ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকে


শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকে

কেনাকাটাসহ দৈনন্দিন নানা কাজে রাজধানীতে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। কিন্তু পরিকল্পনা করে বাসা থেকে বের হলেও অনেক সময় পড়তে হয় বিপত্তিতে। কোথাও জরুরি কোনো কাজে গিয়ে দেখলেন সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন পড়তে হয় বিড়ম্বনায়; বরং নষ্ট হয় মূল্যবান সময়।

তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ।

বন্ধ থাকা মার্কেটসমূহ

আরও পড়ুন: মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হোতা তিন ভাই গ্রেফতার

শুক্রবার পুরান ঢাকা ও সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু প্রধান মার্কেট বন্ধ থাকে। এর মধ্যে রয়েছে- আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চক বাজার, বাবু বাজার, নয়া বাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটরা ও বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট এবং সান্দ্রা সুপার মার্কেট।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য পুরো এলাকাজুড়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার তালিকায় রয়েছে- বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল এলাকা, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা এলাকা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।

বন্ধ থাকবে যেসব দর্শনীয় স্থান

আরও পড়ুন: ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু: ২০ লাখ টাকায় রফাদফা, বিচারকরাই বাটে নিলেন ১০ লাখ!

সামরিক জাদুঘর (বিজয় সরণি): বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ থাকে। সপ্তাহের অন্যান্য দিন এটি সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর (আগারগাঁও): আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এই জাদুঘরটিও বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বন্ধ রাখা হয়। তবে শনিবার থেকে বুধবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এটি পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে হামলা বাড়তেই ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকরের ইঙ্গিত পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


সৌদিতে হামলা বাড়তেই ‘মক্কা চুক্তি’ কার্যকরের ইঙ্গিত পাকিস্তানের

সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার বৃদ্ধি ঘটার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ মন্তব্য করেছেন যে, এখন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর করার উপযুক্ত সময় এসেছে। তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন।

আসিফ উল্লেখ করেন, পাকিস্তান সৌদি আরব এবং পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা চুক্তি না থাকলেও এই পবিত্র স্থানগুলোর রক্ষা করা পাকিস্তানের কর্তব্য।

তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা চুক্তি আমাদের জন্য প্রযোজ্য এবং আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’ তবে তিনি পাকিস্তানের সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

অন্যদিকে, হুথি বিদ্রোহীরা মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাদের হামলার লক্ষ্য সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলি ও সামরিক ঘাঁটিগুলি, যা পবিত্র স্থানগুলো থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।

খাজা আসিফ জানিয়েছেন, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে পাওয়া একটি বার্তা পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। হুথিদের হামলার কারণে রিয়াদে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আসিফ বলেন, তিনি মনে করেন যে, ইরান রাষ্ট্র হিসেবে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলবে না। কারণ, ইরান ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে চেষ্টা পাকিস্তান অব্যাহত রাখবে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সৌদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে জানানো হয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইফ এলাকায় একটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ইয়েমেনের নাগরিক ছিলেন।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুথিরা ড্রোনটি তাইফের দিকে পাঠিয়েছিল।

হুথিদের হামলা তীব্র হওয়ার পর চলতি মাসে সৌদি আরবে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তান নিজেকে একজন আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক সম্পর্কও জোরদার হচ্ছে।

গত ৭ আগস্ট মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

অনেকে এই চুক্তিটিকে ন্যাটোর আর্টিকেল ৫-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিধানকে খুব আক্ষরিক অর্থে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

ধুলো, ধোঁয়া এবং ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে, ২০৫ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, শুক্রবার ছুটির দিনেও বায়ুমান স্কোর ১৬৫ নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এই বাতাসের মানকেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ২০৫ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার আরেক শহর কুচিং, যার স্কোর ১৯০। তৃতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৮১ স্কোর নিয়ে রয়েছে, এবং ১৬৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার স্কোর ১৫৭।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ বলে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনীতিতে বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরার জন্য শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পালন করা হচ্ছে।

বর্তমান বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘Bamboo Beyond Borders’, যার অর্থ হলো ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’। গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী এই উদ্ভিদ বর্তমানে পরিবেশবান্ধব শিল্প, নির্মাণ, খাদ্য এবং জীবিকার একটি সম্ভাবনাময় উপাদান হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাঁশ কেবলমাত্র গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী উপকরণ নয়; এটি পরিবেশ সুরক্ষা, শিল্প, হস্তশিল্প এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আসবাবপত্র, কাগজ, ঘরবাড়ি নির্মাণসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার দীর্ঘকাল ধরে হয়ে আসছে।

বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। ২০০৫ সালে World Bamboo Organization (WBO) প্রতিষ্ঠার পর বাঁশের সম্ভাবনা এবং ব্যবহার নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

পরিবেশের জন্য বাঁশের গুরুত্ব অপরিসীম। দ্রুত বেড়ে ওঠা এই উদ্ভিদ কার্বন শোষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে বাঁশকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং হস্তশিল্পে বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো বাঁশের পরিবেশগত এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরা, এর টেকসই ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং দৈনন্দিন জীবনে বাঁশভিত্তিক পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবিরের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একইসঙ্গে, কোনো কর্মচারীর পক্ষে অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দ্বারা করা তদবিরের বিস্তারিত তথ্য চাকরিসংক্রান্ত নথি বা ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এই নির্দেশনার সাথে সম্পর্কিত চিঠি পাঠানো হয়েছে সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের আচরণ কেমন হবে, তা ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, কিছু সরকারি কর্মচারী চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর বিধি ২০-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে, এটি ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া, কোনো কর্মচারীর পক্ষে করা এ ধরনের তদবিরের বিস্তারিত তথ্য ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করতে হবে।

তবে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে।

চিঠিতে এ বিষয়ে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%