রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৫ এম
গাজীপুর সদর উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুন লাগার ফলে প্রায় ৩৮টি ঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঘরগুলোর আসবাবপত্রসহ অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার বানিয়াচালা মধ্যপাড়া এলাকায় জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, কারখানার ছুটি শেষে ভাড়াটিয়ারা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় একটি ঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন একটি ঘর থেকে আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে প্রায় ৩৮টি ঘর পুড়ে যায়।
প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে রাজেন্দ্রপুর-চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
বাড়ির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, কারখানার ছুটি শেষে ভাড়াটিয়ারা রান্নাবান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুত আশপাশের ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে সব মিলিয়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভাড়াটিয়া স্বপ্না আক্তার বলেন, কারখানার ছুটি শেষে বাড়িতে আসার পর হঠাৎ আগুন দেখতে পাই। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের ঘরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এর আগেই আমাদের ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
রাজেন্দ্রপুর-চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মুহাম্মদ আবু সায়েম মাসুম বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রাত ১১টা ২০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হয়। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণের দামে। সবশেষ ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর সবশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার রোমার মাঠে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ২-২ গোলে ড্র করে সিরি আ চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান। এই ম্যাচে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক লাউতারো মার্তিনেজ।
মৌসুমের শুরুতে দুই দলেরই ছিল শতভাগ জয়ের রেকর্ড। এই ড্রয়ের ফলে দুই দলই একে অন্যের ওপর চাপটা ধরে রাখল।
জিয়ান পিয়েরো গাসপেরিনির রোমা এই মৌসুমে ইতালির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। দনিয়েল মালেনের গোল করার ক্ষমতা এবং শক্ত রক্ষণভাগের সুবাদে চার ম্যাচেই জিতেছে তারা।
প্রথমার্ধে মানু কোনের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল রোমা। কিন্তু সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো এমন পরিস্থিতি থেকে ফিরে আসে ক্রিস্তিয়ান কিভুর দল। মার্তিনেজের জোড়া গোলে ঘুরে দাঁড়ায় চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের দিন সকালে ৮৩ বছর বয়সে প্রয়াত হন সান্দ্রো মাজ্জোলা। ইন্টার মিলান এবং ইতালির সাবেক এই তারকা প্লেমেকারকে শ্রদ্ধা জানায় দুই দলই। খেলা শুরুর আগে নীরবতা পালন করা হয়। কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামে ইন্টারের খেলোয়াড়েরা।
ম্যাচ শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় রোমা। নাহুয়েল মলিনার নামানো বল দুর্দান্তভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে জড়ান কোনে। এই মৌসুমে এটি ছিল তার প্রথম গোল। আবারও ধীরগতিতে ম্যাচ শুরু করে ইন্টার। এই বিষয়টি কোচ ক্রিস্তিয়ান কিভুর জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।
সোমবার উদিনেসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলা শুরুর ১৬ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ৫-৩ গোলে জিতেছিল ইন্টার। এবারও একইরকম পরিস্থিতির মুখে পড়ে তারা।
প্রথমার্ধের বেশিরভাগ সময় স্তাদিও অলিম্পিকোতে খেই হারিয়ে ফেলে ইন্টার। পাওলো দিবালা দুইবার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেন। ২৬ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পান মার্কাস থুরাম। কিন্তু তার শট সরাসরি রোমার গোলরক্ষক মিলে স্ভিলারের হাতে চলে যায়।
সাত মিনিট পর কার্টিস জোন্সের চমৎকার পাস থেকে সুযোগ পান আলেসান্দ্রো বাস্তোনি। কিন্তু কোনাকুনি জায়গা থেকে নেওয়া তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
তবে ইন্টার যখন ধীরে ধীরে জেগে উঠছিল, ঠিক তখনই ৩৭ মিনিটে আবার গোল করেন কোনে। কাছ থেকে বল জালে পাঠান তিনি। প্রথমে সহকারী রেফারির পতাকায় উদযাপন থেমে যায় তার। পরে ভিএআরের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর গোলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি দাভিদে মাসসা। এটি ছিল ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলারের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সিরি আ গোল।
সাবেক ইন্টার ডিফেন্ডার কিভু বিরতিতে নিশ্চয়ই খেলোয়াড়দের কড়া কথা শুনিয়েছিলেন। কারণ দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই দাপট দেখায় তার দল। বিরতির পর এক মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান কমান অধিনায়ক মার্তিনেজ। থুরামের বাড়ানো বল থেকে তার নেওয়া শট গোলরক্ষক স্ভিলারের দূরের পোস্টের পাশ দিয়ে জালে ঢুকে যায়।
৬৮ মিনিটে আরেকটি গোলের কাছাকাছি চলে যান মালেন। ভিড়ের মধ্যে দারুণ টাচে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শট নেন তিনি। কিন্তু বল ইন্টার গোলরক্ষক জোসেপ মার্তিনেজের কপালে লেগে নিরাপদে চলে যায়। এই মৌসুমে এটি হতে পারতো তার ষষ্ঠ গোল।
ম্যাচের শেষ দশ মিনিটে যখন মনে হচ্ছিল খেলা একইভাবে শেষ হবে, তখনই গোলমুখে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। প্রথমে দারুণ সেভ করেন স্ভিলার। এরপর চাপের মুখে হেড নিয়ে ক্রসবারে মারেন মার্তিনেজ। তবে বল ফিরে আসার পর আবার বক্সের মধ্যে সেটি পান আর্জেন্টাইন এই তারকা। এবার আর ভুল করেননি তিনি। উরু দিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সার্বিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে সমতা ফেরান তিনি। ২-২ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের গত ছয় মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ চারটি বিষয় মন্ত্রীর ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি মন্ত্রীর ছেলে ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে কয়েকটি অভিযোগ ও মন্তব্য করেছেন।
পোস্টে হাসনাত লিখেছেন, গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের উল্লেখযোগ্য সাফল্য— ১. ছেলের বিসিবির ডিরেক্টর হওয়া। ২. প্রায় ৬০০ কোটি টাকার কমিশনের জাপানি কোম্পানির লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ পাওয়া এবং সচিবদের সঙ্গে মিটিং করার সুযোগ তৈরি করা। ৩. বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্টের লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ পাওয়ার চেষ্টায় এগিয়ে থাকা। ৪. ছেলের শিক্ষক থেকে ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা।
পোস্টের শেষে তিনি আরও লেখেন, ‘সব মিলিয়ে, গত ছয় মাসে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলার কতটা উন্নতি হয়েছে জানি না, তবে উনার পকেটের উন্নতির গতিটা বেশ লক্ষণীয়।‘
হাসনাতের এমন পোস্টে ইতোমধ্যে সাড়ে ছয় হাজারের মতো শেয়ার ও সাড়ে ৫ হাজারের মতো কমেন্ট পড়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনও কিছু বলেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে মন্ত্রী বলেছেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২০২৯ সালের জুনেই শেষ হতে পারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ। এমন কথাটি জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, 'ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেন প্রকল্পটি অনেক আগে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাড়ে ৪ বছর হয়ে গেলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৬ মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ এখন প্রায় ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি। আশা করছি দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ হয়ে যাবে। ভৌত কাজের অগ্রগতিও প্রায় ২৭ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, 'এ প্রকল্পের কাছে যেখানে বিচ্যুতি আছে, সেগুলো অতিক্রম করে আমরা এই সড়কটি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক। বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক। আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি দরপত্র অনুসারে নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, 'বর্তামানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তবে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, যেহেতু ৪ বছর কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বরতী সরকার খুব বেশি মনযোগী ছিল না এই প্রকল্প নিয়ে। ভূমি অধিগ্রহণ বড় সমস্যা ছিল, সেটা থেকে উত্তরণ হতে চলেছি আমরা। ভৌত কাজ যেখানে সন্তোষজনক নয়, সেটা কী ভাবে আরও জোরালো করা যায় সেই চেষ্টা করছি আমরা। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ