আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
০১:০২ পি.এম
সন্দ্বীপভিত্তিক ৩৩টি সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সন্দ্বীপ সম্মিলিত সামাজিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। এ কর্মসূচি সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার প্রাণকেন্দ্র এনাম নাহার মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মসূচিটি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে আয়োজিত হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র্যালি এনাম নাহার গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবি ব্যাংকের সামনে ঘুরে সন্দ্বীপ থানা গেটে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাদকের কুফল সম্পর্কে বিভিন্ন স্লোগান প্রদর্শন করেছেন।
র্যালি শেষে এনাম নাহার মোড়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়, প্রায় ৭ শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির গাছের চারা সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সন্দ্বীপ সম্মিলিত সামাজিক ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান, এনাম নাহার মোড় ব্যবসায়ী কমিটির আহ্বায়ক আসিফ আখতার, মুছাপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন আলীম মেম্বার, সংগঠনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান নওশাদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা তৈয়ব, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল নাইম, অর্থ সম্পাদক আমিন রসুল রিয়াদসহ পরিষদের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদক শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করার জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
তারা আরও বলেন, সামাজিক সংগঠনগুলো যদি একযোগে কাজ করে, তাহলে সমাজের নানা সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং এবং সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সন্দ্বীপ সম্মিলিত সামাজিক ঐক্য পরিষদ ভবিষ্যতেও বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানের শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে মাদকমুক্ত, সবুজ ও মানবিক সন্দ্বীপ গঠনে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি গানশিপ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটির পাইলটরা নিরাপদ আছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার আগে জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘কেউ আহত হয়নি’ (হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায়)।
এ ঘটনায় একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন মঙ্গলবারের (৯ জুন) মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।
তবে হেলিকপ্টারটি ইরানের গুলিতে ভূপাতিত হয়েছে, নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে—তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।
এই বিষয়ে অবগত দুই ব্যক্তির বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস মঙ্গলবার এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হরমুজ প্রণালীতে ইরানের আরোপিত অবরোধ মোকাবিলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন ব্যবহার করে আসছে।
নিউইয়র্ক টাইমস আরও জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটি প্রথম অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। একই সময়ে ইরান দাবি করেছে, তারা ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
সাধারণত টহল ও নজরদারি মিশনে ব্যবহৃত হলেও, সম্প্রতি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারগুলো আরও গভীর এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে, যা সেন্টকমের আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান প্রদর্শনের প্রচেষ্টার অংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে সেন্টকম রোববার এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা দুটি ইরানি ড্রোন তারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ইরানের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলকে সাধারণত ধরা হয় শক্তিশালী রক্ষণভাগ ও বড় ব্যবধানে হার এড়ানোর জন্য পরিচিত এক পরাশক্তি হিসেবে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া প্রতিপক্ষের সংখ্যা খুবই সীমিত। তবে দীর্ঘ ফুটবল ইতিহাসে এমন দুটি বিরল ম্যাচ আছে, যেখানে ব্রাজিল এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজম করেছে এবং সেই কৃতিত্ব অর্জন করেছে মাত্র দুটি দেশ।
এই ধরনের প্রথম ঘটনা ঘটে ১৯৩৪ সালের ৩ জুন। বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল মুখোমুখি হয় যুগোস্লাভিয়ার। ম্যাচের শুরুটা ছিল ব্রাজিলের জন্য আশাব্যঞ্জক মাত্র ৮ মিনিটেই তারা গোল করে এগিয়ে যায়।
তবে সময় যত গড়ায়, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে। একের পর এক আক্রমণে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া ম্যাচটি ৮-৪ ব্যবধানে জিতে নেয়। এই ম্যাচটিই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল হজমের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রায় আট দশক পর দ্বিতীয়বার একই ধরনের ধস নামে ব্রাজিলের ওপর। ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল জার্মানি।
বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচ শুরু থেকেই একতরফা হয়ে ওঠে। আক্রমণাত্মক জার্মানি মাত্র ২৯ মিনিটেই ৫ গোল করে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল দাঁড়ায় ৭-১, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর ফল হিসেবে বিবেচিত।
ব্রাজিলের একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন অস্কার।
এই দুটি ম্যাচই ফুটবল ইতিহাসে ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়েছে মাত্র দুটি দেশ যুগোস্লাভিয়া এবং জার্মানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতে বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ক্যাবল চুরি করে বিক্রির অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যার মধ্যে রয়েছে মিশরীয় ও বাংলাদেশি। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল, তামার সামগ্রী এবং তার কাটার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সন্দেহভাজনদের আটক করার জন্য দীর্ঘদিন নজরদারি এবং অনুসন্ধানের কার্যক্রম চালিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন পরিমাণ বৈদ্যুতিক ক্যাবল, তামার সামগ্রী এবং তার কাটার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ক্যাবল বারবার চুরি করে সেগুলো বিক্রি করেছে।
তদন্তের একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি গুদামের সন্ধান পায়, যেখানে চুরি করা মালামাল সংরক্ষণ করা হতো। তদন্তের সময় জানা যায়, গুদামটি কুয়েতের একজন নাগরিকের মালিকানাধীন এবং মাসিক ২০০ কুয়েতি দিনারের বিনিময়ে অভিযুক্তদের কাছে ভাড়া দেয়া হয়েছিল।
পরিদর্শনের সময় গুদামটিতে পৌরসভার বিধিমালা ও কুয়েত ফায়ার ফোর্সের অগ্নি-নিরাপত্তা নির্দেশনা লঙ্ঘনের প্রমাণও পাওয়া যায়। পরবর্তীতে কুয়েত ফায়ার ফোর্স আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে গুদামটি বন্ধের নির্দেশ দেয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং জব্দকৃত আলামতসহ তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সরকারি অবকাঠামো চুরি ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ জুন, ২০২৬ : সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে চলা মতবিরোধের কারণে ফ্রান্স এবং জার্মানি যৌথভাবে পরিচালিত যুদ্ধবিমান কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার্লিন সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইউরোপের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার প্রচেষ্টার জন্য এটি অত্যন্ত বড় একটি ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানিয়েছে। ২০১৭ সালে ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম (এফসিএএস) প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমান এবং জার্মানি ও স্পেনের ব্যবহৃত ইউরোফাইটার বিমানের বিকল্প তৈরি করা।
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির বিশেষ পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় দেশগুলো যখন প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করছে, তখন এ প্রকল্পটি সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছিল।
তবে বহু বিলিয়ন ডলারের এই কর্মসূচি শুরু থেকেই সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মতবিরোধের কারণে সমস্যায় পড়েছিল। এর মধ্যে ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন এবং জার্মানি ও স্পেনের প্রতিনিধিত্বকারী এয়ারবাসের মধ্যে বিরোধ ছিল।
জার্মান সরকারের একজন কর্মকর্তা এএফপি’কে জানান, চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, যৌথ যুদ্ধবিমান নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো আর কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে না।
তিনি বলেন, ‘তারা বাস্তবতাকে স্বীকার করেছেন।’ তবে ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পের অন্যান্য অংশ চালু থাকবে। তিনি জানান, ‘এফসিএএসের মূল অংশকে একটি ইউরোপীয় ব্যবস্থা হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, এটি হবে একটি ‘স্নায়ুতন্ত্র’, যা যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং অন্যান্য উপাদানকে একীভূত কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করবে।
তিনি জানান, আসন্ন এক বৈঠকে ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংযুক্ত কয়েকটি বাস্তবসম্মত এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে।
ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর বিচ্ছিন্ন সামরিক সক্ষমতাকে আরও সমন্বিত করার দাবি আরও জোরালো হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতেই এফসিএএস বাতিলের খবর এলো।
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এফসিএএস প্রকল্পটি টিকিয়ে রাখার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালানো হয়েছে। মার্চ মাসে একজন ফরাসি ও একজন জার্মান মধ্যস্থতাকারীকে প্রকল্পটি রক্ষার জন্য প্রস্তাব তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেননি।
এদিকে দাসো অ্যাভিয়েশনের প্রধান বারবার জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি চাইলে একাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারে এবং তিনি যৌথ ব্যবস্থাপনার পক্ষে নন।
প্রকল্পের সমাপ্তি এমন একটি সময় এসেছে, যখন মের্ৎস ও মাখোঁ দুজনেই প্রকাশ্যে এর সফলতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
চলতি বছরের শুরুতে মের্ৎস বলেছিলেন, ‘যৌথ ইউরোপীয় প্রকল্প, বিশেষ করে জার্মানি-ফ্রান্স প্রকল্প বাস্তবায়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’
অন্যদিকে এপ্রিল মাসে মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠকের পর মাখোঁ প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার দাবিকে নাকচ করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, ‘আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ইউরোপের এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্য, অধিক স্বাধীনতা এবং বৃহত্তর সার্বভৌমত্ব প্রয়োজন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ