষ্মান আজ সাফল্যের চূড়ায়


পকেটে ১০ হাজার টাকা নিয়ে বিয়ে, আয়ুষ্মান আজ সাফল্যের চূড়ায়

বলিউডে অভিনয়ের নতুন ধারার সূচনা করে বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। ২০০৪ সালে রিয়ালিটি শো ‘রোডিজ’ জিতে তিনি ক্যারিয়ার শুরু করেন। সম্প্রতি ৪২ বছর পূর্ণ করেছেন এই জনপ্রিয় তারকা। রেডিও জকি, উপস্থাপক এবং ছোটপর্দার কাজের মাধ্যমে তিনি আজ বলিউডে একটি স্বতন্ত্র সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। দীর্ঘ পথচলার পর ২০১২ সালে সুজিত সরকারের ‘ভিকি ডোনার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। প্রথম ছবিতেই অভিনয় এবং ‘পানি দা রাং’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি বাজিমাত করেন, যা তাকে সেরা নবাগত অভিনেতার পুরস্কার এনে দেয়।

এরপর থেকে তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাননি। ‘দাম লাগা কে হইশা’, ‘বারেলি কি বারফি’, ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’, ‘বাধাই হো’, ‘আর্টিকেল ১৫’, ‘ড্রিম গার্ল’ এবং ‘বালা’-র মতো একের পর এক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে ‘আন্ধাধুন’ সিনেমায় অন্ধ পিয়ানোবাদকের চরিত্রে তার অসাধারণ অভিনয় তাকে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দেয়। সামাজিক টানাপড়েন ও জীবনের ভিন্নধর্মী গল্প বেছে নেওয়ার জন্য হিন্দি সিনেমায় তার নিজস্ব একটি বলয় তৈরি হয়েছে।

আয়ুষ্মানের ব্যক্তিগত জীবনেও রয়েছে সাফল্য। ২০০৮ সালে তিনি শৈশবের বন্ধু তাহিরা কাশ্যপকে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাহিরার ক্যান্সার যুদ্ধসহ জীবনের নানা কঠিন সময়ে সবসময় তিনি পাশে ছিলেন। এজন্য বলিউডে তাদের জুটিকে অনুকরণীয় ‘পাওয়ার কাপল’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আরও পড়ুন: আসামে মুসলিমদের ১১০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা নাহিদ ইসলামের

সাফল্যের সাথে সাথে তার অর্থনৈতিক অবস্থাও পরিবর্তিত হয়েছে। ক্যারিয়ারের শুরুতে বিয়ের সময় যার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা, বর্তমানে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৮০ কোটি টাকা বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্র্যান্ড অ্যান্ডোর্সমেন্ট, শেয়ার বিনিয়োগের পাশাপাশি সিনেমার জন্য তিনি ৮ থেকে ১৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। ২০২৫ সালে মুক্তি পেতে যাওয়া তার ‘থাম্মা’ সিনেমার জন্য তিনি ১০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেবেন বলে জানা গেছে। অভিনয়, গান এবং উপস্থাপনায় নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে বলিউডে তার অনন্য অবস্থান প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবানন জাতিসংঘকে ইউনিফিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


লেবানন জাতিসংঘকে ইউনিফিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালো

লেবানন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির উদ্বেগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে মিশনটি সরিয়ে নেওয়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক নিরাপত্তাশূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে।

লেবাননের বক্তব্য, ২ মার্চের পর দেশটির সীমান্ত এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এই নতুন বাস্তবতার প্রেক্ষিতে ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো ২৬ আগস্টের একটি চিঠিতে লেবানন এই অবস্থান তুলে ধরেছে। চিঠিটি দ্য ন্যাশনালের কাছে এসেছে। এতে জাতিসংঘে লেবাননের রাষ্ট্রদূত আহমাদ আরাফা উল্লেখ করেন, ২ মার্চের পর পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কারণে ইউনিফিলের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সময়োপযোগী নয়। তিনি বলেন, লেবানন, সীমান্তের নীল রেখা এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। এই অবস্থায় ইউনিফিল বন্ধের সিদ্ধান্ত সতর্কতার সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

আরো পড়ুন

বরিস জনসনসহ ইউরোপীয় নেতারা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। আহমাদ আরাফার মতে, ইউনিফিল সরিয়ে নেওয়া হলে এমন একটি নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হবে, যা লেবানন সরকারের নিরাপত্তা প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে। একই সঙ্গে, অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করা অন্যান্য পক্ষের প্রচেষ্টার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যে ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আবার লড়াই শুরু হয়। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইউনিফিল যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করে, তা অনেকটাই পরিবর্তিত হয়ে যায়। পরে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়। ইসরায়েলের দাবি, উত্তর ইসরায়েলের বসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে রক্ষা করতে ওই এলাকায় একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রয়োজন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। লেবানন জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব পুরোপুরি বাস্তবায়নে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০০৬ সালে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর যুদ্ধ শেষ করার কাঠামো হিসেবে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। বৈরুত আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নেও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইভাবে, ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে সই হওয়া ত্রিপক্ষীয় কাঠামোও বাস্তবায়ন করতে চায় তারা। লেবাননের মতে, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া।

আরো পড়ুন

সুইডেনের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সামান্য এগিয়ে বামপন্থী জোট। ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ যে কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনা বিবেচনা করছে, সেগুলো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে লেবানন। লেবাননের রাষ্ট্রদূত আহমাদ আরাফা বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ১ জুনের প্রতিবেদনে যে বিকল্পগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলো তৈরি করা হয়েছিল মার্চের সংঘাত এবং ২৬ জুনের ত্রিপক্ষীয় কাঠামো সইয়ের আগের পরিস্থিতি ও আলোচনার ভিত্তিতে। তার মতে, এরপর পরিস্থিতিতে যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে ওই বিকল্পগুলো বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই নাও হতে পারে। এই অবস্থায় ইউনিফিলের মেয়াদ সীমিত সময়ের জন্য বাড়ানোকে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বলে মনে করছে লেবানন।

আহমাদ আরাফা বলেন, ইউনিফিলের দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা, এর সরবরাহ ও পরিচালনার ব্যবস্থা এবং স্থানীয় জনগণ ও লেবানন সরকারের কাছে মিশনটির গ্রহণযোগ্যতা- সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে মেয়াদ বাড়ানোই ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। লেবানন সরকার বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইউনিফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মিশনটি লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করেছে। ১৯৭৮ সাল থেকে দক্ষিণ লেবাননে কাজ করছে ইউনিফিল। মিশনটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সেখানে সংঘর্ষ বন্ধ থাকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তের নীল রেখা বরাবর নিরাপত্তা বজায় রাখতে লেবাননের সেনাবাহিনীকে সহায়তা করা। বর্তমানে ইউনিফিলে ৭ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছে।

আরো পড়ুন

তিউনিশে অবতরণের সময় তুর্কি বিমানে ভয়াবহ পরিস্থিতি। তবে ইউনিফিলের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে ইসরায়েলের অবস্থান ভিন্ন। গত সপ্তাহে ইসরায়েল জানিয়েছে, ইউনিফিলের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক বাহিনী রাখার যেকোনো উদ্যোগের তারা বিরোধিতা করবে। ইসরায়েলের যুক্তি, সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব লেবাননের সেনাবাহিনীকেই নিতে হবে। জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের ইসরায়েলের জাতিসংঘ দূত ড্যানি ডানন বলেন, ইউনিফিলের মেয়াদ বছরের শেষ নাগাদ শেষ করার বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটিই মেনে চলা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের পর ২০২৫ সালের আগস্টে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা। এর মাধ্যমে ১৯৭৮ সাল থেকে দক্ষিণ লেবাননে চলা প্রায় পাঁচ দশকের এই শান্তিরক্ষা মিশনের সমাপ্তি ঘটবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে’—মায়ের বিশ্বাসের ঋণ শোধ করলেন জভেরেভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


‘ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে’—মায়ের বিশ্বাসের ঋণ শোধ করলেন জভেরেভ

নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোসের কোর্টে আলেকজান্ডার জভেরেভ ইউএস ওপেনের ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছেন। অন্তত আগামী এক বছরের জন্য তিনি এই কোর্টের নতুন রাজা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তবে জভেরেভের জন্য এই জয় শুধুমাত্র আরেকটি গ্র্যান্ড স্লাম নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তার শৈশবের সংগ্রাম, অসুস্থতা এবং মায়ের অদম্য বিশ্বাস।

ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের বেন শেল্টনকে ৬-৩, ৭-৬ (৭-২), ৫-৭, ৬-২ গেমে পরাজিত করে জভেরেভ প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেন জিতেছেন। জার্মানির এই টেনিস তারকা মাত্র তিন মাস আগে ফ্রেঞ্চ ওপেনেও জয়লাভ করেছিলেন।

ট্রফি হাতে নেওয়ার পর জভেরেভ বিশেষভাবে তার মা ইরিনা জভেরেভাকে স্মরণ করেছেন। বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পেশাদার টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ইরিনা পরে কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন। জভেরেভের টেনিস ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পেছনে তার অবদান অপরিসীম।

মাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ২৯ বছর বয়সী জভেরেভ। তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে ধন্যবাদ দিতে চাই, যিনি আসলে আমার ম্যাচ কখনো দেখেন না। কিন্তু আমার টেনিস ক্যারিয়ার এবং সাধারণ জীবন—দুই ক্ষেত্রেই তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।’

এরপর জভেরেভ বলেন, ‘চার বছর বয়সে আমার টাইপ-১ ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল। চিকিৎসকেরা তখন বলেছিলেন, এই শিশুর জীবন ও খেলাধুলার সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে যেতে পারে।’

কিন্তু ইরিনা সেই কথা মেনে নেননি। জভেরেভের ভাষায়, ‘এমন পরিস্থিতিতে একজন মায়ের পক্ষে চিকিৎসকের সেই কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বলা যে, আমার ছেলে যা হতে চায়, সে তা-ই হবে—এটা ভীষণ শক্ত মনের পরিচয়। মা তখন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলেন, অসুস্থতা কখনো আমার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করবে না।’

মায়ের সেই বিশ্বাসের কথাই ইউএস ওপেন জয়ের পর আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জভেরেভ। তিনি বলেছেন, ‘আমি খুব খুশি যে আমরা সেই কঠিন সময় একসঙ্গে পার করে এসেছি এবং লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি। মা যা করেছেন, তা করতে সত্যিই অসাধারণ এক সাহসী নারী হতে হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুরি ভেঙে প্রাণ বাঁচাল, হামলাকারীর প্রতি ক্ষোভ নেই সাইফের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


ছুরি ভেঙে প্রাণ বাঁচাল, হামলাকারীর প্রতি ক্ষোভ নেই সাইফের

ভারতের মুম্বাইয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মধ্যরাতে দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা হামলার শিকার হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, সেই ভয়াবহ ঘটনার আতঙ্ক এখনো তার মনে বিদ্যমান। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ঘটনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং বলেন, যে কোনো ধারালো অস্ত্র বা ছুরি দেখলেই তিনি মানসিক আতঙ্কে ভোগেন।

সাইফ হামলাকারীর প্রতি কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ প্রকাশ না করে বলেন, “এ ধরনের ঘটনা মূলত আর্থিক বৈষম্যের কারণে ঘটে। আমার মনে হয় না লোকটি বুঝতে পেরেছিল সে কী করছে। চাইলে আমি তাকে ক্ষমা করে দিতে পারি।” হাসপাতালে শুয়ে থাকা অবস্থায়, তিনি জীবনকে শেষ মুহূর্ত হিসেবে ভাবছিলেন এবং মনে করেছিলেন, তার জীবনটা খারাপ কাটেনি। এই অভিজ্ঞতা তার জীবন সম্পর্কে মানসিকতা পরিবর্তন করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রভাব তার স্ত্রী কারিনা কাপুর খানের ওপরও গভীর ছিল, তবে তারা পরে মানসিকভাবে পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম হন।

ঘটনার দিন সাইফের শরীরে মোট ছয়টি আঘাত লেগেছিল। ছুরিকাঘাতে তার ঘাড়, বাম হাত এবং মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফেরেন। সাইফ জানান, হামলার সময় তিনি খুবই ভাগ্যবান ছিলেন, কারণ টানাটানির এক পর্যায়ে হামলাকারীর ছুরিটি ভেঙে যায়। ছুরিটি যদি আরো ধারালো হতো, তবে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হতে পারত। মেরুদণ্ডে আঘাত লাগার কারণে কিছু সময়ের জন্য পায়ে কোনো অনুভূতি ছিল না, তবে তিনি বড় ধরনের পক্ষাঘাত বা স্থায়ী ক্ষতি থেকে বেঁচে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

ভোলায় কোস্ট গার্ডের একটি অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালী সদর উপজেলার মো. নুরনবীর ছেলে মো. নুর ইসলাম (৩১) এবং একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. রাসেল (১৯)।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিতভাবে তার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত রবিবার বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার সদর উপজেলার ইলিশার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাঘার হাওলাসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড ভোলা বেইস কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি সিএনজি তল্লাশি করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। জব্দকৃত গাঁজা এবং আটককৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%