ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হলেন বিরোধী দলের নেতা


তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হলেন বিরোধী দলের নেতা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৩ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করেন বিধানসভা স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

 এই সময় অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ৫৮ জন বিধায়কের সই সংবলিত একটি চিঠি পাঠানো হয় ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য।

তাদের মধ্যে ৫৭ জন তৃণমূল বিধায়ক রয়েছেন। অপর দুজন হলেন দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহা।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এর আগে বিধানসভায় জাল সই বিতর্কের জন্য তৃণমূল ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল।

দলবিরোধী কাজের অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে।

 এদিকে দাবার খেল উল্টে ঋতব্রত এবং সন্দীপনের নেতৃত্বে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক একত্রিত হয়ে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে অংশ নিলেন। তবে টিএমসি দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপদলনেতা হিসেবে এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্য সচেতক হিসেবে নিয়োগ করতে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিধায়কেরা বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিলেন বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

শুধু তাই নয়, স্পিকারের কাছে বিদ্রোহী বিধায়কেরা যেই চিঠিটি দিয়েছেন, সেখানে মমতার নামও দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভেতরে কি হতে চলছে, তা নিয়ে প্রত্যাশিত ভাবেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

এ বিষয়ে শিউলি সাহা বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের দলনেত্রী। তাঁরই সৈনিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। কিন্তু দলটি যখন অন্য কেউ দখল করে নেয়, সেটা তো মেনে নেব না।

আমরা দলে একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাইছিলাম।’

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ. কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের জয়ের লক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


দ. কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের জয়ের লক্ষণ

দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি অব কোরিয়া (ডিপিকে) একটি বড় ধরনের জয়ের পথে রয়েছে। বুথফেরত জরিপের ফলাফলগুলো এর পক্ষে ইঙ্গিত প্রদান করেছে।

আজ বুধবার (৩ জুন) দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থানীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মেয়র ও গভর্নর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের অবস্থান এগিয়ে রয়েছে। তবে রাজধানী সিউলের মেয়র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে ভোট গণনা স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে।

দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি প্রধান সম্প্রচার মাধ্যম কেবিএস, এমবিসি ও এসবিএসের যৌথ এক্সিট পোল অনুযায়ী, ১৬টি মহানগর এবং প্রাদেশিক প্রধানের নির্বাচনের মধ্যে ১১টি আসনে ডিপিকে প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

প্রধান বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) শুধুমাত্র একটিতে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে রয়েছে। বুসান, ডেগু, গাংওন এবং উত্তর জেওল্লা প্রদেশের ফলাফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরিস্খিতি দেখা গেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিজয়ী নির্ধারণ সম্ভব হয়নি।

রাজধানী সিউলের মেয়র নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। এক্সিট পোল অনুযায়ী, ডিপিকে প্রার্থী চং ওন-ও ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী, বর্তমান মেয়র ও পিপিপি প্রার্থী ও সে-হুন পেয়েছেন ৪৬ শতাংশ সমর্থন। যদি এই ফল চূড়ান্ত ফলাফলেও প্রতিফলিত হয়, তাহলে রাজধানীর রাজনৈতিক নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বুসানে ডিপিকে প্রার্থী চুন জে-সু সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, রক্ষণশীলদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ডেগুতেও দুই প্রধান দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে। গিয়ংগি প্রদেশে সাবেক বিচারমন্ত্রী চু মি-এ বড় ব্যবধানে এগিয়ে অবস্থান করছেন, যা ক্ষমতাসীন শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে বৃদ্ধি করেছে।

এক্সিট পোল প্রকাশের পর ডিপিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। দলটির নেতারা এটিকে প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং প্রশাসনের প্রতি জনগণের সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবেও ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের দাবি, এটি সরকারের প্রথম বছরের কর্মকাণ্ডের প্রতি জনগণের ইতিবাচক মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়।

তবে নির্বাচনের চারপাশে বিতর্কও বাড়ছে। পিপিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান জাং ডং-হিয়ক সিউল মেয়র নির্বাচনকে ‘দূষিত’ আখ্যা দিয়ে ভোট গণনা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।

তার অভিযোগ, কিছু ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারের ঘাটতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন আগেই অবগত থাকলেও তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর ফলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

জাং ডং-হিয়ক আরও বলেন, শুধু সিউল নয়, যেসব এলাকায় একই ধরনের অনিয়ম বা প্রশাসনিক ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে, সেসব স্থানের ভোট গণনাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা উচিত। পাশাপাশি, এ ধরনের ঘটনা অন্য কোথাও ঘটেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র চালুর ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ড থেকে ২ কার্গো কেনা, যুক্তরাজ্য থেকে ২ কার্গো এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১ কার্গো এলএনজি।

সচিবালয়ে বুধবার (৩ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ (আরএফকিউ-ইন্টারন্যাশনাল) পদ্ধতিতে তিন কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৬-২৭ জুন সময়ের জন্য ২৬তম কার্গো, ৩০ জুন-১ জুলাই সময়ের জন্য ২৭তম কার্গো এবং ৬-৭ জুলাই সময়ের জন্য ২৮তম কার্গো— এই তিন কার্গো এলএনজি কিনতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ক্রয় প্রস্তাবের আওতায়, এক কার্গো এলএনজি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে সংগ্রহ করার কথা রয়েছে। এই তিন কার্গো এলএনজি কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকা (এআইটিসহ)।

বৈঠকে আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সুইজারল্যান্ড থেকে স্বল্প মেয়াদে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ২ কার্গো এলএনজি কিনতে মোট ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সুইজারল্যান্ডের এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহ এবং এফআরএসইউ স্থাপনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে প্রস্তাব দাখিল করেছে।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে জি-টু-জি ভিত্তিতে চুক্তির আওতায় এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে স্বল্প মেয়াদে ২০২৬ সালে কিছু সংখ্যক এলএনজি সরবরাহের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।

এলএনজি আমদানিতে স্পট মার্কেটের বিকল্প হিসেবে সাশ্রয়ী মূল্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্প মেয়াদে এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে ২০২৬ সালে ২ কার্গো এলএনজি নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে নির্ধারিত জাপান কোরিয়া মার্কেট ফরমুলা-অনুযায়ী দরপ্রস্তাব প্রতি এমএমবিটিইউ (জেকেএম+ শূন্য দশমিক ১২৫ মার্কিন ডলার) হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করলে মন্ত্রিসভা কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।

এক কার্গো এলএনজির পরিমাণ হচ্ছে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিবাহ বিচ্ছেদ-ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যা করেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


বিবাহ বিচ্ছেদ-ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যা করেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা

১৩ বছর আগে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, এরপর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদ ও ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। পরে, মুগদার বাসা থেকে অর্ধ গলিত অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক (এডি) তানভীর হোসাইন শুভর (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, নিহতের ভাই তানিম হোসেইন দিবাগত রাতে রাজধানীর মুগদা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের বন্ধু আজাদ জানান, বন্ধুর মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারলেন, সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি আরও বলেন, তাদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ ছিল না এবং তিনি কথাও কম বলতেন। বিয়ের পর তার স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার কারণে সবার সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিয়েছিলেন। কী কারণে আত্মহত্যা করেছে, সেটি তিনি জানাতে পারেননি।

নিহতের ছোট ভাই শৈবাল জানান, তাদের মধ্যে তিন ভাই ছিল, এবং তানভীর ছিল মেজো ভাই। ২০১২ সালে তার বিয়ে হয় কিন্তু বিয়ের তিন মাসের মাথায় তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর তানভীর আবার বিয়ে করেননি। ঈদের আগের দিন তিনি সিলেটে ছিলেন এবং নরমালি তানভীর তাকে ফোন করে খোঁজখবর রেখেছিল। তখন তিনি মনে করেননি যে তানভীর কোনো চিন্তায় বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন। তিনি বললেন যে তানভীর মুগদায় একাই থাকতেন এবং ঈদে বাড়িতে যেতেন না, ঢাকায় এসে একাই ঈদ করতেন। কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, তা তিনি জানাতে পারেননি।

নিহতের বাবা তবারক হোসেন জানান, তার সঙ্গে কথা কম হয়েছিল। ঈদের আগের দিন তার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ঈদের দিনেও সেইভাবে কথা হয়েছে। তারা সেগুনবাগিচা এলাকায় থাকতেন, কিন্তু তানভীর মুগদায় একা বাসা নিয়ে থাকতেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান যে, কীভাবে কী হলো, তিনি কিছুই বুঝতে পারেননি।

বাড়ির মালিকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঈদের দিন শেষবারের মতো তানভীরকে দেখেছিলেন এবং তার পরে কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার, তার ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে একটি কক্ষে গলায় ফাঁস লাগানো অর্ধ গলিত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জাহিদ হাসান বলেন, প্রতিবেশীদের মোবাইল ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে একটি কক্ষ থেকে তানভীর হোসেইন শুভর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

সুরতহাল প্রতিবেদনে মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, দুই চোখ গলিত অবস্থায় বের হয়ে ছিল। জিহ্বা অর্ধেক বাহির করা ছিল এবং মুখ, কান ও নাক পচে পোকা ধরে গেছে। গলায় লাল হলুদ গামছা পেঁচানো অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। তার সমস্ত শরীরের পচন ধরে গেছে।

মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে তিনি লেখেন, মানসিক অবসাদ ও ডিপ্রেশনে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

এস আই বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে বিকেলে হস্তান্তর করা হয়। তবে, কেন এবং কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, এ বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের প্রতি অবহেলা: সরকার ব্যবস্থা নিল সেই যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


মায়ের প্রতি অবহেলা: সরকার ব্যবস্থা নিল সেই যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে

রাজধানীর মিরপুরে একটি বাসায় ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় তার ছেলে যুগ্ম-সচিব আনিসুর রহমানকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার।

বুধবার (০৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, তাকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বক্তব্য নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

গত ৩১ মে (রোববার) ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে একটি বাসা থেকে ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি পচে গিয়ে পোকায় ধরেছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পুরো বাসাটি ছিল নোংরা ও অগোছালো। দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানিয়েছেন, নুরজাহান বেগম যে বাসায় ছিলেন, সেটি তার মেয়ের বাসা। এখানে তিনি মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। বাসাটি খুব নোংরা ছিল।

ওসি আরও জানান, নুরজাহানের এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। এক মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

নুরজাহান বেগমের এমন মৃত্যুর ঘটনায় তার সন্তানদের অবহেলার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নানা সমালোচনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%