সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০১ পি.এম
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শীতকাল পর্যন্ত চলতে পারে, বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে।
তিনি এই মন্তব্য করেন রোববার কিয়েভে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জেলেনস্কি উভয়েই বৈঠকটিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তির বিষয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
উইটকফ, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে পরিচিত, এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার শনিবার মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার পর কিয়েভে পৌঁছান। এটি ছিল তাদের প্রথম সফর ইউক্রেনের রাজধানীতে। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে কিয়েভ রুশ হামলার শিকার হয়ে আসছে।
জেলেনস্কি আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
তিনি এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলেন। রোববার তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের নেতাদের সরাসরি বৈঠক ছাড়া ভূখণ্ড-সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়।
বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। শনিবার ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি অর্জনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
উইটকফ বলেন, তাদের আলোচনা ছিল ‘অত্যন্ত অর্থবহ, গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবভিত্তিক’ এবং তারা এতে ‘খুবই উৎসাহিত’ হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, যতদিন প্রয়োজন, ততদিন আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্যারেড কুশনার মন্তব্য করেন, ‘আশা করি, এই সফরের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার কিছু নতুন পথ খুঁজে পেয়েছি। এই সফর থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি।’
এই যুদ্ধ, যা ইউরোপের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত হিসেবে বিবেচিত, বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগকে পুনরায় সক্রিয় করতেই উইটকফ ও কুশনারের এই সফর।
গত গ্রীষ্মজুড়ে যুদ্ধের তীব্রতার পর শান্তি আলোচনা নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আরেক দফা আলোচনা চলছিল।
জেলেনস্কি ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘এখানে আমরা সবাই একই পক্ষের।’
অন্যান্য বিদেশি কর্মকর্তাদের মতো মার্কিন প্রতিনিধিরাও ট্রেনে করে কিয়েভে পৌঁছান। কিয়েভের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনে তাদের স্বাগত জানানো হয়, যেখানে প্ল্যাটফর্মে লেখা ছিল ‘পিস এক্সপ্রেস’।
জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেন কিয়েভের বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে রুশ হামলার কারণে এখনো বিমানযোগে কিয়েভে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
২০২২ সালে রাশিয়া পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে।
মার্কিন প্রতিনিধিদের সফরের সময় রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই একে অপরের রাজধানীতে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
মস্কোর আগ্রাসনে এ পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, মস্কোয় মার্কিন প্রতিনিধিরা ‘বাস্তবভিত্তিক কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।’
তবে ক্রেমলিন বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রতিনিধিরা যুদ্ধের সমাধানের সম্ভাব্য পথ নিয়ে ‘বেশ কয়েকটি ধারণা’ তুলে ধরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো জোরদার করে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা ও নগর ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
আজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিকতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী ইতালীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় দেশটির সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশে প্রশিক্ষক তৈরির পাশাপাশি ইতালিতে কর্মসংস্থানে আগ্রহী দক্ষ কর্মীদের ভাষাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ-ইতালি সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতালিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। দক্ষতা উন্নয়ন ও ইতালীয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বৈধ জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে ইতালির সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মিলান সিটির সঙ্গে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য অপচয় রোধে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের স্থপতিদের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দুই দেশের বাণিজ্য, রেমিট্যান্স ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ইতালি অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরো জোরদার এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক ও অপরাধ দমনে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে মাদক মামলার আসামি, মাদকসেবী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি, রাজনৈতিক ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। অভিযানে মাদকসংক্রান্ত মামলার তিন আসামির পাশাপাশি পাঁচজন মাদকসেবীকেও গ্রেফতার করা হয়।
মাদক মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- পূর্ব বেহাকৈর এলাকার মামুন মিয়া (৩৫), খামারগাঁও এলাকার আমজাদ হোসেন (৪৮) ও সুমন (৩৮)। মাদকসেবী হিসেবে গ্রেফতার পাঁচজন হলেন, ভারগাঁও এলাকার অপু (২২), গোয়ালদী এলাকার রাসেল (৩০), হাবিবপুর এলাকার শফি উদ্দিন (৩৮), কুতুবপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলম (৫০) এবং দৌলতপুর এলাকার রমজান হোসেন (৩০)।
এছাড়া পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে পঞ্চমীঘাট এলাকার আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে শেরপুর সদরের বাসিন্দা ও বর্তমানে সোনারগাঁয়ের বাড়ী মজলিশ এলাকার ভাড়াটিয়া কাউসার আহমেদকে (২৭)। রাজনৈতিক মামলায় ভারগাঁও আদমপুর এলাকার আব্দুল করিম (৫৯) এবং নিয়মিত মামলায় হাবিবপুর এলাকার
উজ্জ্বল (৩৮) ও বাড়ী মজলিশ এলাকার মো. হৃদয় (২৩) গ্রেফতার হয়েছেন।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূল এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ‘সামারি ট্রায়াল’ কার্যক্রমও চলমান থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর করতে পারে না বলে জানিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। তিনি বলেছেন, নিজস্ব সুরক্ষা বলয় তৈরির জন্য তাদের আরও বেশি স্বনির্ভর হওয়া প্রয়োজন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত 'হিলি ফোরাম'-এ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। মুখপাত্র বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও,তা যথেষ্ট নয়।
মাজেদ আল-আনসারি বলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতাই হলো একমাত্র পথ। হ্যাঁ, আমাদের অংশীদার ও মিত্রদের প্রয়োজন আছে। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য আমরা কেবল তাদের ওপরই নির্ভর করতে পারি না। কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে এবং দেশটি ইরানের তীব্র হামলার শিকারও হয়েছে। বিশেষ করে তাদের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ছোট অথচ সম্পদশালী ও গ্যাসসমৃদ্ধ এই দেশটিতেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটিটি অবস্থিত। সংঘাত চলাকালে তেহরানের ওপর মার্কিন হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও এই অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে আক্রমণ চালানো হয়েছে।
ছয় মাস ধরে চলা এই সংঘাতে উভয় পক্ষই এখন এক অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। একদিকে ইরান কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিত নিজেদের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বন্দরগুলোর ওপর পাল্টা অবরোধ আরোপের চাপ দিচ্ছে।
গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে তেহরান সফর করেন। এর আগে হরমুজ প্রণালি সীমান্তবর্তী দেশ ইরান ও ওমান জানিয়েছিল, তারা একটি অস্থায়ী নৌ-চলাচল করিডোর তৈরি এবং মাইন অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করছে।
সূত্র: এএফপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা,হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা গুলো চিহ্নিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের অংশ গ্রহণে যৌথ দ্বি-পাক্ষিক মতবিনিময় সভা গতকাল রোববার রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার রাত ৮টা থেকে ১১টা পযন্ত ৩ ঘন্টাব্যাপী দিনাজপুর হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর এলাকায় হিলি কাস্টমস এবং সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার।
বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস বিভাগের সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ওসি পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন।
এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দ, সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি এবং স্থলবন্দর কেন্দ্রিক সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ ও বেগবাব করতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সমন্বয় করা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক পর্যায়ক্রমে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে যে কোনো যৌক্তিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হিসেবে হিলির গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি আরও সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, বন্দরের কার্যক্রম সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা গুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।
সভায় অংশ গ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা সীমান্ত বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের পূর্বে ভারতীয় সরকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার হিলি স্থলবন্দরে কাস্টম বিভাগ ও ব্যবসায়ীদের অবকাঠামো এবং আমদানি রপ্তানি কার্যক্রমের অবস্থান পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ