ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধ্রুব-দিয়ার প্রেমে ক্ল্যাসিক ভালোবাসার ছোঁয়া


ধ্রুব-দিয়ার প্রেমে ক্ল্যাসিক ভালোবাসার ছোঁয়া

আধুনিক প্রজন্মের প্রেমের গল্পে নব্বই দশকের ভালোবাসা, অপেক্ষা এবং আন্তরিকতার একটি বিশেষ আবহ তৈরি হয়েছে। কমেডি, রোমান্স ও পারিবারিক নাটকের মিশ্রণে নির্মিত ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’ সম্প্রতি প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক এবং এটি বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হয়।

প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে ছবির কলাকুশলীদের পাশাপাশি শোবিজের অনেক তারকা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন আশনা হাবিব ভাবনা, মন্দিরা চক্রবর্তী, আজিজুল হাকিম, নাজমি জান্নাত, ইমতিয়াজ বর্ষণ এবং এসআরকে ইউনিভার্স বাংলাদেশ ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা।

‘মিশন ডিডিএলজে’-এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী এবং লাবণ্য চৌধুরী। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন আরমান বিন মাহমুদ, সাদিয়া ইসলাম জুই, শওকত শোভন, মাসুদ মহিউদ্দিন, শেখ স্বপ্না, শারমিন সুলতানা শর্মী, নিয়ন আহসান এবং নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।

আরও পড়ুন: ৩ বছর পর গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু

ছবির কাহিনী ধ্রুব ও দিয়ার প্রেমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। বর্তমান সময়ের এই জুটি নব্বই দশকের একটি প্রেমকাহিনির মূল্যবোধ ও আবেগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প তৈরি করতে চায়। তাদের যাত্রায় নানা বাধা-বিপত্তি, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রেমের বিচিত্র অনুভূতি উঠে এসেছে। গল্পের প্রতিটি পরতে রয়েছে নানা বাঁক, যা প্রেম, হাস্যরস, বন্ধুত্ব এবং পারিবারিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি স্বস্তিদায়ক রোমান্টিক-কমেডির আবহ তৈরি করেছে।

প্রিমিয়ার শেষে অতিথি ও তারকারা ছবিটি নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং ভালো লাগার কথা জানান। ধ্রুব চরিত্রে অভিনয় করা সাদ নাওভী বলেন, "কমেডি, রোম্যান্স ও ফ্যামিলি ড্রামার একটি দারুণ কম্বিনেশন ‘মিশন ডিডিএলজে’। এটি একটি ফিল-গুড গল্প। ক্লাসিক ধাঁচের একটি চরিত্রকে নিজের মতো করে আয়ত্ত করতে পারাটা তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি। চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিশেষ ভালো লাগা দিয়েছে।"

দিয়া চরিত্রে অভিনয় করা লাবণ্য জানান, কাজটির অভিজ্ঞতা তার জন্য দারুণ ছিল। তিনি বলেন, "৯০ দশকের প্রেমের গল্প আমার ব্যক্তিগতভাবেই খুব পছন্দ। তাই চরিত্রটি ধারণ করতে খুব বেশি প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়নি। তবে কিছু রিহার্সাল করতে হয়েছে। নাওভির সঙ্গে প্রথমবার জুটি গড়ে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান প্রজন্মও গল্পটি উপভোগ করবে এবং নিজেদের প্রেমে সেই আবেগের ছায়া খুঁজে পাবে।"

নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক জানান, নব্বই দশকের রোমান্টিক ছবির আবেগ ও মূল্যবোধকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই ‘মিশন ডিডিএলজে’ নির্মাণ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ব্যবহার রুখতে আদালতে কৃতি, মন্তব্য দিল্লির হাইকোর্ট

অর্ক বলেন, "আমি যেহেতু ৮০ দশকে জন্ম এবং ৯০ দশকের রোমান্টিক গল্পগুলো দেখে বড় হওয়া, আমার চেষ্টা ছিল ৯০ দশকের ক্লাসিক লাভ স্টোরির মূল্যবোধ ও অনুভূতিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা। গল্প ও চরিত্রগুলো আধুনিক, কিন্তু তারা ৯০ দশকের প্রেমের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প গড়ে তুলতে চায়। তাই এটি একদিকে আধুনিক, অন্যদিকে নস্টালজিক।"

ছবিটির নামের পেছনের গল্প জানিয়ে নির্মাতা আরও বলেন, "দর্শক এখানে ক্লাসিক অনেক জনপ্রিয় রোমান্টিক চলচ্চিত্রের আবহ খুঁজে পাবেন। D D L J এর পূর্ণ রূপ ‘Dhrubo-Diya’s Love Journey’। অবশ্যই এর একটি লুকানো অর্থ আছে, তবে সবকিছু আগে বলে দিলে রহস্য নষ্ট হয়ে যাবে। আমি শুধু এটুকু বলতে পারি, বর্তমান জেনারেশন থেকে শুরু করে আমাদের মা-বাবা, দাদি-নানি র জেনারেশন পর্যন্ত সবাই গল্পটি পছন্দ করবে। কারণ তারা এই গল্পে তাদের পুরান মূল্যবোধ খুঁজে পাবে। দর্শক ওয়েব ফিল্মটি দেখে আশাহত হবেন না। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে উপভোগ করতে পারবেন।"

ওয়েব ফিল্মটির নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময় বলেন, "এই প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে আমরা সবাই যেন একটি পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। টিমের প্রত্যেকের কাজে ছিল আন্তরিকতা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া। সেই বন্ধনই পুরো টিমকে একসঙ্গে কাজ করার শক্তি জুগিয়েছে।"

‘মিশন ডিডিএলজে’র মতো বড় একটি প্রকল্পের দায়িত্ব ও আস্থা দেওয়ার জন্য ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এবং চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নির্মাতা অর্ক ও নির্বাহী প্রযোজক আশেক হোসেন তন্ময়।

আরও পড়ুন: ইনানীর আগুনে শোকের ছায়া, অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৌসিফ

২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি। এটি দেখতে খরচ হবে ১৫ টাকা অথবা থাকতে হবে আইস্ক্রিনের সাবস্ক্রিপশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যসেবা উন্নত না হলে প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


স্বাস্থ্যসেবা উন্নত না হলে প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত না হলে একটি দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।

তিনি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ওয়ার্ল্ড ফার্মাসিস্ট ডে-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো যথেষ্ট নয়; মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও জাতীয় সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একটি ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একজন রোগীর চিকিৎসার অধিকার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে। চিকিৎসকের দায়িত্বের পাশাপাশি রোগীর প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, দেশে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ওষুধশিল্পকে আরও শক্তিশালী ও মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না। তাদের জন্য ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মতো উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।

রিজভী আরও বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধির যে লক্ষ্য সামনে রাখা হয়েছে, তা অর্জনের জন্য জাতীয় ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ। সমৃদ্ধি বলতে শুধু মানুষের আয় বা খাদ্য কেনার সক্ষমতা বোঝায় না; একজন মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সক্ষমতাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরও বলেন, যে দেশ তার নাগরিকদের উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারে না, সেই দেশের সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নও পূর্ণতা পায় না। তাই জাতীয় সমৃদ্ধির সূচকগুলো মূল্যায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থান ও মানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে পেশাজীবীদের জ্ঞান, দক্ষতা, চিন্তা, উদ্ভাবন ও নতুন ধারণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, অতীতে বিভিন্ন সেক্টরে দলীয়করণ ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভবিষ্যতে এসব খাতকে উন্নত করতে পেশাজীবীদের চিন্তা, উদ্ভাবন ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশকে শান্তিময় ও সমৃদ্ধিশালী করতে স্বাস্থ্যসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আধুনিক ও কার্যকরভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সোসাইটি অফ বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টের আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ইউজিসির সদস্য ড. আসলাম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. মামুনুর রশিদ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর ড. শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মো. সোহেল রানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ডিন প্রফেসর সেলিম রেজা, একই বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. শাহ আরমান প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুর রশিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন গ্যাংস্টার, পাহারায় ছিল পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


প্যারোলে মুক্তি পেয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন গ্যাংস্টার, পাহারায় ছিল পুলিশ

পুরোহিত মন্ত্র পড়তে পড়তে হন্তদন্ত হয়ে ছিলেন, আর অগ্নিকুণ্ডে একটার পর একটা ‘স্বহা, স্বহা’ শব্দে আহুতি দিচ্ছিলেন। অন্যদিকে, মেটা তার কান্নাকাটি করা তিন সন্তানের একজনকে ফোনের স্ক্রিনে ইউটিউব চালিয়ে শান্ত রাখতে চেষ্টা করছিলেন। আগুনের ধোঁয়ায় তার চোখ জ্বলছিল। বারবার তিনি একবার সন্তানদের দিকে তাকাচ্ছিলেন, আবার ফিরে তাকাচ্ছিলেন যজ্ঞের আগুনের দিকে।

গ্যাংস্টার মাইনপাল ধিল্লার দুই হাত একটি বড় কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল—এটি সম্ভবত তার হাতের হাতকড়াটা ঢেকে রাখার জন্যই করা হয়েছিল। তবুও কাপড়ের ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝে ঝিকমিক করে উঠছিল ধাতব হাতকড়াটি। কেউ খেয়াল করতেই আবার দ্রুত কাপড় দিয়ে সেটি ঢেকে দেওয়া হচ্ছিল।

মণ্ডপের চারপাশে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পুলিশ সদস্যরা কড়া নজরদারি চালাচ্ছিলেন। অদূরেই বরের নারী আত্মীয়রা নারী কনস্টেবলদের সঙ্গে গল্পে মেতে ছিলেন এবং কনের লেহেঙ্গাটা ঘুরেফিরে দেখছিলেন।

‘কনের লেহেঙ্গাটা কিন্তু একদম গায়ে মানায়নি,’ মন্তব্য করলেন এক নারী কনস্টেবল। ‘আমি শুনেছি এটার দাম নাকি ছয় হাজার রুপি,’ পাশ থেকে উত্তর দিলেন আরেক কনস্টেবল।

সত্যিই এটি একটি অদ্ভুত ও তাড়াহুড়োর বিয়ে! ধিল্লাকে যে অন্য জায়গায় ফিরতে হবে—তার আসল ঠিকানা এখন কারাগার।

৫০ বছর বয়সি ভারতের হরিয়ানার এই গ্যাংস্টারকে তার ৩৭ বছর বয়সি কম্বোডিয়ান প্রেমিকা মেটাকে বিয়ে করার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত—মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য কাস্টডি প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। মেটা তার তিন সন্তানকে নিয়ে ঝাজ্জারে এসেছেন, তবে পরিবারের অন্য কোনো সদস্য তার সঙ্গে ছিলেন না।

ধিল্লা মূলত বাদলি গ্রামের এক ট্রাক্টর মেকানিক ছিলেন। ২০০০ সালে গ্রামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের চাচা হেমচন্দ্রকে হত্যা করার পর থেকে পুলিশের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় তার নাম ওঠে। পরবর্তীতে তিনি নিজের মামা ওমপ্রকাশকেও হত্যা করেন এবং দ্রুতই ওই এলাকার কুখ্যাত অপরাধী হয়ে ওঠেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি আরও দুজনকে হত্যা করেছেন এবং বর্তমানে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২২টি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ডাকাতি, ছিনতাই, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও অবৈধ অস্ত্র মামলার মতো নানা অপরাধে তিনি এখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

বাদলি গ্রাম থেকে আসা ধিল্লার আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী যখন মণ্ডপ ঘিরে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন প্রায় ১৫ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য চারপাশ পাহারা দিচ্ছিলেন। পুলিশ সদস্যদের জন্য এই বিয়ের একটাই কড়া শর্ত ছিল- রাত ৮টার মধ্যে ধিল্লাকে আবার জেলখানায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

কৃত্রিম ফুল দিয়ে সাজানো একটি অস্থায়ী ঘরেই বানানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। একপাশে পুরুষদের বসার জন্য সারি সারি চেয়ার সাজানো ছিল, আর নারীরা বসেছিলেন কাছেই মাটিতে। ছোট সেই ঘরটিতে শুধু ধিল্লা, মেটা, তাদের সন্তান এবং পণ্ডিতের দাঁড়ানোর মতো জায়গা ছিল। তাদের ঘিরে চারজন বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা ও বন্দুকধারী পুলিশ কর্মকর্তা পুরো আনুষ্ঠানিকতার ওপর নজর রাখছিলেন।

পুলিশের কড়া পাহারায় বিয়ে

গুড়গাঁও-ঝাজ্জার সড়কের পাশের ওই ফার্মহাউসের বাইরে প্রায় ৫০টির মতো গাড়ি পার্ক করা ছিল—যার মধ্যে রয়েছে এসইউভি, স্করপিও এবং থার। তবে বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে ভেতরে কোনো বিয়ের আয়োজন চলছে। বাইরের দিকে কোনো আলোকসজ্জা বা সাজসজ্জা ছিল না। তার বদলে গেটে পুলিশ সদস্যরা দাঁড়িয়ে ও বসে থেকে আগত অতিথিদের ওপর নজর রাখছিলেন।

প্রবেশদ্বারে পুলিশ সদস্যরা প্রত্যেকের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন, গায়ে হাত দিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক করছিলেন এবং নাম, বাবার নাম ও ফোন নম্বর লিখে রাখছিলেন। গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে ঢোকার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।

ভেতরে গোলাপি ও সাদা রঙের তাঁবুতে অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফাঁকা জায়গায় চেয়ারে বসে পুরুষেরা খাবার খাচ্ছিলেন আর বিড়ি টানছিলেন, আর নারীরা যাতায়াত করছিলেন ঘর ও বিয়ের আয়োজনের জায়গায়।

স্যুট পরা নারীরা একসঙ্গে ফার্মহাউসের ভেতরে বসে নিজেদের মধ্যে এবং নারী কনস্টেবলদের সঙ্গে গল্প করছিলেন। কোনো বলিউডের গান বাজছিল না, এমনকি হরিয়ানার বিয়ের প্রথা ভেঙে নারীরা কোনো ঐতিহ্যবাহী বিয়ের গীতও গাইছিলেন না।

নারী কনস্টেবলদের পোশাকের দিকে তাকিয়ে এক নারী বলেই উঠলেন, ‘আগে তো নারী কনস্টেবলরা স্যুট পরতেন, এখন তো দেখছি শার্ট আর ট্রাউজার পরা শুরু করেছেন!’

আরেকজন জানতে চাইলেন, গ্রাম থেকে কেউ থানায় গেলে এখনো তারা ঘোমটা দেন কিনা।

‘আমাদের তো ইউনিফর্ম পরতেই হয়। গ্রাম থেকে কেউ থানায় এলে আমি তো আর মুখ ঢাকি না। কাজ তো কাজই,’ উত্তর দিলেন কনস্টেবল।

ধিল্লার এক আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মেটা এক মাসের মতো গ্রামে থাকবেন, তারপর কম্বোডিয়া ফিরে যাবেন। পরবর্তীতে তিনি হয়তো ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।’

বিয়ের পর্বটি সম্পন্ন হয় ধিল্লার এক চাচাতো ভাইয়ের মালিকানাধীন ফার্মহাউসে।

চার-পাঁচটি ঘর আর একটি রান্নাঘর সম্বলিত এই ফার্মহাউসের চারপাশে ছিল বিশাল খোলা জায়গা। সেখানে সুইমিং পুল বা অন্য কোনো বিলাসবহুল আয়োজন ছিল না। জায়গাটি দেখে মনে হচ্ছিল না এখানে কেউ নিয়মিত থাকেন। এর মালিক, অর্থাৎ ধিল্লার চাচাতো ভাই থাকেন রোহতকের একটি গ্রামে।

কয়েকজন নারী ছবি তোলার চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন এবং নির্দেশ মেনে চলতে বলেন। নিকটাত্মীয়রা ফার্মহাউসে ঘুরে ঘুরে কাজ সামলাচ্ছিলেন, বাচ্চাদের সামলাচ্ছিলেন আর ধিল্লার বিয়ের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে সাহায্য করছিলেন।

অবশ্য হরিয়ানার কোনো কয়েদি গ্যাংস্টারকে জেল থেকে বের হয়ে বিয়ে করার অনুমতি পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

২০২৪ সালের মার্চ মাসে দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থানে ৩০টিরও বেশি মামলার আসামি সন্দ্বীপ ওরফে ‘কালা জাতেডি’কে ৬ ঘণ্টার প্যারোল দিয়েছিল দিল্লির একটি আদালত। অনুরাধা চৌধুরী নামের এক তালিকাভুক্ত অপরাধীকে (যিনি ‘রিভলভার রানি’ ও ‘ম্যাডাম মিঞ্জ’ নামেও পরিচিত) বিয়ে করার জন্য এই সুযোগ দেওয়া হয়। দ্বারকার একটি ভেন্যুতে তাদের বিয়ে হয়, যেখানে প্রায় ২৫০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল।

একই মাসে হরিয়ানার আরেক গ্যাংস্টারকে তার বিয়ের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। সোনিপতের বাসিন্দা ও গোগি গ্যাংয়ের সদস্য যোগেশ দহিয়া ওরফে ‘টুন্ডা’কে দিল্লির হাইকোর্ট ৬ ঘণ্টার প্যারোল দেয় বিকাশপুরীর একটি আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করার জন্য। দহিয়া সে সময় তিহার জেলে বন্দি ছিলেন।

এর এক বছর পর, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নিহত গ্যাংস্টার তিলু তাজপুরিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত অমিত ওরফে ‘দাবাং’-কে দিল্লির নারেলায় নিজের বিয়েতে উপস্থিত থাকার জন্য ৫ ঘণ্টার প্যারোল দেওয়া হয়েছিল। কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে বিয়ের ভেন্যুতে নেওয়া হয় এবং অনুষ্ঠান শেষ হতেই আবার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যাপ চেয়ারম্যানের ওপর হামলায় রিজভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ন্যাপ চেয়ারম্যানের ওপর হামলায় রিজভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকীর ওপর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সাবেক ২০ দলীয় জোট ও পরবর্তী জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা তিনি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে রিজভী বলেন, "২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দেশের ভেতর লুকিয়ে থাকা দুস্কৃতিকারীরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নানা ধরণের অরাজকতা সংঘটিত করছে।" তিনি উল্লেখ করেন, এম এন শাওন সাদেকীর ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা এবং গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা সেই পরিকল্পিত অরাজকতারই বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, "এসব দুস্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে কঠোর শাস্তি প্রদানের বিকল্প নেই। তা না হলে তারা আরও বড় ধরণের নাশকতা ঘটাতে পারে।"

রিজভী আরও বলেন, "গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক-মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।" তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখার জন্য আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার আইন শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।

বিবৃতিতে হামলাকারী দুস্কৃতিকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান রিজভী। তিনি এম এন শাওন সাদেকীর আশু সুস্থতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন মোহাম্মদ শেহজাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন মোহাম্মদ শেহজাদ

পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন কীর্তি স্থাপন করেছেন তরুণ ব্যাটার মোহাম্মদ শেহজাদ। প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-ওয়ানে পাকিস্তান টেলিভিশনের (পিটিভি) হয়ে কিংসম্যান একাডেমির বিপক্ষে তিনি মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। এর ফলে পাকিস্তানি ব্যাটারদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন ২২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

ইসলামাবাদের ডায়মন্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টুর্নামেন্টের তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন শেহজাদ। পিটিভি যখন মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে ছিল, তখন পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন তিনি। এরপর পালটা আক্রমণে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন এই তরুণ।

আউট হওয়ার আগে শেহজাদ মাত্র ৬২ বলে ১১৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ১২টি চার ও ৮টি ছক্কা ছিল। চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ তাহারের সঙ্গে ১৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। ফলে শুরুতে চাপে পড়া পিটিভি ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ২১তম ম্যাচেই ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন শেহজাদ। একই সঙ্গে তার এই ঝোড়ো শতক ভেঙে দিয়েছে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকা পাকিস্তানের রেকর্ড।

এর আগে পাকিস্তানের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হকের দখলে ছিল। ২০১৪ সালে আবুধাবিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে তিনি মাত্র ৫৬ বলে শতক করেছিলেন। ওই ইনিংসের মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডসের পাশে বসেছিলেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে সেই রেকর্ড নিজের করে নেন।

পিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কাঠামো পেরিয়ে উঠে এসেছেন শেহজাদ। পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি ২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও তিনি খেলেছেন।

এখন পর্যন্ত ২২টি লিস্ট-এ ও ২৬টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা শেহজাদের পাকিস্তান সুপার লিগে অভিষেক ঘটে ২০২৫ মৌসুমে। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে সেই আসরে তিনি ছয়টি ম্যাচ খেলেছিলেন। এবার ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড গড়ে নিজের সম্ভাবনার জানান দিলেন এই তরুণ ব্যাটার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%