ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ব্রাজিল


প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ব্রাজিল

বিশ্বকাপের শুরু আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে ব্রাজিল। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রুনো গিমারায়েস এবং এন্দ্রিকের গোলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা জয় পায়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলায় ব্রাজিল। সপ্তম মিনিটেই তারা এগিয়ে যায়। মিসরের মিডফিল্ডার মোহানাদ লাশিনের ভুলের সুযোগ নিয়ে ব্রুনো গিমারায়েস। বল কাড়ার পর নিচের শটে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন।

তবে ব্রাজিলের আনন্দ বেশিদিন থাকে না। রক্ষণভাগের ভুলে মিসর সমতা ফেরায়। মারকিনিওসের দুর্বল পাস থেকে বল পেয়ে যান মোস্তাফা জিকো। সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে গোলরক্ষক আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

সমতায় ফেরার পর ব্রাজিল আরও কিছু সুযোগ তৈরি করে। তবে মিসরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শুবির দারুণ সেভে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

বিরতির পর ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি একসঙ্গে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বদল করেন। মাঠে নামানো হয় ১৯ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে। বদলি হিসেবে নেমেই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণ গড়ে তোলেন রাফিনিয়া। তার বাড়ানো বল থেকে দারুণ এক শটে দূরের কোণে বল জড়িয়ে দেন এন্দ্রিক। সেটিই সমাপ্তিতে জয় সূচক গোল হয়ে থাকে।

এর আগে আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচে পানামাকে ৬-২ গোলে পরাস্ত করেছে ব্রাজিল। ফলস্বরূপ, টানা দুই জয় নিয়ে বিশ্বকাপ মিশনে নামছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, ৩৩০ রান করে ১ রানের লিড

আগামী ১৩ জুন নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল মরক্কোর মুখোমুখি হবে। এরপর তাদের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড ও হাইতি। অন্যদিকে, ১৫ জুন বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে মিসর। পরে তারা নিউজিল্যান্ড এবং ইরানের বিপক্ষে খেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল সমর্থক মক্কেলদের জন্য অর্ধেক ফিতে আইনি সহায়তার ঘোষণা এক আইনজীবীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ এম


ব্রাজিল সমর্থক মক্কেলদের জন্য অর্ধেক ফিতে আইনি সহায়তার ঘোষণা এক আইনজীবীর

মাঠ ও চায়ের দোকান ছাড়া ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা বর্তমানে রাজবাড়ীর আদালত পাড়ায়। ব্রাজিল দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থকদের বাড়তি উৎসাহ দিতে অর্ধেক ফি নিয়ে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিল সমর্থিত গোলাম মোস্তফা নামের এক আইনজীবী। তার এই ঘোষণায় ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছাস ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

গোলাম মোস্তফা রাজবাড়ী জেলা বারের সদস্য এবং জেলার বালিয়াকান্দির নারুয়ার শোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মাহফুজুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও নাজমুল হুদাসহ একাধিক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, যারা ব্রাজিল দলকে ভালোবাসেন তারা ছাড় দিতে জানেন। এর প্রমাণ আইনজীবী গোলাম মোস্তফা। তবে আমাদের দলের খেলোয়াড়রা খেলার মাঠে কোন ছাড় দেন না। এবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেটা আবারও প্রমাণ করবে। তবে একটি দল আছে, যার সমর্থকদের আওয়াজ বেশি কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন পরিসংখ্যানেই সেটার প্রমাণ।

আইনজীবী গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘ফুটবল আমার প্রিয় খেলা। আমি ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলা পছন্দ করি। জ্ঞান হওয়ার পর প্লে, রোনাল্দো, রোনালদিনহোসহ ব্রাজিলের অন্যান্য খেলোয়াড়দের নাম শুনে এবং তাদের খেলায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে ব্রাজিল সমর্থন করে আসছি। ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে যা আছে তা অন্য দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে নেই। এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হবে বলে আশা করছি। আর আমি যেহেতু আইনজীবী, তাই ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ খেলা চলা পর্যন্ত আমার কাছে প্রিয় দলের সমর্থক কোন মক্কেল এলে তাদের কাছ থেকে অর্ধেক ফি নিয়ে আইনি সহায়তা দেব।’

মক্কেল ব্রাজিলের সমর্থক কি না, তা কিভাবে নিশ্চিত হবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্রাজিল দলকে মন থেকে ভালোবাসি। তাই দলের সমর্থকের বাড়তি উৎসাহ দিতে এ ঘোষণা দিয়েছি। আর কে কোন দলের সমর্থক তা তার কথা শুনলেই বোঝা যায়। ফলে যে বুঝে আইনি সহায়তা দেব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
খরচের চাপে শিল্প খাত

বিদ্যুতের দাম বাড়লে রপ্তানি সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ এম


বিদ্যুতের দাম বাড়লে রপ্তানি সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে

বৈশ্বিক বাজারে ক্রেতাদের মূল্যচাপ, কাঁচামাল ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানিসংকটের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন শিল্পোদ্যোক্তারা। তাঁরা মনে করছেন, উৎপাদন ব্যয় আরো বেড়ে গেলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমতে পারে, নতুন বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবে এবং রপ্তানিমুখী শিল্প খাত ব্যাপক চাপের সম্মুখীন হবে।

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না করেই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ইতিমধ্যে লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারণে কারখানাগুলোকে ব্যয়বহুল জেনারেটরের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়, তবে উৎপাদন খরচ আরো বৃদ্ধির পাশাপাশি তৈরি পোশাক, ইস্পাত, সিমেন্টসহ প্রায় সব শিল্প খাতের উপর এর প্রভাব পড়বে।

দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, কালুরঘাট, নাসিরাবাদ ও বায়েজিদ বোস্তামী শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলো দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে।

কয়েক বছর ধরে ডলার সংকট, এলসি খোলায় কড়াকড়ি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি হওয়ার ফলে উৎপাদন আগেই ব্যাহত হচ্ছিল। উপরন্তু, গত কয়েক মাসে অভ্যন্তরীণ বাজারে পরিবহন খরচ এবং অন্যান্য সেবামূলক খাতের ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

শিল্প মালিকরা বলছেন, আয় বা মুনাফার মার্জিন না বাড়লেও প্রতিনিয়ত উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে কারখানা চালানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেখানে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি শিল্পের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার শামিল।

তাঁদের মতে, বিদ্যুৎ হলো একটি মৌলিক উৎপাদন উপকরণ। এর মূল্য বৃদ্ধি পেলে সুতা কাটা থেকে শুরু করে পোশাক তৈরি, রড, সিমেন্ট, ভারী ধাতু এবং রাসায়নিকসহ সব ধরনের শিল্পপণ্যের উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাবে।

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে প্রধান ক্ষোভের জায়গা হলো, টাকা দিয়েও মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদনসূচি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভারী শিল্পে বিদ্যুৎ চলে গেলে ফার্নেস বা স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইনের যে ক্ষতি হয়, তা কাটিয়ে উঠতে লাখ লাখ টাকা অপচয় হয়।

ব্যয়বহুল জেনারেটর ব্যবহার করে উৎপাদন চালু রাখার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা। এতে ডিজেলের জন্য বিপুল পরিমাণ বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। প্রিমিয়ার সিমেন্টের মহাব্যবস্থাপক গোলাম কিবরিয়া বলেছেন, 'দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। কিন্তু আমরা এখন কারখানায় বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারছি না। বাধ্য হয়ে চড়া দামে জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখতে হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সরকার যদি আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ায়, তবে তা হবে গোদের ওপর বিষফোড়া।'

দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি) বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বৈশ্বিক বাজারে মুদ্রাস্ফীতির কারণে পশ্চিমা ক্রেতারা পোশাক কেনা ও ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাকের চাহিদা যেমন কমেছে, তেমন বিদেশি ক্রেতারা প্রতিনিয়ত পণ্যের দাম কমানোর জন্য চাপ বাড়াচ্ছেন।

পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অর্ডার ও দাম কমছে, অন্যদিকে দেশের ভিতরে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এই দুই বিপরীতমুখী চাপের কারণে তৈরি পোশাক খাত এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। নানামুখী খরচের এই বোঝার ওপর নতুন করে বিদ্যুতের বাড়তি দাম বহন করার সক্ষমতা এই খাতের নেই।

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি রফিক চৌধুরী বলেছেন, 'আন্তর্জাতিক বাজারে বায়াররা পোশাকের দাম কমিয়ে দিচ্ছে। আর আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সব কিছুই একসঙ্গে বাড়ছে। এই অবস্থায় বিশ্ববাজারে টিকে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।'

একই সুরে কথা বলেছেন ক্লিফটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, 'দেশে বিদ্যুৎ বা গ্যাসের দাম বাড়ার বিষয়ে বিদেশি ক্রেতাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। তারা বাড়তি দাম পরিশোধ করেন না। তাই উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে তার পূর্ণ চাপ উদ্যোক্তাদেরই বহন করতে হয়।'

অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব দেশের ভারী শিল্প ও নির্মাণ খাতেও পড়েছে। বিশেষ করে রড, সিমেন্ট ও ইস্পাত শিল্পের বাজার দীর্ঘদিন ধরে স্থবির রয়েছে। ডলার সংকটের ফলে কাঁচামাল ও স্ক্র্যাপ লোহা আমদানির খরচ বেড়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে ভারী শিল্পগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজনও হয়। সেজন্য নতুন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিটি এই খাতের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

ইস্পাত খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) ইতিমধ্যেই বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যহার প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। এই সংগঠনটির মতে, আবাসন ও অবকাঠামো খাতের স্থবিরতার কারণে রড-সিমেন্টের বিক্রি কমে গেছে। এই অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন খরচ আরো বাড়বে। ফলে নির্মাণ সামগ্রীর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেও চলে যেতে পারে এবং সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

চট্টগ্রাম চেম্বার ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অন্যতম শর্ত হলো সাশ্রয়ী এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ। কিন্তু বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের ও গ্যাসের দাম যেমন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনি পর্যাপ্ত সরবরাহও মিলছে না। ফলে দেশি এবং বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, শিল্প খাত সচল রাখতে সরকারকে ভর্তুকি ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যদি শুধুমাত্র রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে বারবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

চট্টগ্রামের শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্যহার পুনর্বিবেচনা কিংবা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁদের মতে, কর্মসংস্থান রক্ষা, শিল্পায়নের গতিশীলতা বজায় রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অব্যাহত রাখতে রপ্তানিমুখী এবং ভারী শিল্প খাতের জন্য সহনীয় বিদ্যুতের মূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল একজনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ এম


নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল একজনের

নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে নিহত হয়েছেন দিলওয়ার হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। পাশাপাশি আহত হয়েছেন চালক।

শনিবার সন্ধ্যায় এটি ঘটেছে সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের দিগলা গ্রামে।

পুলিশ, স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে আমতলা বাজার থেকে চাচাতো ভাই মুখলেছুর রহমানের মোটরসাইকেলে চড়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলেন দিলওয়ার। এসময় বাড়ির কাছাকাছি দিগলা পৌঁছাতেই হঠাৎ মোটরসাইকেল থেকে ঢলে পড়ে যান। এর ফলে মোটরসাইকেল চালকও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়েন, দুজনই আহত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দিলওয়ার হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে আহত মুখলেছুর রহমান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আল মামুন সরকার জানান, মোটরসাইকেল আরোহী দিলওয়ার হোসেন পিছনে ছিলেন এবং হঠাৎ পড়ে গিয়ে দুইজন আহত হয়েছেন। একজনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পর মধ্যস্থতায় সক্রিয় হচ্ছে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পর মধ্যস্থতায় সক্রিয় হচ্ছে পাকিস্তান

হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা ঘটতে থাকায় দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা জোরদার করেছে পাকিস্তান। এই প্রেক্ষাপটে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকবি তেহরানে ইরানের স্বরৃষ্টিমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। পাল্টাপাল্টি সামরিক উত্তেজনায় আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তথা সেন্টকম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে যারা অগ্রসর হচ্ছিল, তাদের মধ্যে চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে গোরুক ও কেশম দ্বীপে থাকা নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়ে দিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পদক্ষেপটি সামুদ্রিক হামলা প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনকে প্রতিহত করার কথাও জানা গেছে মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে। তবে ইরান জানাচ্ছে, রাডার স্থাপনায় হামলা যুদ্ধবিরতির সরাসরি লঙ্ঘন। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি’র তথ্য অনুযায়ী, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি এর জবাবে মার্কিন বিমানঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল ‘সতর্ক, দৃঢ় ও আনুপাতিক’। কুয়েত জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। বাহরাইনও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও একাধিক ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে। যদিও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মিশর এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। এদিকে, যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধে চলছে কূটনৈতিক তৎপরতা। তেহরানে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এবং ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের বার্তা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। উভয় পক্ষই আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%