ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে আটক বাংলাদেশি


ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে আটক বাংলাদেশি

কুয়েতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক বাংলাদেশি যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫-এ তল্লাশি চালানোর সময় তাকে আটক করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আটক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩১৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথঅ্যামফিটামিন এবং ৬ হাজার ২১১টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

মাদক জব্দের পর আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: মন্দিরে অর্থ সহায়তা করলেন আলিনগর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কাওসার হাওলাদার

কুয়েত সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে। দেশের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এর আগে, মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে, বাংলাদেশ থেকে আসা বিমানে এত বড় মাদকের চালান কীভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা অতিক্রম করে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সুমন চৌধুরী মন্তব্য করেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও তল্লাশি প্রক্রিয়া পেরিয়ে এত বড় চালান দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।"

ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আরও তদন্ত বা বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ১১ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২,৮৯৭ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২,৮৯৭ মামলা

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৮৯৭টি মামলা দায়ের করেছে।

সোমবার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি রেকর্ড করে।

ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০৮টি, লালবাগ বিভাগে ১৫৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩০৭টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৯৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৯২টি, মিরপুর বিভাগে ৫৫০টি, উত্তরা বিভাগে ৬৫১টি এবং গুলশান বিভাগে ৪৩৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ৬২৩টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ১৭৫টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা ও প্রতিবেশী যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


রাঙামাটিতে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা ও প্রতিবেশী যুবক গ্রেপ্তার

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবাসহ এক প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডানে আটারকছড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অভিযুক্ত সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরী (৬৫), যিনি মৃত এরফান উদ্দীন চৌধুরীর ছেলে, এবং প্রতিবেশী যুবক শহিদুল (২৩), যিনি জামাল উদ্দীনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরীর বাড়িতে বসবাস করছিল। গত সপ্তাহে, ঘরে একা থাকার সুযোগে ফজলুল হক মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেয়েটির ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণ চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার পর প্রতিবেশী যুবক শহিদুলও সুযোগ নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের নির্মম ঘটনার শিকার হচ্ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার কিছু যুবকও মেয়েটির পিছু নেয় এবং সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পাওয়ার পরপরই লংগদু থানা পুলিশের একটি দল অভিযুক্ত সৎ বাবা ও ধর্ষণচেষ্টাকারী প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্ছেদ হওয়া ১৪০০ মুসলিম পরিবারের জমিতে আদানির ৩২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


উচ্ছেদ হওয়া ১৪০০ মুসলিম পরিবারের জমিতে আদানির ৩২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প

একদিকে রয়েছে ভাঙা ঘর, উচ্ছেদ হওয়া পরিবার, অন্যদিকে আছে হাজার হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্প। আসামের ধুবড়ি জেলার চাপরে এই দুই চিত্র বর্তমানে পাশাপাশি অবস্থান করছে।

যে জমি থেকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছিল, রোববার সেই জমিতে আদানি পাওয়ারের ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করা হবে। আদানি গোষ্ঠীর দাবি, নির্মাণপর্বে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রকল্পটি চালু হলে আরও প্রায় ৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে। প্রথম ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা ২০৩০ সালের ডিসেম্বর থেকে। কিন্তু প্রকল্পের জমি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে।

ধুবড়ির চারুয়াবাখরা, চিরাকুটা এক ও দুই এবং সন্তোষপুর এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১৫৭ একর সরকারি জমিতে বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল। উচ্ছেদের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই তিন থেকে চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন।

অনেকে আবার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পূর্বের বসতভিটা হারিয়ে ওই এলাকায় এসে বসতি গড়েছিলেন। উচ্ছেদের পর প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, প্রকল্পের জন্য সরকারি জমি আগে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই জমি আদানি পাওয়ারের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়।

প্রশাসন ৩০০ বিঘা জমি অন্য এলাকায় পুনর্বাসনের জন্য চিহ্নিত করে এবং মালপত্র সরানোর জন্য পরিবারপিছু ৫০ হাজার টাকা সহায়তার কথা জানায়। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের একটি অংশ সেই পুনর্বাসনস্থানে যেতে রাজি হননি।

তাদের অভিযোগ, ব্রহ্মপুত্রঘেরা নিচু এলাকায় বর্ষায় পানি ঢোকে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদনে আদানি পাওয়ার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল, প্রকল্প এলাকায় কোনো জনবসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা পুনর্বাসনজনিত ক্ষতিপূরণের দাবি নেই।

অথচ উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর বক্তব্য, তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে প্রকল্পের জমি পরিষ্কার করা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, সরকারি জমির পাশাপাশি জমির অধিকারপত্র থাকা মানুষের জমিও নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বড় একটি অংশ এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি।

২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসন গ্রামের চারণভূমি প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়। ২ এপ্রিলের জেলা পর্যায়ের ভূমি সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যবিবরণীতেও সেই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে। এরপরই উচ্ছেদের নোটিশ জারি হয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙা শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এদিকে প্রকল্পকে আসামের বিদ্যুৎ খাতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে তুলে ধরেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প রাজ্যের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

আদানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প হয়ে উঠবে। তবে উন্নয়নের এই হিসাবের পাশে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর হিসাবটি এখনও মেলেনি। একদিকে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রস্তুতি, অন্যদিকে সেই আলো পৌঁছানোর আগেই ঘর হারানো মানুষের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন। ফলে ধুবড়িতে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে—উন্নয়নের জমির দাম শেষ পর্যন্ত দেবে কে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামে প্রাণ হারাল আরও ২ শিশু, আক্রান্ত ১,৩৪৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


হামে প্রাণ হারাল আরও ২ শিশু, আক্রান্ত ১,৩৪৯

হাম উপসর্গের কারণে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৩৪৯ জনে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সম্পর্কিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জনকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, একই সময়ে ৯২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত, ১৫ মার্চ থেকে এই সময় পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭৩৮ জন।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৬২ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%