সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪১ পি.এম
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ রোববার এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন যে, জার্মানি ‘আবার যুদ্ধ চায়’ বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
তিনি জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় রাশিয়ার জড়িত থাকার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, জার্মান সরকার এই ঘটনার জন্য মস্কোকে দায়ী করে বলেছে, রাশিয়া ‘নিম্নপর্যায়ের এজেন্টদের’ মাধ্যমে পূর্ব জার্মানির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লাইপজিগ বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহার করে ‘হাইব্রিড হামলার’ চেষ্টা চালিয়েছে।
এই ঘটনার ফলস্বরূপ, চলতি সপ্তাহে মস্কো ও বার্লিন একে অপরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে। একই সময়ে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ রুশ কূটনীতিকদের তলব করেছে।
ল্যাভরভ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এটি একটি সত্যিকারের যুদ্ধের শুরুর মতো। তারা বন শহর থেকে কনস্যুলেট জেনারেল বহিষ্কার করেছে। বার্লিনে রুশ হাউস (সাংস্কৃতিক কেন্দ্র) বন্ধ করে দিচ্ছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগে কী হয়েছিল, তা আমার মনে আছে... তারা আবার যুদ্ধ চায়।’
ল্যাভরভ জার্মানির বিরুদ্ধে নাৎসিবাদের অভিযোগও তুলেছেন।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভেস্টি টিভি সাক্ষাৎকারটির একটি অংশ সম্প্রচার করেছে।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জার্মানি ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে রয়েছে।
ল্যাভরভ, যিনি রাশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী, এমন সময়ে এসব মন্তব্য করেছেন, যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত হিসেবে বিবেচিত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে পুলিশ কনস্টেবল জামালকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পণ্ডিতের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, একই এলাকার বাসিন্দা কনস্টেবল জামালকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মুছাপুর ইউনিয়নের নির্জন এলাকা হিসেবে পরিচিত ‘ধাম’কে কেন্দ্র করে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ, আটকে রাখা, মারধর ও জিম্মি করে অর্থ আদায়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এলাকাটিতে কনস্টেবল জামালের মতো আরও কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ইয়াবা ট্যাবলেট হাতে ধরিয়ে দেওয়া এবং আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করা হতো।
আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে গত বছর পিডিবির সাবেক ঠিকাদার মিলাদুদ্দিন মুন্নাকে ‘ধাম’ এলাকা থেকে তুলে নিয়ে মারধর, টাকা দাবি এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তখন তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার জানিয়েছেন, কনস্টেবল জামালকে অপহরণের ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর বালুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত পাওয়া গেছে মাত্র দুইজন শিক্ষক। একই সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল মাত্র আটজন শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ফলে অভিভাবকরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। স্কুলগুলি হয়ে পড়ছে শিক্ষাথীহীন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকার পরও নিয়মিত পাঠদান ও উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে অভিভাবকরা। ছয়জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও বিদ্যালয়ে মাত্র দুইজন শিক্ষক উপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষ গুলোতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি খুবই কম। উপস্থিত আটজন শিক্ষার্থীর পাঠদানে দুইজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত পাঠদান পরিচালনা করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট। তিনি এই কথা বলেন জাপান সরকারের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইয়োহেই সাসাকাওয়া সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এই তথ্য জানান।
বৈঠকের সময় জাপান সরকারের বিশেষ দূত জানান, তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে মিয়ানমারে বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তার ভূমিকার কথাও জানান।
জাপানের বিশেষ দূত উল্লেখ করেন যে, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে এবং তিনি এই পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। তিনি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট।"
প্রধানমন্ত্রী জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান এই সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য।
তারেক রহমান বলেন, "বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ।" দীর্ঘসময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে তিনি নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখুন। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।
বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। তিনি মনে করেন, মিয়ানমার সরকার এই সংকটের সমাধানে আন্তরিক। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি হতে সময় লাগছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তার অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
বৈঠকে আলোচনা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান, বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে তিনি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শীতকাল পর্যন্ত চলতে পারে, বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে।
তিনি এই মন্তব্য করেন রোববার কিয়েভে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জেলেনস্কি উভয়েই বৈঠকটিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তির বিষয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
উইটকফ, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে পরিচিত, এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার শনিবার মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার পর কিয়েভে পৌঁছান। এটি ছিল তাদের প্রথম সফর ইউক্রেনের রাজধানীতে। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে কিয়েভ রুশ হামলার শিকার হয়ে আসছে।
জেলেনস্কি আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
তিনি এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলেন। রোববার তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের নেতাদের সরাসরি বৈঠক ছাড়া ভূখণ্ড-সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়।
বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। শনিবার ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি অর্জনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
উইটকফ বলেন, তাদের আলোচনা ছিল ‘অত্যন্ত অর্থবহ, গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবভিত্তিক’ এবং তারা এতে ‘খুবই উৎসাহিত’ হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, যতদিন প্রয়োজন, ততদিন আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্যারেড কুশনার মন্তব্য করেন, ‘আশা করি, এই সফরের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার কিছু নতুন পথ খুঁজে পেয়েছি। এই সফর থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।’
এই যুদ্ধ, যা ইউরোপের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত হিসেবে বিবেচিত, বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগকে পুনরায় সক্রিয় করতেই উইটকফ ও কুশনারের এই সফর।
গত গ্রীষ্মজুড়ে যুদ্ধের তীব্রতার পর শান্তি আলোচনা নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আরেক দফা আলোচনা চলছিল।
জেলেনস্কি ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘এখানে আমরা সবাই একই পক্ষের।’
অন্যান্য বিদেশি কর্মকর্তাদের মতো মার্কিন প্রতিনিধিরাও ট্রেনে করে কিয়েভে পৌঁছান। কিয়েভের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনে তাদের স্বাগত জানানো হয়, যেখানে প্ল্যাটফর্মে লেখা ছিল ‘পিস এক্সপ্রেস’।
জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেন কিয়েভের বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে রুশ হামলার কারণে এখনো বিমানযোগে কিয়েভে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
২০২২ সালে রাশিয়া পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে।
মার্কিন প্রতিনিধিদের সফরের সময় রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই একে অপরের রাজধানীতে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
মস্কোর আগ্রাসনে এ পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, মস্কোয় মার্কিন প্রতিনিধিরা ‘বাস্তবভিত্তিক কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।’
তবে ক্রেমলিন বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রতিনিধিরা যুদ্ধের সমাধানের সম্ভাব্য পথ নিয়ে ‘বেশ কয়েকটি ধারণা’ তুলে ধরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ