বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪৬ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : লেবাননের পার্লামেন্ট বুধবার একটি ব্যাপক সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছে, যা বহুদিন ধরে অপেক্ষিত ছিল। এই আইনটির ফলে হাজার হাজার কারাবন্দি ও পলাতক ব্যক্তি সুবিধা লাভ করবেন। এটি ১৯৯১ সালের পর পাস হওয়া প্রথম আইন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবী এবং বছরের পর বছরের বিতর্কের বিষয় হিসেবে এই আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো কারাগারে থাকা অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমানো। অনেক বন্দি বছরের পর বছর ধরে বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
দেশটির স্পিকারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ‘সাধারণ ক্ষমা প্রদান এবং নির্দিষ্ট কিছু সাজা ব্যতিক্রমীভাবে কমানোর লক্ষ্যে একটি খসড়া আইন অনুমোদন করা হয়েছে।’
আইনটির ফলে ঠিক কতজন ব্যক্তি সুবিধা পাবেন, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিলটির পক্ষে থাকা আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম ইমাদ আল-হুতের মতে, নতুন আইনটি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের সাজা ১৭ বছর করে দিয়েছে। লেবাননে এক বছরের কারাদণ্ডকে নয় মাস হিসেবে গণনা করা হয়। সেই কারণে ১৭ বছর কারাদণ্ড আসলে ১২ বছর ৯ মাসের সমান।
দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির হার ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। কারা কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চের শেষে দেশে অন্তত ৬ হাজার ২৬৮ জন বন্দি ছিলেন।
২০২৪ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। কারণ লেবাননে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত অনেক ইসলামপন্থী বন্দি ছিলেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই উত্তর লেবাননের সুন্নি অধ্যুষিত ত্রিপোলি শহরের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা, সংঘর্ষে অংশগ্রহণ ও বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে।
বুধবার রাতে এএফপির এক সংবাদদাতা ত্রিপোলিতে উপস্থিত থাকার সময় দেখেছেন, সেখানে কয়েক ডজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে এসে জড়ো হয়েছেন সাধারণ ক্ষমা উদযাপন করার জন্য। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইসলামের শাহাদা বা ঈমানের ঘোষণা সংবলিত পতাকা বহন করছিলেন। তারা ‘আল্লাহু আকবার’(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং আতশবাজি পোড়াচ্ছিলেন।
কারাগারে থাকা ভাইয়ের কথা উল্লেখ করে শাদি আবু ওমর বলেন, ‘এই সাধারণ ক্ষমার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেছি... আমাদের ওপর থেকে এই অন্যায় দূর করার জন্য।”
ইরান-সমর্থিত শিয়া আন্দোলন হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিও তাদের সম্প্রদায়ের জন্য সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছিল। পূর্বাঞ্চলের বালবেক ও হারমেল অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার মুাদক-সম্পর্কিত অপরাধ ও গাড়ি চুরির বিরুদ্ধে সাধারণ ক্ষমা দাবি করে আসছে।
অন্যদিকে, খ্রিষ্টান দলগুলো আইনটি তাদের পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাইছিল, যারা ২০০০ সালে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যাওয়ার পর ইসরায়েল-সমর্থিত প্রক্সি বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল এবং প্রতিশোধের ভয়ে ইসরায়েল পালিয়ে গিয়েছিল।
লেবানন এর আগে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করেছিল। ওই আইনের মাধ্যমে সাবেক যুদ্ধবাজ নেতাদের সংঘাত চলাকালে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি না হয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের উষ্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সহপাঠীদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়ে হিটস্ট্রোকের শিকার হয়ে আহসান মিয়া (৭) নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি এলাকায় এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত আহসান মিয়া বাঁশগাড়ি গ্রামের ময়াবাড়ির পাদুকা ব্যবসায়ী নাসির আহমেদের ছেলে।
স্থানীয় ও স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, দুপুরে শিশু আহসান স্থানীয় একটি মাঠে সহপাঠীদের সাথে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল। প্রচণ্ড রোদ ও অতিরিক্ত গরমের কারণে দীর্ঘক্ষণ খেলার পর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে মাঠে পড়ে যায় সে। এই সময় সহপাঠীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় একটি পল্লিচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তার অবস্থা ক্রমশ বেকায়দায় পড়লে তাকে পৌর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
অহম মিয়ার বাবা বাদল মিয়া সংবাদে বলেন, তার ভাতিজা আহসান প্রচণ্ড রোদে মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল। ফুটবল খেলতে গিয়েও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে, স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইসরাত জাহান স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরহাদ আহমেদ জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে হিটস্ট্রোকের ঘটনা সাধারণত কম দেখা যায়। তবে তীব্র রোদ ও অতিরিক্ত গরমের কারণে সব বয়সের মানুষের জন্য হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। শিশুটির প্রাথমিক লক্ষণের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, তার হিটস্ট্রোক তীব্র গরমের জন্য ঘটেছিল।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা ও বয়স্করা এই সময়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি তীব্র রোদ ও গরম থেকে সাবধান থাকতে এবং পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন গ্রহণের পরামর্শ দেন।
এই ঘটনায় শিশুটির আকস্মিক মৃতুতে পরিবার, আত্মীয় ও সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের মহানগর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শাকিল হোসেন পলাশকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ।
কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকাল বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী নগরীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তারই ফলশ্রুতিতে শাকিল হোসেন পলাশকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীর মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো দলের ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নগরীতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
পুলিশ জানিয়েছে, আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এদিকে শাকিল হোসেন পলাশকে আটকের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যদিও দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, তবুও বিএনপির একক সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সভার সিদ্ধান্ত এবং চলমান পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিতভাবে জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী উল্লেখ করেন, দেশের চলমান রাজনীতি, অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় প্রধান তারেক রহমান। তিনি সকলকে দেশকে গঠন ও নতুন করে পুনর্গঠন করতে আহ্বান জানিয়ে মনে করিয়ে দেন যে, সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘যেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, তবুও আমাদের দল থেকে যাকে সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে, তার পক্ষে সকল নেতা-কর্মীকে এক হয়ে কাজ করার কড়া নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশের চলমান বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকটের বিষয়েও আলোচনা করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চেষ্টা করছে দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসনে। এই সংকট সমাধানে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয়ে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে ইতিবাচকভাবে প্রক্রিয়া শুরু করছে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ব্যয় কমানো ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের অংশ হিসেবে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি, চালক এবং নিজ খরচে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নিজের টয়োটা গাড়িতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শেরেবাংলা নগরে যান, পরে একই গাড়িতে সচিবালয়েও যান। তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি ব্যবহার থেকে বিরত রয়েছেন পাঁচ প্রতিমন্ত্রী, আট উপদেষ্টা এবং দুই বিশেষ সহকারী।
বৃহস্পতিবার (১৩ অগাস্ট) সন্ধ্যায় সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করা পাঁচ প্রতিমন্ত্রী হলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্দ সোহেল মনজুর সুমন, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
উপদেষ্টাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, মো. রুহুল কবির রিজভী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান পরিবহন পুল থেকে কোনো গাড়ি নেননি এবং তারা সকলেই নিজ নিজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছেন।
এছাড়া স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনিও সরকারি গাড়ির বদলে নিজেদের গাড়িতে চলাচল করছেন।
সূত্র বলছে, পাঁচ প্রতিমন্ত্রী, আট উপদেষ্টা ও দুই বিশেষ সহকারীসহ মোট ১৫ জন সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করায় হিসাব অনুযায়ী এসব গাড়ির পেছনে বছরে প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় এড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহারে এ ধরনের সংযম রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় এবং ভিআইপি চলাচলের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ