ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টকারীদের ফেরাতে চায় একটি দল: চিফ হুইপ


গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টকারীদের ফেরাতে চায় একটি দল: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন যে, দেশে পরিকল্পিতভাবে অরাজকতা সৃষ্টি করে যারা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করেছিল, তাদের ফেরাতে চাচ্ছে একটি দল।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব ওপেন তায়কোন্দো চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

চিফ হুইপ আরও বলেন, সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা সরকারের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে এমন কার্যকলাপ করতে চাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উদযাপন

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সকল সমস্যার সমাধান জাতীয় সংসদে আলোচনা মাধ্যমে হবে। তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদে সব সমস্যার সমাধান হবে। তবে রাস্তায় কোনো প্রকার অরাজকতা সৃষ্টি করা কাম্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেললাইনে বসে ছিলেন জামাল উদ্দিন, ট্রেনের ধাক্কায় গেল প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


রেললাইনে বসে ছিলেন জামাল উদ্দিন, ট্রেনের ধাক্কায় গেল প্রাণ

জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন জামাল উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার কেন্দুয়া কালীবাড়ি এলাকার হাসিল বিলের রেললাইনে ঘটে এই দুর্ঘটনা।

নিহত জামাল উদ্দিন পশ্চিম কলতাপাড়া গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের পুত্র। তিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য হাসিল বিল থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরতেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার ভোরে জামাল মাছ ধরার উদ্দেশ্যে হাসিল বিলে গিয়েছিলেন। তিনি বিলের পাশে রেললাইনের ওপর বসে ছিলেন। এ সময় তারাকান্দি থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় তাকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে রেলওয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

জামালপুর রেলওয়ে থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ‘জামাল উদ্দিন বিল থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ভোরে মাছ শিকার করতে গিয়ে তিনি রেললাইনে বসে ছিলেন। ট্রেনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


ইয়েমেনের রাজধানী সানায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর নিশ্চিত করেছেন এএফপির একজন সংবাদদাতা, যিনি ইরান-সমর্থিত হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন শহরটিতে অবস্থান করছেন।

হুথিদের সমর্থক সংবাদ সংস্থা সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই ঘটনার উল্লেখ করে বলেছে, এটি ‘সৌদি আগ্রাসন’ এর ফল।

এএফপির প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শহরের ওপর থেকে বড় বড় ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়ছে।

কিছু বছর শান্ত থাকার পর জুলাই মাসে ইয়েমেনে আবারও যুদ্ধ শুরু হয়। একদিকে রয়েছে সানা এবং ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণে থাকা হুথিরা। অন্যদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার, যা সৌদি আরবের সমর্থনে পরিচালিত।

দক্ষিণাঞ্চলের এডেন শহর থেকে নির্বাসিত অবস্থায় পরিচালিত সরকার দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও অঞ্চলটি আয়তনে বড়, জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।

ইয়েমেনের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়।

গত এক দশক ধরে চলমান নিয়মের বাইরে গিয়ে জুলাই মাসে ইরান সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে একটি বিমান সানায় পাঠায়। ওই বিমানে হুথিদের একটি প্রতিনিধিদল ছিল।

এই ঘটনার পর সৌদি আরব রাজধানী সানার বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর জবাবে, হুথিরা ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হামলা করে।

এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে, ইরান-সমর্থিত হুথিরা একটি বড় ধরনের অভিযান চালায়। কয়েক দিনের মধ্যে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীর উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

এরপর হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় একাধিক হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে দেশটির তেল অবকাঠামো এবং রাজধানী রিয়াদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যায় মৃতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


নেপালে বন্যায় মৃতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার চ্যালেঞ্জ

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজেশ রাম একটি ছবির সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতি আশাবাদী হয়ে রয়েছেন, যেটি তার নিখোঁজ ছেলের। নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ হয়ে যাওয়া স্বজনদের সন্ধানে থাকা হাজারো মানুষের মধ্যে তিনিও অপেক্ষা করছেন কোনো উত্তর পাওয়ার জন্য।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

৫৩ বছর বয়সী রাম এএফপিকে জানান, ‘আমি তাকে সব জায়গায় খুঁজেছি, কিন্তু তার মরদেহ পাইনি।’ তার ছেলে সুরোজ কুমার বেত্রাবতীতে একটি গ্যারেজে মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন। বন্যার ফলে ওই এলাকা পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে যায়।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ার পর বরফঠান্ডা পানি ও ধ্বংসাবশেষের সুনামির মতো ঢল নেমে আসে। এর ফলে নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।

এখন কর্তৃপক্ষের জন্য নিখোঁজ ও মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাজার হাজার ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে খণ্ডিত মরদেহ, সীমিত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং জনবলের সংকট। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, মরদেহের সঙ্গে স্বজনদের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশই খণ্ডিত দেহাবশেষ।

এখন পর্যন্ত মাত্র ১১২টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নেপালে আরও ৫ হাজার ২৮৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকশ বিদেশিও রয়েছেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ৪৩ জনের প্রাণহানি এবং ৫১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

দুই দেশ মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৫০০ এবং নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার ৮০০ জন।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত দুটি ফরেনসিক গবেষণাগারে বিশেষজ্ঞরা ডিএনএ নমুনার প্রোফাইল তৈরি ও একটি বড় ডেটাবেস তৈরির কাজ করছেন। এর আগে এত বড় পরিসরে এমন কাজ তাদের করতে হয়নি।

ন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুকুল প্রধান বলেন, ‘এক বছরে আমরা সাধারণত ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি নমুনা পরীক্ষা করতাম। এর মধ্যে পিতৃত্ব নির্ধারণ বা অপরাধস্থলের নমুনাও থাকত। এখন আমরা হাজার হাজার নমুনা পরীক্ষা করছি।’

‘ব্যথাটা আমরা বুঝতে পারছি’

মোট ৩ হাজার ৬৮৫টি ফরেনসিক নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর মধ্যে উদ্ধার করা মরদেহ থেকে সংগৃহীত নমুনার সংখ্যা ১ হাজার ৩০০-এর বেশি।

রক্তের নমুনা থেকে ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি তুলনামূলক সহজ। তবে দাঁত বা হাড় থেকে নেওয়া নমুনা পরীক্ষা করতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

নেপাল ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০০টির বেশি মরদেহ দাফন করেছে। প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে নম্বর ও পরিচিতিচিহ্ন যুক্ত করা হয়েছে, যাতে পরে ডিএনএ পরীক্ষায় কোনো স্বজনের সঙ্গে মিল পাওয়া গেলে মরদেহটি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

নেপালের পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে বলেন, ‘অনেক মানুষ নিখোঁজ এবং যেসব মরদেহ পাওয়া গেছে, সেগুলোর পরিচয় শনাক্ত করাও কঠিন। মানুষ যে কী যন্ত্রণার মধ্যে আছেন, আমরা তা বুঝতে পারছি। আমাদের দলগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’

ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান নিরাজন থাপা বলেন, বন্যার পানিতে কিছু মরদেহ অনেক দূরে ভেসে যাওয়ায় শনাক্তকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট একটি এলাকায় মরদেহ পাওয়া যায়। ফলে তুলনামূলক সীমিত সংখ্যক নমুনার সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে দেখা যায়। কিন্তু এবার সেই পরিসর অনেক বড়।’

শুধু মরদেহ থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করলেই পরিচয় নিশ্চিত করা যায় না। এজন্য কোনো নিকটাত্মীয়ের ডিএনএ নমুনার প্রয়োজন হয়।

থাপা বলেন, ‘শুধু কারও ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করলেই তাকে শনাক্ত করা সম্ভব নয়। তার স্বজনদের কাছ থেকেও ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করে সেটির সঙ্গে তুলনা করতে হবে।’

অর্থাৎ, পরিচয় নিশ্চিত করতে একদিকে অজ্ঞাত মরদেহের নমুনা এবং অন্যদিকে হাজারো স্বজনের নমুনা—দুটিই পরীক্ষা করতে হবে।

নেপালের এই কাজে সহায়তা করতে প্রতিবেশী ভারত ও চীন, পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশ বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ বিশেষজ্ঞরাও সহায়তা করছেন।

থাপা জানান, এসব সহায়তার ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মরদেহ ও স্বজনদের ডিএনএ মিলিয়ে শনাক্তকরণের কাজ শুরু করা সম্ভব হতে পারে।

তবে ফলাফল না আসা পর্যন্ত নিখোঁজদের পরিবারগুলোকে অনিশ্চয়তা ও গভীর মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নিখোঁজ স্বজনদের কয়েকটি পরিবার এরই মধ্যে প্রতীকীভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছে।

রাজেশ রামও জানেন না, শেষ পর্যন্ত তিনি কোনো উত্তর পাবেন কি না।

তিনি বলেন, ‘আমি অপেক্ষা করছি, যদি আমার ছেলের কোনো দেহাবশেষ খুঁজে পাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেক্সাসে আইসিইর গুলিতে আহত ভেনেজুয়েলার নাগরিকের শরীরে অস্ত্রোপচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


টেক্সাসে আইসিইর গুলিতে আহত ভেনেজুয়েলার নাগরিকের শরীরে অস্ত্রোপচার

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে আহত এক ভেনেজুয়েলীয় নাগরিকের শরীর থেকে আটকে থাকা গুলি বের করার জন্য বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে তার মেরুদণ্ডের কাছে গুলিটি আটকে ছিল।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

২৮ বছর বয়সী উইলবার গারসেস অস্টিন শহরে ডেলিভারি চালক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তাদের একটি অভিযানের সময় পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।

বুধবার আদালতে শুনানি শেষে তাকে ফেডারেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারক তার জামিনের আবেদনও নাকচ করে দেন।

গারসেসের আইনি দলের অন্তর্ভুক্ত অধিকার সংগঠন টেক্সাস সিভিল রাইটস প্রজেক্ট (টিসিআরপি) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আজ তার অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠার পর্যায়ে আছেন।’

এই ঘটনা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের সময়ের মধ্যে ঘটে। ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে সমালোচনা করেছে।

সোমবার প্রসিকিউটররা গারসেসের বিরুদ্ধে একজন ফেডারেল কর্মকর্তাকে হামলা, প্রতিরোধ, কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ আনেন। এসব অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

এর আগে গারসেস আইসিইর হেফাজতে ছিলেন এবং পরে তাকে একটি ফেডারেল কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

তার আইনজীবী কেট লিংকন-গোল্ডফিঞ্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, যারা আইসিইর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বা প্রতিবাদ করেছেন অথবা আইসিইর হাতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সরকার প্রায়ই এ ধরনের অভিযোগ প্রতিশোধমূলকভাবে ব্যবহার করে। এর অনেক উদাহরণ রয়েছে।

টেক্সাসের ফেডারেল বিচারক ডাস্টিন হাওয়েল গারসেসের জামিন আবেদন নাকচ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গারসেস পালিয়ে যেতে পারেন। বিচারকের মতে, ভিডিও ফুটেজে গারসেসকে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পালাতে এবং গাড়ি দিয়ে একজন কর্মকর্তাকে আঘাত করতে দেখা গেছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, গারসেস প্রথমবার কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হওয়ার পর পালিয়ে যান এবং তার গাড়ির সাইড মিরর দিয়ে একজন কর্মকর্তাকে আঘাত করেন।

পরে কর্মকর্তারা তাকে ধরে ফেললে এলজি নামে চিহ্নিত এক কর্মকর্তা বলেন, গারসেস তাকে গাড়িচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন তিনি গুলি চালান বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

তবে গারসেসের বক্তব্য ভিন্ন। তিনি দাবি করেন, আত্মসমর্পণের আগে তিনি কর্মকর্তাদের তার গাড়িটি নিরাপদ জায়গায় পার্ক করতে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কর্মকর্তারা তা না করে তার গাড়িতে ধাক্কা দেন এবং এরপর গুলি চালানো হয়। সেই গুলি তার পিঠে লাগে বলে তিনি দাবি করেন।

টিসিআরপি বলেছে, ঘটনাটি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, গুলি চালানো এলজি নামের কর্মকর্তা ওই সময় কোনো বডি ক্যামেরা পরেননি। আর ডিএফ নামে চিহ্নিত যে কর্মকর্তা গারসেসকে ধাওয়া করছিলেন, তিনি ঘটনার একপর্যায়ে তার ক্যামেরা বন্ধ করে দেন।

টিসিআরপি বলেছে, ‘এই ঘটনার শেষ পর্যন্ত কীভাবে গুলির ঘটনা ঘটল, তার পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড এখন জনসাধারণের সামনে নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%