০৭:৪৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া বিমান চলাচলে ব্যবহৃত যে জেট ফুয়েল বা বিমান জ্বালানি, তা রপ্তানির বা বিক্রির বিষয়ে একটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার দিকে নজর দেওয়া।
সোমবার ক্রেমলিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তটি জানানো হয়েছে, যা আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
রুশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পণ্য বিনিময়ের উদ্দেশ্যে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কেনা জেট ফুয়েলের ক্ষেত্রেও এই নতুন বিধিনিষেধ সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
ক্রেমলিন এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ‘এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।’
এদিকে, রুশ প্রশাসন এই নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিশেষ ছাড় বা ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পূর্বে সম্পন্ন হওয়া শুল্ক প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে থাকা জ্বালানি সরবরাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আলোচিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ঘোষণা করেছেন, তিনি আগামী ৬ জুন দেশে ফিরে এনইইটি (NEET) প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন।
সোমবার (১ জুন) সিজেপি’র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দীপ বলেন, ‘সময় এসেছে আমাদের সবাইকে একত্রিত হওয়ার। ভারতের সংবিধানের পথ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কণ্ঠ তুলে ধরতে হবে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করতে হবে। যদি আমরা সবাই একসঙ্গে আওয়াজ তুলি, তাহলে তারা অবশ্যই আমাদের কথা শুনতে বাধ্য হবে।’
তিনি আরও বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী ৬ জুন, শনিবার সকালে আমি দিল্লিতে পৌঁছাব। আপনারা সবাই বিমানবন্দরে আমার সঙ্গে যোগ দিন। সেখান থেকে আমরা একসঙ্গে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যাব এবং জন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চাইব।
দিল্লি হাইকোর্ট সম্প্রতি সিজেপি’র এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট অবিলম্বে আনব্লক করার নির্দেশ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কয়েকদিন পরই এ ঘোষণা এলো।
ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপকে আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আপনারা দেখছেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে আওয়াজ তুলছি এবং দাবি জানাচ্ছি যে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে– এনইইটি প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের জন্য এবং লাখো শিক্ষার্থীর পরিশ্রম নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের আবেদনে ৮ লাখ শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোটি কোটি মানুষ এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ইস্যুতে বিক্ষোভও হচ্ছে। তবুও তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।’
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।
সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ২৭৫ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার বা ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ৫২৪ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার বা ৫.২৫ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ২ হাজার ৭৫০ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার বা ২৭.৫০ বিলিয়ন ডলার।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৩৭ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ডলার। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৯৪১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল ১ হাজার ৯১৯ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৩০৮ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৬৩২ কোটি ২৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে সদ্য বিদায়ী মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৬ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩৮ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এর আগে গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই তথ্য সোমবার দেশটির বিচার বিভাগের সংবাদমাধ্যম মিজান জানিয়েছেন।
যেমন, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুইজনকে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় মসজিদে অগ্নিসংযোগ করা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত থাকার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এই দুটি ব্যক্তির নাম হচ্ছে মেহরদাদ মোহাম্মাদিনিয়া এবং আশকান মালেকি। মিজানের তথ্য অনুযায়ী, তারা রাজধানী তেহরানের গিশা এলাকার জাফারি মসজিদে হামলার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন। তবে, এ ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি তাৎক্ষণিকভাবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় আস্থা ও বিশ্বাসের সংকট তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক নীতি বিশ্লেষক নেগার মরতাজাভি। যিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একের পর এক চুক্তি ভঙ্গ, চলমান আলোচনার মধ্যেই সামরিক হামলা এবং আঞ্চলিক সংঘাত ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর অবিশ্বাস তৈরি করেছে। এর ফলস্বরূপ, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া কার্যত ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছে গেছে।
মরতাজাভি আরও বলেন, আমি ইরানি সূত্রগুলোর সঙ্গে অভিযোগ করেছি, তারা বলছেন- আমরা প্রতিবার আলোচনায় যাই, কিন্তু আমাদের আঙুল ট্রিগারের ওপর থাকে। কারণ, আমাদের আশঙ্কা থাকে যে, আকাশ থেকে বোমা নেমে আসতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক পদক্ষেপ সম্ভাব্য যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনা, গত বছরের পারমাণবিক আলোচনার সময়ে হামলা এবং বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্য। সূত্র: আল-জাজিরা, ডন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ