ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার


পটুয়াখালীতে ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

জেলার বাউফল থানায় ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি মো. বাচ্চু সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮।

র‌্যাব-৮ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৮ এর সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং সিপিএসসি বরিশালের একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল মঙ্গলবার রাতে বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালী মডেল থানাধীন কালিজিরা বাজার এলাকায় অভিযানে যায় এবং সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার বাচ্চু সরদার বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা, এবং সে মো. আলম সরদারের ছেলে। র‌্যাব জানায়, গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ ইং রাতে বাউফল উপজেলার বাসিন্দা মো. আজাহার জামাদ্দারের বাড়িতে ৬-৭ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। তারা ঘরে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং প্রায় ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাউফল থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। ডাকাতির ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত বাচ্চু সরদার এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং অবস্থান পরিবর্তন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন, এমনটাই র‌্যাবের দাবি।

র‌্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বাসস’কে জানান, দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির পর এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়ার নামে সিলেটের পুরানো কারাগারে জায়গায় পার্ক নির্মাণ হচ্ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান সীমান্তে ৪ আফগান ড্রোন ভূপাতিত, নতুন সংঘাতের আভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


পাকিস্তান সীমান্তে ৪ আফগান ড্রোন ভূপাতিত, নতুন সংঘাতের আভাস

পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলুচিস্তান প্রদেশে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা পাঠানো চারটি ড্রোন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ভূপাতিত হয়েছে।

ইসলামাবাদের অভিযোগ হলো, আফগান সরকার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দিতেই এমন উসকানিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে যে, যদি এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে তালেবানকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।

অপরদিকে, পুরো ঘটনার একটি ভিন্ন সঙ্গতি উপস্থাপন করেছে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের দাবী হলো, এটি কোনো উসকানিমূলক অভিযান ছিল না। বরং, আফগান বিমান বাহিনী পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সক্রিয় জঙ্গিগোষ্ঠী দায়েশের ঘাঁটিতে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল বিমান হামলা করেছে।

কাবুল থেকে জানা যায়, হামলাটির ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। তবে এতে কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত হননি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি করাচিতে একটি নিরাপত্তা ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার পরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তখন থেকেই প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্রের কবল থেকে ফিরলেন আরও ১০৯ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্রের কবল থেকে ফিরলেন আরও ১০৯ বাংলাদেশি

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়ার পর দেশে ফিরেছেন আরও ১০৯ বাংলাদেশি। মঙ্গলবার রাত ১টা ২৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। এর মাধ্যমে গত চার দিনে দেশে ফিরলেন মোট ৩৬২ জন। শুধু জুন মাসেই কম্বোডিয়া থেকে ফিরেছেন মোট ৫৮৩ জন বাংলাদেশি ভুক্তভোগী।

বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। দেশে ফিরে আসা প্রত্যেককে বিমানবন্দরে সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এবং ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলার এক ভুক্তভোগী জানান, একটি রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালাল চক্র তাকে কম্বোডিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয়। এ জন্য তার কাছ থেকে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং বিএমইটির ছাড়পত্রও সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু কম্বোডিয়ায় পৌঁছে তিনি মাত্র এক মাসের ভিজিট ভিসা পান। বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রহণ করে বাংলাদেশি দালালরা। পরে আর কোনো বৈধ কর্মভিসা দেওয়া হয়নি। বরং টাকার বিনিময়ে তাকে একটি সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, তাদের দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে অনলাইনে প্রতারণা করতে বাধ্য করা হতো। নির্ধারিত টার্গেট পূরণ করতে না পারলে মারধর, শারীরিক নির্যাতন এবং বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো। স্ক্যাম কম্পাউন্ডের ভেতরেই ছিল নির্যাতনের জন্য আলাদা টর্চার সেল। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করলে স্ক্যাম চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে মুক্তি পান তারা।

এরই মধ্যে ফিরে আসা বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী মামলা করেছেন। পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িত দালাল, রিক্রুটিং এজেন্সি এবং আন্তর্জাতিক পাচারচক্রকে শনাক্ত করে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ জন বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়ায় গেছেন। তবে দেশে ফেরা ভুক্তভোগীদের দাবি, সেখানে এখনো হাজার হাজার বাংলাদেশি চাকরি না পেয়ে বা প্রতারণার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের অধিকাংশকেই উচ্চ বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল।

তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, জুন মাসে দেশে ফিরে আসা ৫৮৩ জনের অনেকের কাছেই বিএমইটির ছাড়পত্র ছিল। এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আটজন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরও ১৮ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছিলেন। তাদেরও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ড সীমান্ত হয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক সাইবার প্রতারণার কাজে নিয়োজিত করা হয়।

ব্র্যাক জানায়, কম্পিউটার অপারেটর, কল সেন্টার এক্সিকিউটিভ, কাস্টমার সার্ভিসসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পদের চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে নিয়োগের প্রলোভন দেখানো হয়। পরে চাকরিপ্রার্থীদের স্ক্যাম কম্পাউন্ডে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হয়।

এ কারণে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, লাওস ও ভিয়েতনামে চাকরির উদ্দেশ্যে যাওয়ার আগে চাকরির সত্যতা, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভিসার ধরন সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলতে হবে’: নাহিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


‘৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলতে হবে’: নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে। যদি তা না হয়, তখন জনগণ নিজেদের উদ্যোগে জাদুঘর খুলে প্রবেশ করবে।

(১ ‍জুলাই), রায়েরবাজারে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত করার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম যোগ করে বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে চলছে। এটি আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

এ সময় হাসানুল হক ইনুকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে এই এনসিপি নেতা বলেন, ইনুর ১০ বছরের সাজা হতে পারে না। আমরা আপিলের মাধ্যমে তার জন্য কঠোর শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

নাহিদ ইসলাম সরকারের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, শুধু নামকাওয়াস্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পালন করার মাধ্যমে চলবে না। Julho সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করা জরুরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে সরকার এখনো কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু সংকট, ব্যর্থ কূটনীতির পর নতুন প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ পি.এম


উত্তর কোরিয়ার পরমাণু সংকট, ব্যর্থ কূটনীতির পর নতুন প্রশ্ন

পিয়ংইয়ংয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বিশাল শীর্ষ সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে বৈঠক হওয়ার পরও সেখানে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সম্পূর্ণ নীরবতা ছিল। বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে আসা পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, উত্তর কোরিয়াকে পরমাণুমুক্ত করার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সম্ভবত চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় যা পরমাণু অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের ওপর পরিচালিত হয়েছে, সেখানে দেখা যায় যে, ২০৩৫ সালের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ করার সম্ভাবনা মাত্র ৩ শতাংশ। গত তিন দশক ধরে চলা নানামুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পিয়ংইয়ং এখন প্রায় ৬০টি পরমাণু অস্ত্র এবং আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল ভাণ্ডার গড়ে তুলেছে।

নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং কোরীয় যুদ্ধের কোন আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি না হওয়ায় তীব্র নিরাপত্তাহীনতা থেকে উত্তর কোরিয়া পরমাণু কর্মসূচির দিকে ঝুঁকে পড়ে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও, পরবর্তীতে উত্তর কোরিয়ার চুক্তিভঙ্গ এবং একের পর এক উসকানির মধ্যে জাতিসংঘ এবং আমেরিকা দেশটির ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে রাশিয়া এবং চীনের পরোক্ষ সহযোগিতা, জাতিসংঘের নজরদারিতে ভেটো দেওয়া এবং পিয়ংইয়ংয়ের নিজস্ব হ্যাকার নেটওয়ার্ক, কূটনৈতিক তৎপরতা ও চোরাচালান চক্রের কারণে এসব নিষেধাজ্ঞাগুলো কখনোই ফলপ্রসূ হয়নি। ফলস্বরূপ, দেশটির অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েনি এবং তারা নিজেদের পরমাণু সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ে উত্তর কোরিয়ার সেনা ও অস্ত্র পাওয়ার বিনিময়ে রাশিয়াও তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে।

এখন পরিস্থিতি এমন যে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বা কোনো পূর্বশর্ত ছাড়া আলোচনায় বসে উত্তর কোরিয়াকে আর পরমাণুমুক্ত করা সম্ভব নয়। কারণ কিম শাসনব্যবস্থা তাদের অস্তিত্বের স্বার্থে এই পরমাণু সক্ষমতাকে মূল ঢাল হিসেবে বিবেচনা করে। এখন একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আমূল পরিবর্তন বা দুই কোরিয়ার একত্রীকরণ।

সুতরাং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সরাসরি নিরস্ত্রীকরণের পেছনে না ছুটে এখন প্রধানত সময়ক্ষেপণ কৌশলে যাওয়া উচিত। এর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার ভেতরের নেতৃত্ব বা উত্তরসূরি নির্বাচন, অভিজাত শ্রেণির মধ্যে অর্থনৈতিক সমগুলনের ফাটল এবং আদর্শিক দুর্বলতা যাতে আরও প্রকট হওয়ার সুযোগ পায়, সেই অপেক্ষা করা দরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত প্রকাশ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নীতি বজায় রাখা, যাতে পিয়ংইয়ং এর মাধ্যমে বৈধতা লাভ করতে না পারে, এবং একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলার জন্য আঞ্চলিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%