শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩২ পি.এম
বয়স যেখানে থেমে যাওয়ার সংকেত দেয়, লুকা মদরিচ সেখানে যেন নতুন করে পথ চলার গল্প লিখছেন। ৪১-এ পা দিয়েও ক্রোয়েশিয়ার জার্সি ছাড়ছেন না এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার। হতাশাজনক ক্লাব মৌসুম আর বিশ্বকাপের বিদায়ের পর তার অবসরের গুঞ্জন উঠলেও শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দিয়েছেন মদরিচ নিজেই।
আগামী সপ্তাহেই ৪১ বছরে পা দেবেন মদরিচ। এরই মধ্যে ২০২৬-২৭ মৌসুমের জন্য এসি মিলানে থাকার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন তিনি। এবার ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলও জানিয়ে দিয়েছে, নতুন মৌসুমে দেশের জার্সিতেও দেখা যাবে তাকে।
শনিবার এক বিবৃতিতে ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে স্লাভেন বিলিচের দলে থাকছেন মদরিচ। পূর্ণ দল ঘোষণা করা হবে সোমবার। ফিট থাকলে আসন্ন নেশনস লিগের পুরো অভিযানেই জাতীয় দলের হয়ে খেলার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন তিনি।
অথচ কয়েক মাস আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। গত মৌসুমে এসি মিলান চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নিতে পারেনি। এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া। পর্তুগালের কাছে রাউন্ড অব ৩২-এ হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরই মদরিচের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গুঞ্জন ছিল, এবার হয়তো দেশের জার্সিটা তুলে রাখবেন তিনি। কিন্তু মদরিচের গল্পটা যেন এত সহজে শেষ হওয়ার নয়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার ২-১ ব্যবধানের জয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। সেই ম্যাচের পরও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো বিদায়ের বার্তা দেননি। শেষ পর্যন্ত সেটিই যেন ছিল পরবর্তী অধ্যায়ের ইঙ্গিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।
শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চুনকা পাঠাগারের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে প্রেসক্লাব পর্যন্ত যায়। এ উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে চুনকা পাঠাগারের সামনে জড়ো হন।
পরে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীব, যুগ্ম আহ্বায়ক শরীফ আহমেদ টুটুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধী দল লংমার্চের নামে জ্বালানি অপচয় করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই কর্মসূচির ফলে জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাবে এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার খোকসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণসভায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বিরোধী দল প্রথমে বলেছিল, জ্বালানি সংকটের কারণে লংমার্চ হবে। কিন্তু এই লংমার্চের জন্য হিসাব অনুযায়ী প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেল পোড়ানো হবে।’
গণরায় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা গণরায়ের পক্ষে, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচার করেছি।
এটি জনগণের যে সংস্কার চায়, সেটির প্রতিফলন ঘটেছে। সেই সংস্কার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে করা সম্ভব।’
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে বিরোধী দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত সেখানে অংশগ্রহণ করছে না।
অন্যদিকে, লংমার্চের নামে জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি এবং জ্বালানি সংকটের সময় অযথা জ্বালানি পোড়ানো হচ্ছে।’
বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘সরকার হিসেবে আমরা ব্যর্থ না সফল, সেটি পর্যালোচনার আগে গত ছয় মাসে বিরোধী দল হিসেবে তারা কতটুকু সফল হয়েছে, সেটিও এখন আপনাদের পর্যালোচনা করা উচিত।’
এ সময় কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, খোকসা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আমজাদ আলী, খোকসা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন খান, আনিসুজ্জামান, খোকসা পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক অর্থ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।লো'জের প্রধান নির্বাহী মারভিন এলিসন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভালো বেতনের চাকরি করার জন্য চার বছরের কলেজ ডিগ্রি সবসময় প্রয়োজন হয় না। তার মতে, দক্ষ পেশার অনেক চাকরিতে বছরে এক লাখ ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব। প্লাম্বিং, ইলেকট্রিকের কাজ, ওয়েল্ডিং এবং এইচভিএসির মতো পেশায় ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। এই পেশাগুলিকে জনপ্রিয় করার জন্য লো'জ ফাউন্ডেশন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
লো'জ ফাউন্ডেশন 'বিল্ডিং ফিউচার্স স্কিলড ট্রেডস কোয়ালিশন' নামে একটি নতুন জোট গঠন করেছে। এই জোটের লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে দক্ষ পেশার জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুত করা। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এসব কর্মীদের চাকরির সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। দেশজুড়ে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণ করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
এলিসন বলেন, চার বছরের কলেজ ডিগ্রিই সফল ক্যারিয়ার গড়ার একমাত্র পথ-এই ধারণা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তার মতে, দক্ষ পেশার অনেক চাকরিই ভালো বেতন ও স্থায়ী ক্যারিয়ারের সুযোগ দিতে পারে। বিশেষ করে কারিগরি দক্ষতা থাকা কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই তরুণদের এসব পেশার দিকে আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
লো'জ ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে ২০৩৫ সালের মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার দক্ষ কর্মী প্রশিক্ষণের জন্য ২৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, দেশটির দক্ষ কর্মীর ঘাটতির তুলনায় এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে নেওয়া প্রয়োজন। এই কারণে বিভিন্ন বড় কোম্পানিকে যুক্ত করে নতুন জোট তৈরি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও সনদ দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করা হবে।
এনভিডিয়া, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেনারেল মোটরস এবং এটিঅ্যান্ডটির মতো বড় প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। তারা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার সনদ দেওয়ার কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করবে। কমিউনিটি কলেজ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও এর আওতায় থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মীদের উপযুক্ত চাকরির সুযোগ খুঁজে পেতেও সহায়তা করা হবে।
নিজের জীবনের উদাহরণ দিয়ে এলিসন বলেন, তার বাবা হাইস্কুলও শেষ করতে পারেননি। তিনি সাত ভাইবোনের মধ্যে মাঝের সন্তান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। পরবর্তীতে তিনি দুটি ফরচুন ৫০০ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তার মতে, এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে সফল হওয়ার জন্য শুধু প্রচলিত শিক্ষার পথ অনুসরণ করা জরুরি নয়।
এলিসন আরও সতর্ক করে বলেন, দক্ষ কর্মীর ঘাটতি সমাধান করা না গেলে মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। তার হিসাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২১ লাখ দক্ষ কর্মীর পদ খালি থাকতে পারে। এই ঘাটতির কারণে দেশটির অর্থনীতিতে বছরে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। তাই দক্ষ পেশায় প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ডিএনবি) চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করেছে যে, তারা উত্তর আমেরিকা থেকে ৮৬ টন সোনা সরিয়ে নিচ্ছে। এই স্থানান্তরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ‘গুরুতর সংকট মোকাবিলায় নিজেদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা।’ এই ৮৬ টন সোনা লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে স্থানান্তরিত হয়েছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, ‘ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সংকটকালীন মুহূর্তে এই মহামূল্যবান সম্পদ যেন ‘সহজে ও দ্রুত ব্যবহার করা যায়’ তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের এই পদক্ষেপ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ডাচরা কেন হঠাৎ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে? তারা কি অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনও অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা করছে? বাণিজ্য যুদ্ধ এবং সামরিক সংঘাতের কারণে অনেক দেশই এখন ‘সমূহ সংকটের’ পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে তাদের সোনা নিজেদের দেশের কাছাকাছি কিংবা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ফ্রান্স ঘোষণা দিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের সোনার মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে এনেছে।
অন্যদিকে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত কয়েক বছর ধরে জার্মানির বুন্দেসব্যাংক বিদেশ থেকে ২১৬ টনেরও বেশি সোনা নিজস্ব হেফাজতে নিয়ে আসে। এর মধ্যে ১১১ টন নিউইয়র্ক থেকে এবং ১০৫ টন প্যারিস থেকে আনা হয়েছিল। বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর এমন কৌশল নতুন কিছু নয়। গোল্ডম্যান স্যাকসের গবেষণা বিশ্লেষক লিনা থমাস এবং ড্যান স্ট্রাইভেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ‘স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালেও ইউরোপের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের গচ্ছিত সোনার একটি অংশ নিউইয়র্কে সরিয়ে নিয়েছিল।’
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট জোসেফ কাভাতোনি জানান, যুদ্ধ এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত উত্তেজনা হয়তো এই সিদ্ধান্তগুলোর নেপথ্যে কিছু ভূমিকা রাখছে। তবে এটিই একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার এবং সংকটকালে সহজেই সোনা কেনাবেচা বা লেনদেন করা যায়—এমন স্থানে সম্পদ রাখাটাও এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
কাভাতোনি বলেন, ‘বিপর্যয় একদম সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করি না। তবে আমার মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন তাদের সংরক্ষিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা, তা বৃদ্ধি করা এবং এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার কীভাবে করা যায়—সে বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন ও কার্যকরভাবে চিন্তাভাবনা করছে।’ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা রাখা নিয়ে এত আলোচনার প্রধান কারণ হলো, তারা ইদানীং রেকর্ড পরিমাণে সোনা কেনা শুরু করেছে। তবে নিজেদের দেশে এই মূল্যবান সম্পদ জমা রাখারও কিছু আলাদা খরচ রয়েছে বলে জানান গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষক থমাস ও স্ট্রাইভেন।
তারা বলেন, ‘নিজ দেশে সোনা মজুত রাখার জন্য ভৌত নিরাপত্তা, নিয়মিত অডিট পরিকাঠামো এবং বীমা সুরক্ষায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়। অপেক্ষাকৃত ছোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য এসব বিষয় অতিরিক্ত খরচের কারণ হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ