শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আয়াতুল্লাহর স্মৃতি ধরে রাখতে তৎকালীন জেলা ও উপজেলা প্রশাসক ও স্হানীয়দের উপস্থিতিতে মধ্যনগর নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের নামকরণ করা হয় "শহীদ আয়াতুল্লাহ সেতু"এবং তাতে প্রাথমিক ভাবে শহীদ আয়াতুল্লাহর নামে সাইনবোর্ড স্হাপন করা হয়। গতরাতে (৪সেপ্টেম্বর) দুষ্কৃতিকারীরা স্প্রে দিয়ে তাঁর নাম মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা।
ছেলের নাম মুছে দেওয়ার ঘটনায় তিনি দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মধ্যনগর থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তিনি বলেন আমার ছেলে দেশকে ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছে। তার সম্মানে অন্তর্বর্তী সরকার ব্রিজের নামকরণ করে সাইনবোর্ড স্হাপন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আয়াতুল্লাহ শহীদ হওয়ার পর তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্রিজের সাইনবোর্ডে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়। সম্প্রতি দুর্বৃত্তরা সাইনবোর্ড থেকে শহীদ আয়াতুল্লাহর নাম মুছে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ঘটনাটি জানার পর শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা ব্রিজের কাছে গিয়ে ছেলের নাম মুছে ফেলার দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁর কান্না ও আহাজারিতে স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়।
শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা বলেন, “আমার ছেলে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। সেতুর সাইনবোর্ড থেকে তার নাম মুছে ফেললে একজন বাবার কষ্ট কতটা হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি আমার ছেলের নামের মর্যাদা ও স্মৃতি রক্ষার দাবি জানাই।”
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একজন জুলাই শহীদের নাম মুছে দেওয়া শুধু একটি সাইনবোর্ডের নয়; এটি শহীদের স্মৃতি ও পরিবারের অনুভূতিতে আঘাত। তারা দ্রুত সাইনবোর্ডটি পুনঃস্থাপন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন -- লিখিত অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) কর্তৃক আয়োজিত ‘এমপাওয়ারিং ক্যাম্পাস জার্নালিস্ট : এআই, ডেটা-ড্রাইভেন ইনভেস্টিগেশন, ফিচার রাইটিং অ্যান্ড ডিজিটাল এথিকস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (শনিবার) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির কনফারেন্স রুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আধুনিক সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটাভিত্তিক অনুসন্ধান, বস্তুনিষ্ঠ ফিচার রাইটিং এবং ডিজিটাল এথিকস বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের পেশাগত মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অধ্যাপক ড. খায়রুল আরও বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। যখন আপনারা কোনো তথ্য প্রচার করেন, তখন মানুষ সেটিকে বিশ্বাস করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই দায়িত্বশীলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদ পরিবেশন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম রবিউল ইসলাম।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. সালমা আখতার।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হামিদ।
সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদ আলম।
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন আল জাজিরার বাংলাদেশ প্রতিনিধি মউদুদ আহমেদ সুজন, প্রথম আলো ডিজিটালের ম্যানেজার (বিজনেস) খায়রুল বাশার এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক ফয়জুল্লাহ ওয়াসিফ।
কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্যাম্পাস প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বহিষ্কৃত নেতাদের সাথে দহরম মহরম করে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগে কালিগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ নাজমুল ইসলাম বাবুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা বিএনপির কর্মকর্তারা। ৫ সেপ্টেম্বর জেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত প্রেরিত কারণ দর্শনের নোটিশ সূত্রে জানা যায় ৯ নম্বর মথুরেশ পুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি শেখ নাজমুল ইসলাম বাবু দলীয় আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বহিষ্কৃত নেতাদের সাথে বিরোধী ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করায় যা দলীয় নীতি,আদর্শ এবং সাংগঠনিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী।এমন এহেন কাজ আর কখনো কেউ যেন না করতে পারে সে জন্য শেখ নাজমুল ইসলাম বাবুকে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটার মধ্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর লিখিত জবাবসহ জেলা বিএনপি'র কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলা ভিতের ওপরে একতলা ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।
আজ শনিবার কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গেছে। কোন দেশকে ধ্বংস করতে হলে সেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়। যেন নতুন প্রজন্ম দেশের যোগ্য নাগরিক এবং রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারক হয়ে গড়ে উঠতে না পারে। শিক্ষাঙ্গনের ধ্বংসস্তুপের উপরে দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার বিগত সময়ের ক্ষতিপূরণ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
সংসদ সদস্য অ্যাড. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু আরো বলেন, এই ধ্বংস থেকে উত্তরণের জন্যে সরকার নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া গবেষণা কার্যক্রমকে গতিশীল করা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তার এবং অবকাঠামো উন্নয়নেও কাজ করছে সরকার। আগামীতে এসব উদ্যোগের সুফল পাবে দেশ ও জাতি।
কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ হাই তালুকদার ডালিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজন সাংবাদিকের হাতে থাকা কলম কিংবা ক্যামেরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অস্ত্র নয়; এটি সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরার একটি মাধ্যম। জনস্বার্থে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে এলে তা অনুসন্ধান করে সত্যতা যাচাইয়ের পর প্রকাশ করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
তবে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভুল হলে তার দায়ও এড়ানোর সুযোগ নেই। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রকাশিত তথ্য মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রচলিত আইনে প্রতিকার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। এটাই আইনের শাসনের স্বাভাবিক অংশ।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—মামলা করার অধিকার যেমন থাকবে, তেমনি সেই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির নিশ্চয়তা কি থাকবে না?**
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রণীত সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহলে বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব আইনের বিভিন্ন ধারার প্রয়োগকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
একজন সাংবাদিক যদি সত্যিই মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে থাকেন, তাহলে তদন্ত হোক, প্রমাণ যাচাই হোক এবং অভিযোগ সত্য হলে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। **কিন্তু অভিযোগের বিচার করতে গিয়ে যদি একজন সাংবাদিককে বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হয়, তাহলে সেটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর চাপ নয়—এটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপরও এক ধরনের ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
কারণ একজন সাংবাদিক যখন দেখেন, একটি প্রতিবেদনের কারণে তাকে দীর্ঘদিন মামলা মোকাবিলা করতে হতে পারে, তখন পরবর্তী সময়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য হাতে এলেও তিনি স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ে আমি কি বিষয়টি প্রকাশ করব, নাকি মামলা ও হয়রানির আশঙ্কায় নীরব থাকব?”**
এই ভয় যদি সাংবাদিকতার জায়গা দখল করে নেয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শুধু সাংবাদিক নন—ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষও। কারণ অনেক সময় একজন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে না-পারা অভিযোগই একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনসমক্ষে আসে।
তাই সাংবাদিকতার স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা প্রকাশের স্বাধীনতা নয়। **সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো তথ্য যাচাই করা, প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং পাঠকের সামনে সত্যকে যথাসম্ভব নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা।
অন্যদিকে, সংবাদে কারও বিরুদ্ধে ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রকাশিত হলে তারও পূর্ণ আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেই প্রতিকার যেন সাংবাদিককে চুপ করিয়ে দেওয়ার হাতিয়ার না হয়—এ বিষয়টিও নিশ্চিত করা জরুরি।
মামলা হবে—বিচারও হবে। অভিযোগ থাকবে—প্রমাণও হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সাংবাদিকও আইনি সুরক্ষা পাবেন।
এটাই হওয়া উচিত একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বাভাবিক চিত্র।
বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকা কোনো পক্ষের জন্যই কল্যাণকর নয়। এতে অভিযোগকারী যেমন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, তেমনি অভিযুক্ত সাংবাদিকও দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। সবচেয়ে বড় কথা, এর প্রভাব পড়ে **সত্য অনুসন্ধানের সাহসের ওপর।
আমরা এমন একটি সাংবাদিকতার পরিবেশ চাই, যেখানে সাংবাদিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করতে ভয় পাবেন না; আবার সাংবাদিকতার নাম করে কেউ মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পার পাওয়ার সুযোগও পাবেন না।
কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ মানেই তিনি অপরাধী—এমন নয়। আবার সাংবাদিকের হাতে প্রেস কার্ড থাকলেই তার প্রকাশিত প্রতিটি তথ্য সত্য—এমন দাবিও করা যায় না। সত্য-মিথ্যা নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার।
তাই প্রয়োজন এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা, যেখানে **সাংবাদিকের স্বাধীনতা থাকবে, নাগরিকের সম্মান ও অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত হবে।
শেষ কথা একটাই— সাংবাদিকের কলম যেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় না পায়, আর আইনের আদালত যেন ন্যায়বিচারের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করিয়ে না রাখে।
সত্য প্রকাশের পথ কঠিন হতে পারে, কিন্তু সেই পথ যেন ভয় ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে বন্ধ হয়ে না যায় এ দায়িত্ব সাংবাদিকের যেমন, তেমনি রাষ্ট্র ও বিচারব্যবস্থারও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ