ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ৫ আগস্ট


‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ৫ আগস্ট

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করবে। আগামীকাল বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

ক-মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানিয়ে বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকবে।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: লিগ্যাল এইডে এডিআর-এ নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ লাখ

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সাংবাদিকরা ফুটবল খেলোয়াড়দের অসুস্থ করে ফেলছে: নেইমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


দেশের সাংবাদিকরা ফুটবল খেলোয়াড়দের অসুস্থ করে ফেলছে: নেইমার

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র। তার অভিযোগ, ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশের ফলে ফুটবলারদের মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেইমার জুনিয়র প্রজেক্ট ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ নিলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ মন্তব্য করেছেন সান্তোসের ফরোয়ার্ড নেইমার।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম নিয়ে ক্ষুব্ধ। বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর তার ক্যাসিনোতে যাওয়ার খবর প্রকাশ এবং সান্তোসের ড্রেসিংরুমের কিছু ঘটনার সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তার অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।

নেইমার এসব গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তার বক্তব্য, সান্তোসের ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নেইমার বলেন, "আমার মনে হয় ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের একটি বড় অংশ সব ফুটবলারকে অসুস্থ করে ফেলবে।" তিনি উল্লেখ করেন, এটি সবচেয়ে পরিচিত পেশার মধ্যে একটি, তবে একই সময়ে এটি সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকারও হয়।

নেইমার আরও যোগ করেন, "এজন্য সংবাদ প্রকাশের আগে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। কারণ বেশিরভাগ খবরই সত্য নয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন খেলোয়াড়, তাদের পরিবার, ভক্ত এবং পেশাগত জীবন।"

তিনি খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন। নেইমার বলেন, "একজন ফুটবলারের মানসিকভাবে শক্ত হওয়া প্রয়োজন।" তার মতে, "আমার মানসিকতা হয়তো শক্ত, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে তা নয়। কেউ বেশি কষ্ট পায়, কেউ কম।"

বিশেষ করে তিনি সব সাংবাদিককে অনুরোধ করেন, "হাতে মাইক্রোফোন থাকলেই যেন যা খুশি বলা না হয়। কারণ পরদিন খবরটি ভুল প্রমাণিত হলেও অনেক সময় তার কোনো সংশোধন হয় না।" নেইমার বলেন, "এসব একসময় সীমা ছাড়িয়ে যায়।"

দেশের সাংবাদিকতার দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নেইমার মনে করেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই খেলোয়াড়দের মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবেশপথে আটকে পড়া জাহাজ সরানো হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবেশপথে আটকে পড়া জাহাজ সরানো হলো

চট্টগ্রাম, ৪ আগস্ট ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ চ্যানেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রিটেইনিং ওয়ালের ওপর উঠে যাওয়া কন্টেইনার জাহাজ ‘সিএনসি ইউরেনাস’কে রাতভর অভিযান চালিয়ে সফলভাবে সরানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সমস্বিত প্রচেষ্টায় মাল্টার পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাসকে সরিয়ে নিরাপদে ‘বি’ (ব্রাভো) অ্যাঙ্করেজে নোঙর করানো হয়েছে। ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ চলাচল ও পণ্য খালাস কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি বলেন, ‘সমন্বিত উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে জাহাজটিকে নিরাপদে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে বন্দর চ্যানেল সম্পূর্ণ সচল ও নিরাপদ রয়েছে এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।’ বন্দর সচিব জানান, গতকাল সোমবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ২০১৭ সালে নির্মিত ১৭০ মিটার দীর্ঘ কন্টেইনারবাহী জাহাজ এমভি সিএনসি ইউরেনাস কর্ণফুলী নদীর চ্যানেলে প্রবেশের সময় হঠাৎ স্টিয়ারিং বিকল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরে জাহাজটি ২ নম্বর লাল বয়ার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নদী মোহনার সংলগ্ন রিটেইনিং ওয়ালে আছড়ে পড়ে এবং গ্রাউন্ডেড হয়ে যায়। চীনের শিকৌ বন্দর থেকে আসা জাহাজটির ড্রাফট ছিল ৯.৫০ মিটার। এতে মোট ১,২৮২ টিইইউএস পণ্য এবং মাস্টারসহ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট এপিএল (বাংলাদেশ)। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয়ে জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। উদ্ধারকাজে অংশ নেয় বন্দরের টাগবোট ‘কান্ডারী-২’, ‘কাণ্ডারি-৪’, ‘কাণ্ডারি-৬’ ও ‘কাণ্ডারি-১১’। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টাগবোট ‘শিবসা’, টানেল টাগবোট এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের টাগবোট ‘প্রমত্ত’ অভিযানে যুক্ত হয়। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অপারেশন। উদ্ধারকারী দল রাতভর নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে। প্রয়োজনে জাহাজের ড্রাফট কমাতে সাময়িকভাবে কিছু কন্টেইনার খালাসের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছিল। তবে সমন্বিত সব সংস্থার প্রচেষ্টায় অতিরিক্ত জটিলতা ছাড়াই জাহাজটিকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।’ বন্দর সূত্র জানায়, গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় জাহাজটিকে সফলভাবে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে নেওয়া হয়। পুরো উদ্ধার অভিযানের সময় বন্দর চ্যানেল নৌ চলাচলের উপযোগী ও সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলট, টাগ ক্রু, নৌ বিভাগের কর্মী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের মতে, জাহাজটিকে দ্রুত নিরাপদে ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে স্থানান্তর করাতে পারাই এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য। এতে জাতীয় বাণিজ্যের স্বার্থ সুরক্ষিত হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আমদানি-রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ পরিচালনা করে। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিয়ে জাহাজটি উদ্ধার এবং নিরাপদে স্থানান্তরের ঘটনাকে বন্দরের আপদকালীন প্রস্তুতি ও উচ্চ পেশাদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে কাঁপনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকির ঘটনায় প্রযুক্তিগত তদন্তে মিলেছে জড়িতদের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


ভৈরবে কাঁপনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকির ঘটনায় প্রযুক্তিগত তদন্তে মিলেছে জড়িতদের সন্ধান

কিশোরগঞ্জ ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে পার্সেল পাঠিয়ে কাফনের কাপড় ও চিরকুটে প্রাণনাশের হুমকিদাতাদের অবশেষে প্রাথমিক ভাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। গত ১৯ জুলাইয়ের ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ, কল ট্র্যাকিং ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভৈরব পৌরসভারই কর্মরত একটি স্বার্থান্বেষী চক্রের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ মঙ্গলবার ভৈরব পৌরসভা, ভৈরব থানা পুলিশ সহ কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে এই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানা যায়।
জিডির তদন্ত কর্মকর্তা,ভৈরব শহর ফাঁড়ি পুলিশের উপ- পুলিশ পরিদর্শক এসআই নুরুল হুদা জানান, আমরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করিতেছি,ইতিমধ্যেই পুলিশের বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।, আরো যারা সম্পৃক্ত আছে তাদের কে চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধা সৃষ্টি এবং তাকে মানসিকভাবে আতঙ্কিত করতে ভৈরব পৌরসভারই একটি চক্র এই কান্ড ঘটিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম এখনই আমরা বলতে চাচ্ছি না।
পুলিশ সূত্রে আরো জানাযায়, গত ১৯ জুলাই ভৈরব এসএ পরিবহণের মাধ্যমে পাঠানো হুমকি সংবলিত পার্সেলটির উৎস অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। কুরিয়ার তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পৌরসভা কার্যালয়ে সক্রিয় একটি বিশেষ চক্র এই ঘটনার নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছে। অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তারা ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে ভয়ভীতি দেখাতে এই পথ বেছে নিয়েছেন যাতে তাদের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য।
দীর্ঘ চার বছর ধরে ভৈরব পৌরসভায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসা ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক বলেন, পৌরসভার কোন বেআইনি আবদার ও দুর্নীতি প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি সুবিধাবাদী চক্র ক্ষিপ্ত হয়ে এই জঘন্য কান্ডটি ঘটিয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করায় আমি এবং আমার পরিবার স্বস্তি বোধ করছি, সে যেই হোক দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি করছি।
অপরদিকে, এই কর্মকর্তাকে হুমকি দাতাদের নাম পুলিশ এবং পৌর কর্মকর্তা না বলতে চাইলেও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যাদের নাম তারা হলেন, ভৈরব পৌরসভা ট্রেড লাইসেন্স শাখার কম্পিউটার অপারেটর ১। মোঃ আল-আমিন ও পৌর অডিটোরিয়ামের ইনচার্জ
রাকিব হাসান সহ আরো একজনের নাম মূল অভিযুক্তকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, ঘটনার পর হইতে এই তিনজন সহ আরো বেশ কয়েকজন পৌরসভায় অনুপস্থিত রয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে পুলিশের গ্রেপ্তারের ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
ভৈরব পৌর সভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে,এম মামুনুর রশিদ জানান, অপরাধী যারা তাদের তথ্য পাওয়া গিয়েছে, বিষয়টি আইনগত ভাবে ব্যবস্হ্যা নিতে পুলিশ প্রশাসন কে বলা হয়েছে, পাশাপাশি পৌরসভার প্রসাশনের পক্ষ থেকে পৌর আইনে তাদেরকে যে প্রক্রিয়ায় বাতিল করা যায় আমরা সেই দিকে আগাচ্ছি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকায় মোঃ ফারুকের স্ত্রীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে আশুগঞ্জের হরিদাস নামে এক ব্যক্তির প্রেরিত এসএ পরিবহণের একটি পার্সেল আসে। ঐ সময় এই কর্মকর্তা তার দাপ্তরিক কাজে ভৈরব পৌরসভায় ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে পার্সেলটি গ্রহণ করে খুলে ভেতরে ১ গজ সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে না দিলে ‘পরিণতি ভয়ংকর হবে’ সংবলিত একটি চিরকুট পায়। ঘটনার পরপরই ভৈরব থানায় উক্ত পৌরসভার কর্মকত্তা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন যার নং - ৮৮০/১৯-০৭-২৬ইং।
এলাকার স্থানীয়রা বলছে পৌরসভার এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম, এদেরকে যদি শাস্তির আওতায় না আনা হয় তাহলে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের অপরাধ সংগঠিত হতে পারে বলে মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সেপা চুক্তি, বাংলাদেশের যেসব সুবিধা মিলবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সেপা চুক্তি, বাংলাদেশের যেসব সুবিধা মিলবে

জাপানের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সেপা) সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবায় অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা মিলবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ-কোরিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সেপা) স্বাক্ষর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, সেপা চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশই ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তাড়াহুড়ো নয়, বরং বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনায় একটি ভালো বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে। এই চুক্তির সুফল ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পাবে। চুক্তিটি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং দেশের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মন্ত্রী জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি), চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের জন্য অগ্রাধিকার হবে। অন্যদিকে, কোরিয়ার প্লাস্টিক শিল্পসহ বিভিন্ন খাত বাংলাদেশের বাজারে আরও বেশি সুযোগ থাকবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারের পর্যায়ে নিতে হলে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্তত ৮ শতাংশে উন্নীত করতে হবে বলে মন্ত্রী আরও জানান। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি দেশীয় সক্ষমতায় যথেষ্ট নয়। এজন্য বিনিয়োগ বাড়াতে অন্যান্য শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণ করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, দুই দেশের অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণ, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে এ ধরনের আইনি কাঠামোর প্রয়োজন। এর মাধ্যমে কোরিয়ার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে, উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করতে এবং বাংলাদেশ থেকে কোরিয়ার বাজারে আরও বেশি পণ্য রফতানিতে আগ্রহী হবে।

ব্যবসায়ীরা এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উদ্যোক্তারা এলডিসি থেকে উত্তরণের আগে এটিকে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ হিসেবে মনে করছেন। কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান বলেন, কোরিয়ার আরও বেশি পণ্য বাংলাদেশে আসবে এবং কোরিয়ার প্রযুক্তি ও বিনিয়োগও বাড়বে। অন্যদিকে আমাদের তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, হিমায়িত মাছসহ বিভিন্ন পণ্যের জন্য কোরিয়ার বাজার আরও উন্মুক্ত হবে। কারণ অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় আমাদের পণ্যে কম শুল্ক দিতে হবে।

বর্তমানে, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩৯ কোটি ডলার। তবে এই বাণিজ্যে আমদানির দিকেই ভারসাম্য রয়েছে। সেপা চুক্তি কার্যকর হলে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রফতানি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে কোরিয়ার বিনিয়োগও বাড়বে। চুক্তির আওতায় প্রযুক্তি সহায়তা, শুল্কায়ন প্রক্রিয়ার উন্নয়ন এবং বন্দরে দ্রুত পণ্য খালাসের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান জানান, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের কারিগরি সহায়তা পাচ্ছি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি মেধাস্বত্ব আইনের আওতায় আলোচনা করার সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশ এখন সৃজনশীল অর্থনীতির দিকে এগোতে চায় এবং দক্ষিণ কোরিয়া এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম সফল দেশ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে দেশের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় চুক্তিটি এগিয়ে নিতে হবে। তৌফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, চুক্তিটি কারিগরি দিক থেকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত। যদি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হয় তবে এই চুক্তি দেশের জন্য বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশের অন্যতম প্রধান রফতানি গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%