ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাসিস্ট পূজারী সাকিবের সকল রেকর্ড মুছে ফেলার দাবি শফিকুলের


ফ্যাসিস্ট পূজারী সাকিবের সকল রেকর্ড মুছে ফেলার দাবি শফিকুলের

 

অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম (বামে), পলাতক হাসিনা সরকারের সংসদ সদস্য ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান (ডানে)।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উচিত সাকিব আল হাসানের সমস্ত রেকর্ড, পরিসংখ্যান এবং মাইলফলক মুছে ফেলা। যে ক্রিকেটার প্রকাশ্যে একজন দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারীকে পূজা করেন, ক্রিকেটের ইতিহাসে তার নাম থাকার কোনো অধিকার নেই। ইতিহাস থেকে সাকিবের নাম এবং রেকর্ড মুছে ফেলা হলে আমাদের ক্রিকেট মোটেও নিঃস্ব হয়ে যাবে না। শুক্রবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এমনটি প্রকাশ করেছেন সাবেক অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

শফিকুল আলম তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ব্যারি রিচার্ডস, গ্রায়েম ও পিটার পোলক, মাইক প্রোক্টর এবং এডি বার্লো সাকিবের চেয়ে অনেক বড় মাপের খেলোয়াড় ছিলেন। তাদের হাতে রক্ত লেগে ছিল না। তারা সাকিবের মতো এত দুর্নীতিগ্রস্তও ছিলেন না। তাদের একমাত্র ‘অপরাধ’ ছিল এমন একটি বর্ণবাদী শাসনের অংশ হওয়া, যা তাদের বর্ণ শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করার কাজে ব্যবহার করেছিল—যার ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তাদের বাদ পড়তে হয়েছিল, যদিও ব্যারি রিচার্ডস সম্ভবত তার সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘হয়তো কোনো একদিন বিসিবি সভাপতি হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সাকিব একজন হিটলারকে পূজা করেন এবং দেশে ফিরে একটি খুনি শাসনব্যবস্থাকে পুনর্বাসিত করার স্বপ্ন দেখেন। তার ‘ক্যাপ্টেন’ (শেখ হাসিনা)—যাদের সংঘটিত গণহত্যার অপরাধগুলো জাতিসংঘের একটি স্বাধীন অনুসন্ধান মিশন নিখুঁতভাবে নথিভুক্ত করেছে—তার সেসব অপরাধের জন্য সাকিবের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। আমাদের ক্রিকেটে গণহত্যাকারীর পূজারীদের কোনো স্থান থাকা উচিত নয়। মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তাকারী এবং ফ্যাসিবাদী সরকারের চাটুকারদের ক্রীড়া বীর হিসেবে আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই।

সর্বশেষে তিনি জানান, ‘২০০৯ সালে বিডিআর সদর দফতরে ৫৭ জন সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় কাবাডি, ভলিবল, বাস্কেটবল, কুস্তি এবং অ্যাথলেটিক্সের জাতীয় চ্যাম্পিয়নসহ বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাদের জন্য কেউ অশ্রুপাত করেনি। কেউ তাদের ক্ষমার জন্য আবেদন জানায়নি। সাকিবের জানা উচিত যে, গণহত্যাকারীকে পূজা করে কেউ রেহাই পেতে পারে না।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, এটাকে ধরে এগিয়ে যেতে হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে, এটাকে ধরে এগিয়ে যেতে হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তারা বলেছেন যে দেশে আর স্বৈরশাসনের পুনরাবৃত্তি না করতে হবে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্স অ্যান্ড লিবারেশন ডে উপলক্ষে কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন যে যুদ্ধের অনেক কাহিনী এখনও অজানা রয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর যারা ছিলেন, তারা যেন সাধারণ মানুষ প্রকৃত চিত্র জানতেই বাধা প্রদান করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস লেখা হোক, এটা তার প্রত্যাশা। মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুতে কাউকে কৃতিত্ব দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, ইতিহাসটি সঠিকভাবে লেখা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিদ্রোহ না করলে আজও বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। পাকিস্তানের শাসনাধীন থাকতে হতো। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতা, এবং মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা তিনি হচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকেও।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাঙ্গালিদের মধ্যে যারা বীর সৈনিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, তারা সত্যি সাহস দেখিয়েছেন। সেই সময়ের তরুণরা ছিলেন দুঃসাহসী যোদ্ধা।

‘শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, এতে দোষের কিছু নেই, কারণ তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা ছিলেন। তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তারা স্বাধীনতা চাননি, কারণ তারা রাজনৈতিকভাবে ঘটনাগুলো মোকাবিলা করতে চেয়েছিলেন’, রাষ্ট্রপতি যোগ করেন।

তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রের জন্য গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল। কারণ নির্বানের নামে কিছু প্রহসন হয়েছিল যা দেশে মানুষের জন্য ভয়ঙ্কর ছিল।

‘যে স্বপ্ন নিয়ে আমি যুদ্ধ করেছিলাম, গণতন্ত্র, সাম্য, মানবতার জন্য, ৫০ বছর পরও সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এটি রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতা, কারণ তারা লোভ-লালসায় ডুবে ছিলেন’, হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, যদি আমরা যুদ্ধ না করতাম, তবে পলিটিক্যাল সমঝোতা হত, শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হতেন। আর যারা বিদ্রোহ করেছিলেন, তাদের অবস্থান কি হত?

সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে আর যেনো কোন স্বৈরশাসক সৃষ্টি না হয় এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দেশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এটাকে ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের বাজারে রপ্তানি হলো বাংলাদেশের আনারস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


পাকিস্তানের বাজারে রপ্তানি হলো বাংলাদেশের আনারস

পাকিস্তানে সরকার বাংলাদেশের তাজা আনারস রপ্তানির অনুমতি প্রদান করেছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এই তথ্য জানিয়েছে।

হাইক‌মিশন উল্লেখ করেছে, এই অনুমতি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন, ইসলামাবাদ, উপ-হাইকমিশন, করাচি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে গত কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ফলস্বরূপ এ সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

পাকিস্তানে বাংলাদেশের আনারসের ব্যাপক চাহিদা বিদ্যমান। বাংলাদেশের আনারস রপ্তানির সুযোগ তৈরি হওয়ার মাধ্যমে দু'দেশের মধ্যে অন্যান্য কৃষিপণ্য ও ফলের আমদানি-রপ্তানি প্রসার সহ ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির পথ সুগম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার: ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ওসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


কাউখালীতে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার: ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ওসির

পিরোজপুরের কাউখালী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে

২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার বাশরী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, কাউখালী থানার এসআই মোঃ মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে এএসআই খাইরুল হাসান এবং সঙ্গীয় পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে বাশরী গ্রামের রাকিব হাওলাদারের ছেলে মোঃ তারেক (২৪)

এবং একই এলাকার দেলোয়ার তালুকদারের ছেলে খাইরুল তালুকদার (৩১)-কে আটক করে।

এ সময় তাদের তল্লাশি করে ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, "এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

মাদক সমাজকে ধ্বংস করছে। নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হলে যুবসমাজ রক্ষা পাবে।

আমরা চাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকুক।"

অভিযানের বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, "আমরা মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি।

কাউখালী উপজেলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে আমাদের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামবিদ্বেষ ও বর্ণবাদ নিয়ে বিতর্কে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


ইসলামবিদ্বেষ ও বর্ণবাদ নিয়ে বিতর্কে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক

বিশ্বের অন্যতম ধনী উদ্যোক্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্ককে নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, মাস্ক কেবল বিতর্কিত রাজনৈতিক মত প্রকাশেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি বর্ণগত বিভাজন, ইসলামবিদ্বেষ এবং উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্য ইকোনমিস্টের প্রধান সম্পাদক জ্যানি মিন্টন বেডোসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসলাম ও মুসলিমদের বিষয়ে প্রশ্ন করলে মাস্ক সরাসরি ইসলামবিরোধিতা অস্বীকার না করেই মুসলিমদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি ধর্ষণ, হত্যা, পশ্চিমা মূল্যবোধের বিরোধিতা এবং আইন চাপিয়ে দেওয়ার মতো বিষয় উল্লেখ করেন। সমালোচকদের দাবি, মাস্কের এসব মন্তব্য দীর্ঘদিন ধরে উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রচারিত ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। মাস্ক সচেতনভাবে মুসলিমদের সহজাত সহিংসতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছেন বলে মনে করা হয়।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মাস্ক নিজেকে বর্ণবাদী হিসেবে অস্বীকার করলেও তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। মাস্ক মুসলিমদের একটি অভিন্ন ও সহিংস গোষ্ঠী হিসেবে উপস্থাপন করে পশ্চিমা সমাজের জন্য একটি হুমকি হিসেবে চিত্রিত করছেন।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় যে, মাস্ক দীর্ঘকাল ধরে ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ এবং ‘হোয়াইট জেনোসাইড’-এর মতো বিতর্কিত তত্ত্ব নিয়ে পোস্ট করে আসছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে, তিনি এ ধরনের বিষয় নিয়ে প্রায় প্রতিদিন পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এক্স-এ তার একটি পোস্ট, ‘শ্বেতাঙ্গরা দ্রুত সংখ্যালঘুতে পরিণত হচ্ছে’, কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।

বিশ্লেষকের মতে, মাস্কের এসব বক্তব্য কেবল মত প্রকাশ নয়; বরং জনমনে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনকে ‘শ্বেতাঙ্গদের অস্তিত্বের সংকট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার একটি রাজনৈতিক প্রচেষ্টা।

এ ছাড়াও, নিবন্ধে মাস্কের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণায় আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন এবং ফ্রান্সের ন্যাশনাল র‍্যালি, জার্মানির অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)সহ নানা উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক শক্তির প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি, এক্স প্ল্যাটফর্মে কয়েকজন পরিচিত উগ্র ডানপন্থী কর্মীর অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরো দাবি করে, মাস্ক একাধিকবার সম্ভাব্য ‘গৃহযুদ্ধ’ এবং সামাজিক যুদ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যা তার অনুসারীদের মধ্যে ভীতি ও বিভাজন বাড়াতে পারে। লেখকের মতে, এসব বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতি বর্ণনার চেয়ে বরং বর্ণগত সংঘাতের পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

বিশ্লেষণে আরো বলা হয়েছে, ইলন মাস্ককে যদি কেবল একজন বিতর্কিত ব্যবসায়ী হিসেবে দেখা হয়, তবে তার রাজনৈতিক প্রভাবের গুরুত্ব অনুধাবন করা সম্ভব হবে না। লেখকের দাবী, বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষমতা, বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মালিকানা এবং বিপুল অনুসারীকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক পরিবেশ তৈরি করছেন, যা ভবিষ্যতে সামাজিক ও বর্ণগত উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%