বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৬ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠনের বিরোধের কারণে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলা সদরের স্বাধীনতা চত্বরের সামনে সংঘর্ষটি ঘটে।
স্থানীয়রা এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার সময় জেলা বিএনপি নেতা কবীর আহমেদ ভূইয়ার অনুসারী নবগঠিত উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিরাজুল হক ইমু ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল মিয়া একসাথে নবগঠিত পৌর কমিটির সভাপতি এনামুল হক আপেল এবং সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের করেন।
অন্যদিকে, বর্তমান সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী ছাত্রদলের অপর অংশের নেতা মো. হোসেন, শহিদুল খাঁ ও জুয়েলের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ অবৈধ কমিটি উল্লেখ করে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। এক পর্যায়ে যখন দুটি মিছিলই স্বাধীনতা চত্বরের সামনে এসে পৌঁছায়, তখন উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে পাঁচ ছাত্রদল নেতা আহত হন। আহতদের মধ্যে মো. হোসেন, শহিদুল খাঁ, জুয়েল, রাব্বি, ও রাশেদুল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত। তাদের প্রত্যেককে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এদিকে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী মন্তব্য করেন, "আমরা সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি নবগঠিত কমিটির আনন্দ মিছিলে পদ বঞ্চিত ছাত্রদল নেতারা ছাত্রলীগের সহায়তায় হামলা করেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নিতে উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।"
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত পহেলা নভেম্বর সিরাজুল হক ইমুকে কসবা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও শিমুল মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে কসবা উপজেলা শাখা ছাত্রদলের ১২ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সাথে এনামুল হক আপেলকে পৌর ছাত্রদলের সভাপতি ও জুয়েল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান শাহীন এবং সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী। তাদেরকে আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ মন্তব্য করেছেন যে, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখন ‘বিষাক্ত’ হয়ে উঠেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, আগে ইসরাইলকে সমর্থনকারী মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যেও নেতানিয়াহু ও তার সরকারের নীতির বিরুদ্ধে বিরোধিতা বাড়ছে। লাপিদ এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন যে, ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ সীমিত করার পক্ষে সিনেটরদের ক্রমবর্ধমান সমর্থন রয়েছে।
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। লাপিদ জানান, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি অংশ এখনও ইসরাইলকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখছেন। তবে, নেতানিয়াহু ও তার সরকারের নীতির প্রতি তাদের বিরোধিতা ক্রমবর্ধমান।
তিনি আরও জানান, প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ জন সদস্যের মধ্যে প্রায় ২৫ জন এবং সিনেটের ১০ শতাংশেরও কম সদস্য ইসরায়েলের ঘোর বিরোধী। লাপিদ বলেন, ইসরায়েলের জন্য আরো বড় সমস্যা হলো, এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা সিনেটরদের মধ্যেও অস্ত্র সরবরাহে বিধিনিষেধ আরোপের পক্ষে ভোট দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
লাপিদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দুই বছর আগে ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ সীমিত করার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ১১ জন সিনেটর। এক বছর আগে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৭ জনে। চলতি বছরের এপ্রিলে তা বেড়ে হয় ৪০ জন।
তিনি লেখেন, ‘তারা বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরোধিতা করেন। এমন একটি সরকারের বিরোধিতা করেন, যাদের নীতি তারা বুঝতে পারেন না। আর সবকিছুর ওপরে তারা নেতানিয়াহুর বিরোধিতা করেন। তাদের কাছে নেতানিয়াহুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবকিছুই বিষাক্ত।’
লাপিদ ইসরাইলের পরবর্তী সরকারের প্রতি ওয়াশিংটনে প্রথম সফরেই ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটেছে। ফলে আইন প্রণয়ন ও সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারিতে ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাছের ডালপালা কর্তন ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নাটোর, রাজশাহী এবং ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
নাটোর
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সদর দফতরের আওতাধীন বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৩ নম্বর ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ছাতিয়ানগাছা, গোধড়া, বেলগাছি ও চৌষুডাঙ্গা এলাকার গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না।
সমিতি জানিয়েছে, গাছের ডালপালা কর্তনের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে কাজের প্রয়োজনে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
রাজশাহী
রাজশাহীর বেশ কয়েকটি এলাকায় ১১ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের জন্য সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তালাইমারী, নর্দান মোড়, দেবিশিংপাড়া, সাধুর মোড়, মোন্নাফের মোড়, সেরিকালচার, বড় বটতলা, বালিয়া পুকুর, ভদ্রা, উপরভদ্রা, শিরোইল, শান্তিবাগ ও মটপুকুরসহ আশপাশের এলাকায় এসময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
ঢাকা
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪-এর সদর দফতরের জিঞ্জিরা উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এসময় মনু ব্যাপারীর ঢাল, জনি টাওয়ার, ছাটগাঁও, বন্ধ ছাটগাঁও, মান্দাইল, দক্ষিণ মান্দাইল, ফয়েজ নগর, রসুলপুর, বরিশুর, বরিশুর বাজার, কুশিয়ারবাগ, হীরা কমিউনিটি সেন্টারের গলি, কদমতলী ডাচ-বাংলা ব্যাংক এলাকা, খালপাড় চড়াইল, নজরগঞ্জ, কালিন্দীঘাট ও আব্দুল হামিদ ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হতে পারে।
সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন এবং মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর), ২০২৬। ইতিহাসের দিক থেকে এই দিনটি নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
ঘটনাবলি
১০০৯ সালে, সুলায়মান ইবনে আল-হাকামের নেতৃত্বে বার্বার বাহিনী কান্তিশের যুদ্ধে উমাইয়া খলিফা দ্বিতীয় মুহাম্মদকে পরাজিত করে।
১১৩৮ সালে, লি আন টং মাত্র দুই বছর বয়সে ভিয়েতনামের সম্রাট হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৭ বছর রাজত্ব শুরু করেন।
১৪৯৯ সালে, ১৪৬৪ সালে ত্রেগিয়েতে জেহান লাগাদেউক রচিত ক্যাথলিকন প্রকাশিত হয়; এটি প্রথম ব্রেটন অভিধান এবং প্রথম ফরাসি অভিধান।
১৫৫৬ সালে, পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে মোগল সম্রাট আকবরের বাহিনীর হাতে হেমু পরাস্ত হন।
১৬০৫ সালে, গানপাউডার প্লটের সময় গাই ফক্সকে পার্লামেন্ট ভবনের ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে গ্রেফতার করা হয়, যেখানে তিনি ভবনটি উড়িয়ে দিতে এবং রাজা প্রথম জেমসকে হত্যা করতে বারুদ রেখেছিলেন।
১৬৮৮ সালে, অরেঞ্জের প্রিন্স তৃতীয় উইলিয়াম রাজা দ্বিতীয় জেমসকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ওলন্দাজ নৌবহর নিয়ে ব্রিক্সহ্যামে অবতরণ করেন।
১৭৫৭ সালে, সাত বছরের যুদ্ধের সময় মহান ফ্রেডরিক রসবাখের যুদ্ধে ফ্রান্স ও পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের মিত্রবাহিনীকে পরাজিত করেন।
১৭৬৮ সালে, ফোর্ট স্ট্যানউইক্সের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল তেরো উপনিবেশে ১৭৬৩ সালের রাজকীয় ঘোষণায় নির্ধারিত আদিবাসী ভূমি ও শ্বেতাঙ্গ বসতির সীমানা সমন্বয় করা।
১৭৮০ সালে, মায়ামি প্রধান লিটল টার্টলের হাতে ফরাসি-মার্কিন বাহিনীর কর্নেল লা বালমে পরাজিত হন।
১৭৯৫ সালে, বাংলা নাটকের প্রথম বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ পত্রিকায়।
১৮১১ সালে, সালভাদোরীয় যাজক হোসে মাতিয়াস দেলগাদো সান সালভাদোরে লা মার্সেদ গির্জার ঘণ্টা বাজিয়ে বিদ্রোহের ডাক দেন এবং ১৮১১ সালের স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করেন।
১৮২৮ সালে, গ্রিক স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ফরাসি মোরিয়া অভিযান শেষ হয় যখন শেষ উসমানীয় বাহিনী পেলোপনেস উপদ্বীপ ত্যাগ করে।
১৮৩৪ সালে, পিয়ের-থিওডোর ভারহেগেনের উদ্যোগে ব্রাসেলসের মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৬২ সালে, মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় আব্রাহাম লিংকন জর্জ বি. ম্যাকক্লেলানকে পোটোম্যাকের বাহিনীর কমান্ডার পদ থেকে অপসারণ করেন।
১৮৬২ সালে, আমেরিকান ইন্ডিয়ান যুদ্ধের সময় মিনেসোটায় ৩০৩ জন ডাকোটা যোদ্ধাকে শ্বেতাঙ্গদের ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়, যাদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৩৮ জনের ফাঁসি কার্যকর হয়।
১৮৭২ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের সময় আইন অমান্য করে ভোটাধিকারকর্মী সুসান বি. অ্যান্থনি প্রথমবার ভোট দেন এবং পরে ১০০ ডলার জরিমানার সম্মুখীন হন।
১৮৮১ সালে, নিউজিল্যান্ডে স্থানীয় বিষয়ক মন্ত্রী জন ব্রাইসের নেতৃত্বে ১৬০০ সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবক ও কনস্টেবল শান্তিবাদী মাওরি বসতি পারিহাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০০ এর বেশি বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করে এবং বসতিটি ধ্বংস করে।
১৮৯৫ সালে, জর্জ বি. সেলডেন অটোমোবাইলের জন্য প্রথম মার্কিন পেটেন্ট লাভ করেন।
১৮৯৮ সালে, নেগ্রোস বিপ্লবে নেগ্রেন্স জাতীয়তাবাদীরা স্পেনীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বল্পস্থায়ী নেগ্রোস প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
১৯১১ সালে, ইতালি তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ত্রিপোলি দখল করে নেয়।
১৯১২ সালে, উড্রো উইলসন ২৮তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তিনি ক্ষমতাসীন উইলিয়াম হাওয়ার্ড টাফ্টকে পরাজিত করেন।
১৯১৩ সালে, বাভারিয়ার রাজা অটো তার চাচাতো ভাই প্রিন্স রিজেন্ট লুডভিগের দ্বারা ক্ষমতাচ্যুত হন, যিনি তৃতীয় লুডভিগ উপাধি ধারণ করেন।
১৯১৪ সালে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্স ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্য উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯১৬ সালে, জার্মানি ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সম্রাটদের ৫ই নভেম্বরের আইন দ্বারা পোল্যান্ড রাজ্য ঘোষিত হয়।
১৯১৬ সালে, এভারেট, ওয়াশিংটনে এভারেট গণহত্যা সংঘটিত হয়, যেখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অব দ্য ওয়ার্ল্ড সংগঠক ও স্থানীয় পুলিশের মধ্যে গোলাগুলি হয়।
১৯১৭ সালে, তিখন মস্কোর প্যাট্রিয়ার্ক এবং রুশ অর্থোডক্স গির্জার প্রধান নির্বাচিত হন।
১৯২৫ সালে, গোপন এজেন্ট সিডনি রেইলি, বিংশ শতাব্দীর প্রথম "সুপার-স্পাই", সোভিয়েত ইউনিয়নের গোপন পুলিশ ওজিপিইউ দ্বারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
১৯৪০ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সশস্ত্র বণিক ক্রুজার এইচএমএস জার্ভিস বে জার্মান পকেট যুদ্ধজাহাজ অ্যাডমিরাল শিয়ার দ্বারা ডুবিয়ে দেয়া হয়।
১৯৪০ সালে, ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট প্রথম এবং একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন।
১৯৪৩ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভ্যাটিকান সিটিতে বোমা হামলা হয়।
১৯৪৫ সালে, কলাম্বিয়া জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৪৫ সালে, ত্রিপোলিতানিয়ায় তিন দিনব্যাপী ইহুদি-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়।
১৯৫০ সালে, কোরীয় যুদ্ধের সময় ২৭তম ব্রিটিশ কমনওয়েলথ ব্রিগেডের ব্রিটিশ ও অস্ট্রেলীয় বাহিনী পাকচন যুদ্ধে অগ্রসরমান চীনা ১১৭তম ডিভিশনকে সফলভাবে প্রতিহত করে।
১৯৫৫ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংসের পর পুনর্নির্মিত ভিয়েনা স্টেট অপেরা বেটোফেনের ফিডেলিও পরিবেশনার মাধ্যমে পুনরায় চালু হয়।
১৯৫৬ সালে, সুয়েজ সংকটের সময় এক সপ্তাহব্যাপী বোমা হামলার পর ব্রিটিশ ও ফরাসি প্যারাট্রুপাররা মিশরে অবতরণ করে।
১৯৬৮ সালে, রিচার্ড নিক্সন ৩৭তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
১৯৭০ সালে, ভিয়েতনামে সামরিক সহায়তা কমান্ড পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন সাপ্তাহিক মার্কিন সৈন্য মৃত্যুর সংখ্যা (২৪ জন) রিপোর্ট করে।
১৯৭৫ সালে, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক সেনাবাহিনীর হাতে পদচ্যুত হন।
১৯৮৩ সালে, বাইফোর্ড ডলফিন ডাইভিং বেল দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন।
১৯৮৬ সালে, মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএস রেন্টজ, ইউএসএস রিভস ও ইউএসএস ওল্ডেনডর্ফ চীনের কিংডাও সফর করে; ১৯৪৯ সালের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর প্রথম চীন সফর।
১৯৯০ সালে, চরম ডানপন্থী কাখ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা রাব্বি মেয়ার কাহানেকে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলে বক্তৃতার পর গুলো করে হত্যা করা হয়।
১৯৯১ সালে, ক্রান্তীয় ঝড় থেলমা ফিলিপাইনের অরমোক শহরে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করে, এতে ৪৯০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়।
১৯৯৩ সালে, ফ্রান্স, জার্মানি ও বেলজিয়াম ন্যাটোর বিকল্প ইউরোপীয় বাহিনী ইউরো কর্পস গঠন করে।
১৯৯৫ সালে, আন্দ্রে ডালেয়ার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জঁ ক্রেতিয়েনকে হত্যার চেষ্টা করেন, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী দরজা বন্ধ করে দেয়ায় তা ব্যর্থ হয়।
১৯৯৬ সালে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ খান লেঘারি বেনজির ভুট্টোর সরকারকে বরখাস্ত করেন এবং পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ভেঙে দেন।
১৯৯৬ সালে, বিল ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।
২০০২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট বুশের রিপাবলিকান পার্টি বিজয় লাভ করে।
২০০৬ সালে, ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এবং তার সহ-আসামি বারজান ইব্রাহিম আল-তিকরিতি ও আওয়াদ হামেদ আল-বান্দারকে ১৯৮২ সালে ১৪৮ জন শিয়া মুসলিম হত্যার দুজাইল গণহত্যায় ভূমিকার জন্য আল-দুজাইল বিচারে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
২০০৭ সালে, চীনের প্রথম চন্দ্র উপগ্রহ চ্যাং'ই ১ চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে।
২০০৭ সালে, গুগল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম উন্মোচন করে।
২০০৯ সালে, মার্কিন সেনাবাহিনীর মেজর নিদাল হাসান টেক্সাসের ফোর্ট হুডে ১৩ জনকে হত্যা ও ৩২ জনকে আহত করেন, যা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী গণহত্যা।
২০১০ সালে, জেএস এয়ার ফ্লাইট ২০১ পাকিস্তানের করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর বিধ্বস্ত হয়, এতে ২১ জন আরোহীর সবাই নিহত হন।
২০১৩ সালে, ভারত তার প্রথম আন্তঃগ্রহীয় মহাকাশযান মঙ্গলযান উৎক্ষেপণ করে।
২০১৫ সালে, ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস রাজ্যে একটি লৌহ আকরিক টেইলিং বাঁধ ভেঙে যায়, এতে উপত্যকা প্লাবিত হয় এবং নিকটবর্তী বেন্তো রদ্রিগেস গ্রামে ভূমিধস হয়, কমপক্ষে ১৭ জন নিহত ও ২ জন নিখোঁজ হন।
২০১৫ সালে, স্টিভেন হারপারের পর রোনা অ্যামব্রোস কানাডার কনজারভেটিভ পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০১৭ সালে, টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংসের একটি গির্জায় ডেভিন প্যাট্রিক কেলি ২৬ জনকে হত্যা ও ২২ জনকে আহত করেন।
২০২০ সালে, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণ করেন জেসিন্ডা আরডার্ন।
২০২১ সালে, অ্যাস্ট্রোওয়ার্ল্ড ফেস্টিভ্যালে ভিড়ের চাপে ১০ জন নিহত ও ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হন।
২০২৪ সালে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৩২ বছরের মধ্যে প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে অ-পরপর দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন, এর আগে গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ১৮৯২ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।
জন্ম
১২৭১ সালে, মাহমুদ গাজান, মঙ্গোল শাসক।
১৮৫৪ সালে, পোল সাবাতিয়ে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।
১৮৭০ সালে, চিত্তরঞ্জন দাশ, বাঙালি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।
১৮৮৫ সালে, উইল ডুরান্ট, আমেরিকান ইতিহাসবিদ, দার্শনিক ও লেখক।
১৮৮৭ সালে, বিপিনবিহারী গঙ্গোপাধ্যায়, স্বদেশি আন্দোলনের প্রথম যুগের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও বিপ্লবী।
১৮৮৮ সালে, লোকগীতি সংগ্রাহক ও কবি আশুতোষ চৌধুরী।
১৮৯২ সালে, জে বি এস হ্যালডেন, ব্রিটিশ-ভারতীয় বিজ্ঞানী।
১৮৯৩ সালে, প্রতিমা ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও নৃত্যবিশারদ।
১৮৯৪ সালে, পোল সাবাতিয়ে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ।
১৯০১ সালে, এডি পেন্টার, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯০৫ সালে, ধীরাজ ভট্টাচার্য, বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের সফল অভিনেতা।
১৯১৮ সালে, বাণী রায়, ভারতীয় বাঙালি কবি ও যশস্বিনী কথাসাহিত্যিক।
১৯২০ সালে, ডগলাস নর্থ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।
১৯৩৩ সালে, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় দার্শনিক ও লেখক।
১৯৩৬ সালে, উভে জেলার, প্রখ্যাত জার্মান ফুটবলার।
১৯৪৮ সালে, উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপ্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক।
১৯৫৪ সালে, জেফ্রি স্যাক্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ।
১৯৫৫ সালে, ভারতের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক করণ থাপার।
১৯৫৮ সালে, খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশি ইসলামি ব্যক্তিত্ব, অধ্যাপক, গবেষক, লেখক, টিভি আলোচক ও অনুবাদক।
১৯৫৯ সালে, ব্রায়ান এডামস, কানাডীয় গায়ক, গিটারবাদক ও গীতিকার।
১৯৬৪ সালে, আবেদি পেলে, ঘানার প্রখ্যাত ফুটবলার।
১৯৭৪ সালে, অ্যাঞ্জেলা নাথালিয়া গসসোও, জার্মান গায়ক ও গীতিকার।
১৯৭৯ সালে, ডেভিড সুয়ায, হন্ডুরাসের ফুটবলার।
১৯৮৩ সালে, মাইক হাঙ্কে, জার্মান ফুটবলার।
১৯৮৮ সালে, বিরাট কোহলি, ভারতীয় ক্রিকেটার।
মৃত্যু
১৩৭০ সালে, ক্যাসিমির তৃতীয় গ্রেট, পোলিশ রাজা।
১৮৭৯ সালে, জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল, স্কটল্যান্ডীয় গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯১৫ সালে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফিরোজ শাহ মেহতা।
১৯৩০ সালে, খিস্টিয়ান ইজক্মান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ চিকিৎসক ও রোগবিদ্যাবিৎ।
১৯৪৪ সালে, আলেক্সিস কাররেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি সার্জন ও জীববিজ্ঞানী।
১৯৫৫ সালে, মরিস উট্রিল উটরিল, ফরাসি চিত্রশিল্পী।
১৯৬০ সালে, কোটনা ম্যাক সেনেট, কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৭৪ সালে, অহীন্দ্র চৌধুরী, বাঙালি অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব।
১৯৭৫ সালে, এডওয়ার্ড লাউরি টাটম, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও অধ্যাপক।
১৯৮২ সালে, ফরাসি চলচ্চিত্রকার জাক তাতি।
১৯৯৫ সালে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
২০০৬ সালে, ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে আল দুজাইল ট্রায়ালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
২০০৭ সালে, নিল্স লিয়েডহল্ম, সুইডিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
২০১১ সালে, ভূপেন হাজারিকা, ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী।
২০১২ সালে, শান্তিগোপাল পাল, বাঙালি যাত্রাশিল্পী।
২০২১ সালে, ‘দুঃখের রানী’ হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় গায়িকা মারিলিয়া মেন্ডনকা।
অন্যান্য
বিশ্ব সুনামি সচেতনতা দিবস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) ৬১৭টি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব পুনরায় চালু করে লেনদেনের সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) ধন্যবাদ জানায় সংগঠনটি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডিবিএ এ ধন্যবাদ জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুরোধ এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরে ৬১৭টি বিও হিসাব স্থগিত ছিল। এসব হিসাব পুনরায় চালু করার জন্য গত ২০ জুলাই বিএসইসির চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করে ডিবিএ। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আইনগত বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক ও সরকারি সংস্থার কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে স্থগিত হিসাবগুলো পুনরায় চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।
ডিবিএর আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে হিসাবগুলো পুনরায় চালু করে লেনদেনের সুযোগ দেয়ায় বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান, কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
ডিবিএ মনে করে যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ শেয়ার পুনরায় লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে পুঁজিবাজারে তারল্য এবং লেনদেন বাড়বে, পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ এবং বাজারের প্রতি তাদের আস্থা ফিরতে সহায়ক হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্জিন ঋণ প্রদানকারী স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও দীর্ঘদিনের আর্থিক ও ব্যবসায়িক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার সুযোগ পাবে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা এবং পুঁজিবাজারের সামগ্রিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ডিবিএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ