ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা ও ওষুধ বিতরণ শুরু


বান্দরবানে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা ও ওষুধ বিতরণ শুরু

বান্দরবান, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আজ থেকে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য দুইদিনব্যাপী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার সকালে সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও বান্দরবান রিজিয়নের উদ্যোগে রাজার মাঠে এ চিকিৎসা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

মেডিসিন, চক্ষু, গাইনি, শিশু, চর্মরোগ এবং নাক-কান-গলা সহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগী এবং তাদের স্বজনরা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বসবাসরত বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়বে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে তারা উপকৃত হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বাসস’কে জানিয়েছেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও বান্দরবানের মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

বান্দরবানের প্রান্তিক জনগণের বিপুলসংখ্যক মানুষ সেনাবাহিনীর দুইদিনব্যাপী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রমে চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ গ্রহণ করছেন।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিআইআইডির অভিযানে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ঝুঁকি উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


সিআইআইডির অভিযানে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ঝুঁকি উদঘাটন

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত বন্ডেড এক্সেসরিজ প্রতিষ্ঠান জাস অ্যাকসেসরিজ (বিডি) লিমিটেডে (জেএএসএস অ্যাকসেসরিজ) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) অভিযানে ১৩ দশমিক ৩৫ লাখ কেজি কাঁচামালের ঘাটতির তথ্য উদঘাটিত হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রায় ৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত জেএসএস অ্যাকসেসরিজ (বিডি) লিমিটেডে পরিদর্শন ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটি বন্ডেড সুবিধার আওতায় এলডিপিই, এইচডিপিই, এলএলডিপিই, পিপি, জিপিপিএস, এইচআইপিএস, বিওপিপি, ডুপ্লেক্স বোর্ড ও রাবার থ্রেড ইয়ার্নসহ বিভিন্ন ধরনের কাঁচামাল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করে থাকে।

এনবিআর জানায়, পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ইউপি (ইউটিলাইজেশন পারমিশন) তথ্যের সঙ্গে বন্ডেড ওয়্যারহাউসে বাস্তবে মজুত কাঁচামালের পরিমাণ যাচাই করে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া যায়।

অনলাইন ইউপি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বন্ডেড ওয়্যারহাউসে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৮৫৭ কেজি কাঁচামাল থাকার কথা থাকলেও সরেজমিনে পাওয়া যায় ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৫৮১ দশমিক ২ কেজির কাঁচামাল।

অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী মজুত থাকার কথা থাকলেও ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৫ দশমিক ৮ কেজি (প্রায় ১৩ দশমিক ৩৫ লাখ কেজি) কাঁচামাল বন্ডেড ওয়্যারহাউসে পাওয়া যায়নি।

এনবিআর জানায়, সর্বশেষ আমদানিকৃত বিল অব এন্ট্রিতে ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী না পাওয়া এসব কাঁচামালের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য প্রায় ২৪ কোটি ৯৬ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪১ টাকা। এসব কাঁচামালের সংশ্লিষ্ট শুল্ক-করাদির পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি ১০ লাখ ৪৭ হাজার ১৫৪ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা বিপুল পরিমাণ কাঁচামালের ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাঁচামালগুলো অনুমোদিত উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, নাকি বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা যাচাই করা হচ্ছে।

বিস্তারিত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র যাচাই শেষে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে বিশ্ব বসতি দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


ঝালকাঠিতে বিশ্ব বসতি দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভা

ঝালকাঠি, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : ‘সবার জন্য আবাসন, টেকসই নগর’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে একটি র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমান উল্লাহ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. মো. শাহাদাত হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন কবির, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মো. মাহামুদুল্লা, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড. আক্কাস সিকদার এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও টেকসই আবাসন নিশ্চিতকরণ এবং পরিকল্পিত নগরায়ণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাটির অবয়বে ফুটছে দেবীর রূপ, ফরিদপুরে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


মাটির অবয়বে ফুটছে দেবীর রূপ, ফরিদপুরে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে

শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সদরপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দুর্গোৎসবের দিন যতই নিকটে আসছে, ততই উৎসবের আমেজ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে মৃৎশিল্পী ও কারিগররা প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপ তৈরি, সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

মাটির অবয়বে দেবীর রূপ ধীরে ধীরে ফুটে উঠতে শুরু করায় ফরিদপুরের সদরপুরের বিভিন্ন এলাকায় দুর্গোৎসবের আগমনী বাতাস বইতে শুরু করেছে। সদরপুর পূজা উদযাপন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৩৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।

কিছু স্থানে বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমার কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে, অন্যদিকে মাটির প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে। আবার কিছু মণ্ডপে প্রতিমায় রং করা, পোশাক-অলংকার পরানোসহ সাজসজ্জার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মণ্ডপ নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও সমানতালে চলছে।

বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। হাতে থাকা সময়ের মধ্যে প্রতিমা নির্মাণ ও মণ্ডপের অন্যান্য প্রস্তুতি শেষ করতে দিন-রাত কাজ করছেন মৃৎশিল্পী ও কারিগররা।

সরেজমিনে সদরপুর উপজেলার কয়েকটি পূজা মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কয়েকজন মৃৎশিল্পী। বাঁশ ও খড়ের কাঠামোর ওপর ধাপে ধাপে মাটি দিয়ে দেবীর অবয়ব গড়ে তোলা হচ্ছে। কারিগরদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় কাঁচা মাটির সেই অবয়ব ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ প্রতিমার রূপ নিচ্ছে। কেউ কাঠামো তৈরিতে ব্যস্ত, কেউ মাটি লাগাচ্ছেন, আবার কেউ প্রতিমার বিভিন্ন অংশে সূক্ষ্ম কারুকাজ ফুটিয়ে তুলছেন।

মৃৎশিল্পী সুজন পাল বলেন, "প্রতিমা তৈরির কাজ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করতে হয়। একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিমা তৈরি করতে চার-পাঁচজন মৃৎশিল্পীর প্রায় সাত থেকে আট দিন সময় লাগে। প্রথমে বাঁশ ও খড় দিয়ে কাঠামো তৈরি করা হয়। এরপর কয়েক স্তরে মাটি দিয়ে প্রতিমার অবয়ব গড়ে তোলা হয়। মাটি শুকিয়ে গেলে শুরু হয় সূক্ষ্ম কারুকাজ। সবশেষে রং, পোশাক, অলংকারসহ বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হয়।"

তিনি আরও বলেন, "নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা প্রস্তুত করতে এবার তাদের ব্যস্ততার মধ্যেই কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিমার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে প্রতিটি ধাপেই বিশেষ যত্ন ও নিপুণতার প্রয়োজন হয়।"

উপজেলার কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরে আরো দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপ নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজও চলছে পুরোদমে। কোথাও বাঁশের কাঠামো তৈরি হচ্ছে, কোথাও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। আবার কোথাও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সদরপুর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিলয় ভৌমিক বলেন, "পূজাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপ তৈরি ও সাজসজ্জার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।"

কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ ভৌমিক বলেন, "শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা আয়োজনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন বলেন, "শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করবে।"

মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতে মাটি যখন দেবীর রূপ নিচ্ছে, তখন সদরপুরের আকাশ-বাতাসে যেন বেজে উঠছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী সুর। প্রতিমা ও মণ্ডপের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কারিগরদের কর্মচাঞ্চল্য জানান দিচ্ছে—আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। এরপর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও সম্প্রীতির আবহে মুখর হয়ে উঠবে সদরপুরের ৩৮টি পূজামণ্ডপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলিশের বাজারে আগুন, দাম বেড়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


ইলিশের বাজারে আগুন, দাম বেড়ে গেছে

৮ অক্টোবর থেকে মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা নিষিদ্ধ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এই কারণে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটসহ সদরের বিভিন্ন মাছঘাটের আড়তে চলছে সর্বশেষ ইলিশ বেচা-কেনার ধুম। ফলে ইলিশের বাজারদর কিছুটা বেড়ে গেছে। দুই সপ্তাহ আগে এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা, বর্তমানে তা ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানির তুলনায় ক্রেতা ও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম কমানোর সুযোগ নেই। অন্যদিকে, মৎস্য বিভাগ জানাচ্ছে, এবারের মৌসুমে জেলেরা কম-বেশি ইলিশ পেয়েছেন এবং সামনের সময়ে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিলে এর সুফলও জেলেরা পাবেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাট, সদরের লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া মাছঘাট এবং পাশের হরিণা ফেরিঘাট সংলগ্ন ইলিশের আড়ৎ ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বহরিয়া মাছঘাটের আড়তে দেখা যায়, জেলেরা কিছু সময় পরপর ইলিশ নিয়ে আসছেন; তবে সাইজ সর্বোচ্চ ৫০০ গ্রাম। হাঁকডাকেই মুহূর্তে ইলিশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। ছোট সাইজের ইলিশের হালি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, আর ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের প্রতি হালি ২ হাজার টাকা।

বহরিয়া এলাকার জেলে হান্নান গাজী জানান, মৌসুমের শেষ সময়ে ইলিশের আমদানি কিছুটা বেড়েছে। তবে আগস্টে আমদানি খুবই কম ছিল। বর্তমানে জেলেরা যে পরিমাণ ইলিশ পায়, তাতে খরচ ওঠে কোনোরকম চলে।

এ ঘাটের আড়তদার মো. ইদ্রিস আলী বলেন, শেষ সময়ে আমদানি কিছু বেড়েছে, এরপরও চাহিদার তুলনায় কম। সুনামের কারণে চাঁদপুরের ইলিশের চাহিদা বেশি।

হানারচর ইউনিয়নের জেলে নজরুল ইসলাম জানান, এক নৌকায় ১০ জন কাজ করি। রাতে নেমে সকালে ঘাটে এসেছি। যে পরিমাণ ইলিশ পেয়েছি তাতে খরচ উঠেছে। তবে জালে ময়লা-আবর্জনা বেঁধে যাওয়ায় আজ আর নদীতে নামতে পারব না। অভিযানের আগে হয়তো দুই-একদিন মাছ ধরতে পারব।

হরিণা মাছঘাটের পাইকারি বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর ছৈয়াল বলেন, গত দুই সপ্তাহে এ ঘাটে প্রতিদিন ইলিশের আমদানি ছিল প্রায় ২০০ মণ। গত কয়েকদিন কিছুটা কমেছে। দূরদূরান্ত থেকে লোক এসে ইলিশ কিনছেন, কিন্তু চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। গত সপ্তাহে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ছোট সাইজের ইলিশ প্রতি হালি ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা।

এ ঘাটের প্রবণী বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল জানান, এ ঘাটে সরাসরি জেলেরাই পদ্মা-মেঘনার ইলিশ ধরে নিয়ে আসে। বরফ দেওয়ার আগেই ক্রেতারা কিনে নেন। এখানে প্রতারণার সুযোগ নেই। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আড়তে কেনাবেচা চলে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবেবরাত সরকার বলেন, গত সপ্তাহে কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও এ সপ্তাহে আমদানি কমেছে। প্রজনন সময়ের আগে কম দামে ইলিশ কিনবেন-এমন আশায় ঘাটে এসে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় ইলিশ কম, দামও কমছে না। আমদানি বেশি হলে দামও কমে আসে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, এবার শেষ মুহূর্তে ইলিশের আমদানি কিছুটা বেড়েছে। হাজার হাজার জেলে ইলিশ ধরছেন, এতে তারা কম-বেশি ইলিশ পাচ্ছেন। এবারের ইলিশের সাইজ গড়ে বড়ই বেশি।

তিনি বলেন, সামনের ২২ দিনের প্রজনন মৌসুম সফল হলে এর সুফলও জেলেরা পাবেন। আমরা ইতোমধ্যে মা ইলিশ না ধরার সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%