মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার
০৪:৩৪ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর দাগনভূঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় আদালত ২ জনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ জনের জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করেছেন। রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে মামলার যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ এবং একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণার সময় আসামি আজাদ এবং নিপু দাস কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদীর পাড়ে জেলে বাড়িতে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে ওই বাড়িতে ঢুকে সাইফুল ইসলাম এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে, কয়েকজন সহযোগী নিয়ে।
ধর্ষণের ঘটনার সময় বাঁধা দেওয়ায় সেই ভুক্তভোগীর মাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে এসে ব্রিজের ওপর আজাদ ও নিপু ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় প্রবাসীর স্ত্রী ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে, দাগনভূঞা থানার এসআই আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।
ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, এ মামলায় আদালতে সাত জনের সাক্ষী গ্রহণ করা হয়।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রবিবার রায় ঘোষণা করেন। ঘটনার সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার কারণে আদালত আসামি সাইফুল ইসলাম ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা দিয়েছেন। অন্যদিকে, আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এই হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এতে বলা হয়, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছর ব্যবধানে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।
এর আগে গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার।
এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার।
আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার;
নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স,
যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়ার্কশপে কাজ করতে গিয়ে হাত হারানো শিশু নাঈম হাসান নাহিদ ৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে ক্ষতিপূরণের ৩০ লাখ টাকা পেলেন।
আগে দুই ধাপে মোট ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার পর আজ ওয়র্কশপের মালিক অবশিষ্ট ১৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে বুঝিয়ে দেন। নাঈমের পক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক জানান। আইনজীবী উল্লেখ করেন, নাঈমের বয়স ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত তাকে প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা করে দেওয়ার যে আদেশ, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। তাই এই মামলার বিষয়টি আপাতত মুলতবি রাখা হয়েছে।
নাঈমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে। তার বাবা নিয়ামুল হোসেন আনোয়ার জুতা ব্যবসায়ী। কর্মসূত্রে সে পরিবার নিয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাস করছিলেন।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে আনোয়ার কর্মহীন হয়ে পড়েন। সংসারের চাপ সামলাতে নাঈমকে তার মা-বাবা ভৈরবের একটি ওয়ার্কশপে কাজের জন্য রাখেন। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওয়ার্কশপে কাজ করার সময় নাঈমের ডান হাত ড্রিল মেশিনে ঢুকে যায়। পরে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কনুই থেকে শিশুটির ডান হাত বিচ্ছিন্ন করেন।
নাঈমের হাত হারানোর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তার বাবা মো. নিয়ামুল হোসেন আনোয়ার হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। এক পর্যায়ে রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে হাইকোর্ট শিশু নাঈমের নামে ১৫ লাখ টাকা করে ১০ বছর মেয়াদে দু’টি ফিক্সড ডিপোজিট করতে ওয়ার্কশপের মালিক ইকবাল হোসেন ইয়াকুবকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নাঈমের পড়ালেখার খরচ হিসেবেও প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা করে তার ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে মালিকপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ওয়র্কশপ মালিক ইয়াকুব হোসেন লিভ টু আপিল করেন। সেই লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে নাঈমকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য দূর করতে সরকার কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কেন্দ্রীভূত অবকাঠামো এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার কারণেই কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা দেখা দিয়েছে, তবে এই সমস্যা ধাপে ধাপে দূর করা হবে।
তিনি আরও বলেছেন, অতীতের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু একটি বৈষম্য থাকলেও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে তা ধাপে ধাপে দূর করতে কাজ করছে।
আজ রাজধানীর নবাব আব্দুল গণি রোডে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে চলমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিমসহ বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সঞ্চালন নেটওয়ার্কের শক্তিশালীকরণ এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের হাত ধরে শহর এবং গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার কার্যক্রম চলছে।
তিনি আরো জানান, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব আরোপ করছে। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইলে এসব চুক্তি রাতারাতি বাতিল করতে পারে না। কারণ এই চুক্তিগুলো আইনগতভাবে বলবৎ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে যেখানে সম্ভব, চুক্তির শর্ত পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে কোন অঞ্চলেই একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করা হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কিত বিদ্যুৎ বিভাগের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জনমনে কিছু প্রশ্ন এবং উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সকল বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং অধিকাংশ অভিযোগ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। যদি কোথাও দায়িত্ব অবহেলা বা গ্রাহক হয়রানির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার কারণে একই পরিমাণ বিদ্যুত ব্যবহার করলেও জুন মাসে গ্রাহকদের মোট ব্যয় বেড়ে গেছে। এর ফলে, প্রিপেইড গ্রাহকদের আগের তুলনায় অধিক ঘন ঘন রিচার্জ করতে হচ্ছে, যা কিছু গ্রাহকের কাছে সাময়িকভাবে অস্বাভাবিক অর্থ কর্তন বলে মনে হতে পারে।
সচিব আরও বলেন, যেসব গ্রাহক দাবি করছেন যে, একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও আগের তুলনায় বেশি বিল এসেছে, তাদের মনে রাখতে হবে যে, মিটারগুলো আগের মতোই একই প্রযুক্তিগত এবং গাণিতিক পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিমাপ করছে। তাই নতুন ট্যারিফ কার্যকর করার সঙ্গে সঙ্গে মিটারে হঠাৎ কোনো কারিগরি ত্রুটি হওয়ার সুযোগ নেই। বিল বৃদ্ধির মূল কারণ হলো নতুন ট্যারিফের প্রভাব।
তিনি আরো জানান, প্রিপেইড গ্রাহকদের মধ্যে অনেকেই মাসের শেষে ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ট্যারিফ স্তরে পৌঁছে যাচ্ছেন। ফলে তাদের ওই হারে বিল পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মিরানা মাহরুখ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টিপাত, ঈদুল আজহা, তীব্র গরম, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কারণে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একইসঙ্গে বাসাবাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্যান, রেফ্রিজারেটরসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে বৃদ্ধি ঘটেছে। গ্রামাঞ্চলেও ফ্রিজ, টেলিভিশন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার এবং ইলেকট্রিক কেটলির ব্যবহার বেড়েছে, যার ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না দিয়ে সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নের জন্য কাজ চলছে।
যাদের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনঃযাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, আগে বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে মাসিক ২ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে বিলম্ব মাশুল আরোপ করা হলেও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী এখন মোট বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ বিলম্ব মাশুল আরোপ করা হয়।
সচিব বলেন, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও আর্থিকভাবে সক্ষম করে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ