০৮:২৮ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় তানজিনা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে তার স্বামী আকাশ (২৬) হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকের দ্বারা মৃত ঘোষণার পরই ওই গৃহবধূর স্বামী পালিয়ে যান।
এটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, তানজিনা ও আকাশ ভালোবেসে চার মাস আগে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিষয় এবং অর্থ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। রবিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় কচাঁ নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন দেড় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ, প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার
রবিবার রাতে পরিবার সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল। সকালের দিকে আকাশের পরিবারের সদস্যরা তানজিনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানা গেছে। পরে আকাশ তানজিনাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তানজিনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তানজিনাকে হাসপাতালে আকাশ ও তার দুলাভাই আনা ছিল। চিকিৎসক তানজিনাকে মৃত ঘোষণা করার পর আকাশ হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
কিন্তু নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে যে, বিয়ের পর থেকে ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে তানজিনার পরিবারের কাছ থেকে টাকা দেনার জন্য চাপ দিত আকাশ। এছাড়া তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হতো। তাদের দাবি, তানজিনাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই আবদুর রহিম বলেন, "পরিবারের অমতের বিরুদ্ধে তানজিনা বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর থেকেই আকাশ তাকে টাকার জন্য চাপ দিত এবং মারধর করত। আমার বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে। এটা আত্মহত্যা নয়।"
আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে মহাসড়ক জুড়ে অবৈধ দোকান ও অটো স্ট্যান্ড, শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা জিম্মি
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কালের কণ্ঠকে জানান, "আকাশ আরেকজন ব্যক্তিকে নিয়ে তানজিনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর আকাশ পালিয়ে যায়। হাসপাতালের তথ্য পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তানজিনার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন