শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৮ পি.এম
সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ এই প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে আয়োজিত আনন্দঘন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, যিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য-২ শিরীন সুলতানা এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আলহাজ নবীউল্লাহ নবী। সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন রনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা। তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের অভাবনীয় সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতির চিত্র এবং এলাকার জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা এই এলাকায় বেশ কিছু সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সফল নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বের গুণেই এলাকার শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে চমৎকার ফলাফল করছে এবং দেশে-বিদেশে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তিনি সত্যিকার অর্থেই আমাদের দেশের এক অমূল্য সম্পদ।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধান অতিথি বলেন, “আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাই সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি সৎ ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।”
তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিরীন সুলতানা এমপি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উচ্চশিক্ষায় আরও ভালো ফলাফল করার আহ্বান জানান। সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আলহাজ নবীউল্লাহ নবী প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ফেরদৌস হোসেন রনি জানান, গভর্নিং বডি সবসময় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের সুপ্ত মেধার বিকাশে বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানে গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিবেশবান্ধব গাছ, বিশেষ সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল অর্থনীতির সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিত করতে অপরিহার্য হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ। শক্তিশালী ইন্টারনেট অবকাঠামো ছাড়া ডিজিটাল ফিন্যান্সের সুবিধাগুলি সম্পূর্ণরূপে অর্জন করা সম্ভব নয়। ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ একে অপরের পরিপূরক।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগণের সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক মূলধারায় তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে রোবাস্ট ইন্টারনেট, এক সিটিজেন এক ওয়ালেট এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় আনতে। রোবাস্ট ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হচ্ছে এবং চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় স্মার্টফোন পাওয়া যাবে, যা কৃষক ও সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের পথকে সহজতর করেছে। তারা এখন আবহাওয়া, সারের মাত্রা কিংবা পণ্যের বাজারদর সহজেই জানতে পারছেন। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড, কিংবা ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং চালুর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ ঘটছে।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবন যেন থমকে না যায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার সিকিউরিটি ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যুৎ দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের একটি নোটিশে জানানো হয়েছিল যে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে, কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হলগুলো অন্তর্ভুক্ত—খালেদা জিয়া হল, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল এবং শাহ আজিজুর রহমান হল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পানি সংকট, মোবাইল ফোনের চার্জ দেওয়ার সমস্যা এবং অতিরিক্ত গরমের কারণে ভোগান্তিতে রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসে অবস্থিত ৪ নম্বর সাবস্টেশনে (জুলাই-৩৬ হলের সামনে) বৈদ্যুতিক এইচটি ক্যাবলে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ত্রুটি মেরামতের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নোটিশে আরও বলা হয় যে, ওই সময়ে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে না।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ১৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হলেও পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিদ্যুৎ চলে যায়। দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে মেয়েদের হল (উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল ও খালেদা জিয়া হল) এবং শাহ আজিজুর রহমান হলে এ সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে বলে তারা জানান।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক হলগুলোতে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অতিরিক্ত গরম, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জ দিতে না পারা এবং পড়াশোনায় বিঘ্নসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। সামনে সেমিস্টার ফাইনাল থাকায় তারা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
শাহ আজিজুর রহমান হলের শিক্ষার্থী তানজিল হোসাইন মন্তব্য করেন, "নোটিশে বলা হয়েছিল ১৭ তারিখে বিদ্যুৎ থাকবে না। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়েছে ১৮ তারিখে। শুক্রবার জুমার নামাজে যাওয়ার আগে অনেকেই গোসল করতে পারেনি, কারণ পানি ছিল না। অনেকের ফোনের চার্জ শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে ছিল।"
তিনি আরও জানান, "গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না বলা হয়েছিল। কিন্তু বিকেল ৫টার পরও বিদ্যুৎ আসেনি। প্রায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অপেক্ষার পর জেনারেটর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, আজ আর বিদ্যুৎ আসবে না, কিছু লাইনে জেনারেটর চলবে।"
তানজিল বলেন, "জেনারেটর সব লাইনে চলে না, এমনকি সব কক্ষেও এর সংযোগ নেই। তার ওপর ভোল্টেজের যে অবস্থা, তাতে ফ্যান চালানো আর না চালানো একই কথা। গরমে শিক্ষার্থীদের অবস্থা শোচনীয়। সামনে অনেকের সেমিস্টার ফাইনাল। এমন পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে প্রস্তুতি নেবে, সেটিই প্রশ্ন।"
খালেদা জিয়া হলের লোক-প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তিশা বলেন, "নোটিশে বলা হয়েছিল ১৭ তারিখে বিদ্যুৎ থাকবে না। সবাই সে অনুযায়ী প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ১৭ তারিখ বিদ্যুৎ না গিয়ে ১৮ তারিখ সকালে বিদ্যুৎ চলে যায়। ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও বিদ্যুৎ আসেনি।"
তিনি বলেন, "মেয়েদের হলে খাওয়ার পানি নেই, এমনকি ওয়াশরুম ব্যবহারের জন্যও পর্যাপ্ত পানি নেই। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা কীভাবে আছে, প্রশাসন কি একবারও ভেবে দেখেছে? যাদের সেমিস্টার ফাইনাল চলছে, তারা কীভাবে পড়াশোনা করবে?"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক মিয়া বলেন, "ক্যাম্পাসের ৪ নম্বর সাবস্টেশন (জুলাই-৩৬ হল সংলগ্ন) সংস্কারের জন্য পূর্বে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সেদিন (বৃহস্পতিবার) বৃষ্টির কারণে কাজ করতে পারিনি। তবে কাজ করতে গিয়ে লাইনে (ফল্ট) সমস্যা হয়েছে। গতকাল ঠিক করতে না পারায় আমরা জেনারেটরের লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুতের সংযোগ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু হলে বা বিভিন্ন জায়গায় লাইনে ফল্ট করছে। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে ডেকে দেখিয়েছি। তারের কেবল নষ্ট হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে তার আসবে। আজকের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত আমরাও সঙ্গে যাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৬৫ সালের এক শনিবারের দুপুর। বিলেতের বিখ্যাত কেমব্রিজ শহরের একটি পরিচিত গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘ভার্সিটি’ ছিল সোনিয়ার পছন্দের জায়গা। আঠারো বছর বয়সী ইতালীয় তরুণী সোনিয়া সেখানে নিজের পছন্দের খাবার খেতে গিয়েছিলেন। নতুন দেশে এসে তার মনটা বেশ খারাপ ছিল। কিন্তু তিনি কখনো ভাবেননি, সেই সাধারণ শনিবারের দুপুরটি তার জীবনকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেবে!
যখন সোনিয়া খাবার খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁর দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রেস্তোরাঁর ১১ নম্বর টেবিলে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তরুণ রাজীব গান্ধী। সোনিয়া যখন পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেন, রাজীবের বন্ধুদের আড্ডা যেন নিমেষেই থেমে গেল। রাজীব তো প্রথম দেখাতেই একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলেন! তিনি কোনো কথা না বলে একটি কাগজের নেপকিন আর কলম তুলে নিয়ে সোনিয়ার জন্য কবিতা লিখতে শুরু করলেন।
এরপর রাজীব রেস্তোরাঁর মালিককে ডেকে পাঠালেন সেরা ওয়াইনের বোতল আনতে। রাজীবের অনুরোধে রেস্তোরাঁর মালিক নিজে গিয়ে সোনিয়ার টেবিলে সেই ওয়াইন এবং কবিতা লেখা নেপকিনটি পৌঁছে দিলেন।
সোনিয়া এবং রাজীব—দুজনেই প্রথম দেখাতেই একে অপরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। সোনিয়া পরে তার এক বইয়ে লিখেছেন, "খুব কাছ থেকে আমাদের চোখ যখন প্রথম মুখোমুখি হলো, আমি নিজের বুকের ধুকপুকানি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম। আমাদের দুজনের জন্যই সেটা ছিল প্রথম দেখাতেই প্রেম।"
এর পরের দিনগুলো তাদের জন্য বেশ আনন্দময় ছিল। পুরনো একটি গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে নৌকা চালানো এবং সিনেমা দেখতে যাওয়া—সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক সময় কাটছিল তাদের।
তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো, প্রেমে পড়ার পরও সোনিয়া জানতেন না যে রাজীব ভারতের এত বড় রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে! কিছুদিন পর এক বন্ধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখালে সোনিয়া প্রথম বুঝতে পারেন, তার মনের মানুষটি আসলে ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান।
সূত্র: নিউজ ১৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ