হোসেনপুর( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৫:৪১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বেলঘরিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আছিয়া বেগমের (৫২) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় আছিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাঁর সহযোগী একই গ্রামের রেজভী আহমেদ (৩৫) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিন রাত পৌনে ১টার দিকে মতিহার থানার ডাঁশমারী পূর্বপাড়া এলাকান থেকে সাত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ১১০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন সহ আবু হানিফকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মতিহার থানায় পাঁচটি ও বেলপুকুর থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বোয়ালিয়া থানার হোসেনীগঞ্জ এলাকা থেকে ৯০০ গ্রাম গাঁজা ও নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা সহ শহিদুল ইসলাম শহিদকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি এবং পেনাল কোডে একটি মামলা রয়েছে।
এদিকে, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত চারজন, মাদক মামলার চারজন এবং অন্যান্য মামলার পাঁচজন রয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১২টায় টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় এ স্টেশনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিজ তানজিলা খানম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আলম শুকুর, দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম কালা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদার, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নুর (ভিপি আসাদ) এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাশেদুল ইসলাম কিরন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক খাদিজা আক্তার বিনা, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা, প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, টঙ্গী অঞ্চল-১-এর প্রধান প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সরকার শাহানুর ইসলাম রনি, ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেম, টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন মন্ডল, ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী জহিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাকেরসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা ও স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল করা এবং নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সহায়তা পাওয়া যায়। উদ্বোধন শেষে এ এস পি এস প্রাঙ্গণে নিম গাছের চারা রোপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বেতারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্রোঞ্জ ম্যুরাল নির্মাণের নামে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগে সাবেক দুই তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও হাছান মাহমুদসহ আট জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম নেছার উদ্দিন ভূঞা ও নারায়ণ চন্দ্র শীল, উপ-স্টেশন প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রহমান, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক সিনিয়র প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং প্রকল্প পরিচালক প্রবাল কান্তি দাস।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৪ আগস্ট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পক্ষে কাজী জাকির হাসান ও মলয় কুমার গাঙ্গুলী বাংলাদেশ বেতারের আগারগাঁও কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের আবেদন করেন। পরে ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তারা জাতীয় বেতার ভবনের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর একটি কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন ও নকশা প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত নেন। ওই বছরের ১৯ মে বাংলাদেশ বেতারের তৎকালীন মহাপরিচালক এ কে এম নেছার উদ্দিন ভূঞা বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠান। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সভায় বাংলাদেশ বেতারের শাহবাগ কমপ্লেক্স আগারগাঁওয়ে স্থানান্তর, নির্মাণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই বছরের ২৪ জানুয়ারি তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পের আওতায় ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। পরে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির চতুর্থ সভায় ম্যুরাল স্থাপনের কাজটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা যুক্তিযুক্ত বলে উল্লেখ করা হয় এবং ব্যয় প্রাক্কলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৭ মে বাংলাদেশ বেতারের তৎকালীন মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীলের নির্দেশে ব্রোঞ্জ ম্যুরাল নির্মাণের দাপ্তরিক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকল্প পরিচালক প্রবাল কান্তি দাস দরপত্রের মাধ্যমে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকায় নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেন। ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বঙ্গবন্ধুর ব্রোঞ্জ ম্যুরালের নকশা অনুমোদন করা হয়।
এজাহার অনুযায়ী, কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদার ২০২৪ সালের ১২ জুন পর্যন্ত নয়টি বিলের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা নেন। তবে, দুদকের অনুসন্ধানকালে বাংলাদেশ বেতারের আগারগাঁও কেন্দ্র সরেজমিন পরিদর্শন করে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
দুদকের অভিযোগ, প্রকল্পের অপরিহার্য অংশ না হওয়া সত্ত্বেও পরস্পর যোগসাজশে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ম্যুরাল নির্মাণের কাজটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে সরকারের ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দুদক সচিব বলেন, সংশোধিত ডিপিপি নীতিমালায় বলা হয়েছে কোনো উপাদান যদি অপরিহার্য হয় তাহলে তা ডিপিপি সংশোধন করা যাবে। কিন্তু ব্রোঞ্জের মূর্তি নির্মাণ অপরিহার্য ছিল না। নীতিমালা লঙ্ঘন করে এটা নির্মাণ করা হয়েছে। এভাবে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি নয়, জামায়াতে ইসলামীই ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগকে মাফ করার চেষ্টা করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, "বিএনপি কোনো দিন বলেনি আওয়ামী লীগকে মাফ করে দেবে। বরং যারা বলছে, বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে, তারাই আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিতে চেয়েছিল। ক্ষমতার জন্য জামায়াত যেকোনো দলের সঙ্গে হাঁটতে পারে। ইতিহাস বলে, তারাই আওয়ামী লীগের পথে হাঁটতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "জামায়াত আগেও ফ্যাসিবাদী আচরণ করেছে, এখনো সেই পথেই হাঁটছে। কখনোই কোনো আন্দোলনে জামায়াতকে আদর্শিক পথে দেখা যায়নি।"
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব উল্লেখ করেন, "বিএনপিকে জনগণ চেনে। বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা থেকে বিচ্যুত হয় না। জামায়াত অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু বিপরীত কাজ করেছে।"
এ সময় জামায়াতকে গণতান্ত্রিক চেতনা প্রকাশের আহ্বান জানান রুহুল কবির রিজভী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ