ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত করতে পারে


ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত করতে পারে

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ গভীর নিম্নচাপে রূপান্তরিত হতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই নিম্নচাপ পরে ‘অর্ণব’ নামক ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ঘূর্ণিঝড়টি প্রধানত ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড় এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস জানায়, থাইল্যান্ড উপকূল থেকে ইতোমধ্যে লঘুচাপটি আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থান করছে। আজ শুক্রবার থেকে আগামীকাল শনিবারের মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

আন্দামান সাগর থেকে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এই নিম্নচাপ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন: কুয়াশার আভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

যুক্তরাষ্ট্রের মডেল জিএফএস অনুযায়ী, এই সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে অক্টোবরের শেষ দিকে। ২৩ অক্টোবর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। উত্তর-পশ্চিম দিকে আরও শক্তিশালী হয়ে এটি ২৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই মডেল অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আগামী ২৭ অক্টোবর রাতে এটি ভুবনেশ্বরের কাছাকাছি আঘাত হানতে পারে।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য বিশ্ববিখ্যাত প্ল্যাটফর্ম উইন্ডিডটকমের রিয়েল টাইম আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ২৭ অক্টোবর দিবাগত রাতে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে ইউরোপিয়ান মডেল ইসিএমডব্লিউএফ অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর নিম্নচাপ তৈরি হবে। ২৬ অক্টোবর সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২৮ অক্টোবর দুপুরে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া সংলগ্ন এলাকায় এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে।

যেভাবে ঝড়ের নামকরণ

আরও পড়ুন: বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৩টি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও ইরান) দেওয়া নামের একটি পূর্বনির্ধারিত ক্রম তালিকা থেকে সিরিয়াল অনুযায়ী নামকরণ করা হয় ঘূর্ণিঝড়ের। যখন কোনো নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে সাইক্লোনিক স্টর্মের রূপ নেয়, তখন এই তালিকা থেকে নাম ব্যবহার করা হয়। এই তালিকা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে ‘অর্ণব’। বাংলাদেশের দেওয়া এই নামের অর্থ ‘সমুদ্র’ বা ‘সাগর’। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ জরুরি: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ জরুরি: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মন্তব্য করেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য শুধুমাত্র মশক নিধন কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়, বরং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই কথা বলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ছাত্রদল, যুবদলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন, বিডি ক্লিন এবং স্কাউটস একত্রিত হয়ে কালাই পৌর এলাকাকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য এই অভিযান পরিচালনা করছে।

জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর নির্দেশনায় ‘নিজ এলাকা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের লক্ষ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

ফেসবুক পেইজে জানানো হয়েছে, কালাই পৌরসভার টিএন্ডটি এলাকায় গতকাল এই কার্যক্রমে বিডি ক্লিন ও স্কাউটসের ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করে, যা পর্যায়ক্রমে পৌরসভার নয়টি স্থানে পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার করা হয় এবং নাগরিকদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মৌদুদ আলম ও রফিকুল ইসলাম টুকু, কালাই পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান তালুকদার সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলীমসহ স্থানীয় নেতাকর্মী এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া বিডি ক্লিন, স্কাউটস ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীর ম্যারাথনে ১ হাজার ৫০০ প্রতিযোগী, ৭৫ বছর বয়সী খবিরের অংশগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


নরসিংদীর ম্যারাথনে ১ হাজার ৫০০ প্রতিযোগী, ৭৫ বছর বয়সী খবিরের অংশগ্রহণ

‘সুস্থ থাকতে দৌড়ের কোনো বিকল্প নেই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নরসিংদীতে একটি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতাটি শুক্রবার সকালে নরসিংদী রানার্স কমিউনিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন আনুষ্ঠানিকভাবে আরশীনগর রেলগেটে করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী।

এবারের ম্যারাথনে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ১ হাজার ৫০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন, যার মধ্যে রয়েছে ৪২ কিলোমিটারের ফুল ম্যারাথন, ২১ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথন এবং ১০ কিলোমিটারের মিনি ম্যারাথন।

ফুল ম্যারাথন শুরু হয় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে, হাফ ম্যারাথন সকাল ৫টায় এবং ১০ কিলোমিটারের মিনি ম্যারাথন শুরু হয় ৫টা ৩০ মিনিটে। প্রতিযোগীরা বেলা ১১টা পর্যন্ত তিনটি ক্যাটাগরিতে দৌড়ে অংশগ্রহণ করেন।

পরে নরসিংদী সরকারি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে মেডেল, সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন নরসিংদী সদর আসনের সংসদ সদস্য খাইরুল কবির খোকন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির, রেস পরিচালক আক্তারুজ্জামান, রেস অ্যাম্বাসেডর খবির উদ্দিন এবং আয়রনম্যান সাকলাইন রাসেল।

প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হন তিন ক্যাটাগরিতে পুরুষ ৭ জন ও নারী ৭ জন করে মোট ৪২ জন এবং বয়স্কদের মধ্যে ৫ জন করে মোট ১০ জনসহ সর্বমোট ৫২ জন বিজয়ী প্রতিযোগী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় নাগরিক পার্টির ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


জাতীয় নাগরিক পার্টির ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মো. নাহিদ ইসলাম নতুন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার, দলটির দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

পুনর্গঠিত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহকে মনোনীত করা হয়েছে। সদস্যসচিব পদে আখতার হোসেন দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক যুগ্ম সদস্যসচিব পদে আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এবং কোষাধ্যক্ষসহ যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এস.এম. সাইফ মুস্তাফিজ। অন্যান্য যুগ্ম সদস্যসচিবের মধ্যে রয়েছেন মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক ও মো. আতাউল্লাহ।

এছাড়া, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মোট ২৪ জনকে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— অ্যাড. আবদুল্লাহ আল আমীন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আবদুল হান্নান মাসুদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুশরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আবদুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল এবং এ.কে. ফ্লোরা।

কেন্দ্রীয় বিভিন্ন বিষয়ের সম্পাদকমণ্ডলী ও সহ-সম্পাদকমণ্ডলীর দায়িত্বও বণ্টন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে তাহসীন রিয়াজ (সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক: আশরেফা খাতুন), দপ্তর সম্পাদক হিসেবে সাদিয়া ফারজানা দিনা (সহ-দপ্তর সম্পাদক: ইফতেখারুল ইসলাম), আইন সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. জহিরুল ইসলাম মুসা (সহ-আইন সম্পাদক: অ্যাড. এরশাদুল বারি ও অ্যাড. ছাফায়েত উল্লাহ), প্রচার সম্পাদক হিসেবে জয়নাল আবেদীন শিশির (সহ-প্রচার সম্পাদক: মেজবাহ কামাল মুন্না ও শাহাদাত হোসেন) এবং শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে ফয়সাল মাহমুদ শান্তকে মনোনীত করা হয়েছে (সহ-শিক্ষা সম্পাদক: সাকিব শাহরিয়ার)।

এছাড়া, নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. হুমায়রা নূর, কর্মসূচী ও পরিকল্পনা সম্পাদক হিসেবে মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক হিসেবে সাঙ্গফতা বুশরা মিশমা (সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক: এহসানুল মাহবুব জোবায়ের), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. মনজিলা ঝুমা, মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে ইয়াসির আরাফাত (সহ-মিডিয়া সম্পাদক: আবদুল্লাহ আল মামুন), ধর্ম সম্পাদক হিসেবে মাওলানা সানাউল্লাহ খান (সহ-ধর্ম সম্পাদক: সাগর বড়ুয়া ও জয় বিশ্বাস), গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মশিউর রহমান, সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে লুৎফর রহমান (সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক: মেহেরাব সিফাত), শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. আলী নাছের খান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে সাইয়েদ জামিল (সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: মাহবুব আলম), তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে রাশেদ উল আলম (সহ-তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক: তাওহিদ তানজিম) এবং প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।

অন্যান্য সম্পাদকমণ্ডলীর মধ্যে মানবাধিকার সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. আরমান হোসাইন (সহ-মানবাধিকার সম্পাদক: খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল), সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে ইশতিয়াক আকিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ (সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: মুনা হাফসা), অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক হিসেবে আবদুল্লাহ আল ফয়সাল (সহ-অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক: সাইফুল ইসলাম সাইফ), শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হিসেবে মাজেদুর রহমান (সহ-শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক: আবদুল্লাহ মামুন নিলয়), সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক হিসেবে মো. রাসেল মোল্লা, ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আহনাফ সাঈদ খান (সহ-ক্রীড়া সম্পাদক: ইমরান নাঈম), জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তামিম আহমেদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ লিওন, যুব ও কর্মসংস্থান সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া (সহ-যুব ও কর্মসংস্থান সম্পাদক: ওয়াহিদুজ্জামান), মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ডা. জাহেদুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবে এম.এম. শোয়াইব (সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক: জাহিদ আহসান), টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আরিফুর রহমান তুহিন (সহ-টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক: আসাদুল্লাহ গালিব) এবং বেসরকারি পেশাজীবী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাদ্দাম হোসেন দায়িত্ব পালন করবেন।

বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন— ঢাকা বিভাগ উত্তরে সাইফুল্লাহ হায়দার (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: শওকত আলী), চট্টগ্রাম বিভাগ দক্ষিণে এ.এস.এম. সুজাউদ্দীন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: জাওয়াদুল করিম), রাজশাহী বিভাগে ইমরান ইমন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাকিব মাহাদী), চট্টগ্রাম বিভাগ উত্তরে নাভিদ নওরোজ শাহ্ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম সৈকত), রংপুর বিভাগে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পণ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোশাররফ হোসেন), সিলেট বিভাগে প্রকৌশলী কামরুল আরিফ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: নাহিদ উদ্দিন তারেক), খুলনা বিভাগে শাহরিন ইরা (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোল্যা রহমতুল্লাহ), বরিশাল বিভাগে ড. শামীম হামিদী (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: কাজী সালমান), ময়মনসিংহ বিভাগে মিয়াজ মেহরাব তালুকদার (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: তানহা শান্তা) এবং ঢাকা বিভাগ দক্ষিণে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: হাসিবুর রহমান অপু)। এছাড়া, ডায়াসপোরা বা প্রবাসী সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাফে সালমান রিফাত, তানজিল মাহমুদ, আয়মান রাহাত ও তারেক রেজাকে মনোনীত করা হয়েছে (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রিদওয়ান হোসেন অক্ষর, আরাফাত হোসেন আলিফ, জসিম উদ্দিন ও আলমগীর চৌধুরী আকাশ)।

সহ-সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশিক চৌধুরী, তৌহিদ হোসেন, খায়রুল কবীর, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, সোহেল রানা, আসাদ বিন রনি, ফিহাদুর রহমান দিবস, রাফিদ এম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহ আল কাফি, নয়ন আহমেদ, প্রীতম সোহাগ, ফাহিম রহমান খান পাঠান, আকরাম হোসেন রাজ, মোহাম্মদ উসামা, রাসেল আহমেদ, মাহবুব এ খোদা, সাইফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আবু সাইদ মো. নোমান এবং ডা. মিনহাজুল আবেদীনকে।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে অধ্যাপক এম.ই.এইচ. আরিফ, আব্দুল মান্নাফ, আ.হ.ম. শামসুল মুক্তাদির, ইকরাম এলাহী খান সাঁজ, প্রফেসর জার্জিস কাদির চৌধুরী, মো. মাইনুল ইসলাম মান্না, মোহাম্মদ শোয়াইব, বিপিন জ্যোতি চাকমা, গোপীনাথ ত্রিপুরা, আরিফুল দাঁড়িয়ে, ইয়াহিয়া জিসান, নাজমুল হাসান সোহাগ, আবদুল্লাহ আল মনসুর, মো. ইনজামুল হক, মো. ইমরান হোসেন, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, দিদার শাহ, সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ, মো. রাকিব হোসেন, কাজী ফখরুল ইসলাম, অ্যাড. জায়েদ বিন নাসের, আজাদ আহমেদ পাটোয়ারী, আলামিন সরকার, আহমেদ করিম চৌধুরী, মো. রবিউল ইসলাম, ইমরান আল নাজির, নাজমুল বাশার, সাইফ ইবনে সারওয়ার, তৌকির আজিজ, সালওয়া শামস, গাজী শরিফুল ইসলাম ওহিদ, ডা. মো. আবদুল মোহাইমিন (সাইমন), সাব্বির মাহমুদ, প্রকৌশলী সৈয়দা শামী আক্তার, মো. মজিবুল আলম হিমেল, শেখ শাহাদাত হোসেন, সাদ্দাম হোসাইন, মো. আরিফুর রহমান, স্নিগ্ধা মৃধা, মিনহাজ মুরশিদ তূকি, জাহিদুর রহমান, মোহাম্মদ আনোয়ার জাহান, কাওসার হাবিব, সাব্বির আহমেদ, আবু সালেহ মো. নাসিম, ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ জনি, মশিউর রহমান শুভ, পুষ্টিবিদ রায়হানুল ইসলাম, মনি মুক্তা, আবদুল আজিজ, নাকিবুর রহমান, তৌসিব মাহমুদ সোহান, শামীম ইউসূফ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হামিদ, ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ নাসের, অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী, মো. আবদুল্লাহ ভূঁইয়া শাহাদাত এবং সাইয়েদা জান্নাতকে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, তালিকায় উল্লিখিত নামগুলোর ক্রম জ্যেষ্ঠতার বিচারে নির্ধারণ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, সুদের হার বাড়ানোর পথ তৈরি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


জাপানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, সুদের হার বাড়ানোর পথ তৈরি হচ্ছে

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মূল্যস্ফীতির হার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। এর ফলে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তাজা খাদ্যপণ্যের অস্থিতিশীল মূল্য বাদ দিলে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ২ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের মাস আগস্টে এই হার ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ।

সেপ্টেম্বরের এই হার বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি। ফলে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সূর্য মন্তব্য করেছেন, ‘মূল্যস্ফীতির অন্তর্নিহিত প্রবণতা আবারও জাপান ব্যাংকের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে উঠে আসায় মুদ্রানীতি আরও কঠোর করার পক্ষে জোরালো ভিত্তি রয়েছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়াতে পারে। এতে ডিসেম্বরে আবারও সুদের হার বাড়ানোর পথ তৈরি হতে পারে।’

মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় জাপান ব্যাংক সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সুদের হার বাড়িয়েছিল। বিশ্বজুড়ে অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো জাপানও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবেলার জন্য এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই চাপ আরও তীব্র হয়েছে।

এদিকে, জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দুর্বলতার কারণে আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়ছে। সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাড়িভাড়া এবং মোটরযান-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সূর্যের মতে, বাড়িভাড়ার মূল্যস্ফীতি প্রায় ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তবে পেট্রল ও বিদ্যুতের বিলে সরকারি সহায়তা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা কমিয়েছে বলে অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

খাদ্য ও জ্বালানি—উভয় খাতের মূল্য বাদ দিয়ে হিসাব করলেও সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ২ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে এই হার ছিল ১ দশমিক ৯ শতাংশ। সেপ্টেম্বরের এই হার বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশাকেও অতিক্রম করেছে।

মূল্যস্ফীতির কারণে পরিবারের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ কমাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের শেষ দিকে গৃহীত বড় ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ এবং জ্বালানির ওপর ব্যাপক করছাড়।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পূর্ববর্তী দুই পূর্বসূরি মূল্যস্ফীতি নিয়ে জনঅসন্তোষের কারণে রাজনৈতিকভাবে বিপদে পড়েছিলেন।

সরকার জানিয়েছে, আগামী এপ্রিল থেকে দুই বছরের জন্য খাদ্যপণ্যের ওপর ভোগকর ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হবে।

তবে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের কর রাজস্ব প্রায় ১০ লাখ কোটি ইয়েন (৬ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার) কমতে পারে।

এতে জাপানের সরকারি অর্থব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটির মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের দ্বিগুণেরও বেশি, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ঋণ-জিডিপি অনুপাতগুলোর একটি।

প্রাকৃতিক সম্পদে সীমিত জাপান জ্বালানির চাহিদা মেটাতে আমদানি করা তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%