রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১১ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম অভিযোগ করেছেন যে বিএনপি চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা, দখলদারত্বসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির ওপর টিকে আছে।
তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
পোস্টে সারজিস উল্লেখ করেন, ‘বিএনপি টিকেই আছে চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা, দখলদারিত্ব সহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির উপরে। যেদিন এসব বন্ধ হয়ে যাবে, সেদিন বিএনপি নামে কোনো দল থাকবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা কলেজ এবং আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন ভিসি নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে সায়েন্সল্যাবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সায়েন্সল্যাব মোড়ে এই দৃশ্য দেখা যায়। পরে দুপুর ১২টায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শতাধিক শিক্ষার্থী সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন।
এর আগে সকাল ১১টার দিকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন।
নিউ মার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আইয়ুব এ বিষয়ে বলেন, সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ এবং আইডিয়াল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে কিছু উত্তেজনা ছিল। সেই উত্তেজনা এড়াতে পুলিশ সায়েন্সল্যাবে অবস্থান করছে। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনো অঘটন যাতে না ঘটে, সে জন্য পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কলেজের ভেতরে অবস্থান করছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে কাউকে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ করতে না পারে, সে জন্য আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। সায়েন্সল্যাবে ৬০ জনের মতো পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। নিউ মার্কেট, কলাবাগান এবং ধানমণ্ডি তিন থানা থেকে আলাদা আলাদা স্থানে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)। সংগঠনের শাখা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংগঠনিক কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি চলছে।
এই প্রেক্ষাপটে ৮ অক্টোবর বর্ধমানে সংঘের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত।
আরএসএসের দক্ষিণবঙ্গের প্রান্ত প্রচারপ্রমুখ বিপ্লব রায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের আগে পশ্চিমবঙ্গে সংঘের প্রায় ৫ হাজার শাখা ছিল। ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্যে সেই সংখ্যা ১০ হাজারে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন সদস্য এবং স্বয়ংসেবকদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংঘের সাংগঠনিক কাঠামোতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তিনটি প্রান্তের মাধ্যমে সাংগঠনিক কাজ পরিচালিত হয়।
নতুন ব্যবস্থায় পাঁচটি সম্ভাগ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরবঙ্গ, নবদ্বীপ, বর্ধমান, মেদিনীপুর ও কলকাতা এই পাঁচটি সম্ভাগের মাধ্যমে কাজ পরিচালনার প্রস্তাব রয়েছে। সারা দেশেও বর্তমান প্রান্ত কাঠামোর পরিবর্তে আরও বেশি সংখ্যক সম্ভাগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংঘ সূত্রে জানা গেছে।
এই সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে সংঘের কাজকে আরও নিচুতলায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। ৮ অক্টোবর বর্ধমানে মোহন ভাগবতের সফরে রাজ্যের সংগঠন বিস্তার এবং নতুন সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর পাশাপাশি রাজ্যের সংখ্যালঘু নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতেও বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে সংঘ।
আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর কলকাতার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে সংখ্যালঘু নাগরিক ফোরামের ব্যানারে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের খবর, সমাজের সংখ্যালঘু অংশের নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবনার প্রসার নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
সংগঠনের বিস্তারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতাতেও পরিকাঠামো বাড়ানো হয়েছে। শনিবার নিউটাউনে সংঘের নতুন কার্যালয় কেশব স্মৃতির উদ্বোধন করেন সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে। নতুন ভবনটি সংগঠনের বাড়তে থাকা কাজের পরিধি সামলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এতদিন উত্তর কলকাতার অভেদানন্দ রোডের কেশব ভবন থেকেই কলকাতা-সহ পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কাজ পরিচালিত হতো। নতুন কার্যালয় তৈরির ফলে সংগঠনের বিভিন্ন বৈঠক, কর্মসূচি এবং বাইরে থেকে আসা পদাধিকারীদের থাকার ব্যবস্থা করা সহজ হবে বলে সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সংঘের সাংগঠনিক তৎপরতা আরও বাড়ানোর এই উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ বিস্তারের পরিকল্পনাকেই সামনে আনছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আদালত আগামী ৩ নভেম্বর তারিখে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারণ করেছেন।
আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়।
ওই ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। আহত অবস্থায় ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পরে ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।
এর আগে, ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।
তবে ডিবির দেওয়া চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ৬ জন পলাতক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যারিবীয় অঞ্চলের সার্বভৌম রাষ্ট্র কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় জনবল এবং সহায়ক বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে যাচাই করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ, মার্কিন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভাব্য অভিযানের প্রয়োজনে আগামী চার মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন কমান্ড’-কে সামরিক পুলিশ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও অন্যান্য সহায়ক ইউনিট সরবরাহ করা সম্ভব কি না, তা সেনারিজার্ভ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও নথিতে সরাসরি দেশটির নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে মার্কিন সামরিক প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এটি কিউবাকেন্দ্রিক সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ।
যাচাই প্রক্রিয়ায় মূল নজর রাখা হচ্ছে লজিস্টিকস ও রসদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ‘কমব্যাট সাসটেইনমেন্ট সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন’, প্রকৌশলী ব্যাটালিয়ন, জরুরি অস্ত্রোপচারের সুবিধাসহ মেডিকেল ব্রিগেড এবং নিরাপত্তা ও বন্দি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সামরিক পুলিশ ব্রিগেডের ওপর। সম্ভাব্য প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব ইউনিটের চূড়ান্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সেনা রিজার্ভ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য অভ্যন্তরীণ পত্রে সক্ষমতা মূল্যায়নের তাগিদ দেওয়া হলেও কোনো ইউনিটকে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে মোতায়েনের আদেশ জারি করা হয়েছে কি না—তা পরিষ্কার করা হয়নি। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে আগাম অভিযানের পরিকল্পনা বা সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় আসার পর সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও সামরিক বলপ্রয়োগের বিকল্প এড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। তবে ট্রাম্পের এই সমঝোতার বার্তার পাশাপাশি পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে চরম সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ