ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জর্জিয়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণে তহবিল সংগ্রহে বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান


জর্জিয়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণে তহবিল সংগ্রহে বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার কামিং এলাকায় ক্রমবর্ধমান মুসলিম কমিউনিটির জন্য নতুন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মসজিদ আল-রহমানের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি ক্রয়ে মোট ২.৯ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১,০৩৩,৬১৬ ডলার সংগ্রহ হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে জমি কেনার ক্লোজিং সম্পন্ন করতে বাকি অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

নতুন মসজিদের জন্য ১৩০০ Peachtree Parkway এ ৭.৫ একর জমি কেনার চুক্তি হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে ৩০০টির বেশি পার্কিং স্পেস, একটি মাল্টিপারপাস হল এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সুযোগসহ নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে প্রতি জুমায় ৫০০ এর বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। বর্তমান স্থানে জায়গা ও পার্কিং সংকট ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে রমজানে নারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা এবং বয়স্কদের জন্য অ্যাক্সেসিবল সুবিধারও ঘাটতি রয়েছে। নতুন মসজিদে এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিশু ও তরুণদের জন্য থাকবে আলাদা কার্যক্রম এবং আউটডোর স্পোর্টসের সুযোগ।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

নতুন মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি ১২৩৫ Peachtree Parkway এ অবস্থিত বর্তমান ভবনটিকে একটি ফুল-টাইম ইসলামিক স্কুল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুলটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে।

তহবিল সংগ্রহে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিও বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। মসজিদ কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কোনো একক দেশের মানুষের মসজিদ নয়। বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ভারতীয়সহ বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের সমন্বয়ে এখানে একটি বৃহৎ কমিউনিটি গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশি কমিউনিটির যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সাধ্যমতো দান করার পাশাপাশি যারা প্রকল্পটি সম্পর্কে জানেন না, তাদেরও বিষয়টি জানিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রচারাভিযানে ১০০ ডলারকে একটি ইট, ১,০০০ ডলারকে একটি নামাজের স্থান বা মুসাল্লা, ৬,০০০ ডলারকে একটি পার্কিং স্পেস এবং ২৫,০০০ ডলারকে একটি ক্লাসরুমের প্রতীকী অনুদান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এককালীন অনুদানের পাশাপাশি মাসিক ভিত্তিতেও দানের সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

মসজিদ কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু বর্তমান স্থান সংকটের সমাধান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী ইসলামিক ও কমিউনিটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। ৩১ আগস্টের ক্লোজিং সামনে রেখে বাংলাদেশিসহ বৃহত্তর মুসলিম কমিউনিটির সবাইকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মসজিদ প্রকল্পটি সরাসরি দেখতে এবং অনুদান দিতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

https://cummingcommunitycenter.com

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেনটাডল ও ভারতীয় সিরাপ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


রাজশাহীতে বিজিবির অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেনটাডল ও ভারতীয় সিরাপ জব্দ

রাজশাহীর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে বিজিবি ২৯৯ পিস ভারতীয় ইয়াবা, ১৯০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট ও ১৭ বোতল ভারতীয় ঊংশঁভ সিরাপ জব্দ করেছে। এই সকল মাদকদ্রব্য পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে রাজশাহী ব্যাটালিয়নের (১ বিজিবি) অধীনে খানপুর বিওপির একটি আভিযানিক দল দামকুড়া থানার ষাঁট বিঘা এলাকার জঙ্গলে অভিযান পরিচালনা করে ২৯৯ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।

একই রাতে, রাত পৌনে ১টার দিকে শাহাপুর বিওপির নিয়মিত টহল দল কাটাখালী থানার টাংগন পশ্চিমপাড়া এলাকায় বালুর চরে অভিযান চালিয়ে ১৯০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করে।

এর আগে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টার দিকে বেলপুকুর থানার জামিয়া পাড়া আমবাগানে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে লুকানো অবস্থায় ১৭ বোতল ভারতীয় ঊংশঁভ সিরাপ জব্দ করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, জব্দ করা মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনার সাথে জড়িত মাদক কারবারিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানায় থানায় কথিত কড়া মামলা, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ন্যায্য বিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


থানায় থানায় কথিত কড়া মামলা, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ন্যায্য বিচার

এলাকায় ছোটখাটো বিরোধ কিংবা কথা কাটাকাটির মতো তুচ্ছ ঘটনায়ও থানায় জমা পড়ছে ‘কড়া’ বা ‘শক্ত’ লিখিত অভিযোগ। এসব অভিযোগে অবলীলায় জুড়ে দেওয়া হচ্ছে শ্লীলতাহানি, সোনার চেইন কিংবা লাখ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের মতো গুরুতর সব ঘটনার বিবরণ।

তবে পুলিশের তদন্তে প্রকাশ পাচ্ছে ভিন্ন ও বাস্তব চিত্র। দেখা যাচ্ছে, যে বাদী সোনার চেইন ছিনতাইয়ের মামলা করেছেন, তিনি হয়তো জীবনে কোনো দিন সোনার চেইনই পরেননি কিংবা তা কেনার মতো আর্থিক সক্ষমতাও তার নেই। এসব ঘটনার কাল্পনিক বা মিথ্যা বিবরণে মামলা হচ্ছে ময়মনসিংহের থানাগুলোতে।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিমাসে গড়ে ২৫টি মামলা বা অভিযোগ জমা পড়লে, তার মধ্যে অন্তত ২০টিতেই এ ধরনের অতিরঞ্জিত গল্প সাজানো হয়।

মামলার বিবরণীতে দাবি করা হয়, বাদী বা ভুক্তভোগীর গলা থেকে সোনার চেইন, হাতের বালা কিংবা কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ঘরে থাকা লাখ টাকা লুট করা হয়েছে। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে বাদীর আর্থিক ও সামাজিক অবস্থা যাচাই করতে গিয়ে থমকে যান।

দেখা যায়, অনেক বাদীর ঘরে হয়তো ঘটনার দিন নগদ ১০টি টাকাও ছিল না। অথচ মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে লাখ টাকা।

এ ক্ষেত্রে টাকার উৎস জানতে চাইলে প্রায় সব মামলায়ই চেনা অজুহাত দেওয়া হয়। যেমন গরু বিক্রির টাকা বা ‘পরদিন বাজার থেকে গরু কেনা হতো’ কিংবা ‘এনজিও থেকে ঋণ তুলে ঘরে রাখা হয়েছিল’।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পরপরই তারা আইনি প্রতিকারের জন্য থানায় ছোটেন। সেখানে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলে তারা আদালতের মুহুরি বা থানাসংলগ্ন অভিযোগ লেখকদের শরণাপন্ন হন।

অভিযোগ লেখকরা তখন জানান, ভুক্তভোগীরা প্রথমে যা ঘটেছে ঠিক তা-ই বলেন।

কিন্তু আসামি যেন সহজে পার না পেয়ে যায় এবং পুলিশ যাতে ঘটনাটিকে গুরুত্ব দেয়, সেজন্য বাদীর কানপড়া দেওয়া হয় ‘মামলা শক্ত না করলে আসামি জামিন পেয়ে যাবে’। এই ‘জামিন ঠেকানো’ ও প্রতিপক্ষকে চরম বিপদে ফেলার মানসিকতা থেকেই বাদীর সম্মতিতে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানি, দামি মোবাইল ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের মতো কাল্পনিক তথ্য যুক্ত করা হয়।

মামলায় এ ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নেওয়াকে আইনি ভাষায় ‘আত্মঘাতী’ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ময়মনসিংহের কয়েকটি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তারা (এসআই) জানান, যা ঘটেছে ঠিক তা দিয়ে মামলা হলে তদন্ত করা সহজ হয় এবং দ্রুত আদালতে নিখুঁত চার্জশিট (চূড়ান্ত প্রতিবেদন) জমা দেওয়া যায়, কিন্তু মামলায় অবাস্তব ও বানোয়াট তথ্য ঢুকিয়ে দেওয়া হলে তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশকে চরম বেগ পেতে হয়। ছিনতাই বা শ্লীলতাহানির কোনো সত্যতা বা তথ্যপ্রমাণ না পেয়ে পুলিশ বাধ্য হয়ে শুধু মূল ঘটনার (যেমন সামান্য মারামারি বা হুমকি) ধারাগুলো রেখে আদালতে প্রতিবেদন পাঠায়। এতে মামলাটি দুর্বল হয়ে পড়ে আদালতে।

এদিকে, বিচারকরা যখন দেখেন বাদীর আর্থিক সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও লাখ টাকা বা সোনার চেইনের কাল্পনিক দাবি করা হয়েছে, তখন মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। আইনি এই ফাঁক-ফোঁকরের সুযোগ নিয়ে মূল অপরাধীরা সহজেই আদালত থেকে জামিন ও চূড়ান্ত খালাস পেয়ে যান। ফলে বিনা অপরাধে অনেকে যেমন হয়রানির শিকার হন, তেমনি ভুক্তভোগীরাও বঞ্চিত হন প্রকৃত বিচার থেকে।

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ জেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমদাদুল হক মিল্লাত বলেন, অপরাধীকে শাস্তি দিতে হলে মামলার অভিযোগ হতে হবে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ। আবেগের বশে বা জিদ মেটাতে গিয়ে মামলায় কাল্পনিক গল্প সাজালে শেষ পর্যন্ত নিজেরই ক্ষতি হয়। তাই থানায় অতিরঞ্জিত কিছু না লিখে, বাস্তবে যা ঘটেছে হুবহু তা-ই উল্লেখ করা দরকার।

ময়মনসিংহের কয়েকটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, থানায় সাজানো বা অতিরঞ্জিত অভিযোগ করায় মামলার তদন্তে চরম জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং বানোয়াট তথ্যের জট খুলতে পুলিশের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। তারা বলেন, যা ঘটেছে, হুবহু তা দিয়ে অভিযোগ করলে তাদের জন্য তদন্ত করা সহজ হয় এবং খুব দ্রুততম সময়ে আদালতে নিখুঁত চার্জশিট জমা দেওয়া সম্ভব হয়।

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, মামলার অভিযোগ অতিরিক্ত ‘কড়া’ বা ‘শক্ত’ করার মানসিকতা একটি আইনি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। অনেক বাদী মনে করেন গুরুতর ধারা যুক্ত না করলে পুলিশ গুরুত্ব দেবে না—এই ধারণা ভুল। সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও লাখ টাকা লুট বা সোনার চেইন ছিনতাইয়ের কাল্পনিক দাবি করা হলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তেই বিষয়টি ধরা পড়ে যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘আসামিপক্ষ এই বানোয়াট তথ্যের সুযোগ নিয়ে সহজেই খালাস পেয়ে যায় এবং বাদী প্রকৃত বিচার থেকে বঞ্চিত হন। তাই প্রতিপক্ষকে অতিরিক্ত ঘায়েল করার মানসিকতা পরিহার করে থানায় হুবহু সত্য ঘটনার ভিত্তিতে অভিযোগ করতে হবে।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামকাওয়াস্তে টুর্নামেন্ট নয়, বিপিএল সুন্দরভাবে আয়োজনের পরামর্শ ইশতিয়াক সাদেকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


নামকাওয়াস্তে টুর্নামেন্ট নয়, বিপিএল সুন্দরভাবে আয়োজনের পরামর্শ ইশতিয়াক সাদেকের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নামকাওয়াস্তে আয়োজন না করে, একটি টেকসই ও সুন্দর মডেলে রূপান্তর করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইশতিয়াক সাদেক।

গত কিছু বছরে বিপিএল ইতিবাচকের তুলনায় নেতিবাচক খবরের শিরোনামে বেশি এসেছে।

ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক না দেওয়া, ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ মুহূর্তে দল ছেড়ে দেওয়া এবং ফিক্সিং ইস্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার মতো বিভিন্ন কারণে বিপিএল সমালোচিত হয়েছে।

অন্যদিকে, গত তিন বছরে বিপিএল আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কোনো আর্থিক লাভ করতে পারেনি। বরং, তিন বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো লোকসান গুনতে হয়েছে তাদের। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ২০২৬ সালে বিপিএল আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড, যার নেতৃত্বে রয়েছেন তামিম ইকবাল।

এই বিষয়ে আলোচনা করতে শনিবার বিসিবি বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্ণধার ও প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়ের পর সংবাদিকদের সাথে আলোচনায় রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী ইশতিয়াক সাদেক বলেন, ‘বিসিবির যে ভাবনা... এখন বিসিবি একটা ছোট ব্রেক নিয়েছে যেন পুরো টুর্নামেন্টটা আরো সুন্দরভাবে, আরো সাসটেইনেবল মডেলে করা যায়। আলোচনা খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে তিনটা ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিলাম, রাজশাহীর একটা শব্দ আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে যে, সংস্কার। বিপিএলটার সংস্কার প্রয়োজন।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা গত ১০ বছর ধরে আছি কিন্তু আমাদের কোনো কনস্ট্রাকটিভ আইডিয়া নেই, সাসটেইনেবল কোনো মডেল নেই। এই মডেলগুলোকে যদি আমরা দুই পক্ষ বিসিবি ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো একসঙ্গে ডেভেলপ করতে পারি, দীর্ঘ মেয়াদে বিপিএলের জন্য অনেক ভালো হবে।’

প্রায় প্রতি বিপিএলেই দেশি ও বিদেশি তারকা ক্রিকেটার নিয়ে দল সাজায় রংপুর রাইডার্স।

তবে নির্দিষ্ট কোনো সূচি না থাকায়, আগেভাগে তাদের সঙ্গে চুক্তির সুযোগ থাকে না। এই কারণে প্রায়ই শেষ সময়ে গিয়ে চড়া মূল্যে আনতে হয় ক্রিকেটার।

এছাড়া একই সময়ে অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চলতে থাকায় বিশ্বমানের তেমন বেশি ক্রিকেটারও পাওয়া যায় না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য পরবর্তীতে বিপিএল আয়োজনের আগে অন্তত ৫ বছরের স্থায়ী সূচি চেয়েছে রংপুর রাইডার্স। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তি করতে যাই, আন্তর্জাতিক বাজারে ন্যূনতম ২০টা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চলে। এখানে আমাদের বিপিএল সবচেয়ে কম গুরুত্ব পায়, যখন টপ ক্লাস ক্রিকেটার আনতে চাই। এই জায়গায় আমরা সূচিটা ৫ বছরের জন্য দেওয়ার কথা বলেছি।’

২০২৬ সালে বিপিএল না হলে দেশি ক্রিকেটারদের আর্থিক লোকসানের শঙ্কা রয়েছে প্রচুর। ইশতিয়াক সাদেক মনে করেন, অগোছালোভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার চেয়ে বরং গুছিয়ে নিয়ে ভালোভাবে বিপিএল করাই হবে উত্তম।

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেটারদের রুটিরুজির ব্যাপার এখানে যেমন আছে, একইভাবে যখন আবার বিপিএল শেষ হয়ে যায় তখন কিন্তু এই ক্রিকেটাররাই ফ্র্যাঞ্চাইজির পেছনে ছোটে। আমার বলতে কোনো লজ্জা নেই যে, রংপুর রাইডার্স ১০ বছর ধরে এখানে আছি, আমাদের কখনও এটা হয়নি।’

তিনি যোগ করেন, ‘তবে ৭-৮ মাস চলছে, আমাদের এখনও কিছু ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক দেওয়া বাকি। কারণ আমাদের সঙ্গে যেসব স্পন্সররা চুক্তি করেছিল, তারা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকাগুলো দেয়নি। বাজারের পরিস্থিতি দিনকে দিন এত খারাপ হচ্ছে, যেটা আরও বেশি খারাপই হবে।’

তিনি বলেন, ‘তো একটা নামকাওয়াস্তে বিপিএল করে প্রতিশ্রুতি দিলাম যে ৩০ লাখ টাকা দেব। কিন্তু ক্রিকেটারকে আমি শেষের ১৫ লাখ টাকা দিচ্ছি না, ফোন ধরছি না, হারিয়ে যাচ্ছি—এর থেকে বরং একটু সময় নিয়ে ভালো কোনো একটা মডেলে করাটাই উত্তম বলে যোগ করেন রংপুর রাইডার্সের এই প্রধান নির্বাহী।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণকাজে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


নির্মাণকাজে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহী মহানগরীর রামচন্দ্রপুর এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোঃ বুলবুল নামে এক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে তিনি ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার দাবি করেছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে বুলবুল জানান, তিনি বোয়ালিয়া থানার রামচন্দ্রপুর এলাকার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর মা মনোয়ারা বেগমের পৈত্রিক ও বৈধ সূত্রে পাওয়া জমি দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তাঁর ভাই ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে তাঁরা একটি দুইতলা ভবন নির্মাণ করছেন, যার প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

বুলবুল অভিযোগ করেন, ভবন নির্মাণের শুরুতে কোনো আপত্তি না থাকলেও দ্বিতীয় তলার কাজ শুরু হওয়ার পর তাঁর খালাতো ভাই-বোন আনিসুর, রেজা, অনিক, সাব্বির, বিউটি, রহিমা ও রুমাসহ কয়েকজন সম্পত্তির ওপর দাবি তুলে নির্মাণকাজে বাধা দিতে শুরু করেন। তিনি আরও জানান, তাঁরা বহিরাগত লোকজন নিয়ে এসে একাধিকবার হামলা ও মারধর করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে বুলবুল দাবি করেন, নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য আনিসুরসহ অভিযুক্তরা তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁর মা মনোয়ারা বেগম ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বোয়ালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৬০১) করেন। এরপর তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন বুলবুল। হামলার চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিপত্র তাঁর কাছে রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরবর্তীতে তাঁর স্ত্রী তসলিমা ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বোয়ালিয়া মডেল থানায় জিডি (নং-১৮৫১) এবং বুলবুল নিজে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জিডি (নং-১০৯৭) করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।

বুলবুলের দাবি, প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেও তা খারিজ হয়ে যায় এবং রায় তাঁদের পক্ষে আসে। এছাড়া রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছে করা অভিযোগের শুনানিও তাঁদের অনুকূলে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তবে একাধিক জিডি এবং আদালতের সিদ্ধান্তের পরও স্থানীয় থানা পুলিশের কাছ থেকে কার্যকর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন বুলবুল। তাঁর মতে, এতে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং বর্তমানে তাঁকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

বুলবুল বলেন, "আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমরা এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চাই।"

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্মাণকাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের জীবনের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনিসুরের নিক জানতে চাইলে, তিনি গাড়ি চালাচ্ছি বলে ফোন কেটে দেন।

বোয়ালিয়া থানা পুলিশের কাছ থেকে কার্যকর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে, বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমা মুস্তারী বলেন, "আরএমপি পুলিশের (মিডিয়া), উপপুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান স্যারের সাথে কথা বলা পরামর্শ দেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%