বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনের উচ্চ পাহাড়ি অঞ্চলে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা তিনজনই নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সুইসইনফোর বরাত দিয়ে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এই তথ্য প্রকাশ করে।
ভ্যালাইস আঞ্চলিক পুলিশের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে টিকিনো অঞ্চলের লুগানো শহর থেকে উড্ডয়ন করা ‘সিরাস এসআর২২টি’ মডেলের একক-ইঞ্জিনবিশিষ্ট বিমানটি লয়কারবাড পৌরসভার কাছে একটি পাহাড়ের ঢালে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় বিমানে থাকা তিনজনের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জরুরি সেবা ও উদ্ধারকারী বিশেষজ্ঞরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান, কিন্তু বিমানের ভেতরে থাকা তিনজনকেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন ব্রিটিশ নাগরিক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে তিনটি হেলিকপ্টার ও দুজন উদ্ধারকারী বিশেষজ্ঞসহ জরুরি সেবাদানকারী দল উপস্থিত হয়। এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় বজ্রাঘাতে দুই কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন এবং তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে মাঠে কাজ করার সময় জেলার সদর ও দৌলতপুর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলা ও দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে দহকোলা কারিগরপাড়া ও জোতপাড়ার তিনজন তড়িতাহত হন। তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. রওশন আলী (৫০) মারা যান।
এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী ও জোতপাড়ার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আরোজ আলী (৫৫) বজ্রপাতে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. আকুল উদ্দিন এবং দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রঙিন ও সাইকেডেলিক শিল্পকর্মের মাধ্যমে ষাটের দশকের যুক্তরাষ্ট্রের হিপ্পি আন্দোলনের সাংস্কৃতিক আবহকে তুলে ধরার জন্য পরিচিত শিল্পী পিটার ম্যাক্স মারা গেছেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর সোমবার ম্যানহাটনের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু ঘটে। তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর। বুধবার তাঁর পরিবারের মুখপাত্র মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পিটার ম্যাক্সের শিল্পকর্মে মহাকাশ, জ্যোতির্বিজ্ঞান, শান্তি ও প্রকৃতির নানা প্রতীক ফুটে উঠতো। উজ্জ্বল রং, মহাজাগতিক দৃশ্য, নক্ষত্রের বিস্ফোরণ, শান্তির প্রতীক, প্রজাপতি, মেঘ ও ফুলের নকশা ছিল তাঁর কাজের পরিচিত বৈশিষ্ট্য। ষাট ও সত্তরের দশকে তাঁর পোস্টার যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ সংস্কৃতির অন্যতম পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছিল।
পিটার ম্যাক্সের সংগীতজগতের অনেক তারকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। দ্য বিটলস, জিমি হেনড্রিক্স ও মিক জ্যাগারের মতো তারকারা ছিলেন তাঁর শিল্পকর্মের বিষয় এবং তাঁদের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বও ছিল।
তাঁর শিল্পকর্ম শুধুমাত্র গ্যালারিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পিটার ম্যাক্স প্রায় ৭০ ধরনের পণ্যে নিজের শিল্প ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। তাঁর নকশা দেখা গেছে উড়োজাহাজ, ক্রুজ জাহাজ, বিছানার চাদর, চশমা, নারীদের সাঁতারের পোশাক, দাবার বোর্ডসহ নানা পণ্যে।
২০০৭ সালে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্স বলেছিলেন, "গ্যালারিতে কাজ প্রদর্শনের মাধ্যমে যে পরিমাণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব, বাণিজ্যিকভাবে তাঁর শিল্প ব্যবহারের ফলে তার চেয়ে অনেক বড় পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছিলেন তিনি।"
বাণিজ্যিকভাবে শিল্পকর্ম ব্যবহারের কারণে তাঁকে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল। তবে ম্যাক্সের বক্তব্য ছিল, "মানুষ যাতে তাঁর শিল্প কিনতে পারে এবং তা থেকে আনন্দ পায়, সেটিই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।" তাঁর মতে, শিল্পীর কাজ শুধু গ্যালারিতে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।
ষাটের দশকের পর কিছুটা আড়ালে চলে গেলেও ১৯৮৭ সালে নিউইয়র্কে একটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে আবারও আলোচনায় ফেরেন ম্যাক্স। পরে তাঁর কাজে আরো ইমপ্রেশনিস্টিক ধাঁচ দেখা যায়। সংগীত তারকা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি স্ট্যাচু অব লিবার্টিও তাঁর শিল্পকর্মের বিষয় হয়ে ওঠে।
তিনি বিভিন্ন বড় ক্রীড়া আয়োজনেরও শিল্পী ছিলেন। পাঁচটি সুপার বোল, ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ, ২০০৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের শীতকালীন অলিম্পিক দল এবং ২০০০ সালের কেনটাকি ডার্বির জন্য অফিসিয়াল শিল্পী হিসেবে কাজ করেন।
এ ছাড়া কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৭৭, নরওয়েজিয়ান ক্রুজ লাইনের একটি জাহাজ এবং ন্যাসকার তারকা ডেল আর্নহার্টের একটি রেস কারও তিনি রং ও নকশায় সাজিয়েছিলেন।
২০০০ সালে কেবল টেলিভিশনের শপিং নেটওয়ার্ক কিউভিসিতে গিয়ে নিজের পোস্টার বিক্রিও করেন তিনি। ২০০০-এর দশকে তাঁর নিউইয়র্কের স্টুডিওতে কর্মীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যায় এবং বছরে প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি ডলারের বিক্রি হতো বলে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।
পিটার ম্যাক্সের পুরো নাম ছিল পিটার ম্যাক্স ফিঙ্কেলস্টাইন। ১৯৩৭ সালের ১৯ অক্টোবর জার্মানির বার্লিনে জন্ম তাঁর। জীবনের শুরুর দিকে চীন ও ইসরায়েলে থাকার পর তাঁর পরিবার নিউইয়র্কে স্থায়ী হয়। আর্ট স্কুলে তিনি বাস্তবধর্মী চিত্রকলা পড়লেও পরবর্তী কাজগুলোতে সেই ধারার তেমন ছাপ দেখা যায়নি।
১৯৬০-এর দশকের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনে তাঁর শিল্পের বড় ভূমিকা ছিল। ১৯৬৭ সালে ভিলেজ ভয়েস-এর এক সমালোচনায় তাঁর পোস্টারকে সময়, মহাকাশ ও বিবর্তন নিয়ে এক দূরদর্শী শিল্পীর কাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানও ম্যাক্সের ভক্ত ছিলেন। ম্যাক্স রিগ্যান প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরিতে স্ট্যাচু অব লিবার্টির একটি চিত্র উপহার দিয়েছিলেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনও একবার জানিয়েছিলেন, কলেজজীবনে তাঁর ডরমিটরির দেয়ালে ম্যাক্সের পোস্টার ছিল।
তবে তাঁর জীবন পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। ১৯৯৭ সালে নিজের শিল্পকর্ম বিক্রি থেকে ১১ লাখ ডলার আয় গোপনের অভিযোগে কর ফাঁকির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। তাঁকে দুই মাস হাফওয়ে হাউসে থাকতে এবং সমাজসেবামূলক কাজ করতে হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে শিশুদের শিল্প শেখাতেও তিনি সহযোগিতা করেন।
আরো পড়ুন
মিস ইউনিভার্সের মঞ্চ পেরিয়ে গুগলের চাকরিতে ফিরলেন উমাঙ্গা
২০১৯ সালে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, পিটার ম্যাক্সের মধ্যে আলঝেইমার রোগের উপসর্গ এবং অগ্রসর ডিমেনশিয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। তখন প্রায় চার বছর ধরে তিনি নিয়মিতভাবে ছবি আঁকছিলেন না।
মৃত্যুর সময় তিনি রেখে গেছেন মেয়ে লিব্রা ও ছেলে অ্যাডামকে। মেয়ের ভাষায়, "তাঁর বাবা শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না, ছিলেন তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু।" তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, অসাধারণ শিল্পকর্মের পাশাপাশি মানুষ পিটার ম্যাক্সের দয়া, কোমলতা এবং মানুষের জীবনে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাকেও মনে রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এএফসি বোর্নমাথ ইতিহাসের প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় মিশন শুরু করতে যাচ্ছে। ক্লাবটি ইউরোপা লিগে রাতে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল সোসিয়েদাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। অন্যদিকে, কারাবাও কাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি তৃতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে নরউইচ সিটির মুখোমুখি হবে।
আরো পড়ুন
স্মিথকে এখনো তাড়া করে স্মরণীয় ৮ বছর আগের দুঃসহ স্মৃতি। গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে রেকর্ড ষষ্ঠ স্থানে শেষ করার ফলে, বোর্নমাথের ১২৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ইউরোপীয় ফুটবলে খেলার সুযোগ এসেছে মার্কো রোজের শিষ্যদের। খবর আসছে আশার্ক আল-আওসাত থেকে।
আরো পড়ুন
জার্মানির প্রথম স্কোয়াড ঘোষণায় চমক ক্লপের, বাদ পড়েছেন প্রখ্যাত তারকা। স্পেনের সান সেবাস্তিয়ানের আনোয়েতা স্টেডিয়ামে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছে ইংলিশ ক্লাবটি। চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাথের শুরুটা ভালো হয়নি। ৪ ম্যাচে ৩ ড্র নিয়ে তারা এখনো প্রথম জয়ের খোঁজে রয়েছে। ইউরোপীয় আসরের মাধ্যমে জয়ে ফিরতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বোর্নমাথ তারকা টাইলার অ্যাডামসরা।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার সিটি ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নশিপের দল নরউইচ সিটিকে স্বাগত জানাবে। নতুন কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে সিটিজেনরা প্রিমিয়ার লিগের ৪টি ম্যাচ এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচ জিতে দারুণ ফর্মে রয়েছে। তবে, ডার্বি ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফিল ফোডেন এই ম্যাচে থাকছেন না। টানা ম্যাচের ধকল সামলাতে স্কোয়াডে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
আরো পড়ুন
১১ বছর পর চায়না ওপেনে ফিরছেন টেনিস রাজা জোকোভিচ। ফিলিপ ক্লেমেন্টের নরউইচ ঘরোয়া লিগে কিছুটা লড়াই করলেও এমকে ডনস এবং কার্ডিফ সিটিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের এই রাউন্ডে পা রেখেছে। আজকের ম্যাচে বিজয়ী দলটি চতুর্থ রাউন্ডে ব্রাইটনের মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রীড়াচর্চাকে উৎসাহিত করতে ও সামাজিক মেলবন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উদ্যোগে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর ফাইনাল খেলা ও বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকাল ৩:৩০ ঘটিকায় বরিশাল পুলিশ লাইন্স মাঠে ঐতিহ্যবাহী ও জাতীয় খেলা কাবাডির এই জমকালো ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন। উক্ত আয়োজনে বরিশালের সর্বস্তরের সংবাদকর্মীদের উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, ক্রীড়াচর্চা যুবসমাজকে সঠিক পথে রাখার পাশাপাশি পরিবারে স্থিতিশীলতা ও ভরসা ফিরিয়ে আনে। ঐতিহ্যবাহী কাবাডি খেলার এই আয়োজন স্থানীয় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করার পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ