রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৩ পি.এম
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগকে ‘একই বাহিনী নতুন মোড়কে’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। সংস্থাটি মনে করে, সংসদে উত্থাপিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এ এসআরবিকে ব্যাপক ও অস্পষ্ট ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, অস্ত্র ও বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আইনি সুরক্ষা, সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের সুযোগ এবং স্বাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, র্যাব বিলুপ্তির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে বহু প্রতীক্ষিত এবং এটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে চেয়েছিল টিআইবি। তবে, একটি বাহিনীর নাম পরিবর্তন করলেই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ঘটে না।
ড. ইফতেখারুজ্জামান র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ও প্রমাণের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নতুন বাহিনীর কাঠামো, জনবল, ক্ষমতা, বলপ্রয়োগের বিধান এবং জবাবদিহির ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে র্যাবের বদলে ‘এসআরবি’ নামে একই ধরনের ক্ষমতা ও সংস্কৃতির একটি বাহিনী গড়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বিলে এসআরবিকে গোয়েন্দা নজরদারি, অভিযান, তল্লাশি ও সাধারণ তদন্তের মতো বহুমুখী ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এর পাশাপাশি ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা’ এবং ‘সরকার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব’-এর মতো অস্পষ্ট শব্দবন্ধ রাখা হয়েছে।
এসব বিধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নমত দমন ও বলপ্রয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে অতীতের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে আইনগত বৈধতা দেওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের সুযোগ এবং বাহিনীর নিজস্ব হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও উদ্বেগজনক।
টিআইবির মতে, এসব বিধান নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
নতুন বাহিনীতে র্যাবের জনবল স্থানান্তরের প্রস্তাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টিআইবি। সংস্থাটির দাবি, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া র্যাবের সদস্যদের ঢালাওভাবে এসআরবিতে স্থানান্তর করা হলে অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও নতুন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
এ কারণে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ‘ভেটিং’ প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছে টিআইবি। জাতিসংঘের সিকিউরিটি সেক্টর রিফর্ম (এসএসআর) ও ডিডিআর মানদণ্ড অনুসরণ করে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন বা গুমের মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা জড়িত সদস্যদের নতুন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যবস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রস্তাবিত এসআরবি বিলের ২২ ধারায় অভিযোগ নিষ্পত্তির যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। বিল অনুযায়ী, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তাদেরই সহকর্মীদের দিয়ে তদন্ত করানোর ব্যবস্থা স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করবে এবং তা নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে পারবে না। এর পরিবর্তে পুলিশ ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত মানবাধিকার ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত তদারকি কর্তৃপক্ষ গঠন করা জরুরি।
এছাড়া, তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করার আইনি সুরক্ষার বিধান রাখারও দাবি করেছে টিআইবি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র্যাব বিলুপ্তি শুধুমাত্র একটি বাহিনীর নাম ও খোলস পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এর মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন, নাগরিকের অধিকার এবং কার্যকর জবাবদিহির ভিত্তিতে নতুন আইন প্রয়োগকারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সূচনা করতে হবে। শুধুমাত্র ‘কসমেটিক মেকওভার’-এর মাধ্যমে দেশের নাগরিক বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোহাম্মদ হোসেন (৩৪) নামের এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের চাপায়, যখন তিনি অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া দিচ্ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অটোরিকশাচালক সাইফুল ইসলাম (৩৫)।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল সড়কে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিপি মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত মোহাম্মদ হোসেন ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চর চান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগরহাট এলাকার এনামুল হকের পুত্র। তিনি মিরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঠিকাদারি ব্যবসার পাশাপাশি স্কেভেটর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হোসেন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে সিপি মোড়ে পৌঁছান এবং সড়কের ডান পাশে নেমে যান।
ভাড়া পরিশোধ করার সময়, পেছন থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান সিএনজি অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এই ঘটনায় মোহাম্মদ হোসেন এবং অটোরিকশাচালক সাইফুল ইসলাম উভয়েই আহত হন। গুরুতর অবস্থায় মোহাম্মদ হোসেনকে প্রথমে মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুর নবী রাহাত জানান, ‘মোহাম্মদ হোসেনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।’
আহত সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রবেশমুখে সিপি মোড়ে যাত্রী নামানোর পর ভাড়া নিয়ে গাড়ি স্টার্ট করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান আমার গাড়িতে চাপা দেয়।
এতে যাত্রী মোহাম্মদ হোসেনসহ আমি আহত হই।’ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। গুরুতর আহত মোহাম্মদ হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে তার মৃত্যু হয়। আহত সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি জোরারগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ড ভ্যান ও এর চালক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় থাকেন ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। এবার অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের সঙ্গে তাঁর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে হার্দিক পান্ডিয়া ও আমিশা প্যাটেলকে একটি পার্টিতে দেখা যায়। ভিডিওতে আমিশাকে হার্দিকের কাঁধে হাত রেখে নাচতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর একটি হোটেলে ওই পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই হার্দিক ও আমিশার সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তাঁদের মধ্যে নতুন কোনো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন।
বিষয়টি নজরে এসেছে আমিশা প্যাটেলেরও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি স্ক্রিনশট নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে তিনি সমালোচনার জবাব দেন।
আমিশা লেখেন, তাঁর হাত যেভাবে হার্দিকের কাঁধে ছিল, সেটিকে কেউ রোমান্টিক হিসেবে দেখেছেন। এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওই ব্যক্তিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁকে না চিনেই এ ধরনের মন্তব্য করা ঠিক নয়। ভবিষ্যতে এমন পোস্ট করার আগে ভেবে দেখার পরামর্শও দেন অভিনেত্রী।
তবে আমিশার এই বক্তব্যের পরও হার্দিকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন থামেনি। যদিও দুজনের কেউই প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
এর আগে সার্বিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন হার্দিক। পরে তাঁরা বিয়ে করেন এবং তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে। তবে চার বছর পর তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে।
এরপর হার্দিকের সঙ্গে মাহিকা শর্মার সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। তবে তাঁদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থাও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন মামলায় পরোয়ানা ও সাজা মূলে আরও ৩ জনসহ মোট ৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মতলব দক্ষিণ থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মতলব দক্ষিণ থানাধীন মোবারকদী এলাকার জনৈক জলিল মোল্লার বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর থেকে মোঃ হাসেম সওদাগর (৩৩), পিতা—নুর ইসলাম, মাতা—শাহানারা বেগম, সাং—মোবারকদী, ওয়ার্ড নং-০৮, মতলব পৌরসভা, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুরকে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মতলব দক্ষিণ থানার মামলা নং-০৮, তারিখ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগেও গ্রেফতারকৃত মোঃ হাসেম সওদাগরের বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ও মতলব উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে মোঃ কাউছার (২৩), পিতা—মোঃ দুলাল গাজী, সাং—মোবারকদী, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর এবং রবিন আকন্দ (১৮), পিতা—হান্নান আকন্দ, সাং—ধনপর্দ্দী, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আটক করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেককে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অপরদিকে, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে এসআই (নিরস্ত্র) দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ পৈলপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জিআর ১০৩/২০ (সাজা) মামলায় ৬ মাসের সাজা এবং ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোঃ জাহিদ, পিতা—আলমগীর হোসেন, সাং—পৈলপাড়া গ্রেফতার করেন।
একই দিনে এসআই (নিরস্ত্র) ইমতিয়াজ কবীর সঙ্গীয় ফোর্সসহ খর্গপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পারিবারিক মামলা নং-৪২৪/২০২৫-এর আসামি মোঃ কাউছার (৩৯), পিতা—আবুল কাশেম, সাং—খর্গপুর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুরকে গ্রেফতার করেন।
এছাড়া এএসআই (নিরস্ত্র) শিমুল চন্দ্র নাথ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে নাঃশিঃ নং-৩১১/২১ মামলার আসামি মোঃ বোরহান, পিতা—আইয়ুব আলী, সাং—পাঁচদোনা (নায়েরগাঁও) গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন আমাদের অভিযানে ৬ জন আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । আমাদের অভিযান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ