সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৫ পি.এম
নাটোরের নলডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা। সভাটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা এগারোটায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার।
সভায় উপজেলা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই, বাল্যবিবাহ বন্ধ, ভেজাল খাদ্য, রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও দখল মুক্ত করার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এসব বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ আলী, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সুমন সরকার, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল এবং নলডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম জহুরুল ইসলাম প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে পটকা ফোটানোর সময় ঘটে যাওয়া এক বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামের এক কিশোরের বাম হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিস্ফোরণের ফলে তার হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার গ্রামে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
আহত অমিত ওই গ্রামের অর্জুন হাজারির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাসের একপর্যায়ে পটকা ফোটাতে গিয়ে অমিত গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) পাঠানো হয়।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, অমিতের হাতে ডিগ্লোভিং ইনজুরি হয়েছে। এতে হাতের ত্বক ও নরম টিস্যু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে তার হাতের অবস্থা গুরুতর। হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাসের সময় এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে অপহরণের পর ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি শরীফ হাসান (২৭) এবং চুরি মামলায় এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রফিকুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের পৃথক আভিযানিক দল।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে শরীফ হাসানকে এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মাজার রোড এলাকা থেকে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-১৪-এর প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা গেছে, অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে শরীফ হাসানের বিরুদ্ধে শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় মামলা রয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট বিকেলে এক তরুণী বাড়ি থেকে পাশের বাড়িতে যাওয়ার সময় শরীফ ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই তরুণী কৌশলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করেন। অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে শেরপুরের শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা করেন। আদালতের আদেশে গত ১২ অক্টোবর নালিতাবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নথিভুক্ত হয়। এরপর থেকে শরীফ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন বলে প্রেস রিলিজে জানানো হয়।
পরবর্তী সময়ে গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিনে রাত পৌনে ১০টার দিকে এসআরবি-১৪-এর অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকার উত্তরা ইউনিটের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
প্রেস রিলিজের তথ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ঝাওরাপাড়া কাপাসিয়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তিনি ভালুকা থানার ২০২২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারির একটি চুরি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
গ্রেপ্তার দুজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস রিলিজে জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, ‘গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো সাংবাদিকরা সত্যনিষ্ঠা, নীতিবোধ ও আদর্শে বলীয়ান ছিলেন। তাদের দৃঢ় অবস্থান ও সাহসিকতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত একটি আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামলে দেশের মানুষ সংবাদ জানার জন্য বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করত। তখন ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের সংবাদ পরিবেশন মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের কণ্ঠে দেশের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির খবর শুনত মানুষ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর চাপ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলেও গিয়াস কামাল চৌধুরী সাহসের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি তিনি কোথা থেকে সংবাদ পাঠাচ্ছেন, সেটিও গোপন রাখতে হতো। এ ধরনের সাহসিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠা তাকে মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।’
বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, ‘সে সময়ের সাংবাদিকেরা ছিলেন নীতিবান, দৃঢ়চেতা ও আপসহীন। তাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এই দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়েও গুরুত্বপূর্ণ।’
গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রিজভী বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়াস কামাল চৌধুরীর বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং তরুণদের প্রতি তার স্নেহশীল আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি ছিলেন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।’
এ সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রুহুল কবীর রিজভী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুরে এক কিশোরী (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি’র সদস্যরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল এসআরবি-৮ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার সাথী আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া জাকির হোসেন (৪০) বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাকে উজিরপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রতিবেশী অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিলেন। চলতি বছরের ২২ অক্টোবর সকালে কিশোরীকে বাড়ির পাশে ডোবার পাড়ের নির্জন স্থানে একাকি পেয়ে ধর্ষণ করেন। কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার সাথী আক্তার জানান, মামলার রুজুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসআরবি-৮ এর চৌকস আভিযানিক দল রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বরিশালের বানারীপাড়া থানাধীন কুন্দিহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ