ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৮২, আহত ৫০


সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৮২, আহত ৫০

আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৮২ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বর্তমানে স্থানটি দেশটির প্রভাবশালী প্যারা-সামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাহিনীটির একজন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ঠিক কতজন খনির ভেতর আটকা পড়ে আছেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেখানে উদ্ধার তৎপরতা অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই খনি ধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় কয়েক ডজন শ্রমিক খনির গভীরে কাজ করছিলেন। পরবর্তীতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে মোট ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার

দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা শ্রমিক খায়ের আল সায়েদ জাবারা জানান, সারারাত তারা নিজেদের সাধারণ সরঞ্জাম দিয়েই উদ্ধার কাজ চালানোর চেষ্টা করেছেন। তবে বিশাল পাথর ও বিপুল পরিমাণ মাটি সরানোর জন্য সেখানে কোনো ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার তৎপরতা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৩ সালে সুদান সেনাবাহিনী এবং প্যারা-সামরিক আরএসএফ-এর মধ্যে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়ে। ব্যাপক বেকারত্বের মুখে দেশটির হাজার হাজার যুবক কোনো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই এসব অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ হাতুড়ে সোনার খনিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে গৃহযুদ্ধের বিশাল অর্থের বড় একটি অংশ যোগান আসছে অবৈধভাবে পরিচালিত এসব সোনার খনি থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আরও মেট্রোরেল নির্মাণ প্রয়োজন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ পি.এম


ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় আরও মেট্রোরেল নির্মাণ প্রয়োজন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাকি

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি উল্লেখ করেছেন, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় গণপরিবহনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং নগর চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আরও মেট্রোরেল নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও মেট্রোরেল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে একনেক সভা শেষে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারও উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরায়নের গতি দ্রুত হচ্ছে এবং আধুনিক গণপরিবহনের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই কারণে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে পর্যায়ক্রমে মেট্রোরেল সেবা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার ক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এখন মেট্রোরেল নির্মাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, "আমরা একটি মেট্রোরেল নির্মাণ করেছি, ট্রেন চলছে এবং মানুষ এর সুফল ভোগ করছে। এখন মেট্রোরেল নির্মাণের বিভিন্ন কাজে অংশ নেওয়ার মতো সক্ষমতা আমাদের নিজেদের তৈরি করতে হবে।"

ভবিষ্যৎ প্রকল্পে প্রযুক্তি হস্তান্তরের গুরুত্ব তুলে ধরে সাকি বলেন, এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে বিদেশি কারিগরি দক্ষতার ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

মেট্রোরেল-৫-এর সাউদার্ন রুটের ব্যয় অন্যান্য প্রকল্পের তুলনায় বেশি হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতা, ভূগর্ভস্থ নির্মাণ, বিস্তারিত নকশা, অর্থায়নের শর্ত, বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতি ও করসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্প ব্যয়ে পার্থক্য হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় প্রস্তাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। তবে পরিকল্পনা কমিশন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে একনেকে উপস্থাপনের আগে ব্যয় কমিয়েছে। একটি কারিগরি কমিটিও প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়নসংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছে।

প্রকল্পটির জন্য উচ্চ ব্যয়ে কোনো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নিয়োগ পেয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি কেবল অনুমোদিত হয়েছে। অনুমোদনের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে, এরপর দরপত্রের নথি প্রস্তুত করা হবে এবং পরবর্তীতে ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হবে।

কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা কার্যাদেশ না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত পরামর্শক ব্যয়ের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নের সুদের হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সাকি জানান, জাপানের অর্থায়নে নেওয়া প্রকল্পগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে অর্থায়নের শর্তে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, আগে সুদের হার প্রায় শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বিবেচনা করা হলেও তা বেড়ে প্রায় ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ হয়েছে। চুক্তি সম্পাদনে আরও বিলম্ব হলে জাইকা সুদের হার পুনরায় পরিবর্তন করতে পারে।

তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থে সরকার যতটা সম্ভব দর-কষাকষি করেছে।

একনেকে প্রকল্প উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো আন্তর্জাতিক চাপ ছিল না উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা কমিশনের নির্ধারিত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই প্রকল্পগুলো একনেকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কিছু প্রকল্প একসঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে, কারণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে অর্থায়নের শর্ত পরিবর্তিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

চলমান কিছু মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় অনেক সময় প্রাথমিক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের সময় অতিরিক্ত প্রয়োজনীয়তা ও কাজের পরিধিতে পরিবর্তন ধরা পড়ে। এতে প্রকল্প ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

ভূগর্ভস্থ স্টেশন আরও গভীরে নির্মাণ, অতিরিক্ত অবকাঠামো এবং কাজের পরিধি পরিবর্তনের কারণে ব্যয় বাড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে সরকার প্রকল্প প্রস্তুত প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছে।

সাকি বলেন, প্রকল্প প্রস্তুতির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে এবং অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে এমন ঘাটতিগুলো বন্ধ করতে হবে।

বড় প্রকল্প অনুমোদনের আগে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, বিস্তারিত নকশা ও ব্যয় প্রাক্কলনের যাচাই-বাছাই আরও জোরদার করতে প্রকল্প বাস্তবায়নসংক্রান্ত নির্দেশিকা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পরামর্শক ব্যয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতা থাকা সরকারি সংস্থাগুলোকে সংশ্লিষ্ট কাজ করার সুযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে আলাদা করে পরামর্শক খাতে অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন না হয়।

এ ছাড়া সভা-সংক্রান্ত সম্মানী ও অন্যান্য প্রকল্প ব্যয় পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিদ্যমান মেট্রোরেল অবকাঠামোর মান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা পরীক্ষা করে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা দুর্নীতির কারণে কোনো দুর্বলতা সৃষ্টি হয়ে থাকলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।

ভবিষ্যতের মেট্রোরেল চুক্তিতে নির্মাণের মান, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ভূগর্ভস্থ অংশের ক্ষেত্রে টানেলের ওপরের স্থাপনায় কোনো ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানকে তা মেরামত ও প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা চুক্তিতে রাখার কথাও জানান সাকি।

এ ছাড়া যেখানে সম্ভব সরকারি অবকাঠামো প্রকল্পে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করা। এর মধ্যে উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, ভ্রমণ সময় কমানো, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা অন্যতম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র টিকে থাকার পেছনে সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছেন।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)'র ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের কাজ করা সাংবাদিকরা অত্যন্ত বিপদের মধ্যে কাজ করেন। তাদের অনেক সময় চড়া মূল্য দিতে হয়। এটি সত্যি যে, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিতদের জন্য যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখনও সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সম্প্রতি এই দায়িত্ব নিয়েছি। কতটা সফল হবো জানি না, তবে আমাদের একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো প্রয়োজনে আপনারা আমাকে পাশে পাবেন, সরাসরি এসে কথা বলতে পারবেন। রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষ হিসেবে আমি আপনার সমস্যাগুলো সহজেই বুঝতে পারি।'

আন্দালিভ রহমান উল্লেখ করেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১৫টি দপ্তর-সংস্থার প্রতিটি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সবগুলোর প্রতি আমার দায়িত্ব রয়েছে। বিগত ১৭ বছরে যে দুর্নীতি হয়েছে, সেখান থেকে সবকিছুকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন ভবন নির্মাণ করা সহজ, কিন্তু পুরানো ও জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার করা অনেক বেশি কঠিন।'

মন্ত্রী সাংবাদিকদের যেকোনো যুক্তিযুক্ত প্রয়োজনে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, যখনই প্রয়োজন মনে করবেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা সবাই মিলে সমস্যার সমাধান করবো। সরকার আপনাদের পাশে আছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ ক্র্যাবের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়া হাসপাতালে মেঝেতে সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী, দেখার যেন কেউ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


কুলাউড়া হাসপাতালে মেঝেতে সরকারি চিকিৎসাসামগ্রী, দেখার যেন কেউ নেই

হাম-রুবেলা ওয়ার্ডের প্রবেশপথে পড়ে তরল সেলাই—সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সরকারি অর্থে সরবরাহ করা চিকিৎসাসামগ্রী থাকার কথা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সংরক্ষণে। অথচ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র—হাসপাতালের হাম-রুবেলা ওয়ার্ডের প্রবেশপথের মেঝেতেই পড়ে আছে সরকারি তরল সেলাই!
সম্প্রতি হাসপাতালটিতে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এসব চিকিৎসাসামগ্রী দীর্ঘ সময় পড়ে থাকলেও সেগুলো সরিয়ে যথাযথ স্থানে রাখার উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য সরকারি অর্থে কেনা ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী যদি এভাবে মেঝেতে পড়ে থাকে, তাহলে এগুলোর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
তাদের আশঙ্কা, অবহেলায় চিকিৎসাসামগ্রী নষ্ট হলে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের অপচয় হতে পারে, অন্যদিকে প্রয়োজনের সময় রোগীরাও এসব সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
রোগী-স্বজনদের ভাষ্য, সরকারি হাসপাতাল মানেই সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা। সেখানে চিকিৎসাসামগ্রীর এমন অব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি দ্রুত নজরে এনে যথাযথ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ম মেনে সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং অপচয় রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী ডেনমার্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৮ পি.এম


বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী ডেনমার্ক

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য খাতের অভিন্ন অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের সঙ্গে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের সময়, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি দক্ষ ই-হেলথ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি ডেনমার্কের ই-হেলথ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের জন্য পুনর্বাসন সেবা জোরদার এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় সহযোগিতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%