মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ
০২:৩৯ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক থেকে কিশোর ও যুবসমাজকে দূরে রেখে খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হযরত শেখ। নিজের উদ্যোগে উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের রানিয়াদ গ্রামে প্রায় দুই বিঘা জমির ওপর একটি খেলার মাঠ তৈরি করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রানিয়াদ লুৎফর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নবনির্মিত মাঠটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন উপলক্ষে স্থানীয় দুটি দলের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। খেলার মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে মাঠটি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজিবুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাসান আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কিশোর-যুবক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিশোর ও যুবকেরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। অন্যদিকে মাদকের বিস্তার তরুণ প্রজন্মকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এমন বাস্তবতায় তরুণদের খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি এবং মাদক থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যেই মাঠটি তৈরির উদ্যোগ নেন হযরত শেখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে ও পায়রা উড়িয়ে মাঠ এবং ফুটবল খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
এ সময় হযরত শেখ বলেন, তরুণদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত দুই বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে এই খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এলাকার কিশোর ও যুবকদের খেলাধুলার বিকাশে একটি স্থায়ী মাঠ অত্যন্ত জরুরি। আগামী দুই বছরের মধ্যে সরকার যেন এখানে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মাঠটি ঘিরে এলাকায় নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ গড়ে উঠবে। এতে কিশোর ও যুবকেরা মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আল্লাহর আল-আউয়াল ও আল-আখির নাম দুটি নির্দেশ করে তাঁর অস্তিত্বের অনাদিত্ব ও স্থায়িত্বের পূর্ণতা। এই নামগুলোর অর্থ হচ্ছে সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ। তিনিই আল-আউয়াল, যিনি আগে কিছুই ছিলেন না। আবার তিনি আল-আখির, যিনি পরে কিছুই রাখবেন না। তাঁর অস্তিত্ব চিরন্তন, যার কোনো সূচনা নেই; আর তাঁর স্থায়িত্ব অনন্ত, যার কোনো সমাপ্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া অন্য সবকিছুই সৃষ্ট; অস্তিত্ব ও স্থায়িত্বের জন্য সবকিছুই তাঁর মুখাপেক্ষী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন। আর তিনি সব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।’
(সুরা আল-হাদিদ, আয়াত : ৩)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি প্রথম, আপনার আগে কিছুই নেই। আপনি শেষ, আপনার পরে কিছুই নেই...।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪০০)
আল্লাহর নাম আল-আউয়াল
এর অর্থ হলো তিনি এমন সত্তা, যাঁর আগে কিছুই ছিল না। তিনি সবকিছুর পূর্ববর্তী। সব সৃষ্টিই তাঁর সৃষ্টি ও অস্তিত্ব দানের মাধ্যমে তাঁর পরে অস্তিত্ব লাভ করেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ ছিলেন, তাঁর আগে কিছুই ছিল না। তাঁর আরশ ছিল পানির ওপর। তিনি লাওহে মাহফুজে সবকিছু লিখে রেখেছিলেন। এরপর তিনি আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেন।’
(বুখারি, হাদিস : ৭৪১৮)
আল্লাহর নাম আল-আখির
এর অর্থ হলো তিনি এমন সত্তা, যাঁর পরে আর কিছু নেই। সৃষ্টিজগতের সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরও তিনিই অবশিষ্ট থাকবেন। তিনি যা অবশিষ্ট রাখবেন, তা ছাড়া অন্য সবকিছুই ধ্বংসশীল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তাঁর সত্তা ছাড়া সবকিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁরই এবং তোমরা তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে।’
(সুরা আল-কাসাস, আয়াত : ৮৮)
আল-আউয়াল ও আল-আখির নাম দুটির প্রতি ঈমানের প্রভাব
আল্লাহর প্রতি পূর্ণ মুখাপেক্ষিতা উপলব্ধি করা: কারণ তিনিই আল-আউয়াল, তাঁর আগে কিছুই ছিল না। সৃষ্টিজগতের সূচনা তাঁর থেকেই। তিনি ছাড়া অন্য সবকিছুই নতুনভাবে সৃষ্ট এবং অস্তিত্ব, স্থায়িত্ব ও রিজিকের জন্য তাঁর মুখাপেক্ষী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মানুষ! তোমরাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী। আর আল্লাহ অভাবমুক্ত, সব প্রশংসার অধিকারী।’
(সুরা ফাতির, আয়াত : ১৫)
একমাত্র আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ
করা: কারণ প্রত্যেক সৃষ্টিরই একটি সূচনা ও সমাপ্তি রয়েছে। পক্ষান্তরে আল্লাহই প্রথম, যাঁর আগে কিছুই নেই; আর তিনিই শেষ, যাঁর পরে কিছুই নেই। অতএব, একমাত্র তিনিই চিরস্থায়ী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘পৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে, সবই ধ্বংসশীল। আর অবশিষ্ট থাকবেন আপনার মহিমাময় ও সম্মানিত প্রতিপালকের সত্তা।’
(সুরা আর-রহমান, আয়াত : ২৬-২৭)
প্রত্যাবর্তন ও চূড়ান্ত গন্তব্য আল্লাহর
কাছেই: মানুষের উচিত ঈমান, আনুগত্য ও নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা। কারণ আল্লাহই আল-আখির, সব সৃষ্টি শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই ফিরে যাবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালকের কাছেই সবকিছুর চূড়ান্ত গন্তব্য।’
(সুরা আন-নাজম, আয়াত : ৪২)
আল্লাহর চিরস্থায়িত্ব ও পূর্ণতার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস করা: বান্দা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবে যে আল্লাহ কখনো বিলুপ্ত হবেন না এবং ধ্বংস হবেন না। ফলে সে দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হবে, দুনিয়ার অবস্থার পরিবর্তনে তার অন্তর প্রশান্ত থাকবে এবং দুনিয়ার চাকচিক্যে সে প্রতারিত হবে না। কারণ সে জানে—চিরস্থায়িত্ব একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের কাছে যা আছে, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে; আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা স্থায়ী থাকবে।’
(সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৯৬)
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন। আর তিনি সব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।’
(সুরা হাদিদ, আয়াত : ৩)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতিতে ইস্তিসকার নামাজ আদায় করেছেন। এই নামাজের মাধ্যমে তিনি মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনার নববী সুন্নাহকে পুনরুজ্জীবিত করেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে লুসাইল ঈদগাহ মাঠে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
ইস্তিসকার নামাজে আমিরের ব্যক্তিগত প্রতিনিধি শেখ জাসিম বিন হামাদ আল থানি, শেখ আবদুল্লাহ বিন খলিফা আল থানি, শেখ মুহাম্মদ বিন খলিফা আল থানি এবং শেখ জাসিম বিন খলিফা আল থানিও অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, শুরা কাউন্সিলের স্পিকার হাসান বিন আবদুল্লাহ আল গানিম, কয়েকজন বিশিষ্ট শেখ ও মন্ত্রী, শুরা কাউন্সিলের সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই নামাজে অংশ নেন।
নামাজের পর দেওয়া খুতবায় শেখ ড. ইয়াহইয়া বাত্তি আল নুয়াইমি মুসল্লিদের বিনয় ও অনুশোচনার সঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বৃষ্টিপাত বিলম্বিত হওয়া মানুষের জন্য আল্লাহর ওপর তাদের নির্ভরশীলতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি সুযোগ। পাশাপাশি, এই পরিস্থিতিতে মানুষের উচিত আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, দান-সদকা বাড়ানো এবং নেক আমলে আত্মনিয়োগ করা। তিনি পানির নিয়ামতের জন্য আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ এবং অপচয় থেকে বিরত থাকার জন্যও মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানান।
সূত্র : গালফ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রান্নার মঞ্চে এবার নেই
জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র পূর্ববর্তী আটটি আসরের মধ্যে চারটিতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন পূর্ণিমা। সর্বশেষ আসরেও তিনি প্রতিযোগীদের রান্না চেখে সেরাদের নির্বাচন করেছেন। তবে নবম আসরে তাঁকে আর দেখা যাবে না। এবারের বিচারকের আসনে থাকছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দুই পেশাদার শেফ শুভব্রত মৈত্র ও শাহিদ শাহিন। জানা গেছে, ব্যক্তিগত কারণে এবারের আসর থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন পূর্ণিমা।
অভিনেত্রী পূর্ণিমা এর আগে এমন সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এক আলাপে তিনি জানিয়েছেন, ‘সেরা রাঁধুনী’র সঙ্গে যুক্ত সবাইকে তাঁর নিজের পরিবারের মতো মনে হয়। আয়োজকরা প্রতি আসরে তাঁকে অনুষ্ঠানে থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু প্রতিবারই তাঁর মনে সংশয় কাজ করে, শেষ পর্যন্ত হয়তো অংশ নেওয়া হবে না। কারণ, তাঁর মেয়ে উমাইজার স্কুল ও পড়াশোনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন গুঞ্জন ছড়িয়েছে। একটি রিয়ালিটি শোর ভিডিওকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ দাবি করছেন, পূর্ণিমা আবার মা হতে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এখনো গুঞ্জন হিসেবেই রয়ে গেছে।
পরিবারই এখন প্রথম
অভিনয়ে পূর্ণিমার নিয়মিত উপস্থিতি এখন আগের মতো নেই। তিনি বর্তমানে সংসার, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের জন্মদিনে বর্তমান জীবনযাপন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘সব সময় চেয়েছি নিজের পরিবারকে সময় দিতে, এখন সেটাই করছি।’ এ বছর জন্মদিনে তিনি স্বামী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। তবে তিনি একেবারে আড়ালে চলে যাননি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও মাঝে মাঝে তাঁকে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর শাকিব খান ও পূর্ণিমাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। তাঁদের একসঙ্গে দেখে অনেক দর্শক নস্টালজিক হয়ে পড়েছেন।
মুক্তির অপেক্ষায় দুই ছবি
পূর্ণিমা অভিনীত দুটি ছবি এখনো মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সেগুলো হলো ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিলতায় আটকে আছে ছবিগুলোর মুক্তি। দুটির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। ফেরদৌসের বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা। ছবিগুলোর শুটিংও অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে কবে নাগাদ সেগুলো প্রেক্ষাগৃহে আসবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ফেরার অপেক্ষায় নতুন চরিত্র
১৯৯৮ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন পূর্ণিমা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ২০১০ সালে ‘ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। রিয়াজের সঙ্গে প্রায় ২৫টি ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি। রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে এক সময় দর্শকের কাছে তাঁর আলাদা গ্রহণযোগ্যতা ছিল। ক্যারিয়ারের ২৫ বছর পূর্তির সময়ও নিজের চাওয়ার কথা বলতে গিয়ে ইন্ডাস্ট্রির প্রসঙ্গ সামনে এনেছিলেন পূর্ণিমা। ব্যক্তিগত চাওয়ার চেয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের উন্নতি, নতুনদের কাজের সুযোগ এবং চলচ্চিত্রাঙ্গনে সুস্থ পরিবেশের ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা ছিল, চলচ্চিত্রের মানুষদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ হোক।
অভিনয়ে অনিয়মিত হওয়ার কারণ নিয়েও একসময় খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তাঁর ভাষ্য, ২৫ বছরের অভিনয়জীবনের সঙ্গে মানানসই ভালো চরিত্রের প্রস্তাব খুব একটা আসে না। ওটিটির জন্য পাওয়া প্রস্তাবগুলোও তাঁর কাছে অনেকটা একই ধরনের মনে হয়েছে। ফলে পছন্দসই চরিত্র না পাওয়ায় কাজের সংখ্যা কমেছে।
তবে অভিনয় থেকে বিদায় নেওয়ার কোনো ঘোষণা দেননি পূর্ণিমা। বরং নতুন ধরনের চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিনের রোমান্টিক নায়িকার পরিচিত গণ্ডি ছেড়ে এবার ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করতে চান তিনি। এমনকি নেতিবাচক চরিত্রেও অভিনয়ের ইচ্ছা রয়েছে তাঁর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ