ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’


নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’

নেপালের কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের ‘সিজন’স বেস্ট কমপ্লিমেন্টস উদ্যোগের আওতায় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে দেশটির বিশিষ্টজনদের জন্য দেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার দিয়েছে।

প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

দূতাবাসের টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছে আমের প্যাকেট পৌঁছে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা

আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেগুলো কাঠমান্ডু পাঠানো হয়।

স্থানীয় জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের এই আম দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস

বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের “Season’s Best Compliments” উদ্যোগের আওতায় নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাঝে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার দেওয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের একটি কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে কাজ করেছে।

প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ও এর জনগণের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।

দূতাবাসের টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদেরসহ ৩৬০ জনেরও বেশি সম্মানিত প্রাপকের কাছে আমের প্যাকেটসমূহ পৌঁছে দেন।

এই আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করতে, এগুলো বাংলাবান্ধা বন্দর ব্যবহার করে, ফুলবাড়ি ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং কাকরভিটা বন্দর (Nepal) হয়ে অতি সতর্কতার সঙ্গে কাঠমান্ডু পরিবহন করা হয়।

এই আমগুলো ছিল স্থানীয় জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের আম, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত।

এই শুভ উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে একটিমধ্যে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

নেপালে এ অনন্য “ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি” উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, বাংলাদেশ দূতাবাস তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানকে স্মরণের সর্বোত্তম উপায় তাঁর আদর্শ অনুসরণ : ড. মঈন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


জিয়াউর রহমানকে স্মরণের সর্বোত্তম উপায় তাঁর আদর্শ অনুসরণ : ড. মঈন খান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে তাঁর জীবনের আদর্শ, কর্মপদ্ধতি এবং বিশ্বাসকে অনুসরণ করা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করতে পারি, তাহলে সত্যিকার অর্থে তাঁকে সম্মান জানানো হবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।’

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ ছিল ন্যায়ের পক্ষে, তাঁর কর্মপদ্ধতি ছিল উন্নয়ন এবং তাঁর বিশ্বাস ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।

তিনি বলেছেন, দেশের একটি সংকটময় সময়ে জিয়াউর রহমান নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে দেশে মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মতপ্রকাশের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মঈন খান বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষম হন। তিনি তৃণমূলের মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি কৃষি, শ্রম ও প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের জনশক্তিকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতেন। তিনি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে এভাবে অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করেন। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করেন। শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে জিয়াউর রহমান বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পক্ষে কথা বলেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, জিয়াউর রহমান প্রাসাদকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি। বরং গ্রাম-গঞ্জের মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই কারণে দেশের মানুষ তাঁকে রাখাল রাজা উপাধিতে ভূষিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন ধারা সংযোজন করেন এবং বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও অর্জনের ইতিহাস জানতে হবে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

ড. মঈন খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বে আরও সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কাছাকাছি: আব্বাস আরাঘচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কাছাকাছি: আব্বাস আরাঘচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে অবসানের লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্বাক্ষরের এতটা কাছাকাছি আগে কখনও ছিল না। এ মন্তব্যটি তিনি শুক্রবার (১২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে করেন।

আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘চুক্তিটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু নিয়ে গণমাধ্যমের অনুমানভিত্তিক নিউজ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।’

তিনি আরো জানান, ‘আমাদের দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি অংশ হিসেবে যথাসময়ে সব তথ্য জনগণের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হবে।’

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পোস্টটি নিজের ট্রুথ সোস্যালে শেয়ার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। পূর্বে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলোকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে, তেহরানের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুন) সকালে টুইটার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে প্রকাশিত শর্তগুলো ‘ভুয়া খবর’ এবং লিখিতভাবে যেসব শর্তে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে, তার সঙ্গে এর ‘কোনো সম্পর্ক নেই’।

তিনি আরো লেখেন, ‘তাদের সঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অসম্মানজনক। তাদের সঙ্গে সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই।’

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা একদিকে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্যদিকে একটি সমঝোতা চুক্তি কাছাকাছি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের বিরুদ্ধে টানা দুই দিন ধরে হামলা চালায়। বৃহস্পতিবার, ট্রাম্প জানান, দেশটির সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রাথমিক চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর আগে, তিনি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিলের কথা বলেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্তমান বাস্তবতায়ও জিয়াউর রহমানের আদর্শ সমান প্রাসঙ্গিক: ডা. রফিকুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


বর্তমান বাস্তবতায়ও জিয়াউর রহমানের আদর্শ সমান প্রাসঙ্গিক: ডা. রফিকুল

বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক।

রাজধানীর মিরপুরে জামিয়া আরাবিয়া খাদিমুল ইসলাম মাদ্রাসায় জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও এতিমখানা-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে এ কথা জানান তিনি।

ডা. রফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষক নন, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং উৎপাদনমুখী জাতি গঠনে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়া দেশের অর্থনীতিকে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সীমাবদ্ধতা থেকে বের করে বেসরকারি খাত, কৃষি, শিল্প ও রপ্তানিনির্ভর উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। তার প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল স্বনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের একটি যুগান্তকারী রূপরেখা।

স্বাস্থ্য খাতের প্রসঙ্গ তুলে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাভিত্তিক নীতি গ্রহণ, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাস্থ্য জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি দৃঢ় ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। তার নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল দেশের মানুষ এখনও ভোগ করছে।

তিনি এ সময় বলেন, আত্মনির্ভরশীল, উৎপাদনমুখী, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণভিত্তিক বাংলাদেশের যে স্বপ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেখেছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক। তার আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন অনুসরণ করেই একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

এ সময় যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুল আলম বাদশা, ডা. কায়েস, ডা. রায়হান, ডা. মমী, ডা. সিফাতসহ অন্যান্য নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ জায়েদ আল ফাত্তাহ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা জজ মো. ফরিদুল আলম, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী এবং জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহানা চৌধুরী বেবী। এছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সিনিয়র ব্যাংকার, পেশাজীবী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%