বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় তথা বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বিরামচিহ্ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করেছে মারকাযুল হুদা আলিয়া মাদ্রাসা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে ছুটির পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও বিভিন্ন প্লাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। প্লাকার্ডে লেখা ছিল ‘বিরামচিহ্ন ঠিক রাখি, শুদ্ধ বাংলা লিখি’, ‘বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার, ভাষার সৌন্দর্য বাড়ায় বারবার’ সহ নানা সচেতনতামূলক লেখা। অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা বলেন, ভাষার লিখিত রূপকে অর্থবোধক, সুস্পষ্ট ও শ্রুতিমধুর করে তুলতে বিরামচিহ্নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি কমা, দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক বা বিস্ময়বোধক চিহ্নের যথাযথ ব্যবহার অনেক সময় একটি বাক্যের অর্থ ও ভাব সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিতে পারে। তাই শুধু পরীক্ষার খাতায় নয়, দৈনন্দিন লেখালেখিতেও শিক্ষার্থীদের বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার জানতে হবে।
আলোচনায় আরও জানানো হয়, আন্তর্জাতিকভাবে ২৪ সেপ্টেম্বর National Punctuation Day হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রে জেফ রুবিনের উদ্যোগে ২০০৪ সাল থেকে দিবসটি পালনের প্রচলন শুরু হয়। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে ২৪ সেপ্টেম্বর বিরামচিহ্ন দিবস সম্পর্কে লেখা প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিবসটি নিয়ে আলোচনা করেনি। এমন কোন নির্ভযোগ্য তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায়নি। সেই বিবেচনায় মঠবাড়িয়ার মারকাযুল হুদা আলিয়া মাদ্রাসার ২০২৬ সালের এই উদ্যোগটি ব্যতিক্রমী। বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োাজিত এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি, শুদ্ধ বানান ও ভাষারীতি চর্চায় উৎসাহিত করা এবং বিরামচিহ্নের যথাযথ ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা।
মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক মোঃ রুম্মান হাওলাদার বলেন, ুশিক্ষার্থীরা যেন শুধু পাঠ্যবইয়েরর জ্ঞান অর্জন না করে, বরং বাংলা ভাষাকে শুদ্ধভাবে পড়তে, লিখতে ও ব্যবহার করতে শেখে এ লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। বিরামচিহ্ন ছোট হলেও ভাষার অর্থ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এর ভূমিকা অত্যন্ত বড়।”
আযোাজকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুদ্ধ বাংলা চর্চার আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে ট্রল ও কটাক্ষের প্রসঙ্গে সালমান খানের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর কৌতুকশিল্পী সুনীল পাল তাকে তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলেছেন। এক অনুষ্ঠানে তিনি সালমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অভিনেতাদের উচিত দর্শকদের অবদান মনে রাখা।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সুনীল পালের বক্তব্য ছিল, ‘আমরাই সালমান খানকে তৈরি করেছি, সালমান খান আমাদের তৈরি করেননি।’ তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের জনগণের কারণে সালমান আজকের তারকা হয়ে উঠেছেন, কারণ তারা বছরের পর বছর ধরে তার সিনেমা দেখেছেন।
এ সময় সুনীল ‘হনুমান অংশ’ সিনেমার উদাহরণ তুলে ধরেন, যেখানে মাত্র ২ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি ৫০০ কোটি রুপি আয় করেছে। বিপরীতে, ৫০০ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাগুলি ৫০ কোটি রুপি আয় করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সুনীল অভিযোগ করেন, বড় তারকাদের আধিপত্যের কারণে ছোট নির্মাতা ও শিল্পীদের জন্য কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সালমানের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’ নিয়েও সুনীল মন্তব্য করেন। শোটিকে ‘গাটার শো’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে কিছু মানুষকে তারকা হিসেবে তুলে ধরা হয়, যাঁদের তিনি দেশের জন্য ‘বড় ক্ষতি’ মনে করেন।
সম্প্রতি ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’-এ সালমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের চেহারা ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ট্রলের সমালোচনা করেছিলেন। ক্যাটরিনা কাইফের প্রসবের পর ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সন্তান জন্মের পর ওজন বাড়া স্বাভাবিক এবং ক্যাটরিনা চাইলে অভিনয়ে ফেরার পর আবার নিজের ফিটনেসে ফিরতে পারবেন।
সালমান তার নিজস্ব চেহারা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁকে ‘বুড়ো’ বলা এবং টাক নিয়ে বিদ্রূপ করার কথাও। পরে অনুষ্ঠানে শরীর নিয়ে ট্রলের জবাব দিতে তিনি নিজের শার্ট খুলে প্রতিক্রিয়া জানান।
সালমানের এই অবস্থানকে সমর্থন করেছেন বরুণ ধাওয়ান, নেহা ধুপিয়া ও রোহিত শেঠিসহ কয়েকজন তারকা। তবে সুনীল পাল এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়ে সালমানের সমালোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় ১৯ হাজার ৮৪৫ পিস ইয়াবাসহ শহিদুল ইসলাম নামে এক বাসযাত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার দরগাপাড়ার আলী মিয়ার ছেলে।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি সুকৌশলে দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহর থেকে ইয়াবা কিনে অধিক মুনাফার উদ্দেশ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। তাকে সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি জানতে পারে, একজন মাদক কারবারি চট্টগ্রাম শহর থেকে যাত্রীবাহী বাসে করে ইয়াবা নিয়ে যাত্রীবেশে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের লালবাগে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। রাত ১১টার দিকে স্টারলাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামানো হয়। পরে বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে যাত্রীবেশে বসে থাকা মো. শহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আটক শহিদুলের কাছে থাকা অ্যাশ রঙের দুটি কোর্ট ফাইলের ভেতরে বিশেষ কৌশলে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো নীল রঙের পলিজিপার প্যাকেট পাওয়া যায়। সেগুলোর ভেতর থেকে সর্বমোট ১৯ হাজার ৮৪৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৫৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মিছিলের প্রস্তুতির সময় পুলিশ ৩০ জন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে আটক করেছে। একই সঙ্গে দুটি হায়েস গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মোগলাবাজার এলাকার একটি স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে চারটি হায়েস গাড়িতে করে মোগলাবাজারে জড়ো হন। এই সময় পুলিশ ৩০ জন নেতাকর্মীকে আটক করে এবং দুটি হায়েস গাড়ি জব্দ করে। বাকি দুটি গাড়ি দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে সিলেটের মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা চারটি হায়েস গাড়িতে করে এসে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের সঙ্গে তিনটি মোটরসাইকেলও ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল পালিয়ে যায়। তবে পুলিশ দুটি গাড়িকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের মধ্যে একটি হায়েস গাড়ি থেকে চালকসহ ২০ জন এবং অপর গাড়ি থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
ওসি মোশাররফ হোসেন জানান, তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে জোরদার করার লক্ষ্যে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ থেকে শুরু হলো মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে, সাদুল্লাপুর বহুমুখী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ অভিযানটির সূচনা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনশাদ আলীর নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি ও স্কাউটস সদস্যরা এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানের আওতায় বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ ও তার আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি, আবর্জনা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
এ সময় বক্তারা উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তারা আহ্বান জানান, কোথাও পানি জমতে না দেয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ