মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি
০৭:১১ পি.এম
রাঙামাটি–রাজস্থলী সড়কে যাত্রীবাহী পিকআপ ও জীপ গাড়ি চলাচলে বাধা, গাড়ি আটকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া এবং চালক-মালিকদের হুমকির অভিযোগ তুলে নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
স্মারকলিপিটি রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের পক্ষে গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. মোবারক হোসেন এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে রাঙামাটি যাত্রীবাহী পিকআপ মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং রাঙামাটি জেলা কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপ-জীপ গাড়ি চালক শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা অভিযোগ করেন, রাঙামাটি থেকে রাজস্থলী রুটে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করছে না। এতে কাপ্তাই ও রাজস্থলী উপজেলার সাধারণ মানুষ সরকারি-বেসরকারি কাজসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়ছেন।
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে দুই সংগঠন যৌথভাবে গত ১৬ আগস্ট থেকে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ ও জীপ গাড়ির মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নেয় বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগ করা হয়, ওই দিন গাড়ি চলাচল শুরু করতে গেলে চট্টগ্রাম ও রাউজান থেকে আসা কিছু ব্যক্তি এবং চট্টগ্রাম–রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি ও চালক সমিতির লোকজন এতে বাধা দেন। সকাল ৭টার দিকে সড়কে বাস দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পিকআপ ও জীপ গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া হয় এবং কয়েকটি গাড়ি আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজস্থলী থেকে যাত্রী নিয়ে রাঙামাটির উদ্দেশে আসা একটি পিকআপ-জীপ গাড়িকে কাপ্তাইয়ের রাইখালী এলাকায় যাত্রী নামিয়ে হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়। গত ১৭ আগস্ট একই এলাকায় আবারও গাড়ি আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, পিকআপ ও জীপ গাড়ি চলাচল অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানো হতে পারে এবং রাঙামাটি থেকে কোনো কার, মাইক্রোবাস বা অন্যান্য যানবাহন রাউজানের ওপর দিয়ে চলতে দেওয়া হবে না—এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এ ঘটনায় পিকআপ ও জীপ গাড়ির মালিক এবং চালকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন, রাঙামাটি–রাজস্থলী সড়কে দীর্ঘ প্রায় দুই থেকে তিন বছর নিয়মিত যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। স্থানীয় মালিক ও শ্রমিকরা জেলার অভ্যন্তরে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যাত্রী পরিবহন করতে চাইলে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে স্মারকলিপিতে।
এ অবস্থায় রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে যাত্রীসেবা দিতে গিয়ে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ও হামলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করে পিকআপ ও জীপ গাড়ি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংগঠনগুলোর নেতারা।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি যাত্রীবাহী পিকআপ মালিক সমিতির উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাহিন আল মামুন ও নির্মল বড়ুয়া মিলন, সভাপতি প্রজেশ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক লিটন চাকমা, রাঙামাটি জেলা কার, মাইক্রোবাস ও জীপ গাড়ি চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. হোসেন, লাইন সম্পাদক বাবু টুলু বড়ুয়া এবং প্রচার সম্পাদক মো. আরাফাত হোসেনসহ অন্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাপ্তাহিক গরুর হাট চলছে, ক্লাস চলাকালীন। এই দৃশ্য বুধবার দুপুরে তোলা হয়েছে। কালের কণ্ঠের খবর অনুযায়ী, সরকারিভাবে হাটের ইজারা নেওয়া হলেও গরুর হাটের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নেই। বাধার সম্মুখীন হওয়ার পর হাটটি বিদ্যালয়ের মাঠে বসেছিল।
এবং এই হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ের সিএ। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, চার মাস ধরে বিদ্যালয়ের মাঠে গরুর হাট চলছে। তবে হাটের কোলাহল এবং পশুর মলমূত্রের দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান স্থগিত হয়ে গেছে।
আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ফটক থেকে শুরু করে মাঠজুড়ে গরু, ছাগল এবং হাঁস-মুরগির বাজার বসেছে। দৃষ্টিতে দেখা যায়, মাঠে বাঁশ বেঁধে সারি সারি রাখা হয়েছে শত শত পশু। সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হই-হুল্লোড়, চিৎকার এবং মাইকের বিকট শব্দে পুরো বিদ্যালয় এলাকা কান পাতা দায় হয়ে পড়েছে।
প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছে, পশুর মলমূত্রের গন্ধে ক্লাসে বসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমন পরিবেশে শিক্ষকরা ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না।
খোঁজে জানা গেছে, ইজারার পর নির্দিষ্ট স্থান না পাওয়ার কারণে প্রথমে পাশের কিছু খালি জায়গায় হাট বসানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেখানেও বাধার সম্মুখীন হয়ে শেষমেষ মধুপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠটিকে বেছে নেয়া হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমীরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি ইউএনও কার্যালয়ের সিএ মাজহারুল ইসলামের নির্দেশে মাঠে গরুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইউএনও অফিসের সিএ মাজহারুল ইসলাম বলেছিলেন, দ্রুত এখান থেকে হাট সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত সরানো হয়নি।’
এ বিষয়ে মধুপুর বাজারের ইজারাদার মো. আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন, ‘যে জায়গায় গরুর হাটের ডাক ছিল, সেই জায়গার মালিক সেখানে হাট বসাতে দিচ্ছেন না। এই কারণে বাধ্য হয়ে ইউএনও অফিসের নির্দেশের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের খালি মাঠে সাময়িক বাজার বসাচ্ছি। এতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমানের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে ইউএনওর কার্যালয়ের কনফিডেন্সিয়াল অ্যাসিস্টেন্ট (সিএ) মাজহারুল ইসলাম জানান, বাংলা ১৪৩৩ সালের পহেলা বৈশাখ মধুপুর বাজারের ইজারা শুরু হয়েছে। এটি চলবে আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত। বিদ্যালয় মাঠে গরুর হাটের অনুমতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, এখানে অস্থায়ীভাবে হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং অচিরেই অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এক মাস আগে এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে সিএ মাজহারুল একই কথা বলেছিলেন। তবুও অজ্ঞাত কারণে বিদ্যালয় মাঠ থেকে গরুর হাট সরানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাছবাহী একটি ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। তারা স্বামী-স্ত্রী ছিলেন।
এ দুর্ঘটনার মধ্যে তাদের মেয়েসহ আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সুখিয়া বাজারসংলগ্ন এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজ এলাকার ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছে উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের কাগারচর গ্রামের মোহাম্মদের ছেলে নুরু মিয়া (৬০) এবং তার স্ত্রী আনোয়ারা (৫৮)।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন, তাদের মেয়ে মারজিয়া আক্তার (৩৫), একই ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের মনজিল মিয়ার ছেলে মাহিম (১৭) এবং এগারসিন্দুর ইউনিয়নের মঠখোলা গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে অটোরিকশা চালক জাহাঙ্গীর (৩০)।
তাদের মধ্যে নিহতের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক শুনা গিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেলে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কিশোরগঞ্জ থেকে মঠখোলার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় সুখিয়া বাজারসংলগ্ন এগারসিন্দুর কোল্ড স্টোরেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাছবাহী ট্রাকের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়।
এই সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের জমিতে চলে যায়।
এ সময় অটোরিকশার যাত্রী নুরু মিয়া এবং তার স্ত্রী আনোয়ারা ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
দুর্ঘটনাকবলিত মারজিয়া আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস বলেন, দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর মাছবাহী ট্রাকটি পালিয়ে গেছে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে দুই প্রার্থীকে ভবিষ্যতে বার কাউন্সিলের সব ধরনের পরীক্ষায় আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির গত ১৩ আগস্টের সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ জুন অনুষ্ঠিত এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকেও ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের (রিভিউ) আবেদন করেছেন। অন্য একজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সাদা খাতা জমা দেওয়ার পরও ফলাফল রিভিউয়ের আবেদন করেন। অভিযোগের বিষয়ে উভয় প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাদের দেওয়া জবাবকে বাস্তবতাবিবর্জিত, খামখেয়ালিপূর্ণ এবং কোনোভাবেই সন্তোষজনক নয় বলে বিবেচনা করে এনরোলমেন্ট কমিটি। কমিটি মনে করে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সঙ্গে সচেতনভাবে প্রতারণার শামিল। ভবিষ্যতে তারা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে সাধারণ মানুষের আইনগত সেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। আইন পেশার উচ্চ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে পরীক্ষার্থীদের বিরত রাখতে কঠোর বার্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে দুই প্রার্থীকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া দুই প্রার্থী হলেন- মুহাম্মদ সাইফুল আমিন ও এম. আর. আকাশ। তাদের বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভবিষ্যতের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরীক্ষায় কোনো ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।
জানা গেছে, বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে প্রেষণে এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর ফলে তার চাকরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসা রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে নৌবাহিনীতে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য তার চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ